মো. বিল্লাল হোসেন
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
বরুকা, বরুকা বাজার, ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
মো. বিল্লাল হোসেন বুলেটবিদ্ধ জীবন্ত জুলাই। আওয়ামী জুলুমের এক সচিত্র জীবন্ত জাদুঘর। তাঁর শরীরে অত্যাচারী আওয়ামী শাসকের ৩০০টি বুলেট বিদ্ধ হয়। আল্লার অশেষ মেহেরবাণীতে এত বুলেট বিদ্ধ হওয়ার পরও তিনি জীবিত আছেন। আওয়ামী অত্যাচারের জ্বলন্ত জীবন্ত সাক্ষী। তাঁর সারা শরীর বুলেট আর বুলেট। মাত্র আটাশটি বুলেট অপসারণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট বুলেট তাঁর শরীরেই বিদ্ধ আছে। জুলাই নিয়ে কথা আসলে, কেউ যদি কখনো আওয়ামী দোসরপনা করে বিল্লালকে সামনে ধরলে তাদের গালে শক্ত দুটো চপেটাঘাত পড়বে। বিল্লালের এ পরিচয়ই শ্রেষ্ঠ পরিচয়। অবশিষ্ট পরিচয় শুধু লৌকিকতা।
বিল্লাল একজন ব্যবসায়ী। তাঁর ছোট দুই পুত্র সন্তান আছে। তারা হেফজ বিভাগে পড়ে। মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে তাঁর সংসার। গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার বরুকা গ্রামে।
সামনে পুলিশ, পেছনে আওয়ামী লীগ
ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার বরুকা গ্রামের শান্ত শীতল পরিবেশে বেড়ে ওঠা মো. বিল্লাল হোসেনের। সেখানেই স্ত্রী সন্তান, বাবা-মাকে নিয়ে শান্ত সুখের আবহে বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। সন্তানদের দ্বীনদার, আমলদার সুনাগরিক ও ধার্মিক করে গড়ে তোলার প্রাণান্ত প্রচেষ্টা। তিনি দুই সন্তানকেই ভর্তি করে দেন হেফজখানায়। তারা পবিত্র কোরআনুল কারীম হেফজ করছেন।
২০২৪ জুলাই মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোচিত ঘটনা। দীর্ঘ পনেরো বছর আওয়ামী লীগ টানা ক্ষমতায়। এই সময়ে আওয়ামী লীগ কেড়ে নেয় মানুষের ভোটের অধিকার। হরণ করে বাক স্বাধীনতা। বিরোধী মতকে কঠোরতার সাথে করে দমন। খুন, গুম, হামলা, মামলা, দখলদারী, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে মানুষ অতিষ্ঠ। কথা বললেই নেমে আসে আওয়ামী দুঃশাসনের দুর্বিষহ নিপীড়ন, নির্যাতন। এ সবকিছুই মানুষ বুকে পাথর চাপা দিয়ে হজম করে যাচ্ছিল। শত শত নাগরিক চুপ ছিল। জুলাইয়ে যখন ছাত্র আন্দোলন শুরু হলো তারা পেতে লাগল জনতার সমর্থন। আন্দোলনকারীদের উপর সরকারের বর্বরতায় সেই সমর্থন আরও বৃদ্ধি পেতে লাগল। জুলাইয়ে দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ গণহত্যা ঘটালো আওয়ামী লীগ। প্রতিদিন তরতাজা প্রাণের বুকে ছুঁড়ছিল তাজা বুলেট। মানুষ খুন হলো প্রতিদিন। নিরস্ত্র ছাত্রদের এমন নির্মম হত্যা মেনে নিতে পারেনি সাধারণ নাগরিক। সর্বাত্মক সমর্থন দিতে থাকে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। আওয়ামী সরকারের বিপক্ষে রাজপথে প্রতি মুহূর্তে জনতার ঢলও বৃদ্ধি পেতে থাকে। সারাদেশ ছাত্র সমন্বয়কদের ডাকে উত্তাল হয়।
ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলা একটি শান্ত স্থান। খুব বেশি কোলাহল নেই উপজেলা এ শহরটিতে। সেখানেও ছাত্রদের ডাকে হাজার লোক সমবেত হতে থাকে। বিল্লাল হোসেন ছাত্রদের সমর্থনে হাসিনার পতন আন্দোলনে প্রতিদিনই অংশ নেন। প্রতিদিনের মতো ৪ আগস্টও বিল্লাল হোসেন ফুলবাড়িয়া থানা এলাকায় অংশ নেন। সেদিন বিকাল ৩ টার দিকে ফুলবাড়িয়া হাইস্কুলের সামনে ছাত্রদের সাথে মিলিত হন। সেখান থেকে তিনি পৌঁছেন থানা সংলগ্ন মসজিদ গেটে। ছাত্রদের সাথে মিলিত হয়ে সক্রিয় আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তারা খেয়াল করেন সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। পিছনে তাকিয়ে দেখেন সশস্ত্র আওয়ামী লীগ। নিরস্ত্র আন্দোলনকারীরা সহসাই নিজেদের অবরুদ্ধ অনুভব করেন।
অতর্কিতে হামলা
শান্ত মিছিলে অতর্কিতে একযোগে হামলা চালায় পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তারা পূর্ব থেকেই পরিকল্পিত ও প্রস্তুত থেকে হামলা চালায়। সরাসরি গুলি চালায় মিছিলে। শত শত রাউন্ড গুলি আসতে থাকে মিছিলের দিকে। মো. বিল্লাল হোসেন একদম পুলিশের সামনে পড়ে যান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বৃষ্টির মতো গুলি আসতে থাকে তাঁর দিকে। বিল্লাল হোসেনের সমস্ত শরীর বুলেটে বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যায়। প্রায় ৩০০টি বুলেট বিদ্ধ হয় তার শরীরে। শরীরের দিকে তাকালে যে কোনো মানুষ আঁতকে উঠবে। তিনি বেঁচে আছেন আওয়ামী দুঃশাসনের ভয়াবহ ক্ষতচিহ্ন নিয়ে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক কথা
প্রায় ৩০০টি বুলেটে ক্ষত-বিক্ষত দেহ নিয়ে রাস্তায় কাতরাতে থাকেন তিনি। ছাত্র-জনতা তাকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে অসংখ্য রোগী। সরকারী নির্দেশে আহত রোগীদের চিকিৎসা না দিয়ে তাদের যন্ত্রণাকে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কার্যত আহতদের যন্ত্রণা বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিত হত্যার আয়োজনে ব্যস্ত। তিনি সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বা অন্যরা গ্রেফতার আতঙ্ক অনুভব করেন। পরে ময়মনসিংহ শহরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ২৮টির মতো স্পিøন্টার অপসারণ করা হয়। ২৫০-এর উপরে স্পিøন্টার এখনও তার শরীরে গেঁথে আছে।
এক নজরে তার আহত হওয়ার চিত্র
সময় ও তারিখ: ৪ আগস্ট ২০২৪, বিকাল ৪.০০টা
আক্রমণকারী: আক্রমণ করে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ।
স্পট: ফুলবাড়িয়া থানা মসজিদ গেট
কর্মসংস্থান সংক্রান্ত
১. কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা
২. আর্থিক অনুদান
৩. চিকিৎসা ভাতা
৪. ব্যবসা করার পুঁজি দিয়ে পুনর্বাসিত করতে হবে
৫. এককালীন বড় বাজেটের অনুদান প্রদান
প্রস্তাবনা
চিকিৎসা সংক্রান্ত
২৭০টির মতো বুলেট এখনো তার শরীরে বহন করছে। অসহনীয় কষ্টে তার দিন যায়। প্রচণ্ড শারীরিক ব্যথা ও জটিলতা
তাঁর শরীরে। কাজ-কর্মে অক্ষম হয়ে গেছেন। অতি দ্রুত তাঁর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি। প্রয়োজনে তাকে বিদেশে
নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। শরীরের বুলেটগুলো বের করার ব্যবস্থা করা জরুরি।
এক নজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদিব্যক্তিগত তথ্য
নাম : মো. বিল্লাল হোসেন
জন্ম তারিখ : ০২-০৫-১৯৮৮
জন্মস্থান : ফুলবাড়িয়া
পেশা : ব্যবসা (মুদি দোকান)
নিজ জেলা : ময়মনসিংহ
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: বরুকা, ইউনিয়ন: বরুকা বাজার, থানা: ফুলবাড়িয়া, জেলা: ময়মনসিংহ
পিতার নাম : মনোয়ারুল ইসলাম
পিতার পেশা : কর্মহীন
মায়ের নাম : মোছা. হাসিনা খাতুন
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
মাসিক আয় : ১০০০০
আয়ের উৎস : ব্যবসা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : দুই ছেলে, মাহমুদুল হাসান, মাহিন, দু’জনই হেফজ বিভাগে অধ্যায়নরত
বিল্লাল একজন ব্যবসায়ী। তাঁর ছোট দুই পুত্র সন্তান আছে। তারা হেফজ বিভাগে পড়ে। মা, বাবা, স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে তাঁর সংসার। গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার বরুকা গ্রামে।
সামনে পুলিশ, পেছনে আওয়ামী লীগ
ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া থানার বরুকা গ্রামের শান্ত শীতল পরিবেশে বেড়ে ওঠা মো. বিল্লাল হোসেনের। সেখানেই স্ত্রী সন্তান, বাবা-মাকে নিয়ে শান্ত সুখের আবহে বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। সন্তানদের দ্বীনদার, আমলদার সুনাগরিক ও ধার্মিক করে গড়ে তোলার প্রাণান্ত প্রচেষ্টা। তিনি দুই সন্তানকেই ভর্তি করে দেন হেফজখানায়। তারা পবিত্র কোরআনুল কারীম হেফজ করছেন।
২০২৪ জুলাই মাসে বাংলাদেশের ইতিহাসের আলোচিত ঘটনা। দীর্ঘ পনেরো বছর আওয়ামী লীগ টানা ক্ষমতায়। এই সময়ে আওয়ামী লীগ কেড়ে নেয় মানুষের ভোটের অধিকার। হরণ করে বাক স্বাধীনতা। বিরোধী মতকে কঠোরতার সাথে করে দমন। খুন, গুম, হামলা, মামলা, দখলদারী, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে মানুষ অতিষ্ঠ। কথা বললেই নেমে আসে আওয়ামী দুঃশাসনের দুর্বিষহ নিপীড়ন, নির্যাতন। এ সবকিছুই মানুষ বুকে পাথর চাপা দিয়ে হজম করে যাচ্ছিল। শত শত নাগরিক চুপ ছিল। জুলাইয়ে যখন ছাত্র আন্দোলন শুরু হলো তারা পেতে লাগল জনতার সমর্থন। আন্দোলনকারীদের উপর সরকারের বর্বরতায় সেই সমর্থন আরও বৃদ্ধি পেতে লাগল। জুলাইয়ে দেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ গণহত্যা ঘটালো আওয়ামী লীগ। প্রতিদিন তরতাজা প্রাণের বুকে ছুঁড়ছিল তাজা বুলেট। মানুষ খুন হলো প্রতিদিন। নিরস্ত্র ছাত্রদের এমন নির্মম হত্যা মেনে নিতে পারেনি সাধারণ নাগরিক। সর্বাত্মক সমর্থন দিতে থাকে সকল শ্রেণি পেশার মানুষ। আওয়ামী সরকারের বিপক্ষে রাজপথে প্রতি মুহূর্তে জনতার ঢলও বৃদ্ধি পেতে থাকে। সারাদেশ ছাত্র সমন্বয়কদের ডাকে উত্তাল হয়।
ময়মনসিংহ জেলার ফুলবাড়িয়া উপজেলা একটি শান্ত স্থান। খুব বেশি কোলাহল নেই উপজেলা এ শহরটিতে। সেখানেও ছাত্রদের ডাকে হাজার লোক সমবেত হতে থাকে। বিল্লাল হোসেন ছাত্রদের সমর্থনে হাসিনার পতন আন্দোলনে প্রতিদিনই অংশ নেন। প্রতিদিনের মতো ৪ আগস্টও বিল্লাল হোসেন ফুলবাড়িয়া থানা এলাকায় অংশ নেন। সেদিন বিকাল ৩ টার দিকে ফুলবাড়িয়া হাইস্কুলের সামনে ছাত্রদের সাথে মিলিত হন। সেখান থেকে তিনি পৌঁছেন থানা সংলগ্ন মসজিদ গেটে। ছাত্রদের সাথে মিলিত হয়ে সক্রিয় আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ তারা খেয়াল করেন সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ। পিছনে তাকিয়ে দেখেন সশস্ত্র আওয়ামী লীগ। নিরস্ত্র আন্দোলনকারীরা সহসাই নিজেদের অবরুদ্ধ অনুভব করেন।
অতর্কিতে হামলা
শান্ত মিছিলে অতর্কিতে একযোগে হামলা চালায় পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। তারা পূর্ব থেকেই পরিকল্পিত ও প্রস্তুত থেকে হামলা চালায়। সরাসরি গুলি চালায় মিছিলে। শত শত রাউন্ড গুলি আসতে থাকে মিছিলের দিকে। মো. বিল্লাল হোসেন একদম পুলিশের সামনে পড়ে যান। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বৃষ্টির মতো গুলি আসতে থাকে তাঁর দিকে। বিল্লাল হোসেনের সমস্ত শরীর বুলেটে বুলেটে ঝাঁঝরা হয়ে যায়। প্রায় ৩০০টি বুলেট বিদ্ধ হয় তার শরীরে। শরীরের দিকে তাকালে যে কোনো মানুষ আঁতকে উঠবে। তিনি বেঁচে আছেন আওয়ামী দুঃশাসনের ভয়াবহ ক্ষতচিহ্ন নিয়ে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক কথা
প্রায় ৩০০টি বুলেটে ক্ষত-বিক্ষত দেহ নিয়ে রাস্তায় কাতরাতে থাকেন তিনি। ছাত্র-জনতা তাকে উদ্ধার করে তাৎক্ষণিক ফুলবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে অসংখ্য রোগী। সরকারী নির্দেশে আহত রোগীদের চিকিৎসা না দিয়ে তাদের যন্ত্রণাকে অসহনীয় পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কার্যত আহতদের যন্ত্রণা বৃদ্ধি এবং পরিকল্পিত হত্যার আয়োজনে ব্যস্ত। তিনি সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা পেয়ে দ্রুত স্থান ত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বা অন্যরা গ্রেফতার আতঙ্ক অনুভব করেন। পরে ময়মনসিংহ শহরে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। ২৮টির মতো স্পিøন্টার অপসারণ করা হয়। ২৫০-এর উপরে স্পিøন্টার এখনও তার শরীরে গেঁথে আছে।
এক নজরে তার আহত হওয়ার চিত্র
সময় ও তারিখ: ৪ আগস্ট ২০২৪, বিকাল ৪.০০টা
আক্রমণকারী: আক্রমণ করে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ।
স্পট: ফুলবাড়িয়া থানা মসজিদ গেট
কর্মসংস্থান সংক্রান্ত
১. কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা
২. আর্থিক অনুদান
৩. চিকিৎসা ভাতা
৪. ব্যবসা করার পুঁজি দিয়ে পুনর্বাসিত করতে হবে
৫. এককালীন বড় বাজেটের অনুদান প্রদান
প্রস্তাবনা
চিকিৎসা সংক্রান্ত
২৭০টির মতো বুলেট এখনো তার শরীরে বহন করছে। অসহনীয় কষ্টে তার দিন যায়। প্রচণ্ড শারীরিক ব্যথা ও জটিলতা
তাঁর শরীরে। কাজ-কর্মে অক্ষম হয়ে গেছেন। অতি দ্রুত তাঁর উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা জরুরি। প্রয়োজনে তাকে বিদেশে
নিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। শরীরের বুলেটগুলো বের করার ব্যবস্থা করা জরুরি।
এক নজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদিব্যক্তিগত তথ্য
নাম : মো. বিল্লাল হোসেন
জন্ম তারিখ : ০২-০৫-১৯৮৮
জন্মস্থান : ফুলবাড়িয়া
পেশা : ব্যবসা (মুদি দোকান)
নিজ জেলা : ময়মনসিংহ
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: বরুকা, ইউনিয়ন: বরুকা বাজার, থানা: ফুলবাড়িয়া, জেলা: ময়মনসিংহ
পিতার নাম : মনোয়ারুল ইসলাম
পিতার পেশা : কর্মহীন
মায়ের নাম : মোছা. হাসিনা খাতুন
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
মাসিক আয় : ১০০০০
আয়ের উৎস : ব্যবসা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : দুই ছেলে, মাহমুদুল হাসান, মাহিন, দু’জনই হেফজ বিভাগে অধ্যায়নরত
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍