মো: শাহ পরান
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : রাজমিস্ত্রীর কাজ
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
পরিচিতি
মো: শাহ পরান ২০০০ সালের ৪ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের মালপাড়া গ্রামে। তাঁর জন্মগ্রাম ছিল এক নিরব গ্রামীণ জনপদ, যেখানে তার শৈশব কেটেছে সাধারণ অথচ সংগ্রামী বাস্তবতার মধ্যে দিয়ে। পারিবারিক জীবন তার পিতা মৃত আবির আলী একজন কৃষক ছিলেন। কঠোর পরিশ্রম করে পরিবার চালাতেন এবং সন্তানদের আদর্শিকভাবে গড়ে তোলার জন্য সবসময় সচেষ্ট ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি আর বেঁচে নেই। তাঁর মা সালমা বেগম (৫৫) একজন মমতাময়ী নারী, যিনি সন্তানদের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং আত্মবিশ্বাসের বীজ বপন করে চলেছেন। শাহ পরান তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট।
কর্মজীবন ব্যক্তিগত জীবনে মো: শাহ পরান একজন রাজমিস্ত্রী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শ্রমজীবী হয়েও তিনি সমাজের প্রতি গভীর দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করতেন। সমাজের অসংগতি, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অনুভব ছিল তীব্র এবং প্রতিবাদী।
সংগ্রামী জীবন ছোটবেলা থেকেই শাহ পরান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে ভাবতেন গভীর মননে। তিনি ন্যায়ের পক্ষে নিজের অবস্থান কখনো আড়াল করেননি। জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় শুরু হয় তখন, যখন তিনি দেশের রাজপথে ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। ভয়, নিপীড়ন, রক্ত কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। তাঁর সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়চেতা মানসিকতা কেবল তাঁর প্রজন্মের নয়-অনাগত বহু প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকবে এক আলোকবর্তিকা। সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ ২০ জুলাই, ২০২৪। মো: শাহ পরান ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় চলমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সেখানে তার কিছু বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের সাথে রাজপথে অবস্থান করছিলেন। আন্দোলনটি একসময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন পুলিশ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মিলে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে যখন ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আশেপাশের ভবনের ছাদ থেকে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এ সময় একজন আন্দোলনকারী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। শাহ পরান তখন জীবন বাঁচাতে রুপসী গার্মেন্টসের পাশের একটি সরু গলিতে আশ্রয় নিতে যান। কিন্তু সেই গলিতেও নিরাপদ ছিলেন না তিনি। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সেদিকেও তাণ্ডব চালায় এবং শাহ পরানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি তার হাঁটুর নিচে পায়ে বিদ্ধ হয় এবং তা হাড় ভেঙে চুরমার করে দেয়। রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি রাস্তার উপর পড়ে থাকেন। পরে আন্দোলনে অংশ নেয়া সহযোদ্ধারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে তাঁর অবস্থা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়নি এবং যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়নি। ফলে পরে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রাইম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তাঁকে উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এই নির্মম হামলা ও চিকিৎসার অবহেলা শুধু একজন শাহ পরানকে ক্ষতবিক্ষত করেনি বরং তা গোটা প্রজন্মের কাছে একটি নিষ্ঠুর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা মো: শাহ পরান গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সহযোদ্ধারা তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করলেও কোনো চিকিৎসক তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেননি। গুরুতর আহত অবস্থায়ও চিকিৎসা না পাওয়ায় পরিবার বাধ্য হয়ে তাঁকে সেখান থেকে ঢাকা প্রাইম হাসপাতালে স্থানান্তর করে। প্রাইম হাসপাতালে নেয়ার পরই সেখানে তাঁর এক্সরে করা হয়। এক্সরেতে দেখা যায়, গুলির আঘাতে পায়ের হাড় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার (সার্জারি) করা হয় এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হাড় রড (ধাতব পাত) ব্যবহার করে জোড়া দেয়া হয়। বর্তমানে শাহ পরানের পায়ে এখনো রড স্থাপন করা আছে। তিনি এখনও স্বাভাবিকভাবে হাঁটা-চলা করতে পারেন না এবং তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে। এই অবস্থায় তিনি চরম শারীরিক কষ্ট ও জীবনের গতিশীলতা হারিয়ে একজন স্থবির বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা পূর্ণ চিকিৎসার জন্য সরকারি সহায়তা, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সুবিধা, চিকিৎসা ব্যয়ের আর্থিক সহায়তা, নিয়মিত ফলোআপ ও মেডিকেল মনিটরিং। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা স্থায়ী ও নিরাপদ চাকরির ব্যবস্থা, চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসা ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা।
এক নজরে মো: শাহ পরান
নাম : মো: শাহ পরান
জন্ম তারিখ : ০৪/০৭/২০০০
জন্মস্থান : জামালপুর
পেশা : রাজমিস্ত্রীর কাজ
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: মালপাড়া, ইউনিয়ন: গাইবান্ধা, থানা: ইসলামপুর, জেলা: জামালপুর
বর্তমান ঠিকানা : ৩নং পলাশপুর, শনির আখড়া, কদমতলী, ঢাকা পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মৃত আবির আলী
পিতার পেশা ও বয়স : মৃত
মায়ের নাম : সালমা
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৫৫
মাসিক আয় : ১৫০০০
আয়ের উৎস : দিনমজুর
বাড়ির বিবরণ : ভাড়া বাসায়
সম্পদের পরিমাণ : ভিটে আছে
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৭জন
ভাই-বোনদের নাম
১. জামাল মিয়া, বয়স: ৩০ পেশা: দিনমজুর সম্পর্ক: ভাই
২. বর্ষা আক্তার, বয়স: ২৭ পেশা: দিনমজুর সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার বিবরণ
আহত হওয়ার স্থান : ঢাকার যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ, শনির আখড়া এলাকায়
তারিখ ও সময় : ২০ জুলাই, ২০২৪, রাত ৮.০০ মিনিটের দিকে আক্রমণকারী : পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্তৃক
আঘাতের ধরণ : হাঁটুর নিচে গুলি লেগে হাড় ভেঙ্গে গেছে
চিকিৎসা : ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল ও ঢাকা প্রাইম হাসপাতাল চিকিৎসা ব্যয় : প্রায় ৪ লাখ
বর্তমান অবস্থা : তিনি ভারী কোন কাজ করতে পারেন না
মো: শাহ পরান ২০০০ সালের ৪ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের মালপাড়া গ্রামে। তাঁর জন্মগ্রাম ছিল এক নিরব গ্রামীণ জনপদ, যেখানে তার শৈশব কেটেছে সাধারণ অথচ সংগ্রামী বাস্তবতার মধ্যে দিয়ে। পারিবারিক জীবন তার পিতা মৃত আবির আলী একজন কৃষক ছিলেন। কঠোর পরিশ্রম করে পরিবার চালাতেন এবং সন্তানদের আদর্শিকভাবে গড়ে তোলার জন্য সবসময় সচেষ্ট ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি আর বেঁচে নেই। তাঁর মা সালমা বেগম (৫৫) একজন মমতাময়ী নারী, যিনি সন্তানদের মধ্যে নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং আত্মবিশ্বাসের বীজ বপন করে চলেছেন। শাহ পরান তিন ভাইয়ের মধ্যে সবার ছোট।
কর্মজীবন ব্যক্তিগত জীবনে মো: শাহ পরান একজন রাজমিস্ত্রী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। শ্রমজীবী হয়েও তিনি সমাজের প্রতি গভীর দৃষ্টিভঙ্গি পোষণ করতেন। সমাজের অসংগতি, বৈষম্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তাঁর অনুভব ছিল তীব্র এবং প্রতিবাদী।
সংগ্রামী জীবন ছোটবেলা থেকেই শাহ পরান রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা নিয়ে ভাবতেন গভীর মননে। তিনি ন্যায়ের পক্ষে নিজের অবস্থান কখনো আড়াল করেননি। জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় শুরু হয় তখন, যখন তিনি দেশের রাজপথে ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে দাঁড়ান। ভয়, নিপীড়ন, রক্ত কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। তাঁর সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়চেতা মানসিকতা কেবল তাঁর প্রজন্মের নয়-অনাগত বহু প্রজন্মের জন্য হয়ে থাকবে এক আলোকবর্তিকা। সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ ২০ জুলাই, ২০২৪। মো: শাহ পরান ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানাধীন শনির আখড়া এলাকায় চলমান ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি সেখানে তার কিছু বন্ধু ও সহযোদ্ধাদের সাথে রাজপথে অবস্থান করছিলেন। আন্দোলনটি একসময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন পুলিশ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা মিলে আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। শুরু হয় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে যখন ছাত্রলীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আশেপাশের ভবনের ছাদ থেকে আন্দোলনকারীদের লক্ষ্য করে গুলি চালাতে শুরু করে। এ সময় একজন আন্দোলনকারী ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। শাহ পরান তখন জীবন বাঁচাতে রুপসী গার্মেন্টসের পাশের একটি সরু গলিতে আশ্রয় নিতে যান। কিন্তু সেই গলিতেও নিরাপদ ছিলেন না তিনি। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা সেদিকেও তাণ্ডব চালায় এবং শাহ পরানকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। একটি গুলি তার হাঁটুর নিচে পায়ে বিদ্ধ হয় এবং তা হাড় ভেঙে চুরমার করে দেয়। রক্তাক্ত ও গুরুতর আহত অবস্থায় তিনি রাস্তার উপর পড়ে থাকেন। পরে আন্দোলনে অংশ নেয়া সহযোদ্ধারা দ্রুত তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে তাঁর অবস্থা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হয়নি এবং যথাযথ চিকিৎসা দেয়া হয়নি। ফলে পরে তাকে ঢাকার একটি বেসরকারি প্রাইম হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়, যেখানে তাঁকে উন্নত চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এই নির্মম হামলা ও চিকিৎসার অবহেলা শুধু একজন শাহ পরানকে ক্ষতবিক্ষত করেনি বরং তা গোটা প্রজন্মের কাছে একটি নিষ্ঠুর বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা মো: শাহ পরান গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর সহযোদ্ধারা তাঁকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে পৌঁছানোর পর তাঁর পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করলেও কোনো চিকিৎসক তাঁকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেননি। গুরুতর আহত অবস্থায়ও চিকিৎসা না পাওয়ায় পরিবার বাধ্য হয়ে তাঁকে সেখান থেকে ঢাকা প্রাইম হাসপাতালে স্থানান্তর করে। প্রাইম হাসপাতালে নেয়ার পরই সেখানে তাঁর এক্সরে করা হয়। এক্সরেতে দেখা যায়, গুলির আঘাতে পায়ের হাড় সম্পূর্ণভাবে ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। এরপর জরুরি ভিত্তিতে তাঁর পায়ে অস্ত্রোপচার (সার্জারি) করা হয় এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত হাড় রড (ধাতব পাত) ব্যবহার করে জোড়া দেয়া হয়। বর্তমানে শাহ পরানের পায়ে এখনো রড স্থাপন করা আছে। তিনি এখনও স্বাভাবিকভাবে হাঁটা-চলা করতে পারেন না এবং তার পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলছে। এই অবস্থায় তিনি চরম শারীরিক কষ্ট ও জীবনের গতিশীলতা হারিয়ে একজন স্থবির বাস্তবতার সঙ্গে লড়াই করে চলেছেন। চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা পূর্ণ চিকিৎসার জন্য সরকারি সহায়তা, দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সুবিধা, চিকিৎসা ব্যয়ের আর্থিক সহায়তা, নিয়মিত ফলোআপ ও মেডিকেল মনিটরিং। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা স্থায়ী ও নিরাপদ চাকরির ব্যবস্থা, চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসা ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা।
এক নজরে মো: শাহ পরান
নাম : মো: শাহ পরান
জন্ম তারিখ : ০৪/০৭/২০০০
জন্মস্থান : জামালপুর
পেশা : রাজমিস্ত্রীর কাজ
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: মালপাড়া, ইউনিয়ন: গাইবান্ধা, থানা: ইসলামপুর, জেলা: জামালপুর
বর্তমান ঠিকানা : ৩নং পলাশপুর, শনির আখড়া, কদমতলী, ঢাকা পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মৃত আবির আলী
পিতার পেশা ও বয়স : মৃত
মায়ের নাম : সালমা
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৫৫
মাসিক আয় : ১৫০০০
আয়ের উৎস : দিনমজুর
বাড়ির বিবরণ : ভাড়া বাসায়
সম্পদের পরিমাণ : ভিটে আছে
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৭জন
ভাই-বোনদের নাম
১. জামাল মিয়া, বয়স: ৩০ পেশা: দিনমজুর সম্পর্ক: ভাই
২. বর্ষা আক্তার, বয়স: ২৭ পেশা: দিনমজুর সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার বিবরণ
আহত হওয়ার স্থান : ঢাকার যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ, শনির আখড়া এলাকায়
তারিখ ও সময় : ২০ জুলাই, ২০২৪, রাত ৮.০০ মিনিটের দিকে আক্রমণকারী : পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী কর্তৃক
আঘাতের ধরণ : হাঁটুর নিচে গুলি লেগে হাড় ভেঙ্গে গেছে
চিকিৎসা : ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল ও ঢাকা প্রাইম হাসপাতাল চিকিৎসা ব্যয় : প্রায় ৪ লাখ
বর্তমান অবস্থা : তিনি ভারী কোন কাজ করতে পারেন না
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍