মো: আবুদুর রাজ্জাক
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : রিকশা চালক
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্ম
মো: আবুদুর রাজ্জাক ১৯৬৯ সালের ২০ জুন পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের কাচাবুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্ম এক সাধারণ গ্রামীণ পরিবারে, যেখানে মানবিক মূল্যবোধ ও সংগ্রামী চেতনার বীজ প্রোথিত ছিল। তাঁর বাবা ও মা-উভয়েই আজ মৃত।
পারিবারিক জীবন ব্যক্তিজীবনে আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন একজন দায়িত্বশীল পিতা। রিকশা চালিয়ে কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি নিজের পরিবারকে আগলে রেখেছেন। তাঁর ১ ছেলে ও ৪ মেয়ে রয়েছে। ছেলেকে তিনি বিবাহ দিয়েছেন এবং সব কন্যারও বিয়ের ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছেন। একজন দরিদ্র মানুষ হয়েও তিনি পরিবারকে সুশিক্ষা ও নৈতিকতার আলোয় আলোকিত করার চেষ্টায় ছিলেন সদা নিরলস। কর্মজীবন আব্দুর রাজ্জাক জীবিকার জন্য বেছে নিয়েছিলেন রিকশা চালানোর পেশা। এ পেশার মাধ্যমে তিনি শুধু অর্থ উপার্জন করেননি,বরং সংগ্রাম, পরিশ্রম ও আত্মমর্যাদার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। তাঁর কর্মজীবন ছিল কঠোর পরিশ্রমে ভরপুর,কিন্তু আত্মসম্মান ও সততায় ছিল অটুট। সংগ্রামী জীবন আব্দুর রাজ্জাক একজন সচেতন ও প্রতিবাদী নাগরিক ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের আগেই সমাজের বৈষম্য,অন্যায় এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাঁর মনে জন্ম নেয় তীব্র প্রতিবাদ। তিনি ছিলেন চিন্তাশীল, ন্যায়পন্থী এবং সত্যের প্রতি অটল। জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় শুরু হয় তখন, যখন তিনি রাজপথে ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সরব হন। ভয়, রক্ত, নিপীড়ন কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। জুলাই আন্দোলনের সময় তাঁর সাহসিক ভূমিকা তাঁকে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে দিয়েছে। তাঁর আত্মত্যাগ, সংগ্রামী চেতনা এবং দৃঢ় মানসিকতা বহু প্রজন্মের জন্য এক আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে। তিনি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের অংশ হয়ে আছেন। সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ জুলাই আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে মো: আব্দুর রাজ্জাক একজন প্রবীণ যোদ্ধা হিসেবেই নয়, বরং এক নিরলস সেবক হিসেবে আন্দোলনে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন।তাঁর দায়িত্ব ছিল জনতার পাশে দাঁড়িয়ে তাদের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য পানির ব্যবস্থা করা। কঠিন গরম আর জনসমাগমের মধ্যে তিনি সারাদিন আন্দোলনকারীদের মাঝে পানি বিতরণ করেছেন। তীব্র রোদ, ক্লান্তি কিংবা বয়স; কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। তাঁর এই নিঃস্বার্থ সেবা অনেকের মনে সাহস জুগিয়েছে, স্বস্তি দিয়েছে এবং প্রেরণা ছড়িয়েছে। তবে এই শান্তিপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একজন প্রবীণ ব্যক্তিকেও রেহাই দেয়নি আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিবাদী বাহিনী। ২৮ জুলাই, ২০২৪; আন্দোলনের একপর্যায়ে যখন রাজপথে উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই সরকারদলীয় দমন-পীড়ন নেমে আসে আরো ভয়ংকর রূপে। মো: আব্দুর রাজ্জাক যখন জনসেবায় নিয়োজিত ছিলেন, তখন হঠাৎই পুলিশ বাহিনী নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে। সে সময় এক বুলেট এসে তাঁর পায়ে বিদ্ধ হয়। মুহূর্তেই তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং অচেতন হয়ে যান।এই পাশবিকতা শুধু একটি গুলির ঘটনা নয়;এটি ছিল আওয়ামী সরকারের দমননীতির প্রতীক। যেখানে শান্তিপূর্ণ, নিরীহ এক বৃদ্ধকেও তারা রেহাই দেয়নি-শুধু মাত্র তিনি ন্যায় ও গণমানুষের পক্ষে ছিলেন বলেই। অচেতন অবস্থায় তাঁকে রাজপথ থেকে উদ্ধার করেন আন্দোলনরত সাহসী যোদ্ধারা। তাঁরা তড়িঘড়ি করে তাঁকে স্থানীয় ইম্পেরিয়াল রয়েল হাসপাতালে নিয়ে যান,যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়।এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মো: আব্দুর রাজ্জাক হয়ে ওঠেন ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের আরেক প্রতীক। তাঁর রক্তে ভেজা পথ হয়ে থাকবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে এক অবিনাশী চিহ্ন। চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর মো: আব্দুর রাজ্জাককে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় রয়েল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরবর্তী ধাপে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে দ্রুত জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। তার বাঁ পায়ে যেসব বুলেট বিদ্ধ হয়েছিল,সেগুলো অপারেশনের মাধ্যমে বের করে আনা হয়। অপারেশনের পর দুই দিন তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সঠিক তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। পরবর্তী সময়ে অবস্থার কিছুটা স্থিতিশীলতা এলে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই চিকিৎসা-প্রক্রিয়াটি শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও তাঁর এক বড় সংগ্রামের অধ্যায় ছিল। বর্তমান অবস্থা : তিনি ভারি কোন কাজ করতে পারেন না। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে যেতে হলে নিয়মিত ওষুধ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা: বর্তমানে সুস্থ। পূর্বে কী ধরণের পেশায় নিয়োজিত ছিলেন: রিক্সা চালক ছিলেন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা ও ভাতা প্রদান করা।
এক নজরে মো: আবুদুর রাজ্জাক
নাম : মো: আবুদুর রাজ্জাক
জন্ম তারিখ : ২০/০৫/১৯৬৯
জন্মস্থান : পটুয়াখালী
পেশা : রিকশা চালক
নিজ জেলা : পটুয়াখালী
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: কাচাবুনিয়া, ইউনিয়ন: ইটবাড়িয়া, থানা: সদর, জেলা: পটুয়াখালী
বর্তমান ঠিকানা : উত্তর মুরাদপুর, কদমতলী, ঢাকা
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মৃত আমজাদ হোসেন
মায়ের নাম : মৃত রেজিয়া খাতুন
মাসিক আয় : ১০,০০০
বাড়ির বিবরণ : ভাড়া বাসা
সম্পদের পরিমাণ : নেই
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
সন্তানদের নাম
১. শাবনাজ, বয়স: ৩২, সম্পর্ক : মেয়ে
২. রাকিবুল, বয়স: ৩০, সম্পর্ক : ছেলে
৩. স্বর্ণা, বয়স: ২৬, সম্পর্ক : মেয়ে
৪. রিমা, বয়স: ২২, সম্পর্ক : মেয়ে
৫. সাদিয়া, বয়স: ১৮, সম্পর্ক : মেয়ে
আহত হওয়ার স্থান : ঢাকার যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ, শনির আখড়া এলাকায়
তারিখ ও সময় : ২৮ জুলাই ২০২৪, দুপুর ২.০০টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
আঘাতের ধরণ : পায়ের গুলিবিদ্ধ
চিকিৎসা : রয়েল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল
মো: আবুদুর রাজ্জাক ১৯৬৯ সালের ২০ জুন পটুয়াখালী জেলার সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া ইউনিয়নের কাচাবুনিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্ম এক সাধারণ গ্রামীণ পরিবারে, যেখানে মানবিক মূল্যবোধ ও সংগ্রামী চেতনার বীজ প্রোথিত ছিল। তাঁর বাবা ও মা-উভয়েই আজ মৃত।
পারিবারিক জীবন ব্যক্তিজীবনে আব্দুর রাজ্জাক ছিলেন একজন দায়িত্বশীল পিতা। রিকশা চালিয়ে কঠিন পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি নিজের পরিবারকে আগলে রেখেছেন। তাঁর ১ ছেলে ও ৪ মেয়ে রয়েছে। ছেলেকে তিনি বিবাহ দিয়েছেন এবং সব কন্যারও বিয়ের ব্যবস্থা সম্পন্ন করেছেন। একজন দরিদ্র মানুষ হয়েও তিনি পরিবারকে সুশিক্ষা ও নৈতিকতার আলোয় আলোকিত করার চেষ্টায় ছিলেন সদা নিরলস। কর্মজীবন আব্দুর রাজ্জাক জীবিকার জন্য বেছে নিয়েছিলেন রিকশা চালানোর পেশা। এ পেশার মাধ্যমে তিনি শুধু অর্থ উপার্জন করেননি,বরং সংগ্রাম, পরিশ্রম ও আত্মমর্যাদার এক অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছেন। তাঁর কর্মজীবন ছিল কঠোর পরিশ্রমে ভরপুর,কিন্তু আত্মসম্মান ও সততায় ছিল অটুট। সংগ্রামী জীবন আব্দুর রাজ্জাক একজন সচেতন ও প্রতিবাদী নাগরিক ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের আগেই সমাজের বৈষম্য,অন্যায় এবং রাজনৈতিক নিপীড়নের বিরুদ্ধে তাঁর মনে জন্ম নেয় তীব্র প্রতিবাদ। তিনি ছিলেন চিন্তাশীল, ন্যায়পন্থী এবং সত্যের প্রতি অটল। জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় শুরু হয় তখন, যখন তিনি রাজপথে ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে সরব হন। ভয়, রক্ত, নিপীড়ন কোনো কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। জুলাই আন্দোলনের সময় তাঁর সাহসিক ভূমিকা তাঁকে ইতিহাসের পাতায় স্থান করে দিয়েছে। তাঁর আত্মত্যাগ, সংগ্রামী চেতনা এবং দৃঢ় মানসিকতা বহু প্রজন্মের জন্য এক আলোকবর্তিকা হয়ে থাকবে। তিনি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের অংশ হয়ে আছেন। সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ জুলাই আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে মো: আব্দুর রাজ্জাক একজন প্রবীণ যোদ্ধা হিসেবেই নয়, বরং এক নিরলস সেবক হিসেবে আন্দোলনে নিজেকে সম্পৃক্ত রাখেন।তাঁর দায়িত্ব ছিল জনতার পাশে দাঁড়িয়ে তাদের তৃষ্ণা নিবারণের জন্য পানির ব্যবস্থা করা। কঠিন গরম আর জনসমাগমের মধ্যে তিনি সারাদিন আন্দোলনকারীদের মাঝে পানি বিতরণ করেছেন। তীব্র রোদ, ক্লান্তি কিংবা বয়স; কিছুই তাঁকে থামাতে পারেনি। তাঁর এই নিঃস্বার্থ সেবা অনেকের মনে সাহস জুগিয়েছে, স্বস্তি দিয়েছে এবং প্রেরণা ছড়িয়েছে। তবে এই শান্তিপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী একজন প্রবীণ ব্যক্তিকেও রেহাই দেয়নি আওয়ামী সরকারের ফ্যাসিবাদী বাহিনী। ২৮ জুলাই, ২০২৪; আন্দোলনের একপর্যায়ে যখন রাজপথে উত্তেজনা তুঙ্গে, ঠিক তখনই সরকারদলীয় দমন-পীড়ন নেমে আসে আরো ভয়ংকর রূপে। মো: আব্দুর রাজ্জাক যখন জনসেবায় নিয়োজিত ছিলেন, তখন হঠাৎই পুলিশ বাহিনী নির্বিচারে গুলি ছুড়তে শুরু করে। সে সময় এক বুলেট এসে তাঁর পায়ে বিদ্ধ হয়। মুহূর্তেই তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন এবং অচেতন হয়ে যান।এই পাশবিকতা শুধু একটি গুলির ঘটনা নয়;এটি ছিল আওয়ামী সরকারের দমননীতির প্রতীক। যেখানে শান্তিপূর্ণ, নিরীহ এক বৃদ্ধকেও তারা রেহাই দেয়নি-শুধু মাত্র তিনি ন্যায় ও গণমানুষের পক্ষে ছিলেন বলেই। অচেতন অবস্থায় তাঁকে রাজপথ থেকে উদ্ধার করেন আন্দোলনরত সাহসী যোদ্ধারা। তাঁরা তড়িঘড়ি করে তাঁকে স্থানীয় ইম্পেরিয়াল রয়েল হাসপাতালে নিয়ে যান,যেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাঁর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়।এই ঘটনার মধ্য দিয়ে মো: আব্দুর রাজ্জাক হয়ে ওঠেন ফ্যাসিবাদবিরোধী সংগ্রামের আরেক প্রতীক। তাঁর রক্তে ভেজা পথ হয়ে থাকবে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার ইতিহাসে এক অবিনাশী চিহ্ন। চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা গুলিবিদ্ধ হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার পর মো: আব্দুর রাজ্জাককে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয় রয়েল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শে পরবর্তী ধাপে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা তাঁর শারীরিক অবস্থা পরীক্ষা করে দ্রুত জরুরি অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। তার বাঁ পায়ে যেসব বুলেট বিদ্ধ হয়েছিল,সেগুলো অপারেশনের মাধ্যমে বের করে আনা হয়। অপারেশনের পর দুই দিন তিনি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন এবং নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসকদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও সঠিক তত্ত্বাবধানে ধীরে ধীরে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হতে থাকে। পরবর্তী সময়ে অবস্থার কিছুটা স্থিতিশীলতা এলে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এই চিকিৎসা-প্রক্রিয়াটি শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও তাঁর এক বড় সংগ্রামের অধ্যায় ছিল। বর্তমান অবস্থা : তিনি ভারি কোন কাজ করতে পারেন না। সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরে যেতে হলে নিয়মিত ওষুধ এবং পর্যাপ্ত বিশ্রাম অত্যন্ত জরুরি।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা: বর্তমানে সুস্থ। পূর্বে কী ধরণের পেশায় নিয়োজিত ছিলেন: রিক্সা চালক ছিলেন কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা ও ভাতা প্রদান করা।
এক নজরে মো: আবুদুর রাজ্জাক
নাম : মো: আবুদুর রাজ্জাক
জন্ম তারিখ : ২০/০৫/১৯৬৯
জন্মস্থান : পটুয়াখালী
পেশা : রিকশা চালক
নিজ জেলা : পটুয়াখালী
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: কাচাবুনিয়া, ইউনিয়ন: ইটবাড়িয়া, থানা: সদর, জেলা: পটুয়াখালী
বর্তমান ঠিকানা : উত্তর মুরাদপুর, কদমতলী, ঢাকা
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মৃত আমজাদ হোসেন
মায়ের নাম : মৃত রেজিয়া খাতুন
মাসিক আয় : ১০,০০০
বাড়ির বিবরণ : ভাড়া বাসা
সম্পদের পরিমাণ : নেই
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
সন্তানদের নাম
১. শাবনাজ, বয়স: ৩২, সম্পর্ক : মেয়ে
২. রাকিবুল, বয়স: ৩০, সম্পর্ক : ছেলে
৩. স্বর্ণা, বয়স: ২৬, সম্পর্ক : মেয়ে
৪. রিমা, বয়স: ২২, সম্পর্ক : মেয়ে
৫. সাদিয়া, বয়স: ১৮, সম্পর্ক : মেয়ে
আহত হওয়ার স্থান : ঢাকার যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ, শনির আখড়া এলাকায়
তারিখ ও সময় : ২৮ জুলাই ২০২৪, দুপুর ২.০০টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
আঘাতের ধরণ : পায়ের গুলিবিদ্ধ
চিকিৎসা : রয়েল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍