মো: ইয়াসির আরাফাত
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : শিক্ষার্থী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
বেড়ে উঠার গল্প
মো: ইয়াসির আরাফাত জন্মগ্রহণ করেন ২০০১ সালের ৯ জুলাই দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার ছোট হাতিশাল গ্রামে। ছোট্ট এই গ্রামে কৃষক বাবা মো: আজিজুল হক ও মমতাময়ী মা মোছা: রাবেয়া বেগমের কোলে জন্ম নেয়া ইয়াসির বেড়ে উঠেছেন সাদামাটা এক কৃষক পরিবারে।
পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল কৃষিকাজ। পাঁচ সদস্যের সংসারে ছিলেন তার দুই ভাই শিহাব ইঞ্জিনিয়ারিং-এর শিক্ষার্থী এবং ছোট ভাই আদিল মাদ্রাসায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ছেলেবেলায় বইয়ের প্রতি ভালোবাসা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ছিল ইয়াসিরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। গ্রামের স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। পড়াশুনার পাশাপাশি সমাজের অনিয়ম, বৈষম্য, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি হয়ে উঠেন সচেতন ও সোচ্চার।
জুলাই আন্দোলনের জাগরণ
২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেকারত্ব, কোটা সংস্কার ও রাষ্ট্রীয় বৈষম্য নিয়ে ছাত্র-জনতার মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়, তখনই শুরু হয় জুলাই আন্দোলন। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন, যেখানে হাজারো তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমে আসে তাদের অধিকার আদায়ের দাবিতে। জুলাই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও চাকরির সুযোগে সমতা প্রতিষ্ঠা। আন্দোলনের নেতারা শান্তিপূর্ণ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু সরকার সেই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে দমন করতে শুরু করে বর্বরোচিত পন্থায়। ইয়াসির এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন। নর্দান ইউনিভার্সিটি থেকে অনেক ছাত্রকে সঙ্গে নিয়ে তিনি একাধিক সমাবেশ, মানববন্ধনে অংশ নেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, “চুপ থাকলে কখনো পরিবর্তন আসে না।”
উত্তরা ইঘঝ সেন্টারের রক্তাক্ত দুপুর
১৮ জুলাই ২০২৪, দুপুর ২টা, উত্তরা ইঘঝ সেন্টার সেদিন যেন একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। সকাল থেকেই ছাত্র-জনতা সেখানে জমায়েত হচ্ছিলো একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির জন্য। ইয়াসির, ইউনিভার্সিটির কয়েকজন সহপাঠীসহ উপস্থিত ছিলেন। তাদের হাতে ছিলো পোস্টার, মুখে শ্লোগান “বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, “ছাত্র হত্যার জবাব চাই”। সেদিন ছাত্রদের শাহবাগের দিকে যাত্রা করার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ আর্মডফোর্স জায়গায় জায়গায় বেরিকেড দিয়ে রাস্তা আটকে দেয়। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে শ্লোগান দিচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই চারদিক থমকে যায়। সন্ত্রাসীদের মতো আসতে থাকে পুলিশ, সঙ্গে আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একদল অস্ত্রধারী ক্যাডার। প্রথমে তারা কোনো সংকেত ছাড়াই টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে দেয়। চারপাশে ধোঁয়ার ঘন কুয়াশা। এরপর শুরু হয় লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট, জলকামান ও সরাসরি গুলি। আতঙ্কে অনেকেই দৌড়াতে থাকে। তবে ইয়াসির তখনও পিছু হটেননি। তবে হঠাৎ এক পুলিশ সদস্য খুব কাছ থেকে তার দিকে তাক করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি গিয়ে সোজা ইয়াসিরের চোখ ও মাথায় আঘাত হানে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, রক্তে ভেসে যায় মুখ। তার চিৎকার ছাপিয়ে যায় শ্লোগানের আওয়াজ। সহপাঠীরা ছুটে এসে তাকে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। কেউ বলছিল, “চোখ গেছে”, কেউ বলছিল, “বাঁচাও!” কিন্তু ইয়াসির তখন নিথর। অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছিলেন এক নতুন যাত্রায়, যেখানে আলো আর থাকবে না।
তার আশেপাশে অন্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলো। কিছু ছাত্রের মাথা ফেটে যায়, কেউ পায়ে গুলি খায়, কেউ আবার পুলিশের লাঠির আঘাতে জ্ঞান হারায়। কিছু যুবলীগ কর্মী রড ও বাঁশ দিয়ে ছাত্রদের উপর চড়াও হয়, টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় রাস্তার বিভিন্ন দিকে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্ণনা
ছাত্র-জনতা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে উত্তরা বাংলাদেশ আই হসপিটালে ভর্তি করায়। সেখানে তিনি দু’দিন অবস্থান করেছিলেন। তার চোখে তিনবার অপারেশন করা হয়েছে। চোখ থেকে দুইটা ছররা গুলি বের করা হয়েছে। এখনো তার চোখে এবং মাথায় কিছু গুলি আছে যেগুলো বের করা সম্ভব নয়। কারণ গুলিগুলো রগের মধ্যে ঢুকে গেছে। তিনি চোখে দেখতে পারেন না। ডাক্তার বলেছে, তার চোখে অপারেশন করে বাকি গুলি বের করলে চোখে দেখার সম্ভাবনা আছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শেষ অপারেশন সম্পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাননি।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
একটা অপারেশন বাকি আছে। এটা ভালোভাবে সম্পন্ন হলে দৃষ্টি শক্তি ফিরে পাবার সম্ভাবনা আছে। উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তার প্রতি সেমিস্টারে খরচ ৫০০০০ হাজার টাকা। ৪ সেমিস্টার বাকি আছে। স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে দেয়া।
নাম : মো: ইয়াসির আরাফাত
জন্ম তারিখ : ৯ জুলাই ২০০১
জন্মস্থান : দিনাজপুর
পেশা : শিক্ষার্থী
প্রতিষ্ঠান : নর্দান ইউনিভার্সিটি
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: ছোট হাতিশাল, ইউনিয়ন: দি হাতিশাল, থানা: নবাবগঞ্জ, জেলা: দিনাজপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: আজিজুল হক
মায়ের নাম : মোছা: রাবেয়া বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষক, ৫৫
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
আয়ের উৎস : কৃষিকাজ
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনদের বিবরণ
১. শিহাব, বয়স: ২৪, পেশা: শিক্ষার্থী, সম্পর্ক: ভাই
২. তালহা তাহমিদ আদিল, বয়স: ১৪, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: সপ্তম শ্রেণী, সম্পর্ক: ভাই
ঘটনার স্থান : উত্তরা বিএনএস সেন্টার
আহত হওয়ার সময় : ১৮ জুলাই ২০২৪, দুপুর ২টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
মো: ইয়াসির আরাফাত জন্মগ্রহণ করেন ২০০১ সালের ৯ জুলাই দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ থানার ছোট হাতিশাল গ্রামে। ছোট্ট এই গ্রামে কৃষক বাবা মো: আজিজুল হক ও মমতাময়ী মা মোছা: রাবেয়া বেগমের কোলে জন্ম নেয়া ইয়াসির বেড়ে উঠেছেন সাদামাটা এক কৃষক পরিবারে।
পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস ছিল কৃষিকাজ। পাঁচ সদস্যের সংসারে ছিলেন তার দুই ভাই শিহাব ইঞ্জিনিয়ারিং-এর শিক্ষার্থী এবং ছোট ভাই আদিল মাদ্রাসায় ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
ছেলেবেলায় বইয়ের প্রতি ভালোবাসা আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান ছিল ইয়াসিরের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। গ্রামের স্কুল থেকে মাধ্যমিক পাশ করার পর উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হন নর্দান ইউনিভার্সিটিতে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে। পড়াশুনার পাশাপাশি সমাজের অনিয়ম, বৈষম্য, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তিনি হয়ে উঠেন সচেতন ও সোচ্চার।
জুলাই আন্দোলনের জাগরণ
২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন দেশের বিভিন্ন স্থানে বেকারত্ব, কোটা সংস্কার ও রাষ্ট্রীয় বৈষম্য নিয়ে ছাত্র-জনতার মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দেয়, তখনই শুরু হয় জুলাই আন্দোলন। এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক ছাত্র আন্দোলন, যেখানে হাজারো তরুণ-তরুণী রাস্তায় নেমে আসে তাদের অধিকার আদায়ের দাবিতে। জুলাই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও চাকরির সুযোগে সমতা প্রতিষ্ঠা। আন্দোলনের নেতারা শান্তিপূর্ণ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করে। কিন্তু সরকার সেই শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে দমন করতে শুরু করে বর্বরোচিত পন্থায়। ইয়াসির এই আন্দোলনের শুরু থেকেই সক্রিয় ছিলেন। নর্দান ইউনিভার্সিটি থেকে অনেক ছাত্রকে সঙ্গে নিয়ে তিনি একাধিক সমাবেশ, মানববন্ধনে অংশ নেন। তিনি বিশ্বাস করতেন, “চুপ থাকলে কখনো পরিবর্তন আসে না।”
উত্তরা ইঘঝ সেন্টারের রক্তাক্ত দুপুর
১৮ জুলাই ২০২৪, দুপুর ২টা, উত্তরা ইঘঝ সেন্টার সেদিন যেন একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল। সকাল থেকেই ছাত্র-জনতা সেখানে জমায়েত হচ্ছিলো একটি শান্তিপূর্ণ অবস্থান কর্মসূচির জন্য। ইয়াসির, ইউনিভার্সিটির কয়েকজন সহপাঠীসহ উপস্থিত ছিলেন। তাদের হাতে ছিলো পোস্টার, মুখে শ্লোগান “বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই চলবে”, “ছাত্র হত্যার জবাব চাই”। সেদিন ছাত্রদের শাহবাগের দিকে যাত্রা করার কথা ছিল। কিন্তু পুলিশ আর্মডফোর্স জায়গায় জায়গায় বেরিকেড দিয়ে রাস্তা আটকে দেয়। প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণভাবে শ্লোগান দিচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই চারদিক থমকে যায়। সন্ত্রাসীদের মতো আসতে থাকে পুলিশ, সঙ্গে আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একদল অস্ত্রধারী ক্যাডার। প্রথমে তারা কোনো সংকেত ছাড়াই টিয়ার গ্যাস ছুঁড়ে দেয়। চারপাশে ধোঁয়ার ঘন কুয়াশা। এরপর শুরু হয় লাঠিচার্জ, রাবার বুলেট, জলকামান ও সরাসরি গুলি। আতঙ্কে অনেকেই দৌড়াতে থাকে। তবে ইয়াসির তখনও পিছু হটেননি। তবে হঠাৎ এক পুলিশ সদস্য খুব কাছ থেকে তার দিকে তাক করে গুলি ছোড়ে। গুলিটি গিয়ে সোজা ইয়াসিরের চোখ ও মাথায় আঘাত হানে। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, রক্তে ভেসে যায় মুখ। তার চিৎকার ছাপিয়ে যায় শ্লোগানের আওয়াজ। সহপাঠীরা ছুটে এসে তাকে ধরে কান্নায় ভেঙে পড়ে। কেউ বলছিল, “চোখ গেছে”, কেউ বলছিল, “বাঁচাও!” কিন্তু ইয়াসির তখন নিথর। অন্ধকারে হারিয়ে যাচ্ছিলেন এক নতুন যাত্রায়, যেখানে আলো আর থাকবে না।
তার আশেপাশে অন্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে ছিলো। কিছু ছাত্রের মাথা ফেটে যায়, কেউ পায়ে গুলি খায়, কেউ আবার পুলিশের লাঠির আঘাতে জ্ঞান হারায়। কিছু যুবলীগ কর্মী রড ও বাঁশ দিয়ে ছাত্রদের উপর চড়াও হয়, টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় রাস্তার বিভিন্ন দিকে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্ণনা
ছাত্র-জনতা তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে উত্তরা বাংলাদেশ আই হসপিটালে ভর্তি করায়। সেখানে তিনি দু’দিন অবস্থান করেছিলেন। তার চোখে তিনবার অপারেশন করা হয়েছে। চোখ থেকে দুইটা ছররা গুলি বের করা হয়েছে। এখনো তার চোখে এবং মাথায় কিছু গুলি আছে যেগুলো বের করা সম্ভব নয়। কারণ গুলিগুলো রগের মধ্যে ঢুকে গেছে। তিনি চোখে দেখতে পারেন না। ডাক্তার বলেছে, তার চোখে অপারেশন করে বাকি গুলি বের করলে চোখে দেখার সম্ভাবনা আছে। বর্তমানে তিনি ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। শেষ অপারেশন সম্পূর্ণ হয়েছে, কিন্তু দৃষ্টিশক্তি ফিরে পাননি।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
একটা অপারেশন বাকি আছে। এটা ভালোভাবে সম্পন্ন হলে দৃষ্টি শক্তি ফিরে পাবার সম্ভাবনা আছে। উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তার প্রতি সেমিস্টারে খরচ ৫০০০০ হাজার টাকা। ৪ সেমিস্টার বাকি আছে। স্কলারশিপের ব্যবস্থা করে দেয়া।
নাম : মো: ইয়াসির আরাফাত
জন্ম তারিখ : ৯ জুলাই ২০০১
জন্মস্থান : দিনাজপুর
পেশা : শিক্ষার্থী
প্রতিষ্ঠান : নর্দান ইউনিভার্সিটি
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: ছোট হাতিশাল, ইউনিয়ন: দি হাতিশাল, থানা: নবাবগঞ্জ, জেলা: দিনাজপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: আজিজুল হক
মায়ের নাম : মোছা: রাবেয়া বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষক, ৫৫
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
আয়ের উৎস : কৃষিকাজ
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনদের বিবরণ
১. শিহাব, বয়স: ২৪, পেশা: শিক্ষার্থী, সম্পর্ক: ভাই
২. তালহা তাহমিদ আদিল, বয়স: ১৪, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: সপ্তম শ্রেণী, সম্পর্ক: ভাই
ঘটনার স্থান : উত্তরা বিএনএস সেন্টার
আহত হওয়ার সময় : ১৮ জুলাই ২০২৪, দুপুর ২টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍