হোম / আহতদের তালিকা / শেখ সাদি
শেখ সাদি

শেখ সাদি

জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

ছাত্র

🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা

সাত সদস্যের পরিবারে সাদির অবস্থান ছিল মাধ্যমে, কিন্তু গুরুত্বে ছিলেন কেন্দ্রে। তাঁর বড় ভাই আলমগীর হোসেন একজন কৃষক, জাহাঙ্গীর একজন খণ্ডকালীন শ্রমজীবী, সাব্বির গার্মেন্টস কর্মী— এই শ্রমজীবী পরিবারে শেখ সাদি ছিল এক প্রকার আলোর আশ্রয়, এক সম্ভাবনার নাম। ছোট বোন পরশমনি এখনও শিক্ষার্থী; অন্য বোন মাহফুজা বিবাহিত হলেও সংসারের বাইরে ভাইটির পথচলার খবরে তাঁর চোখেও ছিল সবসময় উদ্বেগ।
অভাব-অনটনের মধ্যেও শেখ সাদি পরিবারকে গর্বিত করতেন তার মেধা, মানবিকতা ও স্বপ্ন দিয়ে। বাবা-মায়ের স্বপ্ন ছিল—সাদি হয়তো পরিবারকে দুঃখ থেকে মুক্তি দেবে। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে, সেই স্বপ্নকে চোখে আঁকা ছেলেটির চোখেই এসেছিল রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের আঘাত।
শৈশব ও চরিত্রের নির্মাণ
গ্রামের খোলা মাঠ, মেঠো রাস্তা আর সংকটময় জীবনের মাঝেই গড়ে ওঠে সাদির মানসিকতা। ছোটবেলা থেকেই তিনি ছিলেন শান্ত স্বভাবের, কিন্তু অন্যায়ের বিরুদ্ধে ছিলেন অনমনীয়। স্বল্পভাষী হলেও, যেটুকু বলতেন সেটি ছিল স্পষ্ট, দৃঢ় এবং প্রতিবাদী। ধর্মীয় মূল্যবোধ ও পারিবারিক শিক্ষা তাকে গড়ে তোলে একজন সৎ ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে।
তার চারপাশে তিনি যা দেখতেন— দারিদ্র্য, বৈষম্য, অবিচার—সবকিছু মনে রাখতেন। এগুলোই একদিন তাকে ঠেলে দেয় রাজপথে দাঁড়াতে।
ছাত্রজীবন ও রাজনৈতিক সচেতনতা : শিক্ষার ছায়ায় গড়া প্রতিবাদী মন
শেখ সাদির ছাত্রজীবন শুরু হয় নিজ গ্রামের পাঠশালায়, তবে তার প্রতিভা প্রথম আলো ছড়ায় কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে। প্রযুক্তি শিক্ষার এই প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হয়ে তিনি শুধু নিজের নয়, পরিবারেরও আশার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সমাজ, রাষ্ট্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে তাঁর গভীর আগ্রহ জন্ম নেয়। তিনি বুঝতে শিখেছিলেন, একজন প্রকৃত শিক্ষার্থীর দায়িত্ব শুধু সনদ অর্জন নয়— বরং সমাজের অসংগতির বিরুদ্ধে কথা বলা। রাষ্ট্র, রাজনীতি, পুলিশের ভূমিকা— এসব নিয়ে তিনি চিন্তা করতেন, প্রশ্ন করতেন। তার মতে ছিল, “ছাত্রের ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানেই শিক্ষার সত্যিকারের সম্মান”
পাঠ্যবইয়ের বাইরেও তাঁর পাঠ ছিল বিস্তৃত। রাষ্ট্রের স্বৈরাচার, পুলিশের দমননীতি, ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের সন্ত্রাস— সবকিছু নিয়ে তিনি ভাবতেন। এক নিরীহ অথচ চেতনাসম্পন্ন ছাত্র হিসেবে তিনি বুঝতেন, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানো মানেই একটি কঠিন লড়াইয়ের পথে নামা। কিন্তু শেখ সাদি ভয় পাননি। তাঁর চোখে ছিল প্রতিবাদের আগুন, তাঁর কণ্ঠে ছিল সাহসের জোর। তিনি কোনো দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না, বরং ছিলেন স্বাধীনচেতা। তাঁর চোখে সবচেয়ে বড় সংগঠন ছিল সাধারণ ছাত্রসমাজ।
তিনি বিশ্বাস করতেন, “যে ছাত্র অন্যায়ের প্রতিবাদ করে না, সে শিক্ষার মর্যাদা রাখে না।” সেই বিশ্বাসই তাঁকে টেনে নিয়েছিল জুলাইয়ের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে— যেখানে তিনি হয়ে উঠেন এক সাহসী কণ্ঠস্বর এবং পরে এক রক্তাক্ত ইতিহাস।
জুলাই আন্দোলন ও শেখ সাদির সাহসী অংশগ্রহণ: রাজপথে সত্যের জন্য একজন ছাত্র
২০২৪ সালের জুলাই মাস, বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি নতুন অধ্যায় যুক্ত হয়— যেখানে ছাত্রসমাজ রুখে দাঁড়ায় দুর্নীতি, বৈষম্য ও রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে। এই সময় দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভের আগুন, আর কিশোরগঞ্জেও শুরু হয় শান্তিপূর্ণ মিছিল, গণজমায়েত, এবং সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড়। শেখ সাদি এই আন্দোলনের একজন অগ্রভাগের সৈনিক হয়ে উঠেন।
প্রতিদিনের মতো তিনি কিশোরগঞ্জ শহীদী জামে মসজিদের সামনে ছাত্রদের সঙ্গে যোগ দিতেন। তাঁর মুখে ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে শ্লোগান, হাতে ছিল প্রতিবাদের প্ল্যাকার্ড আর মনে ছিল অদম্য সাহস। জুলাই মাসজুড়ে রাজপথে থাকা এই তরুণ যেন হয়ে উঠেছিলেন হাজারো নির্ভীক ছাত্রের প্রতীক— নির্বিঘ্ন, নির্লোভ, এবং আপসহীন।
তার মিছিল কোনো দাঙ্গার জন্য নয়, তাঁর প্রতিবাদ ছিল সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ— শুধু ন্যায়ের দাবিতে মুখর। কিন্তু রাষ্ট্র, যে কিনা ভয়ে কাঁপে মেধাবী তরুণদের কণ্ঠ শুনে, তাকেই টার্গেট করল। সেদিন শেখ সাদি বুঝেছিলেন না— নিরস্ত্র থেকেও একজন ছাত্র কতটা ভয়ংকর হতে পারে একটি ভীতু স্বৈরশাসকের চোখে।
এই অংশগ্রহণই পরিণত হয় ৪ আগস্টের এক রক্তাক্ত বিকেলে।

৪ আগস্ট : রক্তাক্ত বিকেল, নিপীড়নের নগ্ন মুখোশ
৪ আগস্ট ২০২৪ একটি তারিখ, যা কিশোরগঞ্জ শহরের ইতিহাসে চিরকাল রক্তে লেখা থাকবে। সেদিন বিকেল ৪টা নাগাদ, শহীদী জামে মসজিদের সামনে শান্তিপূর্ণ মিছিল এগিয়ে যাচ্ছিল। শেখ সাদি ছিলেন মিছিলে সামনের সারিতে, নির্ভীক, দৃপ্ত। ছাত্রদের কণ্ঠে তখনও ছিল গণতন্ত্র ও ন্যায়ের দাবি। কোনো উসকানি ছিল না, কোনো ধ্বংসাত্মক আচরণও নয়।

হঠাৎ কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই পুলিশ ঝাঁপিয়ে পড়ে মিছিলে। শুরু হয় নির্বিচার গুলিবর্ষণ। চারদিক ছররা গুলির শব্দে প্রকম্পিত হতে থাকে— একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে স্বয়ং রাষ্ট্রই গর্জে ওঠে নিজের সন্তানের বিরুদ্ধে। এই বর্বর হামলার মাঝেই একটি ছররা গুলি এসে বিধে সাদির বাম চোখে। মুহূর্তেই রক্তে ভিজে যায় তাঁর মুখ, শরীর, পথ। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। রক্তে ভেসে যায় রাস্তা, ভেঙে পড়ে সহপাঠীরা, কাঁদে সাধারণ মানুষ। সহপাঠীরা ছুটে আসে, কেউ কান্না করে, কেউ চিৎকার। কেউ মোবাইলে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে, কেউ তাঁকে তুলে ধরে ছুটে চলে হাসপাতালে।

কেউ বুঝে উঠতে পারছিল না— একজন ছাত্রকে চোখে গুলি করার অর্থ কী? কীভাবে একটি রাষ্ট্র নিজের ভবিষ্যৎকে এভাবে অন্ধ করে ফেলে?
পুলিশ জানত না— একটি চোখ নষ্ট করে দেওয়া যায়, কিন্তু একজন প্রতিবাদী মন থামানো যায় না। সেদিন শেখ সাদির শরীর থেকে ঝরেছিল শুধু রক্ত নয়, রাষ্ট্রের লজ্জাও।

শেখ সাদির রক্তাক্ত মুখ আর নিথর শরীর যেন সেদিন সাক্ষ্য দিয়েছিল: এই দেশে প্রতিবাদ মানে শুধু আওয়াজ নয়, রক্ত দিতেও প্রস্তুত থাকতে হয়।
এক চোখের প্রতিবাদ, এক দেশের বিবেক
শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনের মাঝে হঠাৎ গর্জে উঠেছিল গুলি। মিছিলের শ্লোগানে ধ্বনিত হচ্ছিল গণতন্ত্রের আকুতি, কিন্তু প্রতিধ্বনি এসেছিল রাষ্ট্রীয় দমনপীড়নের চরম নিদর্শন হিসেবে। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশের রাজপথে গড়ে উঠেছিল এক তরঙ্গময় প্রতিবাদ, যেটি শুরু হয়েছিল শুধু পেশাগত দাবিতে— কিন্তু ক্রমে তা রূপ নেয় স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে একটি বিস্তৃত ছাত্র- জনতার প্রতিরোধে। এই প্রতিরোধের রক্তাক্ত প্রতীক হয়ে ওঠেন শেখ সাদি— একজন সাধারণ ছাত্র, যিনি চোখে গুলি খেয়েও অন্যদের চোখ খুলে দেওয়ার এক জীবন্ত ইতিহাস।

পুলিশের ছররা গুলিতে তার ডান চোখ হারানো শুধু একটি ব্যক্তিগত ক্ষতির গল্প নয়, এটি রাষ্ট্রের একটি নগ্ন, বর্বর চেহারার সাক্ষ্য। ছাত্র, যুবক, নিরীহ নাগরিকদের ওপর ক্ষমতার উল্লাসে যে দমন চালানো হয়েছিল, শেখ সাদির ঘটনা তার রক্তক্ষরণময় প্রমাণ।
চিকিৎসাজনিত সংগ্রাম ও ব্যক্তিগত কষ্ট: যন্ত্রণার ভিতরেও জেগে থাকা মনুষ্যত্ব
শেখ সাদিকে মাটিতে লুটিয়ে পড়া অবস্থায় যখন হাসপাতালে নেওয়া হয়, তখনো তাঁর মুখে ছিল না কোনো অভিযোগ— ছিল শুধু ব্যথা আর রক্ত। ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা শুরু হয়, সঙ্গে ছিল আরও কয়েকজন ছররা গুলিতে আহত ছাত্র। চিকিৎসকদের চোখেও আতঙ্ক ছিল, পুলিশের চাপ ছিল, তাই অনেক কিছু করতে হতো গোপনে, অনেকটা লুকিয়ে।
পরদিনই তাকে ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে শুরু হয় এক অনিশ্চিত চিকিৎসাজীবন— এক চোখে অস্ত্রোপচার, তারপর বিশ্রাম, তারপর আবার হাসপাতাল। চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টা ছিল চোখটি রক্ষা করার। চোখের রেটিনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যায়। মাত্র ১০ % আলো আছে তাঁর চোখে। ডান চোখেও একটি স্পট পড়েছে, নিয়মিত ড্রপ ব্যবহার করতে হয়, আর মাসে অন্তত দুইবার চোখের বিশেষজ্ঞ দেখাতে হয়। ব্যথা, অবসাদ, ক্লান্তি— সবকিছুর ভেতরেও শেখ সাদি লড়ে যাচ্ছেন। তিনি চান না সহানুভূতি— তিনি চান ন্যায়। তিনি চান, যেন আর কোনো ছাত্র চোখ হারিয়ে না ফিরে বাড়ি।
আজকের শেখ সাদি ও ভবিষ্যতের প্রহর গোনা: অন্ধ চোখের ভেতরে জেগে থাকা দৃষ্টিসম্পন্ন জাতি
আজকের শেখ সাদি এক চোখে ৯০% দেখতে পান না— কিন্তু তিনি যা দেখেন, তা আমরা অনেকেই দেখি না। তিনি দেখেন রাষ্ট্রের আসল চেহারা, জনগণের দুঃখ, শিক্ষার্থীদের লাঞ্ছনা আর একটি পচনধরা শাসনব্যবস্থার নির্মমতা। তিনি আজও সম্পূর্ণ সুস্থ নন— চোখে ব্যথা, শরীরে গুলি, জীবনে অনিশ্চয়তা। কিন্তু তার মনের আলো নিভে যায়নি।
পরিবারের দুরবস্থা এখন আরও গভীর। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক পিতা ও গৃহিণী মায়ের কাঁধে বাড়তি চাপ, ভাইয়েরা দিনমজুর কিংবা গার্মেন্টস কর্মী— এই বাস্তবতায় শেখ সাদির পুনর্বাসন যেন দূরের এক স্বপ্ন। অথচ এই ছেলেটিই একদিন হতে পারত একজন ইঞ্জিনিয়ার, গবেষক, বা রাষ্ট্রনির্মাতা। আজ সে প্রতিদিন হাসপাতালে যায়, ওষুধ খায়, ব্যথা সয়ে উঠে দাঁড়ায়— তবু প্রতিবাদের আগুন জ্বালিয়ে রাখে বুকের ভিতরে।
তার গল্প কেবল একটি ছাত্রের নয়— এটি একটি প্রশ্ন,

একটি অভিশাপ এবং একটি বার্তা:
এই রাষ্ট্র কি শিক্ষার্থীদের ভালোবাসে?
এই সমাজ কি সাহসী তরুণদের পাশে দাঁড়ায়?
এই প্রশাসন কি মানুষকে মানুষ মনে করে?
শেখ সাদি এখনো প্রহর গোনেন— কবে রাষ্ট্র সঠিক দৃষ্টিতে মানুষকে দেখবে, কবে একজন প্রতিবাদী ছাত্র আর রাষ্ট্রের শত্রু হবে না, কবে একজন অন্ধ ছাত্রও দেশের চোখ হয়ে উঠবে।
আমাদের কাছে সাদি এখন কেবল একজন আহত ছাত্র নন— তিনি এক ইতিহাস, এক প্রতীক। তিনি মনে করিয়ে দেন, “রাষ্ট্র যদি নিজের সন্তানকে অন্ধ করে, তবে সেই সন্তানই একদিন জাতির চোখ হয়ে উঠবে।”

শেষ কথা:
শেখ সাদির জীবনী কোনো করুণ কাহিনি নয়— এটি একটি সাহসিকতার দলিল, একটি রাষ্ট্রীয় বর্বরতার মুখোশ উন্মোচনের দলিল। তার রক্তস্নাত চোখ যেন প্রশ্ন তোলে— এই রাষ্ট্রের বিবেক কি এখনো জেগে আছে?চোখ হারানো এক ছাত্র
যে আজও দেখছে অন্যায়ের
বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর স্বপ্ন’

পুনর্বাসনভিত্তিক প্রস্তাবনা
১. চোখের উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, ২. মাসিক হারে শিক্ষা বৃত্তি চালু করা
৩. চাকরির ব্যবস্থা করা, ৪. বিশেষ চিকিৎসা সহায়তা কার্ড চালু করা
৫. রেশন কার্ড ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণতথ্য কণিকা

নাম : শেখ সাদি
জন্ম তারিখ : ৩০-১০-২০০৩
জন্মস্থান : ময়মনসিংহ
পেশা : ছাত্র
প্রতিষ্ঠান : কিশোরগঞ্জ পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট
নিজ জেলা : ময়মনসিংহ
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: কড়িকান্দি ইউনিয়ন: জাহাঙ্গীরপুর, থানা: গৌরিপুর, জেলা: ময়মনসিংহ
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : জামাল উদ্দিন
মায়ের নাম : সরুফা খাতুন
পিতার পেশা ও বয়স : অবসরপ্রাপ্ত প্রাইমারি শিক্ষক, ৮৫
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিনী, ৬৫
মাসিক আয় : ১৫,০০০/-
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৭
ভাই-বোনদের বিবরণ
১. মো: আলমগীর হোসেন, বয়স: ৩৪, পেশা: কৃষক, সম্পর্ক: ভাই
২. জহাঙ্গীর, বয়স: ৩২, পেশা: পার্টটাইম জব, সম্পর্ক: ভাই
৩. সাব্বির, বয়স : ৩০, পেশা: গার্মেন্টস কর্মী, সম্পর্ক: ভাই
৪. মাহফুজা, বয়স: ২৫, পেশা: গৃহিনী (বিবাহিত), সম্পর্ক: বোন
৫. পরশমনি, বয়স: ১৮, পেশা: শিক্ষার্থী, সম্পর্ক: বোন
ঘটনার স্থান : কিশোরগঞ্জ শহীদি জামে মসজিদের সামনে
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট, বিকেল ৪টা
আক্রমণকারী : পুলিশ

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍