← মূল তালিকায় ফিরুন
🕊️ জুলাই ২০২৪ বিপ্লবের বীর শহীদ
মো: নাদিম
শহীদ
Memorial QR Code

📱 স্মার্ট কিউআর কোড

মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে এই প্রোফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করুন।

🌹 দোয়া

বাটনে ক্লিক করে এই বীর শহীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দোয়া জ্ঞাপন করুন

নাম

মো: নাদিম

📅 জন্ম তারিখ

১২ আগস্ট, ১৯৮৬

🕊️ শাহাদাত বরণের তারিখ

১৯ জুলাই, ২০২৪

🗺️ বিভাগ

ঢাকা_সিটি

📍 জেলা

ঢাকা

👤 শহীদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত

পেশা: শিক্ষকতা (নিজ মালিকাধিন কোচিং সেন্টার) ও ব্যবসা ( এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডার)
শাহাদাতের স্থান : এডভান্স হাসপাতাল, বনশ্রী, ঢাকা

📜

শাহাদাতের বিস্তারিত ঘটনা ও ইতিহাস

শহীদের পরিচয়
মো: নাদিম। তার পিতা মরহুম শেখ সামসুল হক এবং মাতা মরহুমা নাসিমা হক। ঢাকা জেলায় শাহ আলী থানার মিরপুর-১ এর ৬ নং এভিনিউ রোডে ঈদগাহ মাঠের পাশেই তার অস্থায়ী ঠিকানা। তিনি মিরপুরে জন্মগ্রহণ করেন। তার জন্ম তারিখ ১২-০৮-১৯৮৬। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি তার ছিল গ্যাস সিলিন্ডারের ব্যবসা। তার নিজস্ব পরিচালনায় একটি কোচিং সেন্টারও ছিল। তার দুই সন্তান; বড় ছেলে আনাসের বয়স ৩ বছর এবং ছোট ছেলে আহনাফের বয়স দেড় বছর। দুই ছেলে ও স্ত্রীকে রেখে স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের পুলিশের গুলিতে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
জন্ম তার মিরপুরে হলেও তিনি বসবাস করতেন তার শ্বশুরবাড়ির এলাকা রামপুরায়। রামপুরা থানার পাশেই ছিল তার গ্যাস সিলিন্ডারের দোকান। তিনিই ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তার আকস্মিক মৃত্যুতে গোটা পরিবার এখন খুবই অসহায়। তার আয় ছিল খুবই সীমিত। মাসিক প্রায় ১৫০০০ টাকা আয়ে কোনরকমভাবে তার সংসার চলছিলো।
দেশের জন্য জীবন দিলেন নাদিম
শহীদ মো: নাদিম সাহসী এক যোদ্ধা যিনি জুলাই বিপ্লবে স্বৈরশাসক হটাতে প্রাণ দিয়েছেন। জুলাই ২০২৪ ছাত্র-জনতার তুমুল আন্দোলনে অংশ নিয়ে রাজপথে লড়েছে লড়াকু সৈনিকেরা। ১৯ জুলাই দুপুরে রামপুরার বনশ্রী এলাকায় আন্দোলনে যোগ দেন নাদিম। ছাত্র জনতার আন্দোলনে কাঁপতে থাকে রাজপথ। চলছে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন। ভীত হয়ে পড়ে হাসিনা সরকার। হাসিনার পুলিশ বাহিনী গুলি করে নিরীহ ছাত্র-জনতার মিছিলে। বনশ্রী এলাকায় পুলিশের গুলিতে সেদিন আহত হয় মিছিলের অনেকেই। নাদিম তাদের মধ্যে একজন। তার পেটে গুলি লাগে। তিনি আহত হন বনশ্রী রামপুরা থানার সামনে। তাকে গুলি করে রামপুরা থানার পুলিশ বাহিনী। সেদিন ছিল জুম’আর দিন। নামাজ শেষে জনতার ঢল নামে রাজপথে। নামাজের পরপরই তিনি গুলিবিদ্ধ হন। দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। ঐদিন অর্থাৎ ১৯ জুলাই এডভান্স হাসপাতালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তথ্যমতে, হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তিনি ইন্তেকাল করেন। জানাজা শেষে শহীদ নাদিমকে মিরপুরে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়।
শহীদের স্ত্রীর বক্তব্য
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে শহীদ হওয়া মো: নাদিমের স্ত্রীর মতে নাদিম একজন দায়িত্বশীল মানুষ ছিলেন। সংসারের পরিপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন সচেতন। কারও সাথে ঝগড়া করতেন না। হাসিমুখ ছিল তার অনন্য বৈশিষ্ট্য। সাবলেট নিয়ে ভাড়া বাসায় ছিল ছোট সংসার। সন্তানদের জন্য ছিলেন আদর্শ বাবা। প্রতিবেশীদের সাথে ছিল সুসম্পর্ক।
এক নজরে শহীদের ব্যাক্তিগত তথ্য
নাম : মো: নাদিম
পেশা : শিক্ষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী
জন্ম তারিখ : ১২-০৮-১৯৮৬
জন্মস্থান : মিরপুর
আহত হওয়ার তারিখ : ১৯ জুলাই বাদ জুমা
শাহাদাতের তারিখ : ১৯ জুলাই বাদ জুমা, এডভান্স হাসপাতাল
দাফনের স্থান : মিরপুর
স্থায়ী ঠিকানা : মিরপুর-১, ৬-এভিনিউ রোড, ঈদগাহ মাঠ
বর্তমান ঠিকানা : রামপুরা থানার পাশে, রামপুরা, ঢাকা
পিতা : মরহুম শেখ সামসুল হক
মাতা : মরহুমা নাসিমা হক
সম্ভাব্য প্রস্তাবনা
শহীদ মো: নাদিম রেখে গিয়েছেন স্ত্রী ও অবুঝ দুই শিশুপুত্র। তার অসহায় পরিবারের পাশে অবশ্যই
সহযোগিতার হাত বাড়ানো উচিত। এককালীন একটি বড় বাজেট তার পরিবারের জন্য বরাদ্দ করা।
শহরে একটি থাকার জায়গা বরাদ্দ দেওয়া।
প্রতি মাসে নির্ধারিত অর্থ বরাদ্দ করা।
মাসিক বরাদ্দের পাশাপাশি রেশনের ব্যবস্থা করা।
সন্তানদের লেখাপড়া ব্যয় বহন করা। শহীদ সন্তান হিসেবে গ্রাজুয়েট হওয়া পর্যন্ত সমস্ত খরচ মওকুফ করা।
চিকিৎসার জন্য চিকিৎসা ভাতার পাশাপাশি হাসপাতালে ফ্রি চিকিৎসার ব্যবস্থা রাখা।
📖

পবিত্র কুরআনের বাণী

আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে কখনোই মৃত মনে করো না; বরং তারা জীবিত এবং তাদের রবের কাছ থেকে তারা জীবিকা-প্রাপ্ত হয়ে থাকে। (সুরা আল-ইমরান ৩:১৬৯)

🕌

হাদীস শরীফ

হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে আন্তরিকভাবে শাহাদাত কামনা করে, আল্লাহ তাকে শহীদের মর্যাদায় পৌঁছে দেন।” (সহীহ মুসলিম ১৮৮৮)

🖼️

শহীদের স্মৃতিচিত্র ও ফটো গ্যালারি

Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন

📢 এই আত্মত্যাগের ইতিহাস শেয়ার করুন