← মূল তালিকায় ফিরুন
🕊️ জুলাই ২০২৪ বিপ্লবের বীর শহীদ
হাফেজ ছলেমান
শহীদ
Memorial QR Code

📱 স্মার্ট কিউআর কোড

মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে স্ক্যান করে এই প্রোফাইল সংরক্ষণ ও শেয়ার করুন।

🌹 দোয়া

বাটনে ক্লিক করে এই বীর শহীদের প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা ও দোয়া জ্ঞাপন করুন

নাম

হাফেজ ছলেমান

📅 জন্ম তারিখ

১ জানুয়ারি, ২০০৩

🕊️ শাহাদাত বরণের তারিখ

৫ আগস্ট, ২০২৪

🗺️ বিভাগ

ঢাকা

📍 জেলা

নারায়ণগঞ্জ

👤 শহীদের সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত

পেশা: মাওলানা ও ছাত্র,
শাহাদাতের স্থান : কাজলা যাত্রাবাড়ী, ঢাকা।

📜

শাহাদাতের বিস্তারিত ঘটনা ও ইতিহাস

“আপনি ভয় পান কেন? আমি মারা গেলেতো শহীদ হব”
শহীদ হাফেজ ছলেমান নারায়ণগঞ্জ জেলার শিমরাইল সানারপাড়ে ২০০৩ সালের ১ জানুয়ারি জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মিরাজ বেপারী এবং মাতার নাম রোকসানা। মিরাজ-রোকসানা দম্পতির এক মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে শহীদ ছলেমান ছিলেন বড়। পিতা মিরাজ বেপারী সৌদি প্রবাসী। পিতা মাতার স্বপ্ন ছিল একমাত্র সন্তান শহীদ হাফেজ ছলেমানকে কোরআনের হাফেজ ও অনেক বড় মাপের আলেম বানানোর। পিতার ইচ্ছায় তিনি বাল্যকালে হাফেজি মাদ্রাসায় ভর্তি হন। অল্প সময়ের মধ্যে অত্যন্ত কৃতিত্বের সাথে হিফজুল কোরআন সম্পন্ন করেন। এরপর ভর্তি হন মিরপুর দারুদ রাশাদ মাদ্রাসার কিতাব বিভাগে। এখানেও কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখেন এবং শরহে বেকায়া ক্লাসে উত্তীর্ণ হন।
শাহাদাতের প্রেক্ষাপট
সারাদেশ মানবিক মূল্যবোধ সম্পন্ন ও বৈষম্যবিরোধী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অগ্রসর হলে কুরআনের পাখি নির্ভীক শহীদ হাফেজ ছলেমানও সর্বশক্তি নিয়ে আন্দোলনের ঝাঁপিয়ে পড়েন। খুনি হাসিনা সরকারের পতনের লক্ষ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সুদক্ষ সেনা নায়কের ন্যায় ভূমিকা পালন করেন। স্বাধীনতাকামী জনতা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে রাজপথে নেমে আসেন। তারা ৫ আগস্ট মার্চ ঢাকা কর্মসূচির ডাক দেন। এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতা ঢাকার যাত্রাবাড়ীর শনির আখড়া এলাকায় সমবেত হন। এই সমবেত জনতার ওপর খুনি হাসিনার পেটুয়া বাহিনী আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, পুলিশ এবং বিজিবি ন্যাক্কারজনক হামলা চালিয়ে একের পর এক মানুষকে হত্যা করে। এই সন্ত্রাসী বাহিনীর আক্রমণে শহীদ হাফেজ ছলেমান মারাত্মকভাবে আহত হন। ঘাতকের একটি বুলেট তার পিট দিয়ে ঢুকে বুক দিয়ে বেরিয়ে যায়। শহীদ হাফেজ ছলেমানের নিথর দেহটি রাস্তায় নেতিয়ে পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাকে ধরাধরি করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় বিকাল পাঁচটায় শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে যান।
শহীদ সম্পর্কে নিকটাত্মীয়দের বক্তব্য
শহীদ ছলেমানের ভগ্নিপতি মাওলানা শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘শহীদ হাফেজ ছলেমান ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী এবং ভদ্র। তিনি সবসময় শাহাদাতের আশঙ্কা পোষণ করতেন। ঘটনার একদিন আগে আমি তাকে আন্দোলনে যেতে নিষেধ করলে তিনি আমাকে বলেন, 'আপনি ভয় পান কেন? আমি মারা গেলে তো শহীদ হব।'
ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম : শহীদ হাফেজ ছলেমান
পিতার নাম : মিরাজ বেপারী
মাতার নাম : রোকসানা
জন্ম তারিখ : ১ জানুয়ারি ২০০৩
স্থায়ী ঠিকানা : আল নূর টাওয়ার, মাদানীনগর, ইউনিয়ন: শিমরাইল সানারপাড়, থানা: নারায়ণগঞ্জ সদর, জেলা: নারায়ণগঞ্জ
বর্তমান ঠিকানা : আল নূর টাওয়ার, মাদানী নগর,শিমরাইল, সানারপাড়, নারায়ণগঞ্জ সদর, নারায়ণগঞ্জ
বৈবাহিক অবস্থা : অবিবাহিত
আহত হওয়ার স্থান : কাজলা যাত্রাবাড়ী, ঢাকা
আহত হওয়ার সময়কাল : ৫ আগস্ট ২০২৪
শহীদ হওয়ার সময় : বিকাল পাঁচটা
যাদের আক্রমনে শহীদ : যুবলীগ, ছাত্রলীগ, পুলিশ এবং বিজিবি
প্রস্তাবনা
১. নিয়মিত শহীদ ভাতা প্রদান করা দরকার
২. একমাত্র সন্তানের শাহাদাতের ফলে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করা জরুরি
📖

পবিত্র কুরআনের বাণী

তারা তাদের রবের দেওয়া অনুগ্রহে আনন্দিত, এবং যারা এখনও তাদের সাথে মিলিত হতে পারেনি তাদের জন্যও তারা সুসংবাদ গ্রহণ করে। (সুরা আলে ইমরান ৩:১৭০)

🕌

হাদীস শরীফ

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “শহীদদের আত্মা সবুজ পাখির পেটে থাকে।” (সহীহ মুসলিম ১৮৮৭)

🖼️

শহীদের স্মৃতিচিত্র ও ফটো গ্যালারি

Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন
Memorial Photo
🔍 বড় করে দেখুন

📢 এই আত্মত্যাগের ইতিহাস শেয়ার করুন