হাবিবুল করিম
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা: শিক্ষার্থী, আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া মাদ্রাসা
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্মপরিচয়ঃ
ফেনীর ধর্মপুর গ্রামের এক নিভৃত কোণে ২০০৬ সালের ২৭শে অক্টোবর জন্ম নিয়েছিল একটি আলোকচ্ছটা, যার নাম হাবিবুল করিম। তিনি শুধু আর দশজন শিক্ষার্থীর মতো নয়, বরং ছিলেন মননে মেধাবী, চরিত্রে সাহসী, এবং অন্তরে প্রতিবাদী।
ধর্মপুরে অবস্থিত আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া মাদ্রাসা-এর একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অধ্যবসায়ী ও ইসলামি জ্ঞানে পারদর্শী। পিতা মোঃ আতিকুল করিম, একজন সম্মানিত শিক্ষক (বয়স ৫০), যাঁর মাসিক আয় প্রায় ২০,০০০ টাকা। মা হাসিনা বেগম, একজন গৃহিণী (বয়স ৪০), যিনি ভালোবাসা ও আদর্শ দিয়ে তাঁর সন্তানদের গড়ে তুলেছেন। পাঁচ সদস্যের পরিবারে হাবিবুল ছিলেন সবার আদরের, আবার আশার প্রতীকও।
তবে শুধু পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ থাকেননি তিনি। সমসাময়িক রাজনীতি ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্নে বরাবরই ছিলেন সচেতন ও সোচ্চার। ২০২৪ সালের ৪ঠা আগস্ট দুপুর ৩টায়, মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে, তিনি ছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরোদ্ধে ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলে। লক্ষ্য ছিল—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অন্যায়ের প্রতিবা, গণহত্যার বিচার ।
কিন্তু সে দিনই নেমে আসে নৃশংসতা। সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বিত হামলায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে গুলির শব্দ। সেই ভয়াবহ মুহূর্তে হাবিবুল করিমও ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজেকে লুকিয়ে বাঁচানোর চেষ্টায় দৌঁড় দিলেও পিঠ ও কাঁধে গুলি লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তাঁর রক্তে ভিজে যায় ফেনীর রাজপথ—গণপ্রতিরোধের প্রতীক হয়ে।
আন্দোলেনে অংশগ্রহনঃ
চারপাশে উত্তেজনা, ছাত্র-জনতার স্লোগানে প্রকম্পিত মহিপাল। সময় তখন ৪ আগস্ট, স্থান—মহিপালের ফাইবার গেট। দীর্ঘদিনের অবিচার, দমন-পীড়ন, আর আওয়ামী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিল একদল সাহসী তরুণ। তাঁদেরই একজন ছিলেন হাসিবুল করিম—এক নির্ভীক কণ্ঠ, যিনি শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছিলেন এক অনড় মিছিলের মুখ।
আন্দোলনের দিন, দুপুর ১টা ৩০ মিনিট। নামাজের জন্য দাঁড়ানোর মুহূর্তে হঠাৎ করেই চারপাশ থমকে যায়। ট্রাঙ্ক রোডের দিক থেকে শুরু হয় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ। মুহূর্তের মধ্যে আকাশ ভেদ করে গুলির শব্দ ছাত্রসমাবেশের বুক কাঁপিয়ে দেয়। উপস্থিত সবাই আতঙ্কিত, ছুটে পালাতে শুরু করে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। সেই সময়, হাসিবুল করিম দৌঁড় দেন নোয়াখালী রোডের দিকে।
কিন্তু আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নিস্তারে পালিয়ে যাওয়া সহজ হয়নি। দৌঁড়ানোর একপর্যায়ে হাসিবুল করিমের পিঠ ও কাঁধে গুলি লাগে। ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, আর রক্তে ভিজে যায় আন্দোলনের মাটি। তাঁকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে ছুটে আসেন সহযোদ্ধারা। সেখান থেকেই তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে হাসিবুল করিম কেবল একজন আহত ব্যক্তি নন, তিনি হয়ে ওঠেন প্রতিরোধের প্রতীক। তাঁর শরীরের প্রতিটি ক্ষত ছিল দমননীতির বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজের এক জোরালো জবাব। তিনি ছিলেন সেই কণ্ঠ, যিনি ছাত্র-জনতার প্রথম মিছিল থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ছিলেন রাজপথে, জুলাইয়ের শুরু থেকেই যিনি সাহসের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছিলেন।
আজকের প্রজন্ম যখন ইতিহাস খোঁজে, তখন হাসিবুল করিমের নামটি উঠে আসে মাথা উঁচু করে—একজন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, একজন নির্ভীক সৈনিক, যিনি নিজের রক্ত দিয়ে লিখেছেন এক অধ্যায়ের সূচনা।
চিকিৎসার বিবরণঃ
দুপুর তিনটার কিছু আগে, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হঠাৎ রূপ নেয় রণক্ষেত্রে। ট্রাঙ্ক রোড থেকে আচমকা শুরু হয় গুলিবর্ষণ। ছাত্রদের সেই শান্ত কণ্ঠ মুহূর্তেই ডুবে যায় গুলির আওয়াজে। চারদিক যখন ভীতিকর, তখন হাবিবুল দৌড় দেন নোয়াখালী রোডের দিকে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি—তাঁর শরীরে লাগে তিনটি গুলি—একটি কাঁধে, দুটি পিঠে। সেই মুহূর্তে সময় যেন থেমে যায়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, কিন্তু চোখের দৃষ্টিতে ছিল না কোনো ভয়, ছিল শুধু প্রত্যয়ের দীপ্তি।
স্থানীয়দের সহায়তায় তৎক্ষণাৎ তাঁকে আলকেমী হাসপাতালে নেওয়া হয়। শরীর থেকে রক্ত ঝরছে, যন্ত্রণায় কেঁপে উঠছে প্রতিটি স্নায়ু, কিন্তু মন ছিল অটল। চিকিৎসকেরা জানান, বুলেটগুলো অপারেশন করে বের করতে হবে, ঝুঁকিও কম নয়। কিন্তু হাবিবুল নিজেই তখন চিকিৎসকদের বলেন,
"চিকিৎসা করুন, আমাকে আবার রাজপথে ফিরতে হবে।"
চিকিৎসা শুরু হয়। একে একে তিনটি বুলেট অপারেশনের মাধ্যমে বের করা হয়। শরীর জুড়ে ক্ষতচিহ্ন, কিন্তু আত্মার দীপ্তিতে কোনো আঁচড় পড়ে না। কয়েকদিনের টানা চিকিৎসা, ইনজেকশন, ব্যান্ডেজ আর প্রার্থনার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে ফিরতে থাকেন তিনি।
একনজরে:
নাম: হাবিবুল করিম
জন্মতারিখ: ২৭//১০/২০০৬
জন্মস্থানঃ ধর্মপুর, ফেনী
পেশা: শিক্ষার্থী, আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া মাদ্রাসা
স্থায়ী ঠিকানাঃ ধর্মপুর, ফেনী সদর, ফেনী
বর্তমান ঠিকানাঃ ধর্মপুর, ফেনী সদর, ফেনী
পিতাঃ মোঃ আতিকুল করিম (শিক্ষক,৫০)
মাতা: হাসিনা বেগম(গৃহিণী,৪০)
যোগাযোগঃ 01883854949
আয়: প্রায় ২০,০০০ টাকা (শিক্ষকতা)
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ০৫
ঘটনার স্থানঃ মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে
আক্রমণকারীঃ আওয়ামীলীগ ও পুলিশ বাহীনি
আহত হওয়ার সময়ঃ ৪ই আগস্ট ২০২৪, দুপুর ৩:০০
ফেনীর ধর্মপুর গ্রামের এক নিভৃত কোণে ২০০৬ সালের ২৭শে অক্টোবর জন্ম নিয়েছিল একটি আলোকচ্ছটা, যার নাম হাবিবুল করিম। তিনি শুধু আর দশজন শিক্ষার্থীর মতো নয়, বরং ছিলেন মননে মেধাবী, চরিত্রে সাহসী, এবং অন্তরে প্রতিবাদী।
ধর্মপুরে অবস্থিত আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া মাদ্রাসা-এর একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষার্থী হিসেবে তিনি ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অধ্যবসায়ী ও ইসলামি জ্ঞানে পারদর্শী। পিতা মোঃ আতিকুল করিম, একজন সম্মানিত শিক্ষক (বয়স ৫০), যাঁর মাসিক আয় প্রায় ২০,০০০ টাকা। মা হাসিনা বেগম, একজন গৃহিণী (বয়স ৪০), যিনি ভালোবাসা ও আদর্শ দিয়ে তাঁর সন্তানদের গড়ে তুলেছেন। পাঁচ সদস্যের পরিবারে হাবিবুল ছিলেন সবার আদরের, আবার আশার প্রতীকও।
তবে শুধু পড়াশোনায় সীমাবদ্ধ থাকেননি তিনি। সমসাময়িক রাজনীতি ও সামাজিক ন্যায়ের প্রশ্নে বরাবরই ছিলেন সচেতন ও সোচ্চার। ২০২৪ সালের ৪ঠা আগস্ট দুপুর ৩টায়, মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে, তিনি ছিলেন ফ্যাসিস্ট হাসিনার বিরোদ্ধে ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ মিছিলে। লক্ষ্য ছিল—গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, অন্যায়ের প্রতিবা, গণহত্যার বিচার ।
কিন্তু সে দিনই নেমে আসে নৃশংসতা। সন্ত্রাসী আওয়ামী লীগ ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বিত হামলায় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে গুলির শব্দ। সেই ভয়াবহ মুহূর্তে হাবিবুল করিমও ছিলেন প্রথম সারিতে। নিজেকে লুকিয়ে বাঁচানোর চেষ্টায় দৌঁড় দিলেও পিঠ ও কাঁধে গুলি লেগে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। তাঁর রক্তে ভিজে যায় ফেনীর রাজপথ—গণপ্রতিরোধের প্রতীক হয়ে।
আন্দোলেনে অংশগ্রহনঃ
চারপাশে উত্তেজনা, ছাত্র-জনতার স্লোগানে প্রকম্পিত মহিপাল। সময় তখন ৪ আগস্ট, স্থান—মহিপালের ফাইবার গেট। দীর্ঘদিনের অবিচার, দমন-পীড়ন, আর আওয়ামী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিল একদল সাহসী তরুণ। তাঁদেরই একজন ছিলেন হাসিবুল করিম—এক নির্ভীক কণ্ঠ, যিনি শেখ হাসিনার কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছিলেন এক অনড় মিছিলের মুখ।
আন্দোলনের দিন, দুপুর ১টা ৩০ মিনিট। নামাজের জন্য দাঁড়ানোর মুহূর্তে হঠাৎ করেই চারপাশ থমকে যায়। ট্রাঙ্ক রোডের দিক থেকে শুরু হয় আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিবর্ষণ। মুহূর্তের মধ্যে আকাশ ভেদ করে গুলির শব্দ ছাত্রসমাবেশের বুক কাঁপিয়ে দেয়। উপস্থিত সবাই আতঙ্কিত, ছুটে পালাতে শুরু করে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে। সেই সময়, হাসিবুল করিম দৌঁড় দেন নোয়াখালী রোডের দিকে।
কিন্তু আওয়ামী সন্ত্রাসীদের হাতে নিস্তারে পালিয়ে যাওয়া সহজ হয়নি। দৌঁড়ানোর একপর্যায়ে হাসিবুল করিমের পিঠ ও কাঁধে গুলি লাগে। ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, আর রক্তে ভিজে যায় আন্দোলনের মাটি। তাঁকে মাটিতে লুটিয়ে পড়তে দেখে ছুটে আসেন সহযোদ্ধারা। সেখান থেকেই তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে হাসিবুল করিম কেবল একজন আহত ব্যক্তি নন, তিনি হয়ে ওঠেন প্রতিরোধের প্রতীক। তাঁর শরীরের প্রতিটি ক্ষত ছিল দমননীতির বিরুদ্ধে ছাত্র সমাজের এক জোরালো জবাব। তিনি ছিলেন সেই কণ্ঠ, যিনি ছাত্র-জনতার প্রথম মিছিল থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ছিলেন রাজপথে, জুলাইয়ের শুরু থেকেই যিনি সাহসের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছিলেন।
আজকের প্রজন্ম যখন ইতিহাস খোঁজে, তখন হাসিবুল করিমের নামটি উঠে আসে মাথা উঁচু করে—একজন প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর, একজন নির্ভীক সৈনিক, যিনি নিজের রক্ত দিয়ে লিখেছেন এক অধ্যায়ের সূচনা।
চিকিৎসার বিবরণঃ
দুপুর তিনটার কিছু আগে, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ হঠাৎ রূপ নেয় রণক্ষেত্রে। ট্রাঙ্ক রোড থেকে আচমকা শুরু হয় গুলিবর্ষণ। ছাত্রদের সেই শান্ত কণ্ঠ মুহূর্তেই ডুবে যায় গুলির আওয়াজে। চারদিক যখন ভীতিকর, তখন হাবিবুল দৌড় দেন নোয়াখালী রোডের দিকে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়নি—তাঁর শরীরে লাগে তিনটি গুলি—একটি কাঁধে, দুটি পিঠে। সেই মুহূর্তে সময় যেন থেমে যায়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, কিন্তু চোখের দৃষ্টিতে ছিল না কোনো ভয়, ছিল শুধু প্রত্যয়ের দীপ্তি।
স্থানীয়দের সহায়তায় তৎক্ষণাৎ তাঁকে আলকেমী হাসপাতালে নেওয়া হয়। শরীর থেকে রক্ত ঝরছে, যন্ত্রণায় কেঁপে উঠছে প্রতিটি স্নায়ু, কিন্তু মন ছিল অটল। চিকিৎসকেরা জানান, বুলেটগুলো অপারেশন করে বের করতে হবে, ঝুঁকিও কম নয়। কিন্তু হাবিবুল নিজেই তখন চিকিৎসকদের বলেন,
"চিকিৎসা করুন, আমাকে আবার রাজপথে ফিরতে হবে।"
চিকিৎসা শুরু হয়। একে একে তিনটি বুলেট অপারেশনের মাধ্যমে বের করা হয়। শরীর জুড়ে ক্ষতচিহ্ন, কিন্তু আত্মার দীপ্তিতে কোনো আঁচড় পড়ে না। কয়েকদিনের টানা চিকিৎসা, ইনজেকশন, ব্যান্ডেজ আর প্রার্থনার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে ফিরতে থাকেন তিনি।
একনজরে:
নাম: হাবিবুল করিম
জন্মতারিখ: ২৭//১০/২০০৬
জন্মস্থানঃ ধর্মপুর, ফেনী
পেশা: শিক্ষার্থী, আল জামেয়াতুল ফালাহিয়া মাদ্রাসা
স্থায়ী ঠিকানাঃ ধর্মপুর, ফেনী সদর, ফেনী
বর্তমান ঠিকানাঃ ধর্মপুর, ফেনী সদর, ফেনী
পিতাঃ মোঃ আতিকুল করিম (শিক্ষক,৫০)
মাতা: হাসিনা বেগম(গৃহিণী,৪০)
যোগাযোগঃ 01883854949
আয়: প্রায় ২০,০০০ টাকা (শিক্ষকতা)
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ০৫
ঘটনার স্থানঃ মহিপাল ফ্লাইওভারের নিচে
আক্রমণকারীঃ আওয়ামীলীগ ও পুলিশ বাহীনি
আহত হওয়ার সময়ঃ ৪ই আগস্ট ২০২৪, দুপুর ৩:০০
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍