মোয়াজ
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : ছাত্র, শরহে বেকায়া
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
তার পিতা মাও. শাহাদত হোসেন একজন শিক্ষক, যিনি প্রায় ১০ হাজার টাকা মাসিক আয় করেন। মা শুমাইয়াতুল জান্নাত একজন গৃহিণী, যিনি ঘরের সমস্ত দায়িত্ব সামলান। সীমিত আয়ের মধ্যে মোয়াজ ও তার ভাই-বোনদের শিক্ষাজীবন চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। মোয়াজের ছোট ভাই মোজাহিদুল ইসলাম ফুয়াদ (১৪) হেফজ বিভাগে অধ্যয়নরত, আর দুই বোন রিহাতুল জান্নাত (১০) এবং মুহাসসানা মিম (৭) যথাক্রমে ৬ষ্ঠ ও ১ম শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। পরিবারের সবাই শিক্ষাবান্ধব ও ধর্মপ্রাণ, যারা চায় সন্তানরা আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। মোয়াজ একজন সাধারণ পরিবারের সন্তান হয়েও নিজের অবস্থান থেকে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি দায়িত্বশীল হতে চায়। তার পরিবার চায়, সন্তানরা শিক্ষা ও চরিত্রে উজ্জ্বল হয়ে দেশের কল্যাণে ভূমিকা রাখুক।
যাত্রাবাড়ীতে গুলিবিদ্ধ মোয়াজ
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন কেবল একটি রাজনৈতিক প্রতিরোধ ছিল না; এটি ছিল ফ্যাসিবাদ ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনতার একটি জাগরণ। এই আন্দোলনের ঢেউ লেগেছিল ঢাকার যাত্রাবাড়ীতেও, যেখানে এক কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মোয়াজ নিজের জীবনবাজি রেখে নেমেছিলেন প্রতিবাদে। ২৭ জুলাই, যখন তিনি বাড়ি যাওয়ার সময় যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশ তাকে ঘিরে ধরে। মোবাইল ফোন চেক করার সময় তারা তার ফোনে আন্দোলনের একটি ভিডিও খুঁজে পায়। সেখান থেকেই শুরু হয় নিপীড়ন।
পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে এবং নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করে তোলে। এরপর তাকে বাধ্য করা হয় একটি জবানবন্দিতে সই করতে। যেখানে লেখা ছিল তিনি আর কখনো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলনে অংশ নেবেন না। সেই মুচলেকার বিনিময়েই তাকে পরদিন ছেড়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু মুক্তির পরও মোয়াজ ভেঙে পড়েননি। বরং ৩ আগস্ট তিনি আবার যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি বুঝেছিলেন, এই রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা শুধু অধিকার নয়, কর্তব্য। ৫ আগস্ট দুপুর ৩টার দিকে যখন শিক্ষার্থীরা যাত্রাবাড়ী থানা ঘেরাও করে, তখন সেখানে অবস্থান করছিলেন মোয়াজও। হঠাৎ পুলিশ গুলি চালাতে শুরু করে। আতঙ্কে মানুষ ছুটাছুটি শুরু করে দেয়। মোয়াজ একটি দেয়াল টপকে পালাতে চেষ্টা করলে সে সময় একটি গুলি তাঁর পেট ভেদ করে। মুহূর্তেই তিনি নিস্তেজ হয়ে মাটিতে পড়ে যান।
চিকিৎসা ও সংগ্রামের গল্প
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশের ছোঁড়া গুলি তার পেট ভেদ করে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই শুরু হয় তার দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল চিকিৎসাজীবন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর টানা চারদিন তাঁর চিকিৎসা চলে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার দু’দিন পর অস্ত্রোপচার (অপারেশন) করে তার শরীর থেকে বুলেটটি বের করা হয়। এখনও সেই বুলেটটি হাসপাতালে সংরক্ষিত। কিন্তু গুলির ক্ষতস্থান পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় সমস্যার শেষ নেই। ক্ষতস্থানে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে এবং ভেতরে ফাঁকা জায়গা থেকে রক্ত ও পুঁজ বের হওয়ায় তা অত্যন্ত বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাতে ঘুমানোর সময় সেই স্থানটিতে চুলকানি শুরু হয়, যা ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ এবং জটিল সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়। চিকিৎসকরা বলেছেন, এটি দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ছাড়া সেরে ওঠা সম্ভব নয়। শুরুতে মোয়াজ ১৪ দিনের ওষুধের কোর্স গ্রহণ করেন। পরে আরেক দফা ১৪ দিনের ওষুধ শুরু হলেও ইনফেকশনের উন্নতি হয়নি। পরবর্তী চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাকে প্রতিদিন ক্ষত ড্রেসিং করতে হয়েছে, যা এক মাস ধরে অব্যাহত ছিল। প্রতিদিন এই ড্রেসিং করাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০০ টাকা যা তার পরিবারের জন্য একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
চিকিৎসার খরচ, ওষুধ ও ইনজেকশনের জন্য মোয়াজের পরিবারকে ঋণের আশ্রয় নিতে হয়েছে। পরিবারটি মধ্যবিত্ত নয়, বরং সীমিত আয়ের। তার পিতার একমাত্র আয়ই সংসারের ভরসা। বর্তমানে মোয়াজ শারীরিকভাবে দুর্বল, আর্থিকভাবে অসহায় এবং মানসিকভাবে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। সংক্রমণ ধীরে ধীরে জটিল আকার নিচ্ছে, যার ফলে উন্নত চিকিৎসা তাঁর অত্যাবশ্যক। কিন্তু এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার পরিবারের নেই। একটি বুলেট শুধু শরীর নয়, তাঁর জীবন ও ভবিষ্যতকেও ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। মোয়াজের পাশে দাঁড়ানো এখন কেবল মানবিক দায়িত্বই নয়, ন্যায়বিচারের দাবি।মাদরাসা শিক্ষার্থীর
বীরত্বগাথা
পুনর্বাসনভিত্তিক প্রস্তাবনা
১. শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা
২. স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি চাকরির ব্যবস্থা
৩. বিশেষ চিকিৎসা সহায়তা কার্ড চালুএকনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদিজন্ম ও পরিচয়
মোয়াজ একজন কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী, যিনি জামালপুর সদর উপজেলার ইটাইল পশ্চিমপাড়া গ্রামে ২০০৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি কওমি মাদরাসায় শরহে বেকায়া বিভাগে অধ্যয়নরত। ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহী মোয়াজ পরিবার ও সমাজের নৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চায়। তার নিজ জেলা জামালপুর হলেও বর্তমানে পড়াশোনার প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থান করছেন। নাম : মোয়াজ
জন্মতারিখ : ০২ অক্টোবর ২০০৫
জন্মস্থান : ইটাইল পশ্চিমপাড়া, ইটাইল, সদর উপজেলা, জামালপুর
পেশা : ছাত্র, শরহে বেকায়া
প্রতিষ্ঠান : যাত্রাবাড়ী কওমী মাদরাসা
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: ইটাইল পশ্চিমপাড়া, ইউনিয়ন: ইটাইল, উপজেলা: সদর, জেলা: জামালপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মাওলানা শাহাদত হোসেন, বয়স: ৫৫, পেশা: শিক্ষক
মায়ের নাম : শুমাইয়াতুল জান্নাত, বয়স: ৪৫, পেশা: গৃহিণী
মাসিক আয় : ১০,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : বাবার শিক্ষকতা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ০৬ জন
ভাই-বোনদের বিবরণ
১. জুমাইনুল ইসলাম ফুয়াদ, বয়স: ১৪, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: হেফজ বিভাগ, সম্পর্ক: ভাই
২. রিহাতুল জান্নাত, বয়স: ১০, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ৬ষ্ঠ, সম্পর্ক: বোন
৩. মুহাসসনা, বয়স: ৭, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ১ম, সম্পর্ক: বোন
ঘটনার স্থান: যাত্রাবাড়ী থানা সংলগ্ন, আহত হওয়ার সময়: ৫ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২.০০টা
আক্রমণকারী: যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ
যাত্রাবাড়ীতে গুলিবিদ্ধ মোয়াজ
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন কেবল একটি রাজনৈতিক প্রতিরোধ ছিল না; এটি ছিল ফ্যাসিবাদ ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে জনতার একটি জাগরণ। এই আন্দোলনের ঢেউ লেগেছিল ঢাকার যাত্রাবাড়ীতেও, যেখানে এক কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী মোয়াজ নিজের জীবনবাজি রেখে নেমেছিলেন প্রতিবাদে। ২৭ জুলাই, যখন তিনি বাড়ি যাওয়ার সময় যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশ তাকে ঘিরে ধরে। মোবাইল ফোন চেক করার সময় তারা তার ফোনে আন্দোলনের একটি ভিডিও খুঁজে পায়। সেখান থেকেই শুরু হয় নিপীড়ন।
পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন করে এবং নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করে তোলে। এরপর তাকে বাধ্য করা হয় একটি জবানবন্দিতে সই করতে। যেখানে লেখা ছিল তিনি আর কখনো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কোনো আন্দোলনে অংশ নেবেন না। সেই মুচলেকার বিনিময়েই তাকে পরদিন ছেড়ে দেওয়া হয়।
কিন্তু মুক্তির পরও মোয়াজ ভেঙে পড়েননি। বরং ৩ আগস্ট তিনি আবার যাত্রাবাড়ীতে আন্দোলনে যোগ দেন। তিনি বুঝেছিলেন, এই রাষ্ট্রযন্ত্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করা শুধু অধিকার নয়, কর্তব্য। ৫ আগস্ট দুপুর ৩টার দিকে যখন শিক্ষার্থীরা যাত্রাবাড়ী থানা ঘেরাও করে, তখন সেখানে অবস্থান করছিলেন মোয়াজও। হঠাৎ পুলিশ গুলি চালাতে শুরু করে। আতঙ্কে মানুষ ছুটাছুটি শুরু করে দেয়। মোয়াজ একটি দেয়াল টপকে পালাতে চেষ্টা করলে সে সময় একটি গুলি তাঁর পেট ভেদ করে। মুহূর্তেই তিনি নিস্তেজ হয়ে মাটিতে পড়ে যান।
চিকিৎসা ও সংগ্রামের গল্প
৫ আগস্ট যাত্রাবাড়ী থানার সামনে পুলিশের ছোঁড়া গুলি তার পেট ভেদ করে। স্থানীয়রা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানেই শুরু হয় তার দীর্ঘ ও ব্যয়বহুল চিকিৎসাজীবন। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর টানা চারদিন তাঁর চিকিৎসা চলে। গুলিবিদ্ধ হওয়ার দু’দিন পর অস্ত্রোপচার (অপারেশন) করে তার শরীর থেকে বুলেটটি বের করা হয়। এখনও সেই বুলেটটি হাসপাতালে সংরক্ষিত। কিন্তু গুলির ক্ষতস্থান পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় সমস্যার শেষ নেই। ক্ষতস্থানে ইনফেকশন দেখা দিয়েছে এবং ভেতরে ফাঁকা জায়গা থেকে রক্ত ও পুঁজ বের হওয়ায় তা অত্যন্ত বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাতে ঘুমানোর সময় সেই স্থানটিতে চুলকানি শুরু হয়, যা ফেটে গিয়ে রক্তক্ষরণ এবং জটিল সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হয়। চিকিৎসকরা বলেছেন, এটি দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ছাড়া সেরে ওঠা সম্ভব নয়। শুরুতে মোয়াজ ১৪ দিনের ওষুধের কোর্স গ্রহণ করেন। পরে আরেক দফা ১৪ দিনের ওষুধ শুরু হলেও ইনফেকশনের উন্নতি হয়নি। পরবর্তী চিকিৎসার অংশ হিসেবে তাকে প্রতিদিন ক্ষত ড্রেসিং করতে হয়েছে, যা এক মাস ধরে অব্যাহত ছিল। প্রতিদিন এই ড্রেসিং করাতে খরচ হয়েছে প্রায় ৩০০ টাকা যা তার পরিবারের জন্য একপ্রকার অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।
চিকিৎসার খরচ, ওষুধ ও ইনজেকশনের জন্য মোয়াজের পরিবারকে ঋণের আশ্রয় নিতে হয়েছে। পরিবারটি মধ্যবিত্ত নয়, বরং সীমিত আয়ের। তার পিতার একমাত্র আয়ই সংসারের ভরসা। বর্তমানে মোয়াজ শারীরিকভাবে দুর্বল, আর্থিকভাবে অসহায় এবং মানসিকভাবে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন। সংক্রমণ ধীরে ধীরে জটিল আকার নিচ্ছে, যার ফলে উন্নত চিকিৎসা তাঁর অত্যাবশ্যক। কিন্তু এই চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার মতো সামর্থ্য তার পরিবারের নেই। একটি বুলেট শুধু শরীর নয়, তাঁর জীবন ও ভবিষ্যতকেও ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। মোয়াজের পাশে দাঁড়ানো এখন কেবল মানবিক দায়িত্বই নয়, ন্যায়বিচারের দাবি।মাদরাসা শিক্ষার্থীর
বীরত্বগাথা
পুনর্বাসনভিত্তিক প্রস্তাবনা
১. শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা
২. স্থানীয় পর্যায়ে সরকারি চাকরির ব্যবস্থা
৩. বিশেষ চিকিৎসা সহায়তা কার্ড চালুএকনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদিজন্ম ও পরিচয়
মোয়াজ একজন কওমি মাদরাসার শিক্ষার্থী, যিনি জামালপুর সদর উপজেলার ইটাইল পশ্চিমপাড়া গ্রামে ২০০৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। বর্তমানে তিনি ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকার একটি কওমি মাদরাসায় শরহে বেকায়া বিভাগে অধ্যয়নরত। ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় শিক্ষায় আগ্রহী মোয়াজ পরিবার ও সমাজের নৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে চায়। তার নিজ জেলা জামালপুর হলেও বর্তমানে পড়াশোনার প্রয়োজনে ঢাকায় অবস্থান করছেন। নাম : মোয়াজ
জন্মতারিখ : ০২ অক্টোবর ২০০৫
জন্মস্থান : ইটাইল পশ্চিমপাড়া, ইটাইল, সদর উপজেলা, জামালপুর
পেশা : ছাত্র, শরহে বেকায়া
প্রতিষ্ঠান : যাত্রাবাড়ী কওমী মাদরাসা
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: ইটাইল পশ্চিমপাড়া, ইউনিয়ন: ইটাইল, উপজেলা: সদর, জেলা: জামালপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মাওলানা শাহাদত হোসেন, বয়স: ৫৫, পেশা: শিক্ষক
মায়ের নাম : শুমাইয়াতুল জান্নাত, বয়স: ৪৫, পেশা: গৃহিণী
মাসিক আয় : ১০,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : বাবার শিক্ষকতা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ০৬ জন
ভাই-বোনদের বিবরণ
১. জুমাইনুল ইসলাম ফুয়াদ, বয়স: ১৪, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: হেফজ বিভাগ, সম্পর্ক: ভাই
২. রিহাতুল জান্নাত, বয়স: ১০, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ৬ষ্ঠ, সম্পর্ক: বোন
৩. মুহাসসনা, বয়স: ৭, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ১ম, সম্পর্ক: বোন
ঘটনার স্থান: যাত্রাবাড়ী থানা সংলগ্ন, আহত হওয়ার সময়: ৫ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২.০০টা
আক্রমণকারী: যাত্রাবাড়ী থানার পুলিশ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍