← মূল তালিকায় ফিরুন
🕊️ জুলাই ২০২৪ বিপ্লবের বীর শহীদ
মো: মনির হোসেন
শহীদ
Memorial QR Code

📱 স্মার্ট কিউআর কোড

মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে এই প্রোফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করুন।

🌹 দোয়া

বাটনে ক্লিক করে এই বীর শহীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দোয়া জ্ঞাপন করুন

নাম

মো: মনির হোসেন

📅 জন্ম তারিখ

৯ জুন, ১৯৭৩

🕊️ শাহাদাত বরণের তারিখ

২২ জুলাই, ২০২৪

🗺️ বিভাগ

ঢাকা

📍 জেলা

কুমিল্লা

👤 শহীদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত

পেশা : নিরাপত্তা প্রহরী,
শাহাদাতের স্থান : ধানমন্ডি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

📜

শাহাদাতের বিস্তারিত ঘটনা ও ইতিহাস

শহীদ মোঃ মনির হোসেন কুমিল্লা জেলায় ১৯৭৩ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। পিতা: মৃত মমতাজুর রহমান এবং মাতা: ছাদিয়া বেগম। শহীদ মো: মনির হোসেন নিরাপত্তা প্রহরীর চাকুরী করতেন। তার বড় দুই ছেলেমেয়ে বিবাহিত। ছোট ছেলে সাব্বির (২০) বেকার। ২০ জুলাই ২০২৪ পাইনাদি সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ছোড়া গুলিতে আহত হন এবং ২২ জুলাই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
শাহাদাতের প্রেক্ষাপট
মাদার অফ মাফিয়ার কুসন্তান খুনি হাসিনার মানসপুত্র গডফাদার শামীম ওসমান ও তার পরিবারের লোকদের কাছে পুরো নারায়ণগঞ্জ জিম্মি হয়ে পড়েছিল। ঘৃণিত এই পরিবারটির ভয়ে নারায়ণগঞ্জের কোনো মানুষ টু শব্দটি করতে পারত না। হত্যা সন্ত্রাস গুম খুনসহ এমন কোনো অপরাধ ছিল না যার সাথে শামীম ওসমান পরিবারের সংশ্লিষ্টতা ছিল না। সন্ত্রাস কবলিত এই জনপদের মানুষ মুক্ত বাতাসে শ্বাস নিতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল। তবে আওয়ামী লীগের গুন্ডাবাহিনীও ছিল বেপরোয়া। তারা যেকোনো মূল্যে এ অঞ্চলে আধিপত্য অটুট রাখতে তাৎপর ছিল। ২০ জুলাই এ অঞ্চলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র নেতৃবৃন্দের আহবানে সাড়া দিয়ে মুক্তিকামী জনতা সমবেত হতে থাকলে আওয়ামী লীগের পেটুয়া বাহিনী নিরস্ত্র জনগণের ওপর আক্রমণ শুরু করে। মুসল্লী হতে শুরু করে সাধারণ মানুষও তাদের হাত থেকে নিস্তার পাচ্ছিলেন না। শহীদ মনির হোসেন আসরের নামাজ পড়ে মসজিদ হতে বের হচ্ছিলেন এমন সময় ঘাতকের ছোড়া গুলি মাথায় আঘাত হানলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন তাকে ধানমন্ডি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। তিন দিন মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ে ২২ জুলাই ২০২৪ ইং তারিখে বিকাল ৩:৩০ মিনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শহীদ পরিবারের বিশেষ তথ্য
শহীদ মোঃ মনির হোসেনের ভিটে বাড়ি এবং কৃষিজমি কিছুই নেই। তিনি নিরাপত্তা প্রহরির চাকুরী করতেন। তার বড় ছেলে পরিবার নিয়ে অন্যত্র বসবাস করেন। শহীদ মনির হোসেনের মৃত্যুর পর পরিবারটির উপার্জনের আর কেউ অবশিষ্ট নাই। বিধবা স্ত্রী নুরজাহানের মাথা গোজার মতো কোনো ঠায় নেই। পরিবারটি পরিচালনার জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম : শহীদ মো: মনির হোসেন
পিতার নাম : মৃত মো: মমতাজুর রহমান
মাতার নাম : মোসা: ছাদিয়া বেগম
জন্ম তারিখ : ৪ জুন ১৯৭৩
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম- আমিন বাড়ি তালতলা, ইউনিয়ন: তালতলা, থানা: মনোহরগঞ্জ, জেলা: কুমিল্লা
বর্তমান ঠিকানা : পিএম মোড়, প্রাইনাদি নতুন মহল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
বৈবাহিক অবস্থা : বিবাহিত
ছেলে-মেয়ে : দুই ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে মো: সবুজ মিয়া (৩০) বিবাহিত
অপর ছেলে সাব্বির (২০) বেকার এবং মিলন আক্তার (২৭) বিবাহিত
আহত হওয়ার স্থান : প্রাইনাদি, সিদ্ধিরগঞ্জ
আহত হওয়ার সময়কাল : ২০ জুলাই, ২০২৪ সময়: বিকাল ৫টা ৩০ মিনিট
শহীদ হওয়ার সময় : ২২ জুলাই বিকাল ৩টা ৩০ মিনিট, ধানমন্ডি পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
যাদের আক্রমনে শহীদ : আওয়ামী লীগ ও যুবলীগ
প্রস্তাবনা
১. শহীদ পরিবারের জন্য একটি স্থায়ী আবাসন তৈরি করে দেওয়া
২. শহীদের পরিবারের জন্য নিয়মিত ভাতার ব্যবস্থা করা
৩. শহীদের ছোট সন্তানের আয় রোজগারের ব্যবস্থা করা
📖

পবিত্র কুরআনের বাণী

তারা তাদের রবের দেওয়া অনুগ্রহে আনন্দিত, এবং যারা এখনও তাদের সাথে মিলিত হতে পারেনি তাদের জন্যও তারা সুসংবাদ গ্রহণ করে। (সুরা আলে ইমরান ৩:১৭০)

🕌

হাদীস শরীফ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “শহীদদের জন্য জান্নাতে ৭০ জন আত্মীয়ের জন্য সুপারিশ করার অধিকার থাকবে।” (সুনান আবু দাউদ ২৫২০)

🖼️

শহীদের স্মৃতিচিত্র ও ফটো গ্যালারি

Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন

📢 এই আত্মত্যাগের ইতিহাস শেয়ার করুন