মো: মোবারক হোসেন
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
গাড়ির পার্টসের দোকান, ময়মনসিংহ
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
মো. মোবারক হোসেনের জন্ম ময়মনসিংহ জেলার ধোবাউড়া উপজেলায়। তাঁর জন্ম ৭নং বাঘবের ইউনিয়নের নয়নকান্দি গ্রামের এক কৃষক পরিবারে। তাঁর পিতার নাম আবুল কাসেম, মা মাজেদা খাতুন। তিনি একটি গাড়ির যন্ত্রাংশের দোকানে কাজ করতেন। তাঁর এক ভাই, এক বোন। ভাই কৃষি কাজ করেন, বোন পড়ালেখা করছেন। মা বেঁচে নেই, বাবা বয়স হলেও কৃষি কাজে তদারকি করেন।
একটি বুলেট তার
পেটে ঢুকে যায় ‘বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’
মোবারক হোসেন ২০২৪ এর জুলাইয়ে প্রতিদিনই আন্দোলনে শরিক হতেন। জুলাইয়ের শুরুর দিকে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনেই পতন ঘটে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের। শেষ পর্যন্ত হাসিনা পালিয়ে যায় লক্ষণ সেনের মতো সদলবলে গদি ছেড়ে। অথচ কদিন আগেও কেউ কল্পনাও করতে পারেনি হাসিনার পতনের কথা। দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সকল আন্দোলন ব্যর্থ হচ্ছিল। হাসিনা বিরোধী দলগুলোর মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলে ছিল। বিরোধী নেতাকর্মীদের যে বা যারাই সাহসী ছিল, তাদেরকেই রাজনীতির মাঠে নাই করে দিয়েছিল। হত্যা, হামলা, মামলা, গুমের মাধ্যমে কায়েম করেছিল ত্রাসের রাজত্ব। বিচার বিভাগও ছিল হাসিনার হাতের পুতুল। বিচার বিভাগ দিয়ে খুন করিয়েছে মেধাবী নেতৃত্বকে।
হাসিনার স্বৈরসময়ে দেশ তার পিতৃভূমিতে পরিণত হয়েছিল। গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে হাসিনার পতন অবশ্য কাম্য ছিল। এজন্য রাজপথের লড়াই চলছিল। সার্বভৌমত্ব হাসিনার সময়ে হুমকিতে পড়েছিল। আওয়ামী লীগ বা হাসিনা সরকার ভারতের অনুগত দাস সরকারে পরিণত হয়। জুলাইয়ের কোটা বিরোধী আন্দোলন হাসিনা দমন করতে চায় স্বৈরাচারী কায়দায়। এ লক্ষ্যে শুরুতেই মাঠে নামায় দলীয় সন্ত্রাসীদের। তারা নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর বর্বরোচিত হামলা করে। ছাত্ররা দমে যায়নি। ছাত্ররা দ্রুত সংগঠিত হতে থাকে। ১৪ জুলাই থেকে রাজু ভাস্কর্য ও শাহবাগ দখলে নেয়। প্রথমে শাহবাগ ব্লক করে। দমন পীড়নের মাত্রা বাড়াতে থাকে সরকার। ১৫-১৬ জুলাই আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। সকল ভার্সিটি, কলেজের ছাত্ররা ব্যাপক আকারে রাজপথ দখল করে। হাসিনা পুলিশ নামায় রাস্তায়। একই দিনে বহুল আলোচিত আবু সাঈদসহ একাধিক ছাত্রকে হত্যা করে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। সারা দেশ হাসিনার এমন জঘন্য আচরণে স্তম্ভিত, বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। জনতার ঢল নামে রাজপথে। বন্দুকের নলের সামনে মানুষ উন্মুক্ত বুকে দাঁড়িয়ে তপ্ত বাক্যে বলে, ‘বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’। মোবারক হোসেন বুকে ঝড় বহন করা একজন। সেও বুলেটের সামনে সাহসী বুক পেতে দাঁড়ায়।
মোবারক হোসেন প্রতিদিন শরিক হতেন আন্দোলনে। তাঁর ইচ্ছা দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হবে, ফ্যাসিবাদের পতন হবে। দেশে ফিরে আসবে ভোট ও ভোটাধিকার। স্বৈরাচার বিদায় হবে, জনতা ফিরে পাবে কথা বলার স্বাধীনতা। বিচার বিভাগ স্বাধীন হবে। নাগরিক পাবে মানবাধিকার। তিনি প্রতিদিন আন্দোলনে অংশ নেন।
হিন্দিভাষী এজেন্টের উপস্থিতি আহত হওয়ার দিন
২১ জুলাই তারা অবস্থান নেন কুড়িল ফ্লাইওভারে। তিনি ও তাঁর বন্ধুরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান। এদিন আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে। এক পাশে ছাত্র-জনতা অপর পাশে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র অবস্থান। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, এসব অস্ত্রধারীদের অনেকেই কথা বলছিলেন হিন্দি ভাষায়। আন্দোলনের প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে এদিন স্পষ্ট তারা দেখতে পান ভারতীয় বাহিনীর লোকজন মিছিলে হামলা করে। বেলা তখন ৩.৩০ মিনিট আনুমানিক। বিনা উস্কানিতে তারা অতর্কিতে মিছিলে বুলেট চার্জ করে। আহত মোবারক হোসেনের সামনে একজনের মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়। সঙ্গে সঙ্গে মাথার খুলি উড়ে মারা যান। আরেকজন বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্পট ডেট। তারা অকুতোভয়। মিছিল সামনে এগুচ্ছে। গুলি, বুলেটকে পরোয়া না করে। তখন পেটে গুলি লেগে দুটি নার ও লিভার ছিদ্র হয় এবং মেরুদন্ড ফেটে যায়। একই সময় তাঁর পাশের জন গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়েন। মোবারক জ্ঞান হারিয়ে পড়ে থাকেন। ছাত্রজনতা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
মোবারকের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্ত সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় চিকিৎসকরা তাঁর চিকিৎসা করতে অপারগতা প্রকাশ করে। অনেক অনুরোধ ও সুপারিশের পর চিকিৎসা করতে রাজি হন।
গুলিতে মোবারকের পাকস্থলী মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নার্ভ ছিঁড়ে যায়। লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়। তিনি সংজ্ঞাহীন। টানা ১৪ দিন তিনি ছিলেন চেতনাহীন। চিকিৎসা চলাকালীন হাসিনা হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে রোগীরা বিক্ষোভ করে। এতে কয়েকজনকে রিলিজ করে দেয়া হয়। দু’দিন চিকিৎসা বন্ধ থাকে। তখন চরম উদ্বেগে দিন কাটে স্বজনদের। তার বড় তিনটি অপারেশন করা হয়। অবস্থা খুবই সংকটজনক ছিল। ডাক্তাররা তাঁর বেঁচে থাকা নিশে সংশয়ে ছিলেন। দুই মাস চিকিৎসাধীন থেকে কিছুটা সুস্থ হয়েছেন। এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন।
নাম : মো. মোবারক হোসেন
জন্ম তারিখ : ১৫-১১-২০০৫
জন্মস্থান : ধোবাউড়া
পেশা : গাড়ির পার্টসের দোকান
নিজ জেলা : ময়মনসিংহ
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: নয়নকান্দি, ইউনিয়ন: ৭ নং বাঘবের, থানা: ধোবাউড়া, জেলা: ময়মনসিংহ
পিতার নাম : আবুল কাসেম
পিতার পেশা : কৃষক
মায়ের নাম : মাজেদা খাতুন, মৃত
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের পরিমাণ : ৬,০০০
আয়ের উৎস : কৃষি
পরিবারের বাকি সদস্য : ভাই, হযরত আলী, বোন, সাথী আক্তার
আক্রমণের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৪ বিকাল ৩.৩০
আক্রমণের স্থান : কুড়িল ফ্লাইওভার, ঢাকা
আক্রমণকারী : পুলিশ, আওয়ামীলীগ ও ভারতীয় এজেন্ট
প্রস্তাবনা
চিকিৎসা সংক্রান্ত
১. তার শরীরে নানা জটিলতা রয়ে গেছে
২. উন্নত চিকিৎসা করতে হবে
৩. মারাত্মক আহত হওয়ায় মানসিক ট্রমা আছে। এজন্য কাউন্সেলিং করা উচিত
৪. তাকে প্রয়োজনে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করতে হবে
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
১. তাকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা
২. দক্ষতার ভিত্তিতে ব্যবসার ব্যবস্থা করা
৩. চিকিৎসা ভাতা
৪. মাসিক ভাতা
৫. এককালীন অনুদানের মাধ্যমে সহায়তা করা
একটি বুলেট তার
পেটে ঢুকে যায় ‘বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’
মোবারক হোসেন ২০২৪ এর জুলাইয়ে প্রতিদিনই আন্দোলনে শরিক হতেন। জুলাইয়ের শুরুর দিকে বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। এই আন্দোলনেই পতন ঘটে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের। শেষ পর্যন্ত হাসিনা পালিয়ে যায় লক্ষণ সেনের মতো সদলবলে গদি ছেড়ে। অথচ কদিন আগেও কেউ কল্পনাও করতে পারেনি হাসিনার পতনের কথা। দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সকল আন্দোলন ব্যর্থ হচ্ছিল। হাসিনা বিরোধী দলগুলোর মেরুদণ্ড ভেঙে ফেলে ছিল। বিরোধী নেতাকর্মীদের যে বা যারাই সাহসী ছিল, তাদেরকেই রাজনীতির মাঠে নাই করে দিয়েছিল। হত্যা, হামলা, মামলা, গুমের মাধ্যমে কায়েম করেছিল ত্রাসের রাজত্ব। বিচার বিভাগও ছিল হাসিনার হাতের পুতুল। বিচার বিভাগ দিয়ে খুন করিয়েছে মেধাবী নেতৃত্বকে।
হাসিনার স্বৈরসময়ে দেশ তার পিতৃভূমিতে পরিণত হয়েছিল। গণতন্ত্র, বাক স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারে হাসিনার পতন অবশ্য কাম্য ছিল। এজন্য রাজপথের লড়াই চলছিল। সার্বভৌমত্ব হাসিনার সময়ে হুমকিতে পড়েছিল। আওয়ামী লীগ বা হাসিনা সরকার ভারতের অনুগত দাস সরকারে পরিণত হয়। জুলাইয়ের কোটা বিরোধী আন্দোলন হাসিনা দমন করতে চায় স্বৈরাচারী কায়দায়। এ লক্ষ্যে শুরুতেই মাঠে নামায় দলীয় সন্ত্রাসীদের। তারা নিরস্ত্র ছাত্রদের উপর বর্বরোচিত হামলা করে। ছাত্ররা দমে যায়নি। ছাত্ররা দ্রুত সংগঠিত হতে থাকে। ১৪ জুলাই থেকে রাজু ভাস্কর্য ও শাহবাগ দখলে নেয়। প্রথমে শাহবাগ ব্লক করে। দমন পীড়নের মাত্রা বাড়াতে থাকে সরকার। ১৫-১৬ জুলাই আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। সকল ভার্সিটি, কলেজের ছাত্ররা ব্যাপক আকারে রাজপথ দখল করে। হাসিনা পুলিশ নামায় রাস্তায়। একই দিনে বহুল আলোচিত আবু সাঈদসহ একাধিক ছাত্রকে হত্যা করে ফ্যাসিস্ট হাসিনা। সারা দেশ হাসিনার এমন জঘন্য আচরণে স্তম্ভিত, বিক্ষুব্ধ হয়ে পড়ে। জনতার ঢল নামে রাজপথে। বন্দুকের নলের সামনে মানুষ উন্মুক্ত বুকে দাঁড়িয়ে তপ্ত বাক্যে বলে, ‘বুকের ভেতর তুমুল ঝড়, বুক পেতেছি গুলি কর’। মোবারক হোসেন বুকে ঝড় বহন করা একজন। সেও বুলেটের সামনে সাহসী বুক পেতে দাঁড়ায়।
মোবারক হোসেন প্রতিদিন শরিক হতেন আন্দোলনে। তাঁর ইচ্ছা দেশ স্বৈরাচারমুক্ত হবে, ফ্যাসিবাদের পতন হবে। দেশে ফিরে আসবে ভোট ও ভোটাধিকার। স্বৈরাচার বিদায় হবে, জনতা ফিরে পাবে কথা বলার স্বাধীনতা। বিচার বিভাগ স্বাধীন হবে। নাগরিক পাবে মানবাধিকার। তিনি প্রতিদিন আন্দোলনে অংশ নেন।
হিন্দিভাষী এজেন্টের উপস্থিতি আহত হওয়ার দিন
২১ জুলাই তারা অবস্থান নেন কুড়িল ফ্লাইওভারে। তিনি ও তাঁর বন্ধুরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যান। এদিন আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে। এক পাশে ছাত্র-জনতা অপর পাশে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র অবস্থান। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র ও আগ্নেয়াস্ত্রে সজ্জিত। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, এসব অস্ত্রধারীদের অনেকেই কথা বলছিলেন হিন্দি ভাষায়। আন্দোলনের প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে এদিন স্পষ্ট তারা দেখতে পান ভারতীয় বাহিনীর লোকজন মিছিলে হামলা করে। বেলা তখন ৩.৩০ মিনিট আনুমানিক। বিনা উস্কানিতে তারা অতর্কিতে মিছিলে বুলেট চার্জ করে। আহত মোবারক হোসেনের সামনে একজনের মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়। সঙ্গে সঙ্গে মাথার খুলি উড়ে মারা যান। আরেকজন বুকে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্পট ডেট। তারা অকুতোভয়। মিছিল সামনে এগুচ্ছে। গুলি, বুলেটকে পরোয়া না করে। তখন পেটে গুলি লেগে দুটি নার ও লিভার ছিদ্র হয় এবং মেরুদন্ড ফেটে যায়। একই সময় তাঁর পাশের জন গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়েন। মোবারক জ্ঞান হারিয়ে পড়ে থাকেন। ছাত্রজনতা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
মোবারকের অবস্থা সংকটজনক হওয়ায় তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্ত সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকায় চিকিৎসকরা তাঁর চিকিৎসা করতে অপারগতা প্রকাশ করে। অনেক অনুরোধ ও সুপারিশের পর চিকিৎসা করতে রাজি হন।
গুলিতে মোবারকের পাকস্থলী মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। নার্ভ ছিঁড়ে যায়। লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়। তিনি সংজ্ঞাহীন। টানা ১৪ দিন তিনি ছিলেন চেতনাহীন। চিকিৎসা চলাকালীন হাসিনা হাসপাতাল পরিদর্শনে এলে রোগীরা বিক্ষোভ করে। এতে কয়েকজনকে রিলিজ করে দেয়া হয়। দু’দিন চিকিৎসা বন্ধ থাকে। তখন চরম উদ্বেগে দিন কাটে স্বজনদের। তার বড় তিনটি অপারেশন করা হয়। অবস্থা খুবই সংকটজনক ছিল। ডাক্তাররা তাঁর বেঁচে থাকা নিশে সংশয়ে ছিলেন। দুই মাস চিকিৎসাধীন থেকে কিছুটা সুস্থ হয়েছেন। এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন।
নাম : মো. মোবারক হোসেন
জন্ম তারিখ : ১৫-১১-২০০৫
জন্মস্থান : ধোবাউড়া
পেশা : গাড়ির পার্টসের দোকান
নিজ জেলা : ময়মনসিংহ
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: নয়নকান্দি, ইউনিয়ন: ৭ নং বাঘবের, থানা: ধোবাউড়া, জেলা: ময়মনসিংহ
পিতার নাম : আবুল কাসেম
পিতার পেশা : কৃষক
মায়ের নাম : মাজেদা খাতুন, মৃত
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের পরিমাণ : ৬,০০০
আয়ের উৎস : কৃষি
পরিবারের বাকি সদস্য : ভাই, হযরত আলী, বোন, সাথী আক্তার
আক্রমণের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৪ বিকাল ৩.৩০
আক্রমণের স্থান : কুড়িল ফ্লাইওভার, ঢাকা
আক্রমণকারী : পুলিশ, আওয়ামীলীগ ও ভারতীয় এজেন্ট
প্রস্তাবনা
চিকিৎসা সংক্রান্ত
১. তার শরীরে নানা জটিলতা রয়ে গেছে
২. উন্নত চিকিৎসা করতে হবে
৩. মারাত্মক আহত হওয়ায় মানসিক ট্রমা আছে। এজন্য কাউন্সেলিং করা উচিত
৪. তাকে প্রয়োজনে দেশের বাইরে নিয়ে চিকিৎসা করতে হবে
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
১. তাকে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা
২. দক্ষতার ভিত্তিতে ব্যবসার ব্যবস্থা করা
৩. চিকিৎসা ভাতা
৪. মাসিক ভাতা
৫. এককালীন অনুদানের মাধ্যমে সহায়তা করা