মো. আয়নাল হক
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
ময়মনসিংহ
পেশা: গার্মেন্টস কর্মী
পেশা: গার্মেন্টস কর্মী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
১৯৮৮ সাল। ময়মনসিংহ জেলার ফুলপুর উপজেলার ছোট্ট গ্রাম পুটিয়া। সে গ্রামেরই একজন দরিদ্র চাষা শামছ উদ্দীন। সাত ছেলে মেয়ে নিয়ে কায়ক্লেশে জীবন কাটাচ্ছিলেন মোছা. হুজরা খাতুনের সাথে। অপরদিকে হুজরা খাতুন ও দিনরাত খেটে চলছেন সন্তানদের মুখে দু’মুঠো খাবার তুলে দিতে। এরই মধ্যে অষ্টম বারের মতো সন্তান সম্ভবা তিনি। দু’বেলা ঠিকমতো খেতে পাওয়া যেখানে কষ্টসাধ্য সেই পরিস্থিতিতে অনাগত সন্তানের চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়ে শামছ উদ্দীনের। তপ্ত দুপুরে কঠিন জমির বুক চিরে লাঙল ঠেলে ক্লান্ত হয়ে গাছের ছায়ায় বসেন। ঠাণ্ডা জলে তেষ্টা মেটান, আবার ছুটে যান ফেটে চৌচির হয়ে যাওয়া জমির পানে। অনাহারে থাকা সন্তানের চাহনি কি আর পরানে সয়? সে বছর ৩ জুলাই শামছ উদ্দীন ও হুজুরা খাতুন দম্পতির ঘরে জন্ম নেন আয়নাল হক।
বয়সে সবচেয়ে ছোট আয়নাল ছিলেন ভাইবোনদের চোখের মনি। ছোটবেলা থেকেই বেশ দুরন্ত। আয়নালের বয়স তখন তিন কিংবা চার। হঠাৎ করেই তার মা হুজুরা খাতুনকে অকুল পাথারে ভাসিয়ে দিয়ে পরপারে পাড়ি জমালেন বাবা শামছ উদ্দীন। আট সন্তানকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন তার মা। তাই অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয় তাদের। অভাব তাদের স্কুলের গণ্ডি পেরুতে দেয়নি।
শিক্ষা ও কর্মজীবন
বড় ভাই-বোনদের সহযোগিতায় স্কুলে ভর্তি হয়েছিল আয়নাল হক। অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। স্কুলের ফলাফলও ছিল চমৎকার। কিন্তু জীবন যে সেই কবিতার মতো, “ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি”। পড়াশোনার পাঠ সেখানেই বন্ধ। পেটের দায়ে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন সময়ে করেছেন নানা ধরনের কাজ। অবশেষে কাজ নেন নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টসে। ভালো অংকের বেতন পেতেন। নিজের আলাদা সংসারও শুরু করলেন। অতিরিক্ত খরচের জন্য স্ত্রী ও সন্তানদের রেখেছেন গ্রামে। এভাবেই চলছিল তাদের সংসার।
মানবতার তরে স্বপ্ন লালন
আয়নাল হক কিশোর থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন। নিজ গ্রামের সংস্কারমূলক কাজে সবাই তাকে পাশে পেত। স্বৈরাচার হাসিনার পুরো শাসনকাল জুড়েই তিনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব। এজন্য বহুবার তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। তব্ওু তিনি দমে যাননি। নিজের সামর্থ্যের সবটুকু তিনি সমাজের কল্যাণ সাধনে ব্যয় করতে চেয়েছেন। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চেয়েছেন। অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পেয়েও গেলেন। দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করার জন্য নিজের তাজা রক্ত বিসর্জন দিয়ে তিনি তাঁর প্রত্যয় পূরণ করলেন।
দৃষ্টিশক্তি হারানোর নারকীয় ঘটনা
আয়নাল হক শুরু থেকেই আন্দোলনের সাথে ছিলেন। নারায়ণগঞ্জ জেলার ভূমি অফিসের বিপরীতে অবস্থিত গার্মেন্টসটির অনেক শ্রমিক ও কর্মচারি আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু অফিস থেকে তাদেরকে বরখাস্ত করে দেয়ার হুমকি দেয়া হলে বেশ কয়েকজন মাঠ ছেড়ে চলে যান। আয়নাল হক নিজের দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে দেন এবং এক পর্যায়ে চাকরি ছেড়ে দেন। ছাত্র আন্দোলনের ফলে সারা দেশ যখন উত্তাল, ফ্যাসিবাদ সরকার ও তার দোসররা তখন নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অনেক ছাত্রকে হত্যা করে। টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছিল পুলিশ বাহিনী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যখন স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয় তখন ছাত্রদের সাথে এক হয়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ মাঠে নামে। আয়নাল হক ছিলো প্রতিটি মিছিলের সামনের সারিতে। ৪ আগস্ট স্কুল ও কলেজের ছাত্রদের সাথে একটি মিছিল নারায়ণগঞ্জ গোল চত্বর থেকে ক্রমশ সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলো। ঠিক তখনি পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে। বেশ কয়েকজন ছাত্র মারাত্মকভাবে আহত হয়। তাদের রক্তাক্ত দেহ লুটিয়ে পড়ে রাস্তায়। আয়নাল হক আহত ছাত্রদের সহযোগিতা করতে দৌড়ে এগিয়ে আসেন। রক্তে রঞ্জিত দেহগুলো রাস্তা থেকে তুলে আনার চেষ্টা করেন। ঠিক তখনই পুলিশের একটি গুলি তার বাম চোখে আঘাত করে। ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। ঝাপসা হয়ে আসে চারপাশ। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতৃপক্ষ তাদের চিকিৎসা দিতে রাজি হয়নি। তখন সব হাসপাতালে ছিলো পুলিশের কড়া পাহারা। আন্দোলনে আহত সবাইকে সেবা না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো খুনি হাসিনা। হাসপাতালগুলোতে তখন মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভর্তি হতে হয়েছিলো। যারা শহীদ হয়ে গিয়েছিল তাদের লাশগুলো পর্যন্ত পরিবারের লোকজন নিতে পারছিলো না। এমনকি শহীদ হয়ে যাওয়া পরিবারের সদস্যের জন্য কান্না করতেও দেয়া হয়নি। পরন্তু লাশ না দেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছিলো। এমতাবস্থায় আয়নাল হক পরিচিতজনদের সাহায্যে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এদিকে অর্থের অভাবে প্রায় ২৭ দিন পর তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে অপারেশনের মাধ্যমে তাঁর চোখে গুলি অপসারণ করা হয়। মারাত্মক আঘাত ও রক্তপাতের কারণে তাঁর বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়।
বর্তমান পারিবারিক অবস্থা
আহত আয়নুল হক বর্তমানে বেকার। নিজস্ব কোনো জমিজমা না থাকায় চাষাবাদও করতে পারছেন না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি কর্মহীন ও অসুস্থ থাকায় তার পরিবারের ভবিষ্যত এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এক নজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো. আয়নাল হক
জন্ম : ৩ জুলাই ১৯৮৮
জন্মস্থান : পুটিয়া, কংশপুর
নিজ জেলা : ময়মনসিংহ
পেশা : গার্মেন্টস কর্মী
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: পুটিয়া, ডাকঘর: কংশপুর-২২৫০, ইউনিয়ন: ফুলপুর, জেলা: ময়মনসিংহ
পিতা : শামছ উদ্দীন
মাতা : মোছা: হুজুরা খাতুন
বাড়ি : টিনের ঘর, মাটির মেঝে
সম্পদ : ৫ শতাংশ (বসতবাড়ি)
সন্তানদের পরিচয়
১. মোস্তাকিম বিল্লাহ, বয়স : ১১ পেশা: শিক্ষার্থী (হিফজ)
২. মুবিন নূর রহিম, বয়স: ৫, পেশা: শিক্ষার্থী (১ম শ্রেণি)
৩. আলফাতুন্নেসা, বয়স: ১
ঘটনার স্থান : নারায়ণগঞ্জ গোল চত্বর
আক্রমণকারী : পুলিশ বাহিনী
আহত হওয়ার তারিখ ও সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, াদুপুর
পুনর্বাসনভিত্তিক প্রস্তাবনা
১. স্থায়ী আয়ের ব্যবস্থা করা, ২. কাপড়ের ব্যবসা দিয়ে দেয়া যেতে পারে
৩. তার সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেয়া যায়,
৪. উন্নত চিকিৎসার জন্য সহায়তা প্রদান
বয়সে সবচেয়ে ছোট আয়নাল ছিলেন ভাইবোনদের চোখের মনি। ছোটবেলা থেকেই বেশ দুরন্ত। আয়নালের বয়স তখন তিন কিংবা চার। হঠাৎ করেই তার মা হুজুরা খাতুনকে অকুল পাথারে ভাসিয়ে দিয়ে পরপারে পাড়ি জমালেন বাবা শামছ উদ্দীন। আট সন্তানকে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন তার মা। তাই অল্প বয়সেই সংসারের হাল ধরতে হয় তাদের। অভাব তাদের স্কুলের গণ্ডি পেরুতে দেয়নি।
শিক্ষা ও কর্মজীবন
বড় ভাই-বোনদের সহযোগিতায় স্কুলে ভর্তি হয়েছিল আয়নাল হক। অত্যন্ত মেধাবী ছিলেন। স্কুলের ফলাফলও ছিল চমৎকার। কিন্তু জীবন যে সেই কবিতার মতো, “ক্ষুধার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময়, পূর্ণিমার চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি”। পড়াশোনার পাঠ সেখানেই বন্ধ। পেটের দায়ে কাজ শুরু করেন। বিভিন্ন সময়ে করেছেন নানা ধরনের কাজ। অবশেষে কাজ নেন নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টসে। ভালো অংকের বেতন পেতেন। নিজের আলাদা সংসারও শুরু করলেন। অতিরিক্ত খরচের জন্য স্ত্রী ও সন্তানদের রেখেছেন গ্রামে। এভাবেই চলছিল তাদের সংসার।
মানবতার তরে স্বপ্ন লালন
আয়নাল হক কিশোর থাকা অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের জনকল্যাণমূলক কাজে যুক্ত ছিলেন। নিজ গ্রামের সংস্কারমূলক কাজে সবাই তাকে পাশে পেত। স্বৈরাচার হাসিনার পুরো শাসনকাল জুড়েই তিনি ছিলেন অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব। এজন্য বহুবার তাকে বিভিন্নভাবে হেনস্থার শিকার হতে হয়েছে। তব্ওু তিনি দমে যাননি। নিজের সামর্থ্যের সবটুকু তিনি সমাজের কল্যাণ সাধনে ব্যয় করতে চেয়েছেন। দেশকে দুর্নীতিমুক্ত দেখতে চেয়েছেন। অবশেষে সেই কাঙ্ক্ষিত সুযোগ পেয়েও গেলেন। দেশকে স্বৈরাচারমুক্ত করার জন্য নিজের তাজা রক্ত বিসর্জন দিয়ে তিনি তাঁর প্রত্যয় পূরণ করলেন।
দৃষ্টিশক্তি হারানোর নারকীয় ঘটনা
আয়নাল হক শুরু থেকেই আন্দোলনের সাথে ছিলেন। নারায়ণগঞ্জ জেলার ভূমি অফিসের বিপরীতে অবস্থিত গার্মেন্টসটির অনেক শ্রমিক ও কর্মচারি আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু অফিস থেকে তাদেরকে বরখাস্ত করে দেয়ার হুমকি দেয়া হলে বেশ কয়েকজন মাঠ ছেড়ে চলে যান। আয়নাল হক নিজের দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে দেন এবং এক পর্যায়ে চাকরি ছেড়ে দেন। ছাত্র আন্দোলনের ফলে সারা দেশ যখন উত্তাল, ফ্যাসিবাদ সরকার ও তার দোসররা তখন নির্বিচারে গুলি চালিয়ে অনেক ছাত্রকে হত্যা করে। টিয়ারশেল, সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দিচ্ছিল পুলিশ বাহিনী। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন যখন স্বৈরাচার পতনের আন্দোলনে রূপ নেয় তখন ছাত্রদের সাথে এক হয়ে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ মাঠে নামে। আয়নাল হক ছিলো প্রতিটি মিছিলের সামনের সারিতে। ৪ আগস্ট স্কুল ও কলেজের ছাত্রদের সাথে একটি মিছিল নারায়ণগঞ্জ গোল চত্বর থেকে ক্রমশ সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিলো। ঠিক তখনি পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে। বেশ কয়েকজন ছাত্র মারাত্মকভাবে আহত হয়। তাদের রক্তাক্ত দেহ লুটিয়ে পড়ে রাস্তায়। আয়নাল হক আহত ছাত্রদের সহযোগিতা করতে দৌড়ে এগিয়ে আসেন। রক্তে রঞ্জিত দেহগুলো রাস্তা থেকে তুলে আনার চেষ্টা করেন। ঠিক তখনই পুলিশের একটি গুলি তার বাম চোখে আঘাত করে। ফিনকি দিয়ে রক্ত ঝরতে থাকে। ঝাপসা হয়ে আসে চারপাশ। আন্দোলনরত ছাত্র-জনতা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতৃপক্ষ তাদের চিকিৎসা দিতে রাজি হয়নি। তখন সব হাসপাতালে ছিলো পুলিশের কড়া পাহারা। আন্দোলনে আহত সবাইকে সেবা না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো খুনি হাসিনা। হাসপাতালগুলোতে তখন মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভর্তি হতে হয়েছিলো। যারা শহীদ হয়ে গিয়েছিল তাদের লাশগুলো পর্যন্ত পরিবারের লোকজন নিতে পারছিলো না। এমনকি শহীদ হয়ে যাওয়া পরিবারের সদস্যের জন্য কান্না করতেও দেয়া হয়নি। পরন্তু লাশ না দেয়ার হুমকি দেয়া হচ্ছিলো। এমতাবস্থায় আয়নাল হক পরিচিতজনদের সাহায্যে কিছু প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। এদিকে অর্থের অভাবে প্রায় ২৭ দিন পর তিনি ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। পরবর্তীতে অপারেশনের মাধ্যমে তাঁর চোখে গুলি অপসারণ করা হয়। মারাত্মক আঘাত ও রক্তপাতের কারণে তাঁর বাম চোখের দৃষ্টিশক্তি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়।
বর্তমান পারিবারিক অবস্থা
আহত আয়নুল হক বর্তমানে বেকার। নিজস্ব কোনো জমিজমা না থাকায় চাষাবাদও করতে পারছেন না। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি কর্মহীন ও অসুস্থ থাকায় তার পরিবারের ভবিষ্যত এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এক নজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো. আয়নাল হক
জন্ম : ৩ জুলাই ১৯৮৮
জন্মস্থান : পুটিয়া, কংশপুর
নিজ জেলা : ময়মনসিংহ
পেশা : গার্মেন্টস কর্মী
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: পুটিয়া, ডাকঘর: কংশপুর-২২৫০, ইউনিয়ন: ফুলপুর, জেলা: ময়মনসিংহ
পিতা : শামছ উদ্দীন
মাতা : মোছা: হুজুরা খাতুন
বাড়ি : টিনের ঘর, মাটির মেঝে
সম্পদ : ৫ শতাংশ (বসতবাড়ি)
সন্তানদের পরিচয়
১. মোস্তাকিম বিল্লাহ, বয়স : ১১ পেশা: শিক্ষার্থী (হিফজ)
২. মুবিন নূর রহিম, বয়স: ৫, পেশা: শিক্ষার্থী (১ম শ্রেণি)
৩. আলফাতুন্নেসা, বয়স: ১
ঘটনার স্থান : নারায়ণগঞ্জ গোল চত্বর
আক্রমণকারী : পুলিশ বাহিনী
আহত হওয়ার তারিখ ও সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, াদুপুর
পুনর্বাসনভিত্তিক প্রস্তাবনা
১. স্থায়ী আয়ের ব্যবস্থা করা, ২. কাপড়ের ব্যবসা দিয়ে দেয়া যেতে পারে
৩. তার সন্তানদের পড়াশোনার দায়িত্ব নেয়া যায়,
৪. উন্নত চিকিৎসার জন্য সহায়তা প্রদান
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍