← মূল তালিকায় ফিরুন
🕊️ জুলাই ২০২৪ বিপ্লবের বীর শহীদ
মানিক মিয়া
শহীদ
Memorial QR Code

📱 স্মার্ট কিউআর কোড

মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে এই প্রোফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করুন।

🌹 দোয়া

বাটনে ক্লিক করে এই বীর শহীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দোয়া জ্ঞাপন করুন

নাম

মানিক মিয়া

📅 জন্ম তারিখ

২২ জুলাই, ১৯৯৮

🕊️ শাহাদাত বরণের তারিখ

৫ আগস্ট, ২০২৪

🗺️ বিভাগ

ঢাকা

📍 জেলা

মুন্সিগঞ্জ

👤 শহীদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত

পেশা: ছাত্র ও ফ্রিল্যান্সার,
শাহাদাতের স্থান : ঢাকা চানখারপুল।

📜

শাহাদাতের বিস্তারিত ঘটনা ও ইতিহাস

শহীদ মানিক মিয়া ১৯৯৮ সালের ২২ শে জুলাই মুন্সিগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো: আনিস চৌধুরী এবং মাতা মৃত কানিজ রাবেল। মাতৃহীন শহীদ মানিক মিয়া সরকারি তুলারাম কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। মানিক মিয়ার মৃত্যুর ৬ বছর পূর্বে তার মা ইন্তেকাল করেন। দুই ভাই ও এক বোনকে নিয়ে তার ৬৫ বছর বয়স্ক বাবা কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। নিজের ভিটেমাটি ছাড়া অন্য কোনো জমি না থাকাই অন্যের জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করতেন। শহীদ মানিক মিয়া পড়াশোনার পাশাপাশি টিউশনি ও ফ্রিল্যান্সিং করে পরিবারকে আর্থিকভাবে সহায়তা করতেন। বাবার স্বপ্ন ছিল ছেলে শহীদ মানিক মিয়া পড়াশুনা শেষ করে পরিবারের হাল ধরবেন। শহীদ মানিক মিয়ার অকাল মৃত্যুতে সেই স্বপ্ন অংকুরেই শেষ হয়ে গেল। তার মৃত্যুতে ভাই, বোন ও বাবা একেবারে অসহায় হয়ে পড়েন। একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিটি শহীদ হয়ে যাওয়ায় পরিবারের আয় উপার্জন করার মতো আর কেউ থাকলো না।
শাহাদাতের প্রেক্ষাপট
কোটা বিরোধী আন্দোলন এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শেষ পর্যন্ত ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী এক দফা আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়। ছাত্র জনতাসহ দেশের আপামর জনসাধারণ খুনি হাসিনার পদত্যাগের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হয়। এ আন্দোলনে রাজধানী ঢাকার অধিবাসীরা জীবনবাজি রেখে সর্বাত্মক আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সারাদেশব্যাপী মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির ডাক দেয়। উক্ত কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকায় অবস্থান গ্রহণ করেন। সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট খুনি হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা এবং পুলিশ অস্ত্রসস্ত্রসহ উক্ত কর্মসূচিতে আক্রমণ পরিচালনা করে। এসময় শহীদ মানিক মিয়া মাথায় গুলিবিদ্ধ হন এবং মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসারত অবস্থায় দুপুর বারোটা ত্রিশ মিনিটে মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পৃথিবী থেকে চির বিদায় নেয়। বিজয়ের মাত্র কয়েক ঘণ্টা পূর্বে তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গিত করেন।
শহীদের পরিবার সংক্রান্ত বিশেষ তথ্য
দেশ মাতৃকারের জন্য জীবন উৎসর্গকারী শহীদ মানিক মিয়ার বাবার ভিটে-মাটি ছাড়া কৃষি জমি বলতে কিছুই নেই। ছোট ভাই আহমাদ চৌধুরী (২০) বিবিএ অধ্যানরত এবং বোন মুক্তার লীলা (১৪) নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। উপার্জনক্ষম ব্যাক্তিটিকে হারিয়ে পুরো পরিবার দিশেহারা।
একনজরে শহীদ পরিচিতি
নাম : মানিক মিয়া
পিতার নাম : মো: আনিস চৌধুরী
মাতার নাম : মৃত কানিজ রাবেল
জন্ম তারিখ : ২২ জুলাই ১৯৯৮
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: রাম গোপালপুর, ইউনিয়ন: দক্ষিণ রাম গোপালপুর, থানা: মুন্সিগঞ্জ সদর, জেলা: মুন্সিগঞ্জ
বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: রাম গোপালপুর, ইউনিয়ন: দক্ষিণ রাম গোপালপুর, থানা: মুন্সিগঞ্জ সদর, জেলা: মুন্সিগঞ্জ
ভাই বোন : এক ভাই, এক বোন
শহীদ হওয়ার স্থান : ঢাকা চানখারপুল
শহীদ হওয়ার সময় : ৫ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২:৩০ মিনিট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
যাদের আক্রমণের শহীদ : আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী এবং পুলিশ
প্রস্তাবনা
১. শহীদ পরিবারের জন্য নিয়মিত অনুদানের ব্যবস্থা করা
২. শহীদের বৃদ্ধ পিতার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা
৩. বিবিএ অধ্যয়নরত ছোট ভাইয়ের পড়াশোনার ব্যয় নির্বাহ করা এবং পড়াশোনা শেষে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া
৪. ছোট বোনের লেখাপড়ার ব্যয় বহন করা
📖

পবিত্র কুরআনের বাণী

আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে মৃত বলো না; বরং তারা জীবিত; কিন্তু তোমরা উপলব্ধি করতে পার না। (সুরা আল-বাকারা ২:১৫৪)

🕌

হাদীস শরীফ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “শহীদদের আত্মা সবুজ পাখির পেটে থাকে।” (সহীহ মুসলিম ১৮৮৭)

🖼️

শহীদের স্মৃতিচিত্র ও ফটো গ্যালারি

Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
▶️

গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ক্লিপ ও সাক্ষ্য

📢 এই আত্মত্যাগের ইতিহাস শেয়ার করুন