বিজয় দাস
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
বাইক রাইডার
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
বিজয় দাস
পেশা: বাইক রাইডার, লালদিঘি
ক্রমিক- ৪২৫
আইডি: চট্টগ্রাম- ১৫ফ্যাসিস্ট বাহিনীর গুলিতে
গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধাবিজয় দাস, পিতামৃত রণজিৎ দাস। মা মিতা দাস। তিনি পেশায় একজন বাইক রাইডার। বাড়ি চট্টগ্রাম বিভাগে। কোতোয়ালী থানার বংশালে তার বাড়ি। জন্মেছেন ২০০৩ সালের ০৩ মার্চে। দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ মুক্তির আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন তিনিও। সে লড়াইয়ে তিনি বিজয়ী সৈনিক। আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় সদলবলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। হাসিনার বাহিনী কর্তৃক তিনি আহত হন।
হাসিনার কুখ্যাত লাঠিয়াল বাহিনী তাকে নির্মমভাবে আহত করে। আহত হয়েও থেমে থাকেননি, লড়াই চালিয়ে যান বিপুল বিক্রমে।
দিন আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সম্মিলিত আক্রমণ বিজয় দাস কেন আন্দোলনে নামলেন?
বিজয় দাস একজন বাইক রাইডার। শহরের সর্বত্র তার বিচরণ। খোঁজখবর রাখেন দেশ ও সমাজের। শহর চষে বেড়ানো সচেতন মানুষ, রাজনীতির খবরও তার নখদর্পণে। হাসিনার স্বৈরাচারী আচরণ সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা আছে এদেশের গণমানুষের।
ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারের জাত, ধর্ম নাই। তারা নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজই করতে পারে অনায়াসে।
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গণবিরোধী দলে পরিণত হয়েছিল। যেকোনো আন্দোলন দমনে জাতিকে বিভক্ত করার রাজনীতি চালু করে। কথায় কথায় জঙ্গি, জামায়াত বলে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতো। বিএনপি একটি বড় দল। তাদেরকেও অগ্নিসন্ত্রাসী বলে আক্রমণ করতো। রাজপথের আন্দোলন দমন করতো তারা লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে। বিশ্বজিৎ হিন্দু, তবু তাকে রাস্তায় জামায়াত শিবির বলে নির্মম হত্যা করে। আওয়ামী লীগের কাছে কেউ নিরাপদ ছিল না।
হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে জাতিধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সারা দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম করেছিল।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ছিল দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট তাড়ানোর আন্দোলন। জুলাইয়ে তাই রাস্তায় নেমে এসেছিল রাজপথে বিজয় দাস। বিজয় দাস জুলাইয়ে আন্দোলন করেছেন দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্তির উদ্দেশ্যে। বিজয় দাস আন্দোলন করেছেন বাক স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে। তারা আন্দোলন করেছেন ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য।
ঘটনার বর্ণনা
নিজের অধিকার আদায়ে বিজয় দাস যুক্ত হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। প্রতিদিনই তিনি আন্দোলনে অংশ নিতেন। পনের বছর হাসিনা কেড়ে নিয়েছিল মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার। বাক স্বাধীনতা করেছিল হরণ। ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলে জনতার সম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে। সর্বস্তরের মানুষ এই আন্দোলনে যোগ দিতে থাকে। সরকারও চলে যায় হার্ডলাইনে। প্রতিদিন আহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। নিহতের সংখ্যাও বাড়ে।
বিজয় দাস সারা শহর ঘুরে ঘুরে উপলব্ধি করেন! দাবির ন্যায্যতাও বাড়ে। বিজয় দাস যেহেতু বাইক রাইডার, তাই তার জানা হয়ে গেছে সারা শহরের খবর।
সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশের নির্মমতা আর আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের হিংস্রতা দেখছেন সারা শহরে। তিনি ক্ষিপ্ত হন এমন অন্যায়ে। তিনি নেমে যান রাজপথে।
৪ আগস্ট বিজয় দাস প্রথম আক্রান্ত হন। মিছিল নিয়ে তারা লালদীঘি পৌছলেই আগে থেকে ওঁতপেতে থাকা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা মিছিলে তীব্র আক্রমণ করেন। বিজয় দাস মারাত্মকভাবে আহত হন। আহত শরীর নিয়ে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় আসেন। ৪ আগস্ট সারা দেশ শহীদের সংখ্যা আন্দোলনকারীদের আরও প্রতিবাদী ও বলিষ্ঠ হতে বাধ্য করে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ৬ আগস্টের কর্মসূচি একদিন এগিয়ে নিয়ে আসে।
যেভাবে আন্দোলনে গেলেন
৪ আগস্ট আহত হওয়ার পরও বিজয় দাস বা অন্য অনেকেই হাল ছেড়ে দেননি। তারা আহত বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন রাজপথে। ৫ আগস্ট ছিল নির্ধারিত কর্মসূচি ‘লং মার্চ টু ঢাকা’। তারা চট্টগ্রামের লালদীঘিতে জড়ো হন। আওয়ামী লীগ তখন খুনের নেশায় মত্ত। দেশের জনগণের বুকে বুলেট ছুড়তে দ্বিধা করেনি।
দেশকে যুদ্ধের ময়দানে পরিণত করে। হেলিকপ্টারে গুলি ছুড়তে থাকে। লালদীঘিতেও নির্বিচারে গুলি ছুড়ে। গুলিতে বহু লোক আহত হয়। আহত হয় সেদিন বিজয় দাস। বিজয় দাস গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকেন রাস্তায়। সহযোদ্ধারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। মিছিলে সেদিন গুলি চালায় পুলিশ, জেল কর্মকর্তা কর্মচারী, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক তথ্য
সহযোদ্ধাদের সহযোগিতায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন হাসপাতাল গুলোতে আহত রোগীর সংখ্যা পর্যাপ্ত হওয়ায় চিকিৎসা করা জটিল হয়ে পড়ে। বিজয় দাস আহত হন ৫ আগস্ট দুপুর ১২.৪৫ মিনিটে। তখনও হাসিনা পালিয়ে যায়নি। হাসপাতালে চিকিৎসা করানো বিপজ্জনকই ছিল। ছিল গ্রেফতার আতঙ্ক আর আওয়ামী লীগের হামলার সম্ভাবনা। চিকিৎসকরাও তখনও সরকারি নির্দেশনা মানতে বাধ্য। সরকারি হাসপাতালে আহত বিজয় দাস তেমন চিকিৎসাসেবা পাননি। সেলাইন দিয়ে ও তার ক্ষতস্থান ড্রেসিং করে রিলিজ করে দেয়া হয়। পরে তিনি ব্যক্তিগত পর্যায়ে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ হন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাব
বিজয় দাস একজন বাইক রাইডার। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাকে ব্যবসায়ীক পুঁজি দিয়ে সহায়তা করা যায়। প্রস্তাবিত বাজেট প্রায় ৪ লাখ।
নাম : বিজয় দাস
জন্ম তারিখ : ০৩-০৪-২০০৩
জন্মস্থান : চট্টগ্রাম
পেশা/পদবি : বাইক রাইডার
নিজ জেলা : চট্টগ্রাম
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: বংশাল রোড, কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম
পিতার নাম : রণজিৎ দাস (মৃত)
মায়ের নাম : মিতা দাস
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
আয় : ১৮,০০০
আয়ের উৎস : বাইক রাইড
বাড়ি : বসবাসের জায়গা আছে
ভাই-বোনের তথ্যাদি
অনুপম দাস, সম্পর্ক: ভাই, বয়স: ১.৫
আহত হওয়ার স্থান : লালদীঘি চট্টগ্রাম
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ও ৫ আগস্ট, দুপুর ১২.৪৫
আক্রমণকারী : প্রথম দিন আঘাত করে আওয়ামী লীগ, ২য়
পেশা: বাইক রাইডার, লালদিঘি
ক্রমিক- ৪২৫
আইডি: চট্টগ্রাম- ১৫ফ্যাসিস্ট বাহিনীর গুলিতে
গুলিবিদ্ধ জুলাই যোদ্ধাবিজয় দাস, পিতামৃত রণজিৎ দাস। মা মিতা দাস। তিনি পেশায় একজন বাইক রাইডার। বাড়ি চট্টগ্রাম বিভাগে। কোতোয়ালী থানার বংশালে তার বাড়ি। জন্মেছেন ২০০৩ সালের ০৩ মার্চে। দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ মুক্তির আন্দোলনে শরিক হয়েছিলেন তিনিও। সে লড়াইয়ে তিনি বিজয়ী সৈনিক। আন্দোলনে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় সদলবলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। হাসিনার বাহিনী কর্তৃক তিনি আহত হন।
হাসিনার কুখ্যাত লাঠিয়াল বাহিনী তাকে নির্মমভাবে আহত করে। আহত হয়েও থেমে থাকেননি, লড়াই চালিয়ে যান বিপুল বিক্রমে।
দিন আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সম্মিলিত আক্রমণ বিজয় দাস কেন আন্দোলনে নামলেন?
বিজয় দাস একজন বাইক রাইডার। শহরের সর্বত্র তার বিচরণ। খোঁজখবর রাখেন দেশ ও সমাজের। শহর চষে বেড়ানো সচেতন মানুষ, রাজনীতির খবরও তার নখদর্পণে। হাসিনার স্বৈরাচারী আচরণ সম্বন্ধে স্পষ্ট ধারণা আছে এদেশের গণমানুষের।
ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারের জাত, ধর্ম নাই। তারা নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে যেকোনো কাজই করতে পারে অনায়াসে।
আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গণবিরোধী দলে পরিণত হয়েছিল। যেকোনো আন্দোলন দমনে জাতিকে বিভক্ত করার রাজনীতি চালু করে। কথায় কথায় জঙ্গি, জামায়াত বলে প্রতিপক্ষকে আক্রমণ করতো। বিএনপি একটি বড় দল। তাদেরকেও অগ্নিসন্ত্রাসী বলে আক্রমণ করতো। রাজপথের আন্দোলন দমন করতো তারা লাঠিয়াল বাহিনী দিয়ে। বিশ্বজিৎ হিন্দু, তবু তাকে রাস্তায় জামায়াত শিবির বলে নির্মম হত্যা করে। আওয়ামী লীগের কাছে কেউ নিরাপদ ছিল না।
হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে জাতিধর্মের ভেদাভেদ ভুলে সারা দেশ ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রাম করেছিল।
বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন ছিল দেশ থেকে ফ্যাসিস্ট তাড়ানোর আন্দোলন। জুলাইয়ে তাই রাস্তায় নেমে এসেছিল রাজপথে বিজয় দাস। বিজয় দাস জুলাইয়ে আন্দোলন করেছেন দেশ ফ্যাসিবাদ মুক্তির উদ্দেশ্যে। বিজয় দাস আন্দোলন করেছেন বাক স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে। তারা আন্দোলন করেছেন ভোটের অধিকার ফিরিয়ে আনার জন্য।
ঘটনার বর্ণনা
নিজের অধিকার আদায়ে বিজয় দাস যুক্ত হলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। প্রতিদিনই তিনি আন্দোলনে অংশ নিতেন। পনের বছর হাসিনা কেড়ে নিয়েছিল মানুষের ভোটের অধিকার, কথা বলার অধিকার। বাক স্বাধীনতা করেছিল হরণ। ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলে জনতার সম্পৃক্ততা বাড়তে থাকে। সর্বস্তরের মানুষ এই আন্দোলনে যোগ দিতে থাকে। সরকারও চলে যায় হার্ডলাইনে। প্রতিদিন আহতের সংখ্যা বাড়তে থাকে। নিহতের সংখ্যাও বাড়ে।
বিজয় দাস সারা শহর ঘুরে ঘুরে উপলব্ধি করেন! দাবির ন্যায্যতাও বাড়ে। বিজয় দাস যেহেতু বাইক রাইডার, তাই তার জানা হয়ে গেছে সারা শহরের খবর।
সরকারের লেলিয়ে দেওয়া পুলিশের নির্মমতা আর আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের হিংস্রতা দেখছেন সারা শহরে। তিনি ক্ষিপ্ত হন এমন অন্যায়ে। তিনি নেমে যান রাজপথে।
৪ আগস্ট বিজয় দাস প্রথম আক্রান্ত হন। মিছিল নিয়ে তারা লালদীঘি পৌছলেই আগে থেকে ওঁতপেতে থাকা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা মিছিলে তীব্র আক্রমণ করেন। বিজয় দাস মারাত্মকভাবে আহত হন। আহত শরীর নিয়ে তিনি চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় আসেন। ৪ আগস্ট সারা দেশ শহীদের সংখ্যা আন্দোলনকারীদের আরও প্রতিবাদী ও বলিষ্ঠ হতে বাধ্য করে। পূর্বঘোষিত কর্মসূচি ৬ আগস্টের কর্মসূচি একদিন এগিয়ে নিয়ে আসে।
যেভাবে আন্দোলনে গেলেন
৪ আগস্ট আহত হওয়ার পরও বিজয় দাস বা অন্য অনেকেই হাল ছেড়ে দেননি। তারা আহত বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়েন রাজপথে। ৫ আগস্ট ছিল নির্ধারিত কর্মসূচি ‘লং মার্চ টু ঢাকা’। তারা চট্টগ্রামের লালদীঘিতে জড়ো হন। আওয়ামী লীগ তখন খুনের নেশায় মত্ত। দেশের জনগণের বুকে বুলেট ছুড়তে দ্বিধা করেনি।
দেশকে যুদ্ধের ময়দানে পরিণত করে। হেলিকপ্টারে গুলি ছুড়তে থাকে। লালদীঘিতেও নির্বিচারে গুলি ছুড়ে। গুলিতে বহু লোক আহত হয়। আহত হয় সেদিন বিজয় দাস। বিজয় দাস গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকেন রাস্তায়। সহযোদ্ধারা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। মিছিলে সেদিন গুলি চালায় পুলিশ, জেল কর্মকর্তা কর্মচারী, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের সন্ত্রাসীরা।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক তথ্য
সহযোদ্ধাদের সহযোগিতায় তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন হাসপাতাল গুলোতে আহত রোগীর সংখ্যা পর্যাপ্ত হওয়ায় চিকিৎসা করা জটিল হয়ে পড়ে। বিজয় দাস আহত হন ৫ আগস্ট দুপুর ১২.৪৫ মিনিটে। তখনও হাসিনা পালিয়ে যায়নি। হাসপাতালে চিকিৎসা করানো বিপজ্জনকই ছিল। ছিল গ্রেফতার আতঙ্ক আর আওয়ামী লীগের হামলার সম্ভাবনা। চিকিৎসকরাও তখনও সরকারি নির্দেশনা মানতে বাধ্য। সরকারি হাসপাতালে আহত বিজয় দাস তেমন চিকিৎসাসেবা পাননি। সেলাইন দিয়ে ও তার ক্ষতস্থান ড্রেসিং করে রিলিজ করে দেয়া হয়। পরে তিনি ব্যক্তিগত পর্যায়ে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ হন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাব
বিজয় দাস একজন বাইক রাইডার। তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী। তাকে ব্যবসায়ীক পুঁজি দিয়ে সহায়তা করা যায়। প্রস্তাবিত বাজেট প্রায় ৪ লাখ।
নাম : বিজয় দাস
জন্ম তারিখ : ০৩-০৪-২০০৩
জন্মস্থান : চট্টগ্রাম
পেশা/পদবি : বাইক রাইডার
নিজ জেলা : চট্টগ্রাম
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: বংশাল রোড, কোতোয়ালী, চট্টগ্রাম
পিতার নাম : রণজিৎ দাস (মৃত)
মায়ের নাম : মিতা দাস
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
আয় : ১৮,০০০
আয়ের উৎস : বাইক রাইড
বাড়ি : বসবাসের জায়গা আছে
ভাই-বোনের তথ্যাদি
অনুপম দাস, সম্পর্ক: ভাই, বয়স: ১.৫
আহত হওয়ার স্থান : লালদীঘি চট্টগ্রাম
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ও ৫ আগস্ট, দুপুর ১২.৪৫
আক্রমণকারী : প্রথম দিন আঘাত করে আওয়ামী লীগ, ২য়
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍