← মূল তালিকায় ফিরুন
🕊️ জুলাই ২০২৪ বিপ্লবের বীর শহীদ
আবদুল কাইয়ুম
শহীদ
Memorial QR Code

📱 স্মার্ট কিউআর কোড

মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে এই প্রোফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করুন।

🌹 দোয়া

বাটনে ক্লিক করে এই বীর শহীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দোয়া জ্ঞাপন করুন

নাম

আবদুল কাইয়ুম

📅 জন্ম তারিখ

১৯ এপ্রিল, ২০০৭

🕊️ শাহাদাত বরণের তারিখ

১৮ জুলাই, ২০২৪

🗺️ বিভাগ

চট্টগ্রাম

📍 জেলা

নোয়াখালী

👤 শহীদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত

পেশা : কাজ শিখতেন যাত্রাবাড়ী ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড,
শাহাদাতের স্থান : কাজলা, ঢাকা

📜

শাহাদাতের বিস্তারিত ঘটনা ও ইতিহাস

শহীদ আবদুল কাইয়ুম ২০০৭ সালের ১৯ এপ্রিল নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার নরোত্তমপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম আলা উদ্দিন এবং মাতা বিবি খোদেজা। চার ভাই বোনের মধ্যে আবদুল কাইয়ুম বয়সে সবার ছোট। মীর কাসেম বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে সপ্তম শ্রেণী পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন তিনি। এরপর এসির কাজ শেখার জন্য চলে আসেন ঢাকায়। যাত্রাবাড়ীতে ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স এ কাজ শিখা শুরু করেছেন। কিন্তু শেষ করে যেতে পারেননি।
কেমন আছে শহীদের পরিবার
শহীদ আবদুল কাইয়ুমের বড় ভাই আরব আমিরাতে থাকেন। তিন মাস পূর্বে চার লক্ষ টাকা ঋণ করে তার ভাইকে আরব আমিরাতে পাঠানো হয়। মেঝো ভাই কাঠমিস্ত্রির কাজ করেন। একমাত্র বোনটি বিবাহিতা।
বয়স্ক পিতার কোন আয় নেই। শহীদ কাইয়ুম চেয়েছিলেন ভাইদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সংসারের হাল ধরতে। তা আর হলো না। আদরের ছোট ছেলেকে হারিয়ে মা বাবা যেন পাগলপ্রায়।
যেভাবে শহীদ হলেন
শহীদ কাইয়ুম কাজ শিখতে গিয়েছিলেন যাত্রাবাড়ী ট্রান্সকম ইলেকট্রনিক্স লিমিটেড। সেখান থেকেই তিনি যোগদান ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে। শুরু থেকে যাত্রাবাড়ী এলাকা ছাত্রদের আন্দোলনের একটি মজবুত কেন্দ্র ছিল এবং পুরো এলাকা জুড়ে ছিল পুলিশের পাহারা। দলকানা পুলিশ দফায় দফায় আক্রমণ চালায় ছাত্রদের উপর। হেলিকপ্টার থেকেও ছোঁড়া হয় টিয়ারশেল ও বুলেট। তবু থেমে যায়নি তরুণ ছাত্ররা। জীবন বাজি রেখে আন্দোলন চালিয়ে যায়। ১৮ জুলাই কাজলা এলাকায় মিছিল থেকে ফেরার পথে পুলিশের গুলির মুখে পড়ে যায় শহীদ আব্দুল কাইয়ুম অনবরত গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যায় শহীদ কায়ুমের দেহ। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন তিনি। পুলিশের গুলির কারণে কেউ আগাতে পারছিলোনা কাইয়ুমকে একটু সহযোগিতা করতে। অনবরত রক্তক্ষরণ হতে থাকে আহত স্থান থেকে। আহতদের আর্ত চিৎকারে আকাশ বাতাস ভারী হয়ে উঠেছিলো সেদিন। অল্প সময়ের মধ্যেই শহীদ হয়ে যান আবদুল কাইয়ুম। রাস্তায় পড়ে থাকে শহীদ কাইয়ুমের নিথর দেহ।
এক নজরে শহীদ পরিচিতি
পুরো নাম : আবদুল কাইয়ুম
জন্ম তারিখ : ১৯/০৪/২০০৭
পিতার নাম : আলা উদ্দিন
বয়স : ৬০
মাতার নাম : বিবি খোদেজা
বয়স : ৫২
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৭
আহত হওয়ার স্থান ও তারিখ : কাজলা,ঢাকা, ১৮ জুলাই ২০২৪
আক্রমণকারী : পুলিশ
নিহত হওয়ার স্থান ও তারিখ : কাজলা, ঢাকা ১৮ জুলাই ২০২৪
ঠিকানা : গ্রাম: নরোত্তমপুর, ইউনিয়ন: ১০ নং নরোত্তমপুর, থানা: বেগমগঞ্জ, জেলা: নোয়াখালী
সমাধি : নিজ গ্রামে
শহীদ পরিবারকে যেভাবে সহযোগিতা করা যায়
১. শহীদের বাবা মায়ের চিকিৎসায় সহযোগিতা করে দেওয়া যেতে পারে
২. ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেওয়া যেতে পারে
৩. মেঝো ভাইকে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করে দেওয়া যেতে পারে
📖

পবিত্র কুরআনের বাণী

আর যারা আল্লাহর পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে কখনোই মৃত মনে করো না; বরং তারা জীবিত এবং তাদের রবের কাছ থেকে তারা জীবিকা-প্রাপ্ত হয়ে থাকে। (সুরা আল-ইমরান ৩:১৬৯)

🕌

হাদীস শরীফ

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “শহীদদের জন্য জান্নাতে ৭০ জন আত্মীয়ের জন্য সুপারিশ করার অধিকার থাকবে।” (সুনান আবু দাউদ ২৫২০)

🖼️

শহীদের স্মৃতিচিত্র ও ফটো গ্যালারি

Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন

📢 এই আত্মত্যাগের ইতিহাস শেয়ার করুন