মো. মোস্তাকিন রহমান
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : গার্মেন্টস কর্মী (বর্তমানে বেকার)
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
মো. মোস্তাকিন রহমান
পেশা: গার্মেন্টস কর্মী (বর্তমানে বেকার)
ক্রমিক: ১৫৬
আইডি: ময়মনসিংহ বিভাগ ০৭৫
জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা জঘন্যতম হিংস্রতায় দমনপীড়ন চালায়। রাজপথে পুলিশ আর আওয়ামী লীগের বর্বরতা বাড়তে থাকে। ক্ষমতার জন্য লঙ্ঘন করে মানবাধিকার। নিজের দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কেনা অস্ত্রে কেড়ে নেয় প্রাণ হানাদার দখলদারের মতো।
হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া খুনী বাহিনী দেশের সব জায়গায় লাশের সারি দীর্ঘ করতে থাকে। নাগরিক জীবন অ-নিরাপদ হয়ে পড়ে। আন্দোলন দমন করার জন্য হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছুঁড়ে। নিজের বেডরুমে গুলিবিদ্ধ হয় মানুষ। নিরপরাধ, নির্দোষ মানুষও প্রাণ হারান।
মোস্তাকিন রহমান একজন অতি সাধারণ মানুষ। খেটেখুটে দিন যায়। দরিদ্র হলেও আত্মীয়দের একে অপরের সাথে আছে আত্মীয়তার সুন্দর বন্ধন। মোস্তাকিন সেদিন তার ভগ্নিপতির সাথে বাজারে যাচ্ছিলেন। কোন আন্দোলনে অংশ নিতে যাননি। তবু ফ্যাসিস্ট হাসিনার বুলেট তাকে ছাড় দেয়নি।
রিয়া গোপ হত্যা
ক্ষমতা স্বৈরশাসককে অন্ধ করে ফেলে। ক্ষমতার চোখে কোনো বাছ-বিচার নাই। তারা সবসময় অনুসরণ করে পোড়ামাটি নীতি। তারা জনগণ চায় না, তারা চায় চেয়ার, তারা চায় মাটি।
ক্ষমতায় অন্ধ, ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার হাসিনা জালেমে পরিণত হয়েছিলেন। দেশের মানুষ তার কাছে অনিরাপদ হয়ে গেল। জুলাইয়ে শুরু হলো ছাত্র আন্দোলন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বলে তা পরিচিত।
আন্দোলন দমন করতে পুলিশ, বিজিবিকে নামিয়ে দিল হাসিনা সরকার। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেশকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখে। কার্ফিউ জারি করে। রাস্তায় দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ জারি করে। দেশকে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে পরিণত করে। দলীয় লোকেরা হত্যা করে আন্দোলনকারীদের। আক্রমণ করে মিছিলে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে হুমকি, ধামকি ও মারধর করে। যাতে মানুষ ভয়ে ঘরের বাইরে না আসে। ঘরেও মানুষ নিরাপদ থাকতে পারেনি। বুলেট বেড রুমে তাড়া করে।
রিয়া গোপ ছোট্ট শিশু। বাসায় মায়ের কোলে ছিল। মায়ের কোল ছেড়ে শিশু চাঞ্চল্যে খেলছিল বেডরুমে। বুলেট তাড়া করে, সেখানেই ছোট্ট রিয়া গোপকে। ঘরের ভেতর জানালার পাশে সে বুলেটবিদ্ধ হয়। রিয়া গোপ হাসিনার বুলেটে মায়ের কোলেই ঢলে পড়ে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রতি নাগরিক সমাজ তাই ক্ষিপ্ত হয়। জনজোয়ারে দাবি উঠে হাসিনার পদত্যাগের কথা।
প্রথমে এই দাবি ওঠেনি। প্রথমে আন্দোলনের সূত্রপাত কোটা নিয়ে। কোটার বৈষম্যের বিরুদ্ধে জাগ্রত ছাত্র সমাজ রাজপথে নামে। হাসিনা সরকার তাদের রাজাকার বলে তিরস্কার করে। ছাত্র-ছাত্রীরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়। তারা শ্লোগানে শ্লোগানে বলতে থাকে তুমি কে আমি কে রাজাকার, রাজাকার। আন্দোলন বেগবান হতে থাকে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নির্যাতনও বৃদ্ধি পেতে থাকে। নিরস্ত্র ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করে। যে জাতি রক্ত দিতে জানে সে জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায় না। হাসিনা স্বৈরাচারী কায়দায় পনেরো বছর ক্ষমতায় ছিল। এবার ছাত্রদের রক্তে জেগে উঠল সমগ্র দেশ। ছাত্রদের পাশে দাঁড়াল সর্বস্তরের জনতা। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পাগল হয়ে গেল। ক্ষমতা তাকে হিংস্র পশু করে ফেলল। নির্বিচারে মানুষ খুন করতে লাগল। বাছবিচারহীনভাবে খুনের পরিমাণ বাড়তেই থাকল। ২০ জুলাই এমন একজন নিরপরাধ নিরপেক্ষ মানুষ গুলিবিদ্ধ হলেন। তার নাম মো. মোস্তাকিন রহমান। মোস্তাকিন রহমান আহত হলেন।
আহত হওয়ার ঘটনা
২০ জুলাই তিনি গাজীপুরে বেড়াতে এসে তার ভগ্নিপতিকে নিয়ে বাজারে যান। সেখানে তখন ছাত্রদের সাথে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সম্মিলিত আক্রমণ হয়। তারা একপাশে আশ্রয় নেন। পুলিশ মার্কেটে প্রবেশ করে এলোপাথাড়ি গুলি করে। একটি গুলি তার হাঁটুতে ঢুকে পা ছিদ্র হয়ে বের হয়ে যায়। সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় পা ভাঁজ করতে পারেন না। ডাক্তারের ভাষ্যমতে পা ভাঁজ করতে পারলে অপারেশন করা হবে। বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
চিকিৎসার প্রস্তাবনা
তিনি এখনো সুস্থ হননি। তার পায়ের চিকিৎসা করতে হবে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।
অপারেশন করা।
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
তাকে একটি ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেওয়া। গাভী কিনে দেওয়া।
তাকে পুনর্বাসিত করতে হবে। এককালীন অনুদান দিয়ে ব্যবসা করার ব্যবস্থা করতে হবে।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
বুলেট মোস্তাকিনের হাটু
ছিদ্র করে বেরিয়ে যায়পরিচিতি কথা
মো. মোস্তাকিন রহমান একজন গার্মেন্টস শ্রমিক। তার বাবা রোড এক্সিডেন্টে এক পা হারিয়ে পঙ্গু। চায়ের দোকান চালান। তার তিন ভাই। বড় ভাই কৃষিকাজ করেন। ছোট দুই ভাই পড়াশোনা করেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ থানার মোহনগঞ্জ পৌরসভার নাইলোড়া গ্রামে। দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বাবার পঙ্গুতে সংসার আরও বিপাকে পড়ে। তিনি একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে সংসারে সহায়কের ভূমিকা রাখেন। থাকার একটি ঘর ছাড়া তাদের আর কোনো সহায়-সম্পত্তি নেই।
নাম : মো. মোস্তাকিন রহমান
জন্ম তারিখ : ০১-১২-২০০৪
জন্মস্থান : মোহনগঞ্জ
পেশা : গার্মেন্টস কর্মী (বর্তমানে বেকার)
নিজ জেলা : নেত্রকোনা
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: নাইলোড়া, ইউনিয়ন: মোহনগঞ্জ, পৌরসভা, থানা: মোহনগঞ্জ, জেলা: নেত্রকোনা
পিতার নাম : বাচ্চু মিয়া
পিতার পেশা : মুদি দোকান
মায়ের নাম : পুস্প আক্তার
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের উৎস : মুদী ব্যবসা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা:
তিন ভাই। বড় ভাই মিজানুর রহমান কৃষক। ছোট দুই ভাই ইব্রাহিম ও মুরসালিন শিক্ষার্থী
আহত হওয়ার স্থান ও সময় : গাজীপুর বড় বাড়ি, ২০ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৩ টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
পেশা: গার্মেন্টস কর্মী (বর্তমানে বেকার)
ক্রমিক: ১৫৬
আইডি: ময়মনসিংহ বিভাগ ০৭৫
জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলে ফ্যাসিস্ট হাসিনা জঘন্যতম হিংস্রতায় দমনপীড়ন চালায়। রাজপথে পুলিশ আর আওয়ামী লীগের বর্বরতা বাড়তে থাকে। ক্ষমতার জন্য লঙ্ঘন করে মানবাধিকার। নিজের দেশের মানুষের ট্যাক্সের টাকায় কেনা অস্ত্রে কেড়ে নেয় প্রাণ হানাদার দখলদারের মতো।
হাসিনার লেলিয়ে দেওয়া খুনী বাহিনী দেশের সব জায়গায় লাশের সারি দীর্ঘ করতে থাকে। নাগরিক জীবন অ-নিরাপদ হয়ে পড়ে। আন্দোলন দমন করার জন্য হেলিকপ্টার থেকে গুলি ছুঁড়ে। নিজের বেডরুমে গুলিবিদ্ধ হয় মানুষ। নিরপরাধ, নির্দোষ মানুষও প্রাণ হারান।
মোস্তাকিন রহমান একজন অতি সাধারণ মানুষ। খেটেখুটে দিন যায়। দরিদ্র হলেও আত্মীয়দের একে অপরের সাথে আছে আত্মীয়তার সুন্দর বন্ধন। মোস্তাকিন সেদিন তার ভগ্নিপতির সাথে বাজারে যাচ্ছিলেন। কোন আন্দোলনে অংশ নিতে যাননি। তবু ফ্যাসিস্ট হাসিনার বুলেট তাকে ছাড় দেয়নি।
রিয়া গোপ হত্যা
ক্ষমতা স্বৈরশাসককে অন্ধ করে ফেলে। ক্ষমতার চোখে কোনো বাছ-বিচার নাই। তারা সবসময় অনুসরণ করে পোড়ামাটি নীতি। তারা জনগণ চায় না, তারা চায় চেয়ার, তারা চায় মাটি।
ক্ষমতায় অন্ধ, ফ্যাসিস্ট, স্বৈরাচার হাসিনা জালেমে পরিণত হয়েছিলেন। দেশের মানুষ তার কাছে অনিরাপদ হয়ে গেল। জুলাইয়ে শুরু হলো ছাত্র আন্দোলন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন বলে তা পরিচিত।
আন্দোলন দমন করতে পুলিশ, বিজিবিকে নামিয়ে দিল হাসিনা সরকার। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেশকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখে। কার্ফিউ জারি করে। রাস্তায় দেখা মাত্র গুলির নির্দেশ জারি করে। দেশকে যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশে পরিণত করে। দলীয় লোকেরা হত্যা করে আন্দোলনকারীদের। আক্রমণ করে মিছিলে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষকে হুমকি, ধামকি ও মারধর করে। যাতে মানুষ ভয়ে ঘরের বাইরে না আসে। ঘরেও মানুষ নিরাপদ থাকতে পারেনি। বুলেট বেড রুমে তাড়া করে।
রিয়া গোপ ছোট্ট শিশু। বাসায় মায়ের কোলে ছিল। মায়ের কোল ছেড়ে শিশু চাঞ্চল্যে খেলছিল বেডরুমে। বুলেট তাড়া করে, সেখানেই ছোট্ট রিয়া গোপকে। ঘরের ভেতর জানালার পাশে সে বুলেটবিদ্ধ হয়। রিয়া গোপ হাসিনার বুলেটে মায়ের কোলেই ঢলে পড়ে। ফ্যাসিস্ট হাসিনার প্রতি নাগরিক সমাজ তাই ক্ষিপ্ত হয়। জনজোয়ারে দাবি উঠে হাসিনার পদত্যাগের কথা।
প্রথমে এই দাবি ওঠেনি। প্রথমে আন্দোলনের সূত্রপাত কোটা নিয়ে। কোটার বৈষম্যের বিরুদ্ধে জাগ্রত ছাত্র সমাজ রাজপথে নামে। হাসিনা সরকার তাদের রাজাকার বলে তিরস্কার করে। ছাত্র-ছাত্রীরা আরও বিক্ষুব্ধ হয়। তারা শ্লোগানে শ্লোগানে বলতে থাকে তুমি কে আমি কে রাজাকার, রাজাকার। আন্দোলন বেগবান হতে থাকে।
ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের নির্যাতনও বৃদ্ধি পেতে থাকে। নিরস্ত্র ছাত্রদের গুলি করে হত্যা করে। যে জাতি রক্ত দিতে জানে সে জাতিকে দাবিয়ে রাখা যায় না। হাসিনা স্বৈরাচারী কায়দায় পনেরো বছর ক্ষমতায় ছিল। এবার ছাত্রদের রক্তে জেগে উঠল সমগ্র দেশ। ছাত্রদের পাশে দাঁড়াল সর্বস্তরের জনতা। ফ্যাসিস্ট হাসিনা পাগল হয়ে গেল। ক্ষমতা তাকে হিংস্র পশু করে ফেলল। নির্বিচারে মানুষ খুন করতে লাগল। বাছবিচারহীনভাবে খুনের পরিমাণ বাড়তেই থাকল। ২০ জুলাই এমন একজন নিরপরাধ নিরপেক্ষ মানুষ গুলিবিদ্ধ হলেন। তার নাম মো. মোস্তাকিন রহমান। মোস্তাকিন রহমান আহত হলেন।
আহত হওয়ার ঘটনা
২০ জুলাই তিনি গাজীপুরে বেড়াতে এসে তার ভগ্নিপতিকে নিয়ে বাজারে যান। সেখানে তখন ছাত্রদের সাথে আওয়ামী লীগ ও পুলিশের সম্মিলিত আক্রমণ হয়। তারা একপাশে আশ্রয় নেন। পুলিশ মার্কেটে প্রবেশ করে এলোপাথাড়ি গুলি করে। একটি গুলি তার হাঁটুতে ঢুকে পা ছিদ্র হয়ে বের হয়ে যায়। সাথে সাথে তিনি জ্ঞান হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরে পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এখনও তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। পায়ের লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় পা ভাঁজ করতে পারেন না। ডাক্তারের ভাষ্যমতে পা ভাঁজ করতে পারলে অপারেশন করা হবে। বর্তমানে পঙ্গু হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
চিকিৎসার প্রস্তাবনা
তিনি এখনো সুস্থ হননি। তার পায়ের চিকিৎসা করতে হবে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শমতে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন।
অপারেশন করা।
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
তাকে একটি ব্যবসার ব্যবস্থা করে দেওয়া। গাভী কিনে দেওয়া।
তাকে পুনর্বাসিত করতে হবে। এককালীন অনুদান দিয়ে ব্যবসা করার ব্যবস্থা করতে হবে।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
বুলেট মোস্তাকিনের হাটু
ছিদ্র করে বেরিয়ে যায়পরিচিতি কথা
মো. মোস্তাকিন রহমান একজন গার্মেন্টস শ্রমিক। তার বাবা রোড এক্সিডেন্টে এক পা হারিয়ে পঙ্গু। চায়ের দোকান চালান। তার তিন ভাই। বড় ভাই কৃষিকাজ করেন। ছোট দুই ভাই পড়াশোনা করেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ থানার মোহনগঞ্জ পৌরসভার নাইলোড়া গ্রামে। দরিদ্র পরিবারের সন্তান। বাবার পঙ্গুতে সংসার আরও বিপাকে পড়ে। তিনি একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে সংসারে সহায়কের ভূমিকা রাখেন। থাকার একটি ঘর ছাড়া তাদের আর কোনো সহায়-সম্পত্তি নেই।
নাম : মো. মোস্তাকিন রহমান
জন্ম তারিখ : ০১-১২-২০০৪
জন্মস্থান : মোহনগঞ্জ
পেশা : গার্মেন্টস কর্মী (বর্তমানে বেকার)
নিজ জেলা : নেত্রকোনা
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: নাইলোড়া, ইউনিয়ন: মোহনগঞ্জ, পৌরসভা, থানা: মোহনগঞ্জ, জেলা: নেত্রকোনা
পিতার নাম : বাচ্চু মিয়া
পিতার পেশা : মুদি দোকান
মায়ের নাম : পুস্প আক্তার
মায়ের পেশা : গৃহিণী
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের উৎস : মুদী ব্যবসা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা:
তিন ভাই। বড় ভাই মিজানুর রহমান কৃষক। ছোট দুই ভাই ইব্রাহিম ও মুরসালিন শিক্ষার্থী
আহত হওয়ার স্থান ও সময় : গাজীপুর বড় বাড়ি, ২০ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৩ টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍