মো. শাকিল মিয়া
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : শিক্ষার্থী, সিরাজউদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ ও ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জুলাই বিপ্লবে ফ্যাসিস্ট হাসিনার পুলিশের গুলিতে চোখ হারানো বিপ্লবী মো. শাকিল মিয়া। তার বাড়ি ময়মনসিংহ বিভাগের জামালপুর জেলায়। তার জন্মস্থান জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার চরপাকেরদহ ইউনিয়নের তেগরিয়া উত্তরপাড়া গ্রামে। এই গ্রামের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত ইব্রাহিম, মাতা জবা বেগম। তার জন্ম তারিখ ২৭ জুলাই ২০০৩।
বাংলা কি তোর বাপ-দাদার
মো. শাকিল মিয়া ২০১৮ ছাত্র কর্তৃক সংগঠিত ' নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি তখন মাইলস্টোন কলেজে পড়ালেখা করেন। সড়ক আন্দোলনে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সে আন্দোলনে প্রতিদিন তার উপস্থিতি ছিল। দরিদ্র পরিবারের ছেলে শাকিল। পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি তখন ফুটপাতে কাপড় বিক্রি করতেন। ছাত্র আন্দোলনটি সরকার স্বৈরাচারী কায়দায় দমন করে। কলেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বাসায় বাসায় অভিভাবকদের চাপ প্রয়োগ করে। ছাত্র সমন্বয়কদের গ্রেফতার, নির্যাতন করে আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা চালায়।
শাকিল মিয়া আবার শরিক হন ছাত্র আন্দোলনে। জুলাই ২০২৪ এর এই আন্দোলনের নাম ' বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন'। জুলাইয়ের এই আন্দোলন একই সাথে একটি আন্দোলন, বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থান। জুলাইয়ে জনতার জোয়ার এসেছিল। জনতার জোয়ারে ভেসে গেছে ফ্যাসিবাদ সদলবলে। হাসিনা পালিয়ে গেছে তার আপন ঠিকানায়। হাসিনা ও আওয়ামী লীগের শিকড় যেন ভারতেই গ্রথিত। হাসিনার মন্ত্রী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা ভারতকে তাদের স্বামী বলে স্বীকার করেছিল নির্লজ্জভাবে। তারা একটি স্বাধীন দেশকে ভারতের প্রদেশ ভেবে গর্বিত হতো। দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে ভারতের প্রত্যাশা পূরণ করত প্রশ্নহীন চিত্তে। শাকিল মিয়া ১৮ সালের হাসিনা বিরোধী সৈনিক। তখন তারা সফল না হলেও সে আন্দোলন তাদের চোখ খুলে দিয়েছিল। জুলাইয়ে তিনি চোখ-কান সজাগ রাখছিলেন।
আবু সাঈদের শাহাদাত তাকে অনুপ্রাণিত করে। ছাত্র হত্যাকারীদের প্রতি তার মন বিক্ষুব্ধ হয়। তিনি দেখলেন তার ছাত্রী বোনদের অসভ্য জন্তু জানোয়াররা নির্মম আঘাত করছে। একটি নারীর রক্তাক্ত ছবি, একটি ছাত্রের আহত মুখ, একজন জনতার হাতকড়া পরা হাত দেখে শাকিল মিয়া ক্ষুব্ধ-বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তিনি ছাত্রদের পাশে এসে দাঁড়ান। রাজপথে নেমে এসে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করেন রাজপথ।
প্রতিদিনই আন্দোলনে যোগ দেন। শাকিল ছাত্রদের সাথে মিশে মিছিল করেন। শত শত শাকিলেরা জীবনবাজি রেখে আন্দোলন চালিয়ে যান। দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতেই হবে। কথায় কথায় দেশ ছেড়ে চলে যাবার নির্দেশদাতা আওয়ামী লীগকে শাকিলেরা শ্লোগানে শ্লোগানে প্রশ্ন রাখেন, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ দাদার’?
উত্তরা আজমপুরে শাকিল
১৮ জুলাই, এই সময়টা জুলাই আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়। বিপ্লবের অগ্নিগর্ভ মুহূর্ত। শাকিল খুব সকালেই মিছিলে যান। সকাল থেকেই আজমপুর উত্তপ্ত। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। একদিকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীরা, বিপরীতে সশস্ত্র পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসী চক্র। আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত তারা। বেলা বারোটায় পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মিছিলে গুলি ছোঁড়ে। আন্দোলনকারীরা নিরস্ত্র হলেও ইস্পাতদৃঢ় মনোবলে দাঁড়িয়ে থাকে মাঠে। শাকিলের হাতে একটি ছররাগুলি লাগে। আহত হাত নিয়েই সংগ্রাম চালিয়ে যান। ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। থেমে থেমে গুলি চলতে থাকে। ছাত্রদের দৃঢ়তায় অস্ত্র ভোঁতা হয়ে যায়। কিন্ত ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের তল্পীবাহকেরা বেপরোয়া হয়ে যায়।
বিকাল ৪.৩০ টার সময় বেপরোয়া গুলিবর্ষণ করতে থাকে। শাকিলের দুপুরের খাবার খাওয়া হয়নি। না খেয়েই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজে আহত, অন্যরাও আহত হচ্ছেন। তার সামনে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যান শাকিল। তিনিও তখন আহত হন। তিনটি ছররাগুলি তার বাম চোখে লাগে। একটি গুলি লেগে বের হয়ে যায়। তাকে দ্রুত চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে একটি গুলি বের করা হয়। অপর গুলিটি চোখের ভেতর হাড়ে আটকে যায়।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হওয়ার পর তাকে দ্রুত চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তিনিটি স্পিøন্টার তার বাম চোখে লাগে। একটি স্পিøন্টার চোখে লেগে বের হয়ে যায় ঘটনাস্থলেই। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকরা অপারেশন করে আরেকটি বের করতে সক্ষম হন। অপর গুলিটি চোখের হাড়ে বিদ্ধ হয়ে আটকে থাকে। সেটি অপারেশন করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসকগণ অপারেশন করার ঝুঁকি নিচ্ছেন না। ঔষধ প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন। এই অপারেশন বাংলাদেশে অসম্ভব বলে মত দিয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরের পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমানে ঔষধ চলছে। গুলিবিদ্ধ থাকায় তার শারীরিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা
চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে ব্যবস্থা করা। তার আগ পর্যন্ত নিয়মিত চিকিৎসা সহজ করা। ঔষধ ও আনুষাঙ্গিক আর্থিক সংকটে পাশে থাকা। আক্রান্ত হওয়ায় মানসিক চাপমুক্ত থাকার জন্য তার কাউন্সিলিং করা।
কর্মসংস্থান নিয়ে সামগ্রিক কথা
তিনি বর্তমানে বেকার। তাকে পুনর্বাসন ব্যবস্থা করা। চাকরি কিংবা ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা। নিয়মিত চিকিৎসা ভাতা প্রদান। আর্থিক এককালীন অর্থ প্রদান। চিকিৎসা ভাতা নিয়মিত প্রদান। আর্থিক অনুদান প্রায় ৩/৪ লাখ প্রদান।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: শাকিল মিয়া
জন্ম তারিখ : ২৭-০৭-২০০৩
জন্মস্থান : মাদারগঞ্জ
পেশা : শিক্ষার্থী, সিরাজউদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ ও ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী
নিজ জেলা : জামালপুর
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: তেগরিয়া উত্তরপাড়া, ইউনিয়ন: চরপাকেরদহ, থানা: মাদারগঞ্জ, জেলা: জামালপুর
পিতার নাম : মরহুম মো. ইব্রাহিম
মায়ের নাম : জবা বেগম
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের পরিমাণ : ১৫,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : গার্মেন্টস
বাড়ি : ঘরের জায়গা
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. রুবেল, পেশা: ফুটপাতে কাপড় বিক্রেতা, সম্পর্ক: ভাই
২. পারভিন, পেশা: গার্মেন্টসে চাকরি করে, সম্পর্ক: বোন
৩. একে খান, পেশা: ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার স্থান ও সময় : উত্তরা, আজমপুর, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৪.৩০
আক্রমণকারী : পুলিশ
বাংলা কি তোর বাপ-দাদার
মো. শাকিল মিয়া ২০১৮ ছাত্র কর্তৃক সংগঠিত ' নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তিনি তখন মাইলস্টোন কলেজে পড়ালেখা করেন। সড়ক আন্দোলনে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল। সে আন্দোলনে প্রতিদিন তার উপস্থিতি ছিল। দরিদ্র পরিবারের ছেলে শাকিল। পড়াশুনার পাশাপাশি তিনি তখন ফুটপাতে কাপড় বিক্রি করতেন। ছাত্র আন্দোলনটি সরকার স্বৈরাচারী কায়দায় দমন করে। কলেজ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে বাসায় বাসায় অভিভাবকদের চাপ প্রয়োগ করে। ছাত্র সমন্বয়কদের গ্রেফতার, নির্যাতন করে আন্দোলনকে দমন করার চেষ্টা চালায়।
শাকিল মিয়া আবার শরিক হন ছাত্র আন্দোলনে। জুলাই ২০২৪ এর এই আন্দোলনের নাম ' বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন'। জুলাইয়ের এই আন্দোলন একই সাথে একটি আন্দোলন, বিপ্লব ও গণঅভ্যুত্থান। জুলাইয়ে জনতার জোয়ার এসেছিল। জনতার জোয়ারে ভেসে গেছে ফ্যাসিবাদ সদলবলে। হাসিনা পালিয়ে গেছে তার আপন ঠিকানায়। হাসিনা ও আওয়ামী লীগের শিকড় যেন ভারতেই গ্রথিত। হাসিনার মন্ত্রী পরিষদের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা ভারতকে তাদের স্বামী বলে স্বীকার করেছিল নির্লজ্জভাবে। তারা একটি স্বাধীন দেশকে ভারতের প্রদেশ ভেবে গর্বিত হতো। দেশের স্বার্থ বিসর্জন দিয়ে ভারতের প্রত্যাশা পূরণ করত প্রশ্নহীন চিত্তে। শাকিল মিয়া ১৮ সালের হাসিনা বিরোধী সৈনিক। তখন তারা সফল না হলেও সে আন্দোলন তাদের চোখ খুলে দিয়েছিল। জুলাইয়ে তিনি চোখ-কান সজাগ রাখছিলেন।
আবু সাঈদের শাহাদাত তাকে অনুপ্রাণিত করে। ছাত্র হত্যাকারীদের প্রতি তার মন বিক্ষুব্ধ হয়। তিনি দেখলেন তার ছাত্রী বোনদের অসভ্য জন্তু জানোয়াররা নির্মম আঘাত করছে। একটি নারীর রক্তাক্ত ছবি, একটি ছাত্রের আহত মুখ, একজন জনতার হাতকড়া পরা হাত দেখে শাকিল মিয়া ক্ষুব্ধ-বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। তিনি ছাত্রদের পাশে এসে দাঁড়ান। রাজপথে নেমে এসে শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত করেন রাজপথ।
প্রতিদিনই আন্দোলনে যোগ দেন। শাকিল ছাত্রদের সাথে মিশে মিছিল করেন। শত শত শাকিলেরা জীবনবাজি রেখে আন্দোলন চালিয়ে যান। দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতেই হবে। কথায় কথায় দেশ ছেড়ে চলে যাবার নির্দেশদাতা আওয়ামী লীগকে শাকিলেরা শ্লোগানে শ্লোগানে প্রশ্ন রাখেন, ‘কথায় কথায় বাংলা ছাড়, বাংলা কি তোর বাপ দাদার’?
উত্তরা আজমপুরে শাকিল
১৮ জুলাই, এই সময়টা জুলাই আন্দোলনের উত্তপ্ত সময়। বিপ্লবের অগ্নিগর্ভ মুহূর্ত। শাকিল খুব সকালেই মিছিলে যান। সকাল থেকেই আজমপুর উত্তপ্ত। বেলা বাড়ার সাথে সাথে বাড়তে থাকে উত্তেজনা। একদিকে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীরা, বিপরীতে সশস্ত্র পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসী চক্র। আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত তারা। বেলা বারোটায় পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা মিছিলে গুলি ছোঁড়ে। আন্দোলনকারীরা নিরস্ত্র হলেও ইস্পাতদৃঢ় মনোবলে দাঁড়িয়ে থাকে মাঠে। শাকিলের হাতে একটি ছররাগুলি লাগে। আহত হাত নিয়েই সংগ্রাম চালিয়ে যান। ধাওয়া, পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। থেমে থেমে গুলি চলতে থাকে। ছাত্রদের দৃঢ়তায় অস্ত্র ভোঁতা হয়ে যায়। কিন্ত ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের তল্পীবাহকেরা বেপরোয়া হয়ে যায়।
বিকাল ৪.৩০ টার সময় বেপরোয়া গুলিবর্ষণ করতে থাকে। শাকিলের দুপুরের খাবার খাওয়া হয়নি। না খেয়েই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। নিজে আহত, অন্যরাও আহত হচ্ছেন। তার সামনে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করতে এগিয়ে যান শাকিল। তিনিও তখন আহত হন। তিনটি ছররাগুলি তার বাম চোখে লাগে। একটি গুলি লেগে বের হয়ে যায়। তাকে দ্রুত চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে একটি গুলি বের করা হয়। অপর গুলিটি চোখের ভেতর হাড়ে আটকে যায়।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হওয়ার পর তাকে দ্রুত চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। তিনিটি স্পিøন্টার তার বাম চোখে লাগে। একটি স্পিøন্টার চোখে লেগে বের হয়ে যায় ঘটনাস্থলেই। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর চিকিৎসকরা অপারেশন করে আরেকটি বের করতে সক্ষম হন। অপর গুলিটি চোখের হাড়ে বিদ্ধ হয়ে আটকে থাকে। সেটি অপারেশন করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। চিকিৎসকগণ অপারেশন করার ঝুঁকি নিচ্ছেন না। ঔষধ প্রয়োগের পরামর্শ দিচ্ছেন। এই অপারেশন বাংলাদেশে অসম্ভব বলে মত দিয়েছেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরের পরামর্শ দিয়েছেন। বর্তমানে ঔষধ চলছে। গুলিবিদ্ধ থাকায় তার শারীরিক জটিলতা দেখা দিচ্ছে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা
চোখের উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে ব্যবস্থা করা। তার আগ পর্যন্ত নিয়মিত চিকিৎসা সহজ করা। ঔষধ ও আনুষাঙ্গিক আর্থিক সংকটে পাশে থাকা। আক্রান্ত হওয়ায় মানসিক চাপমুক্ত থাকার জন্য তার কাউন্সিলিং করা।
কর্মসংস্থান নিয়ে সামগ্রিক কথা
তিনি বর্তমানে বেকার। তাকে পুনর্বাসন ব্যবস্থা করা। চাকরি কিংবা ব্যবসায়িক পরিবেশ তৈরি করা। নিয়মিত চিকিৎসা ভাতা প্রদান। আর্থিক এককালীন অর্থ প্রদান। চিকিৎসা ভাতা নিয়মিত প্রদান। আর্থিক অনুদান প্রায় ৩/৪ লাখ প্রদান।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: শাকিল মিয়া
জন্ম তারিখ : ২৭-০৭-২০০৩
জন্মস্থান : মাদারগঞ্জ
পেশা : শিক্ষার্থী, সিরাজউদ্দিন সরকার বিদ্যানিকেতন এন্ড কলেজ ও ফুটপাতের কাপড় ব্যবসায়ী
নিজ জেলা : জামালপুর
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: তেগরিয়া উত্তরপাড়া, ইউনিয়ন: চরপাকেরদহ, থানা: মাদারগঞ্জ, জেলা: জামালপুর
পিতার নাম : মরহুম মো. ইব্রাহিম
মায়ের নাম : জবা বেগম
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের পরিমাণ : ১৫,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : গার্মেন্টস
বাড়ি : ঘরের জায়গা
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. রুবেল, পেশা: ফুটপাতে কাপড় বিক্রেতা, সম্পর্ক: ভাই
২. পারভিন, পেশা: গার্মেন্টসে চাকরি করে, সম্পর্ক: বোন
৩. একে খান, পেশা: ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার, সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার স্থান ও সময় : উত্তরা, আজমপুর, ১৮ জুলাই ২০২৪, ৪.৩০
আক্রমণকারী : পুলিশ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍