মো. ইসমাঈল
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
মো. ইসমাঈল ঢাকার দনিয়ার এক সংগ্রামী তরুণ, যার কাঁধেই ছিল পুরো পরিবারের ভরসা। ছোটবেলায় বাবাকে হারানো, পরে অসুস্থ মাকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই সবকিছুই তিনি সামলাচ্ছিলেন একাই। ১৮ জুলাই ২০২৪ যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভারের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে অংশ নিতে গিয়ে নির্দোষ ইসমাঈল গুলিবিদ্ধ হন; সেই মুহূর্তেই বদলে যায় তাঁর স্বপ্ন, ভবিষ্যৎ এবং চলার পথ।
দীর্ঘ চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও অক্ষমতার দুঃসহ যন্ত্রণায় আজ তিনি পুরোপুরি কর্মহীন। তবুও হার মানেননি একটি অটোরিকশা কিনে আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ইচ্ছা তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। ইসমাঈলের লড়াই আজ শুধু নিজের নয় একটি ভাঙা পরিবারের বেঁচে থাকার আকুল আবেদন।
দীর্ঘ চিকিৎসা, অস্ত্রোপচার ও অক্ষমতার দুঃসহ যন্ত্রণায় আজ তিনি পুরোপুরি কর্মহীন। তবুও হার মানেননি একটি অটোরিকশা কিনে আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর ইচ্ছা তাকে বাঁচিয়ে রেখেছে। ইসমাঈলের লড়াই আজ শুধু নিজের নয় একটি ভাঙা পরিবারের বেঁচে থাকার আকুল আবেদন।
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
আওয়ামী গুলিতে শুধু শরীর নয় ভেঙে পড়েছে ভবিষ্যৎ
মো: ইসমাঈল
পেশা: সিএনজি চালক
ক্রমিক: ০১৪
আইডি: ঢাকা সিটি ০১৪
পরিচিতি
একজন তরুণ, যার জীবন ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার পথে এগোচ্ছিল, হঠাৎই এক রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে জীবন হারিয়েছে তার ছন্দ।
তিনি মো: ইসমাঈল একজন সৎ, শান্ত স্বপ্নবাজ ছাত্র। তিনি ৪ নম্বর গোবিন্দপুর, ওয়ার্ড ৬২, দনিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ইব্রাহিম সিকদার মারা যান যখন তার বয়স মাত্র ১৫ বছর। মা আফরোজা বেগম বর্তমানে কর্মক্ষমতা হারিয়ে শয্যাশায়ী। এমতাবস্থায় পরিবারের ভরণপোষণ চালানোর মতো একমাত্র অবলম্বন ছিল ইসমাঈল। তিনিও এখন অসহায় হয়ে পরেছেন।
একজন তরুণ, যার জীবন ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার পথে এগোচ্ছিল, হঠাৎ এক রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে জীবন হারিয়েছে তার ছন্দ। তিনি মো: ইসমাঈল একজন সৎ, শান্ত স্বপ্নবাজ ছাত্র। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, একটি ভয়াবহ দিন যা ছিন্নভিন্ন করে দেয় তার শরীর, স্বপ্ন আর জীবনের পথচলা। সেদিন তিনি ছোট ভাইয়ের সাথে একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে যান যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভারে। সেখানে প্রথমেই তার রানে গুলি লাগে। গুলিটি তার মাংস ছিঁড়ে বের হয়ে যায়, আর ইসমাঈল লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। তার চারপাশের সবাই পালিয়ে যায় প্রাণভয়ে। এরপর পুলিশ তাকে ধরে এনে যাত্রাবাড়ি থানার সামনে নিয়ে যায়। সেখানে ঘাতক পুলিশরা শর্টগান দিয়ে শরীর ঘেঁষে একাধিকবার গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ইসমাঈল নিঃশ্বাসহীন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পুলিশ সদস্যরা তাকে মৃত মনে করে লাথি মেরে চলে যায়।
চিকিৎসা ও অপারেশন আর অজস্র যন্ত্রণা
প্রথমে তাকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় বার্ন ইউনিটে, পরবর্তীতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট সিএমএইচ হাসপাতালে। প্রথম অস্ত্রোপচারে তার বুকের ডান পাশে লাইভ টিউব সংযুক্ত করা হয়, যাতে তিনি ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতে পারেন। এরপর একের পর এক অপারেশন হাতের অপারেশন করা হয় ৩ বার এবং পায়ের অপারেশন ও করা হয় ৩ বার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, তার পা আর কখনোই স্বাভাবিক হবে না। এক পর্যায়ে, চিকিৎসকরা পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেন, তবে স্ত্রী'র অনুরোধে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা সাফ জানিয়ে দেন, "তুমি যদি আজীবন এই যন্ত্রণা নিয়ে বাঁচতে চাও, সেটা তোমার ইচ্ছা।"
ইসমাইলের জীবন এখন একটি অসহ্য যন্ত্রণার নাম। তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। তিনি যতই ভুলে যেতে চান, পায়ের যন্ত্রণা তাঁকে প্রতি মুহূর্তে মনে করিয়ে দেয় সেই ভয়াল দিনের কথা।
একটি পরিবারের নিঃশেষ হয়ে যাওয়া কাহিনী
ইসমাঈলের বাবা ১৫ বছর আগে মারা গিয়েছেন, মাও এখন অসুস্থ, চলাফেরা করতে পারেন না ঠিকমতো। ভাই-বোন মিলে পাঁচজন, সবাই যার যার সংসার নিয়ে ব্যস্ত। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে, দুই ছোট ভাইয়েরও সংসার আছে। আরেক ছোট ভাই (ছাত্র) আন্দোলনের দিন তার সঙ্গে ছিল যার সামনে ভাইকে গুলি করে হত্যা করার মতো নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন করা হয়। এই পরিবার এখন মানসিক, শারীরিক ও আর্থিকভাবে সম্পূর্ণরূপে বিপর্যন্ত।
চিকিৎসা ব্যয় ও আর্থিক বাস্তবতা
মাত্র এক মাস ১৮ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে তার চিকিৎসা বাবদ খরচ হয় প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এই অর্থ এসেছে ধার-ঋণ ও মানুষের সহানুভূতির হাত ধরে। এখন তিনি সম্পূর্ণ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন। কোনো নির্ভরযোগ্য আয় নেই। চিকিৎসাও থেমে গেছে অনেকটাই অর্থের অভাবে।
সম্ভাবনার আলো: একটি অটো রিকশার স্বপ্ন
বর্তমানে ইসমাঈল নিজে একটি আয়মূলক কাজ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তিনি চান, যদি কেউ দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা সহায়তা করেন, তাহলে তিনি একটি অটো রিকশা কিনে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেন। এই সামান্য সহায়তা একটি জীবনকে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে।
একজন আহত যুবকের আকুতি। ইসমাঈল আজ নিজেই বলেন-
"আমি চাই না কেউ আমার জন্য দয়া করে। আমি শুধু চাই একটু সহায়তা। নিজেকে আবার গড়ে তোলার সুযোগ। আমার স্বপ্ন মরেনি, আমার শরীর ভেঙেছে; কিন্তু মন এখনো যুদ্ধ করে বাঁচতে চায়।"
এক নজরে মো: ইসমাঈল
নাম: মো: ইসমাঈল
জন্ম তারিখ: ১০-১১-১৯৯৫
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ৪ নম্বর গোবিন্দপুর, ওয়ার্ড ৬২, দনিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা
পিতা: মরহুম মো: ইব্রাহিম সিকদার
মাত্য: জাহানারা বেগম, অসুস্থ
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৫ জন
চলমান অবস্থা: শয্যাশায়ী, কর্মহীন, গুলিবিদ্ধ ও পঙ্গুত্বের দ্বারপ্রান্তে
বর্তমান ঠিকানা: ৪ নম্বর গোবিন্দপুর, ওয়ার্ড নং ৬২, দনিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা
আহত হওয়ার তারিখ: ১৮ জুলাই, ২০২৪
আহত হওয়ার স্থান : যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার
আক্রমণকারী: যাত্রাবাড়ীর থানার পুলিশ
প্রস্তবনা: চিকিৎসা ব্যয় ও আর্থিক সহায়তা
মো: ইসমাঈল
পেশা: সিএনজি চালক
ক্রমিক: ০১৪
আইডি: ঢাকা সিটি ০১৪
পরিচিতি
একজন তরুণ, যার জীবন ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার পথে এগোচ্ছিল, হঠাৎই এক রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে জীবন হারিয়েছে তার ছন্দ।
তিনি মো: ইসমাঈল একজন সৎ, শান্ত স্বপ্নবাজ ছাত্র। তিনি ৪ নম্বর গোবিন্দপুর, ওয়ার্ড ৬২, দনিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা ইব্রাহিম সিকদার মারা যান যখন তার বয়স মাত্র ১৫ বছর। মা আফরোজা বেগম বর্তমানে কর্মক্ষমতা হারিয়ে শয্যাশায়ী। এমতাবস্থায় পরিবারের ভরণপোষণ চালানোর মতো একমাত্র অবলম্বন ছিল ইসমাঈল। তিনিও এখন অসহায় হয়ে পরেছেন।
একজন তরুণ, যার জীবন ধর্মীয় ও সাধারণ শিক্ষার আলোয় আলোকিত হওয়ার পথে এগোচ্ছিল, হঠাৎ এক রাজনৈতিক সহিংসতার শিকার হয়ে জীবন হারিয়েছে তার ছন্দ। তিনি মো: ইসমাঈল একজন সৎ, শান্ত স্বপ্নবাজ ছাত্র। ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, একটি ভয়াবহ দিন যা ছিন্নভিন্ন করে দেয় তার শরীর, স্বপ্ন আর জীবনের পথচলা। সেদিন তিনি ছোট ভাইয়ের সাথে একটি শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করতে যান যাত্রাবাড়ি ফ্লাইওভারে। সেখানে প্রথমেই তার রানে গুলি লাগে। গুলিটি তার মাংস ছিঁড়ে বের হয়ে যায়, আর ইসমাঈল লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। তার চারপাশের সবাই পালিয়ে যায় প্রাণভয়ে। এরপর পুলিশ তাকে ধরে এনে যাত্রাবাড়ি থানার সামনে নিয়ে যায়। সেখানে ঘাতক পুলিশরা শর্টগান দিয়ে শরীর ঘেঁষে একাধিকবার গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হয়ে ইসমাঈল নিঃশ্বাসহীন হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পুলিশ সদস্যরা তাকে মৃত মনে করে লাথি মেরে চলে যায়।
চিকিৎসা ও অপারেশন আর অজস্র যন্ত্রণা
প্রথমে তাকে নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে। সেখান থেকে স্থানান্তর করা হয় বার্ন ইউনিটে, পরবর্তীতে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট সিএমএইচ হাসপাতালে। প্রথম অস্ত্রোপচারে তার বুকের ডান পাশে লাইভ টিউব সংযুক্ত করা হয়, যাতে তিনি ঠিকমতো নিঃশ্বাস নিতে পারেন। এরপর একের পর এক অপারেশন হাতের অপারেশন করা হয় ৩ বার এবং পায়ের অপারেশন ও করা হয় ৩ বার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, তার পা আর কখনোই স্বাভাবিক হবে না। এক পর্যায়ে, চিকিৎসকরা পা কেটে ফেলার পরামর্শ দেন, তবে স্ত্রী'র অনুরোধে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা হয়। কিন্তু চিকিৎসকরা সাফ জানিয়ে দেন, "তুমি যদি আজীবন এই যন্ত্রণা নিয়ে বাঁচতে চাও, সেটা তোমার ইচ্ছা।"
ইসমাইলের জীবন এখন একটি অসহ্য যন্ত্রণার নাম। তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। তিনি যতই ভুলে যেতে চান, পায়ের যন্ত্রণা তাঁকে প্রতি মুহূর্তে মনে করিয়ে দেয় সেই ভয়াল দিনের কথা।
একটি পরিবারের নিঃশেষ হয়ে যাওয়া কাহিনী
ইসমাঈলের বাবা ১৫ বছর আগে মারা গিয়েছেন, মাও এখন অসুস্থ, চলাফেরা করতে পারেন না ঠিকমতো। ভাই-বোন মিলে পাঁচজন, সবাই যার যার সংসার নিয়ে ব্যস্ত। বড় বোনের বিয়ে হয়ে গেছে, দুই ছোট ভাইয়েরও সংসার আছে। আরেক ছোট ভাই (ছাত্র) আন্দোলনের দিন তার সঙ্গে ছিল যার সামনে ভাইকে গুলি করে হত্যা করার মতো নিষ্ঠুরতা প্রদর্শন করা হয়। এই পরিবার এখন মানসিক, শারীরিক ও আর্থিকভাবে সম্পূর্ণরূপে বিপর্যন্ত।
চিকিৎসা ব্যয় ও আর্থিক বাস্তবতা
মাত্র এক মাস ১৮ জুলাই থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে তার চিকিৎসা বাবদ খরচ হয় প্রায় ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা। এই অর্থ এসেছে ধার-ঋণ ও মানুষের সহানুভূতির হাত ধরে। এখন তিনি সম্পূর্ণ কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন। কোনো নির্ভরযোগ্য আয় নেই। চিকিৎসাও থেমে গেছে অনেকটাই অর্থের অভাবে।
সম্ভাবনার আলো: একটি অটো রিকশার স্বপ্ন
বর্তমানে ইসমাঈল নিজে একটি আয়মূলক কাজ করার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
তিনি চান, যদি কেউ দুই থেকে আড়াই লক্ষ টাকা সহায়তা করেন, তাহলে তিনি একটি অটো রিকশা কিনে আবারও ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করবেন। এই সামান্য সহায়তা একটি জীবনকে দাঁড় করিয়ে দিতে পারে।
একজন আহত যুবকের আকুতি। ইসমাঈল আজ নিজেই বলেন-
"আমি চাই না কেউ আমার জন্য দয়া করে। আমি শুধু চাই একটু সহায়তা। নিজেকে আবার গড়ে তোলার সুযোগ। আমার স্বপ্ন মরেনি, আমার শরীর ভেঙেছে; কিন্তু মন এখনো যুদ্ধ করে বাঁচতে চায়।"
এক নজরে মো: ইসমাঈল
নাম: মো: ইসমাঈল
জন্ম তারিখ: ১০-১১-১৯৯৫
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা ৪ নম্বর গোবিন্দপুর, ওয়ার্ড ৬২, দনিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা
পিতা: মরহুম মো: ইব্রাহিম সিকদার
মাত্য: জাহানারা বেগম, অসুস্থ
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৫ জন
চলমান অবস্থা: শয্যাশায়ী, কর্মহীন, গুলিবিদ্ধ ও পঙ্গুত্বের দ্বারপ্রান্তে
বর্তমান ঠিকানা: ৪ নম্বর গোবিন্দপুর, ওয়ার্ড নং ৬২, দনিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা
আহত হওয়ার তারিখ: ১৮ জুলাই, ২০২৪
আহত হওয়ার স্থান : যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার
আক্রমণকারী: যাত্রাবাড়ীর থানার পুলিশ
প্রস্তবনা: চিকিৎসা ব্যয় ও আর্থিক সহায়তা
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍