গোলাম আযম
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা: শিক্ষার্থী, সম্মান ভর্তি প্রত্যাশী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
মাথায় ও শরীরে গুলিবিদ্ধ
গোলাম আযম
পেশা: সম্মান শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু, ঠাকুরগাঁও
ক্রমিক: ২২০
আইডি: রংপুর বিভাগ ০২৬
পরিচিতি
গোলাম আযম সদ্য ইন্টার পাশ করা কৈশোরোত্তীর্ণ যুবক। সম্মান শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছু তিনি। প্রস্তুতি নিচ্ছেন পুরোদমে। কৃষক পরিবারের সন্তান। বাবা—মার ইচ্ছা তাদের সন্তান পড়ালেখা করে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ সেবায় সুনাম অর্জন করবে। বড় ছেলে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ছেন। গোলাম আযম জন্মগ্রহণ করেছেন ৩০ ডিসেম্বর ২০০৫ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার দানারহাট ইউনিয়নের বন্দিগড় গ্রামে।
২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদ বিরোধী জুলাই বিপ্লব খ্যাত আন্দোলন শুরু হলে তিনি সে আন্দোলনে শরিক হয়ে স্বৈরাচারী হাসিনার গুলিতে মারাত্মক আহত হন। তিনি একজন আহত জুলাই যোদ্ধা।
আন্দোলনের কথা
জুলাইয়ে শুরু হয় ফ্যাসিস্ট পতন আন্দোলন। এই আন্দোলনের সূত্রপাত সরকারি চাকরিতে কোটার বিরোধিতা করে। কোটা চাকরি ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি করে। মেধাবীরা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থেকেও চাকরির বেলায় কেবল কোটার কারণে পিছিয়ে থাকে। শুরু হয় কোটা আন্দোলন। সরকার দাবি বাস্তবায়নে না গিয়ে অন্যায়ভাবে আন্দোলনকারীদের উপর চালায় দমন, পীড়ন।
পতিত স্বৈরাচারি সরকার বিগত দিনগুলোতে সকল ন্যায্য আন্দোলন, অধিকার আদায়ের যেকোনো মুভমেন্ট দমন করে অস্ত্রের ভাষায়। হাসিনা সরকার ক্ষমতায় ছিল জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে। নির্বাচনের আগে সকল রাজনৈতিক দলের নেতা—কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে পালিয়ে থাকার জীবনে ঠেলে দিত। নির্বাচনী মাঠ নিজেদের দখলে রাখতো। নির্বাচনে কোনো বিরোধী দল বা নেতা থাকতো না। নির্বাচন হতো ডামি প্রার্থী দিয়ে। তারপরও আতঙ্ক কাজ করত। তাই তারা আগের রাতে ভোটবাক্স ভরে রাখত।
এই সরকারের আমলে শাপলা গণহত্যার মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হয়। জুলাইয়েও গণহত্যা চালায় স্বৈরাচারী হাসিনা।
নিরস্ত্র একটি ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ বুলেট চালিয়ে ও দলীয় সন্ত্রাসী নিয়োগ করে হাসিনা শত শত লোককে হত্যা করে। হাজার হাজার লোক হয় আহত। সরকারের নৃশংসতায় ছাত্রদের পাশে দাঁড়ায় দেশবাসী। কৃষক, শ্রমিক, তরুণ, তরুণী সবাই আন্দোলনে যোগ দেয়।
১৫ জুলাই থেকে আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সকল কলেজ ভার্সিটির ছাত্র—ছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে নেমে আসে। সরকারের হত্যা, নৃশংসতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। শত শত লাশ সারা দেশে সরকার ইতোমধ্যে ফেলে দিয়েছে।
গোলাম আযমের আন্দোলনে যোগদান
ভার্সিটিতে ভর্তির অপেক্ষা করছিলেন গোলাম আযম। এমন সময় ভার্সিটিতে শুরু হয় জুলাই বিপ্লব। এই বিপ্লবে কেঁপে ওঠে স্বৈরাচার হাসিনার ক্ষমতার মসনদ। হাসিনা নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নির্মমভাবে হত্যা করে ছাত্রদের। গোলাম আযমও একজন ছাত্র। তিনি ছাত্রদের তরতাজা রক্ত দেখে আর নিজেকে স্থির রাখতে পারেননি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু গোলাম আযম যখন দেখলেন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলছে, এই আন্দোলনে মারা যাচ্ছে অসংখ্য ছাত্র। তখন তিনি ভাবলেন এই বৈষম্যের শিকার তাকেও হতে হবে। তাই এই অন্যায়ের প্রতিবাদ তাকে করতেই হবে। তখন তিনি আন্দোলনে যোগ দিলেন। ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা শহরে অনেকেই যোগ দেন আন্দোলনে। আন্দোলনকে দমন করার জন্য সরকার লাঠিয়াল বাহিনী ও পুলিশকে লেলিয়ে দেয়।
ফ্যাসিবাদের উৎখাতে সারা দেশের ছাত্র—জনতা রাজপথে নেমে আসে। গোলাম আযম ঠাকুরগাঁও শহরের চৌরাস্তায় অবস্থান নেন।
তুমুল উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। একপাশে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীরা, অপর পাশে সশস্ত্র সন্ত্রাসী, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের পোষাকপরা রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত দলীয় পেটুয়া বাহিনী।
বেলা ২. ৩০ মিনিটে তারা মিছিলে হামলা করে। বহু মানুষ আহত হয়। পুলিশের গুলিতে গোলাম আযম আহত হন। তার শরীরে ছররা গুলি লাগে। তিনি রক্তাক্ত হন, পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে তার চিকিৎসা করা হয়।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
গোলাম আযম আহত হন ৪ আগস্ট। তখনও হাসিনা ক্ষমতায়। হাসপাতালে জারি করে রাখে আহতদের চিকিৎসা না করার নির্দেশনা। যারা আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যান তাদের করা হয় আবার আক্রমণ। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেয়া ছিল খুবই ভয়ের কারণ।
তবু তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলো। তার প্রাথমিক চিকিৎসা সেখানেই হয়।
মাথায় ও শরীরে গুলি ছিল। অপারেশন করে এগুলো বের করা হয়। পরবর্তীতে প্রাইভেট হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হন।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি সুস্থ আছেন। মাথায় গুলি লেগেছিল। এ জন্য মাথায় জটিলতা রয়ে গেছে। নিরাপদ স্বাস্থ্যের জন্য পরবর্তীতে তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন আছে।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি একজন ছাত্র। তার প্রথম প্রয়োজন শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করা। এজন্য তাকে শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করা জরুরি।
তাকে এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদানের প্রস্তাব করা হলো।
প্রস্তাবিত বাজেট
পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া, স্বনির্ভর হওয়ার জন্য তাকে আর্থিক অনুদান ৩/৪ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হলো।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : গোলাম আযম
জন্ম তারিখ : ৩০—১২—২০০৫
জন্মস্থান : ঠাকুরগাঁও
পেশা : শিক্ষার্থী, সম্মান ভর্তি প্রত্যাশী
নিজ জেলা : ঠাকুরগাঁও
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: বন্দিগড়, ইউনিয়ন: দানারহাট, থানা: সদর উপজেলা, জেলা: ঠাকুরগাঁও
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : সামছুল আলম
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষক, ৫৩
মায়ের নাম : মোছা: গোলাপী
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪২
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের উৎস : কৃষি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : চার
ভাই—বোনদের বিবরণ
১. নিয়াজী রহমান নিজামী, রায়গঞ্জ সরকারি কলেজ, দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত, সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার স্থান : চৌরাস্তা, ঠাকুরগাঁও
আক্রমণকারী : জেলা পুলিশ, ঠাকুরগাঁও
আহত হওয়ার সময় : ০৪—০৮—২০২৪, ২.৩০টা
গোলাম আযম
পেশা: সম্মান শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু, ঠাকুরগাঁও
ক্রমিক: ২২০
আইডি: রংপুর বিভাগ ০২৬
পরিচিতি
গোলাম আযম সদ্য ইন্টার পাশ করা কৈশোরোত্তীর্ণ যুবক। সম্মান শ্রেণীতে ভর্তিচ্ছু তিনি। প্রস্তুতি নিচ্ছেন পুরোদমে। কৃষক পরিবারের সন্তান। বাবা—মার ইচ্ছা তাদের সন্তান পড়ালেখা করে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ সেবায় সুনাম অর্জন করবে। বড় ছেলে দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ছেন। গোলাম আযম জন্মগ্রহণ করেছেন ৩০ ডিসেম্বর ২০০৫ সালে ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার দানারহাট ইউনিয়নের বন্দিগড় গ্রামে।
২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদ বিরোধী জুলাই বিপ্লব খ্যাত আন্দোলন শুরু হলে তিনি সে আন্দোলনে শরিক হয়ে স্বৈরাচারী হাসিনার গুলিতে মারাত্মক আহত হন। তিনি একজন আহত জুলাই যোদ্ধা।
আন্দোলনের কথা
জুলাইয়ে শুরু হয় ফ্যাসিস্ট পতন আন্দোলন। এই আন্দোলনের সূত্রপাত সরকারি চাকরিতে কোটার বিরোধিতা করে। কোটা চাকরি ক্ষেত্রে বৈষম্য তৈরি করে। মেধাবীরা প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থেকেও চাকরির বেলায় কেবল কোটার কারণে পিছিয়ে থাকে। শুরু হয় কোটা আন্দোলন। সরকার দাবি বাস্তবায়নে না গিয়ে অন্যায়ভাবে আন্দোলনকারীদের উপর চালায় দমন, পীড়ন।
পতিত স্বৈরাচারি সরকার বিগত দিনগুলোতে সকল ন্যায্য আন্দোলন, অধিকার আদায়ের যেকোনো মুভমেন্ট দমন করে অস্ত্রের ভাষায়। হাসিনা সরকার ক্ষমতায় ছিল জনগণের ভোটাধিকার হরণ করে। নির্বাচনের আগে সকল রাজনৈতিক দলের নেতা—কর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে পালিয়ে থাকার জীবনে ঠেলে দিত। নির্বাচনী মাঠ নিজেদের দখলে রাখতো। নির্বাচনে কোনো বিরোধী দল বা নেতা থাকতো না। নির্বাচন হতো ডামি প্রার্থী দিয়ে। তারপরও আতঙ্ক কাজ করত। তাই তারা আগের রাতে ভোটবাক্স ভরে রাখত।
এই সরকারের আমলে শাপলা গণহত্যার মতো ভয়ংকর অপরাধ সংঘটিত হয়। জুলাইয়েও গণহত্যা চালায় স্বৈরাচারী হাসিনা।
নিরস্ত্র একটি ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ বুলেট চালিয়ে ও দলীয় সন্ত্রাসী নিয়োগ করে হাসিনা শত শত লোককে হত্যা করে। হাজার হাজার লোক হয় আহত। সরকারের নৃশংসতায় ছাত্রদের পাশে দাঁড়ায় দেশবাসী। কৃষক, শ্রমিক, তরুণ, তরুণী সবাই আন্দোলনে যোগ দেয়।
১৫ জুলাই থেকে আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। সকল কলেজ ভার্সিটির ছাত্র—ছাত্রীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্দোলনে নেমে আসে। সরকারের হত্যা, নৃশংসতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। শত শত লাশ সারা দেশে সরকার ইতোমধ্যে ফেলে দিয়েছে।
গোলাম আযমের আন্দোলনে যোগদান
ভার্সিটিতে ভর্তির অপেক্ষা করছিলেন গোলাম আযম। এমন সময় ভার্সিটিতে শুরু হয় জুলাই বিপ্লব। এই বিপ্লবে কেঁপে ওঠে স্বৈরাচার হাসিনার ক্ষমতার মসনদ। হাসিনা নিজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে নির্মমভাবে হত্যা করে ছাত্রদের। গোলাম আযমও একজন ছাত্র। তিনি ছাত্রদের তরতাজা রক্ত দেখে আর নিজেকে স্থির রাখতে পারেননি।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিচ্ছু গোলাম আযম যখন দেখলেন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলন চলছে, এই আন্দোলনে মারা যাচ্ছে অসংখ্য ছাত্র। তখন তিনি ভাবলেন এই বৈষম্যের শিকার তাকেও হতে হবে। তাই এই অন্যায়ের প্রতিবাদ তাকে করতেই হবে। তখন তিনি আন্দোলনে যোগ দিলেন। ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা শহরে অনেকেই যোগ দেন আন্দোলনে। আন্দোলনকে দমন করার জন্য সরকার লাঠিয়াল বাহিনী ও পুলিশকে লেলিয়ে দেয়।
ফ্যাসিবাদের উৎখাতে সারা দেশের ছাত্র—জনতা রাজপথে নেমে আসে। গোলাম আযম ঠাকুরগাঁও শহরের চৌরাস্তায় অবস্থান নেন।
তুমুল উত্তেজনাকর পরিস্থিতি। একপাশে নিরস্ত্র আন্দোলনকারীরা, অপর পাশে সশস্ত্র সন্ত্রাসী, আওয়ামী লীগ ও পুলিশের পোষাকপরা রাষ্ট্রের বেতনভুক্ত দলীয় পেটুয়া বাহিনী।
বেলা ২. ৩০ মিনিটে তারা মিছিলে হামলা করে। বহু মানুষ আহত হয়। পুলিশের গুলিতে গোলাম আযম আহত হন। তার শরীরে ছররা গুলি লাগে। তিনি রক্তাক্ত হন, পরে তাকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে তার চিকিৎসা করা হয়।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
গোলাম আযম আহত হন ৪ আগস্ট। তখনও হাসিনা ক্ষমতায়। হাসপাতালে জারি করে রাখে আহতদের চিকিৎসা না করার নির্দেশনা। যারা আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যান তাদের করা হয় আবার আক্রমণ। সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নেয়া ছিল খুবই ভয়ের কারণ।
তবু তাকে সদর হাসপাতালে নেওয়া হলো। তার প্রাথমিক চিকিৎসা সেখানেই হয়।
মাথায় ও শরীরে গুলি ছিল। অপারেশন করে এগুলো বের করা হয়। পরবর্তীতে প্রাইভেট হাসপাতালে পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা নিয়ে তিনি সুস্থ হন।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি সুস্থ আছেন। মাথায় গুলি লেগেছিল। এ জন্য মাথায় জটিলতা রয়ে গেছে। নিরাপদ স্বাস্থ্যের জন্য পরবর্তীতে তার উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন আছে।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি একজন ছাত্র। তার প্রথম প্রয়োজন শিক্ষাজীবন সমাপ্ত করা। এজন্য তাকে শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করা জরুরি।
তাকে এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদানের প্রস্তাব করা হলো।
প্রস্তাবিত বাজেট
পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়া, স্বনির্ভর হওয়ার জন্য তাকে আর্থিক অনুদান ৩/৪ লাখ টাকার প্রস্তাব করা হলো।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : গোলাম আযম
জন্ম তারিখ : ৩০—১২—২০০৫
জন্মস্থান : ঠাকুরগাঁও
পেশা : শিক্ষার্থী, সম্মান ভর্তি প্রত্যাশী
নিজ জেলা : ঠাকুরগাঁও
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: বন্দিগড়, ইউনিয়ন: দানারহাট, থানা: সদর উপজেলা, জেলা: ঠাকুরগাঁও
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : সামছুল আলম
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষক, ৫৩
মায়ের নাম : মোছা: গোলাপী
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪২
পারিবারিক অবস্থা
আয়ের উৎস : কৃষি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : চার
ভাই—বোনদের বিবরণ
১. নিয়াজী রহমান নিজামী, রায়গঞ্জ সরকারি কলেজ, দ্বাদশ শ্রেণিতে অধ্যায়নরত, সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার স্থান : চৌরাস্তা, ঠাকুরগাঁও
আক্রমণকারী : জেলা পুলিশ, ঠাকুরগাঁও
আহত হওয়ার সময় : ০৪—০৮—২০২৪, ২.৩০টা
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍