হোম / আহতদের তালিকা / মো: রিয়াদ বাবু
   মো: রিয়াদ বাবু

মো: রিয়াদ বাবু

জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

শিক্ষার্থী, আলিম দ্বিতীয় বর্ষ, ভূরুঙ্গামারী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা

🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা

জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগের পাশবিকতা ও বর্বর নির্যাতন
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ছিল শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিরোধ নয়, এটি ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক গণজাগরণ। এই আন্দোলনে ছাত্রলীগ তাদের দলীয় ক্ষমতার জোরে যে পাশবিকতা ও বর্বরতা চালিয়েছে, তা ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম অধ্যায়গুলোর একটি। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত ছাত্র—জনতার উপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রতিটি মিছিলে, অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের জালিম বাহিনী হঠাৎ আক্রমণ করে লাঠি, রড, বৈঠা, হাতুড়ি, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে।
পুলিশ নির্বিচারে গুলি, টিয়ারসেল গ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড দিয়ে আন্দোলনের মধ্যে দমন, নিপীড়ন চালিয়েছিল ফ্যাসিস্ট খুনি রাক্ষসী হাসিনার নির্দেশে। অনেক ছাত্রের মাথা ফেটে যায়, কারো চোখ নষ্ট হয়, কেউ বাঁচার জন্য হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থাকে দিন—মাস ধরে। মেয়েদের উপর চালানো হয় লজ্জাজনক ও ন্যক্কারজনক হামলা, যা সভ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এই পাশবিকতা শুধু একটি দলের বা সরকারের নির্দেশে চালানো হয়নি; এটি ছিল এক ফ্যাসিবাদী মনের বহিঃপ্রকাশ, যেখানে বিরোধী কণ্ঠ মানেই শত্রু, ছাত্র মানেই দমনযোগ্য। দেশের ছাত্র—জনতা এই বর্বর নির্যাতনের জবাবে আর মুখ বুজে থাকতে পারেনি। তাই তারা রাজপথে নেমে আসে, ঝাঁপিয়ে পড়ে আন্দোলনে, একটাই লক্ষ্যে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে উৎখাত করা। এই আন্দোলন হয়ে ওঠে এক প্রতিরোধের সাগর, যেখানে প্রতিটি রক্তবিন্দু, প্রতিটি প্রতিবাদী শ্লোগান ছিল নির্যাতনের বিরুদ্ধে এক অগ্নিশপথ।

জন্ম
মোঃ রিয়াদ বাবু ২০০৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুরী ইউনিয়নের উত্তর তিলাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এক নদীঘেরা প্রত্যন্ত জনপদে বেড়ে ওঠা রিয়াদ বাবুর শৈশব কেটেছে প্রকৃতির ছায়ায়, সহজ—সরল গ্রামীণ জীবনের মধ্যে দিয়ে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি কঠিন বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতাও তাকে ছোটবেলা থেকেই সংবেদনশীল ও সচেতন করে তোলে।
পারিবারিক জীবন
রিয়াদ বাবুর পিতা আব্দুল কুদ্দুস একজন পরিশ্রমী কৃষক, যিনি মাটির সঙ্গে যুদ্ধ করে পরিবারকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং সন্তানদের মাঝে সততা ও নিষ্ঠার আদর্শ স্থাপন করেছেন। মা রিনা খাতুন একজন স্নেহময়ী গৃহিণী, যিনি নিজের শ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে সন্তানদের গড়ে তুলেছেন নৈতিকতার আলোকে। তিন ভাই—বোনের মধ্যে রিয়াদ বাবু মেঝো। বড় বোন সুরাইয়া আক্তার একজন গৃহিণী এবং ছোট ভাই রিফাত সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। এই পরিবারিক পরিবেশই তাঁকে গড়ে তোলে একটি মানবিক ও প্রতিবাদী চরিত্রে।
শিক্ষা জীবন
শিক্ষাজীবনে রিয়াদ বাবু একজন আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না তিনি, বরং সমাজের বাস্তবতা, বৈষম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে সচেতন ছিলেন শুরু থেকেই। ছোটবেলা থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পষ্ট মত প্রকাশ করতেন এবং আশেপাশের সামাজিক—রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভাবতেন। ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন সাহসী, যুক্তিবাদী এবং ন্যায়ের পক্ষে অটল।
সংগ্রামী জীবন
মোঃ রিয়াদ বাবুর জীবনের মোড় ঘুরে যায় যখন ফ্যাসিবাদী দমন—পীড়নের বিরুদ্ধে দেশের রাজপথ উত্তাল হয়ে ওঠে। ভয়, হুমকি ও নির্যাতনের সময়েও তিনি রাজপথ থেকে সরে যাননি। বুক চিতিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যান এবং জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন। তাঁর দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ এবং অদম্য মনোবল তাঁকে এক সাহসী যোদ্ধায় পরিণত করে। জুলাই আন্দোলনে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল এক আদর্শিক সংগ্রামের বহিঃপ্রকাশ। রিয়াদ বাবুর সংগ্রামী জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে হবে প্রেরণার উৎস।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ : জুলাই আন্দোলনের জবানীতে শুনুন
জুলাই আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে যখন গোটা দেশ ফ্যাসিবাদ বিরোধী অবস্থায়, ঠিক তখন আমি মো: রিয়াদ বাবু সেই আন্দোলনের একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ভূরুঙ্গামারীর দিকে যাত্রা করি। শান্তিপূর্ণভাবে পথ চলার সময় হঠাৎ পাগলারহাট এলাকায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর কাপুরুষোচিত হামলা চালায়। হামলা শুধু এক জায়গায় থেমে থাকেনি আমরা সাদ্দামের মোড় অতিক্রম করার সময় সেখানে আবারও আমাদের উপর চড়াও হয় তারা। মনে হচ্ছিল, যেন তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই আমাদের গতিপথে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ওঁত পেতে ছিল। পরবর্তীতে আমরা জামতলায় অবস্থান নিলে, সেখানেও ভয়ংকর হামলা চালানো হয়। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তখন লগি, বৈঠা ও লাঠি দিয়ে আমাকে আঘাত করে। তাদের সে পৈশাচিক আক্রমণে আমার মাথা ফেটে যায়। মাথার রক্তে ভেসে যায় কাপড়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক জখম হয়। তীব্র ব্যথা, রক্তক্ষরণ ও বিভীষিকাময় পরিস্থিতি আমাকে নিঃশেষ করে দিলেও আমার মনোবল ভেঙে দিতে পারেনি।
এই বর্বরতা ছিল শুধুই ভিন্নমত দমনের এক নির্মম প্রয়াস। কিন্তু সে মুহূর্তেই আমি বুঝতে পারি—এই ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো শুধু আমার অধিকার নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। সে দিন আমার রক্ত ঝরেছিল, কিন্তু তাতে ন্যায়ের প্রতি আমার বিশ্বাস আরও পোক্ত হয়েছিল।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
আমি এখনো শরীরে ফ্যাসিবাদের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছি
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
বর্তমানে মোটামুটি সুস্থ, আলহামদুলিল্লাহ। ফলোআপ ও মেডিকেল মনিটরিং দরকার।
পূর্বে কী ধরনের পেশায় নিয়োজিত ছিলেন
শিক্ষার্থী
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তার বাবাকে স্থায়ী ও নিরাপদ চাকরির ব্যবস্থা, চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসা ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা এবং তার পড়াশুনার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা, যাতে তার স্বপ্ন অনুসারে পড়াশুনা করে ভালো ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারে।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : জুলাই আন্দোলনে ছাত্রলীগের পাশবিকতা ও বর্বর নির্যাতন
২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন ছিল শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিরোধ নয়, এটি ছিল ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে এক গণজাগরণ। এই আন্দোলনে ছাত্রলীগ তাদের দলীয় ক্ষমতার জোরে যে পাশবিকতা ও বর্বরতা চালিয়েছে, তা ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম অধ্যায়গুলোর একটি। শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত ছাত্র—জনতার উপর সশস্ত্র হামলা চালানো হয়। ঢাকা থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত প্রতিটি মিছিলে, অবস্থান কর্মসূচিতে ছাত্রলীগের জালিম বাহিনী হঠাৎ আক্রমণ করে লাঠি, রড, বৈঠা, হাতুড়ি, এমনকি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে।
পুলিশ নির্বিচারে গুলি, টিয়ারসেল গ্যাস এবং সাউন্ড গ্রেনেড দিয়ে আন্দোলনের মধ্যে দমন, নিপীড়ন চালিয়েছিল ফ্যাসিস্ট খুনি রাক্ষসী হাসিনার নির্দেশে। অনেক ছাত্রের মাথা ফেটে যায়, কারো চোখ নষ্ট হয়, কেউ বাঁচার জন্য হাসপাতালের বিছানায় পড়ে থাকে দিন—মাস ধরে। মেয়েদের উপর চালানো হয় লজ্জাজনক ও ন্যক্কারজনক হামলা, যা সভ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এই পাশবিকতা শুধু একটি দলের বা সরকারের নির্দেশে চালানো হয়নি; এটি ছিল এক ফ্যাসিবাদী মনের বহিঃপ্রকাশ, যেখানে বিরোধী কণ্ঠ মানেই শত্রু, ছাত্র মানেই দমনযোগ্য। দেশের ছাত্র—জনতা এই বর্বর নির্যাতনের জবাবে আর মুখ বুজে থাকতে পারেনি। তাই তারা রাজপথে নেমে আসে, ঝাঁপিয়ে পড়ে আন্দোলনে, একটাই লক্ষ্যে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারকে উৎখাত করা। এই আন্দোলন হয়ে ওঠে এক প্রতিরোধের সাগর, যেখানে প্রতিটি রক্তবিন্দু, প্রতিটি প্রতিবাদী শ্লোগান ছিল নির্যাতনের বিরুদ্ধে এক অগ্নিশপথ।

জন্ম
মোঃ রিয়াদ বাবু ২০০৮ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুরী ইউনিয়নের উত্তর তিলাই গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। এক নদীঘেরা প্রত্যন্ত জনপদে বেড়ে ওঠা রিয়াদ বাবুর শৈশব কেটেছে প্রকৃতির ছায়ায়, সহজ—সরল গ্রামীণ জীবনের মধ্যে দিয়ে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি কঠিন বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতাও তাকে ছোটবেলা থেকেই সংবেদনশীল ও সচেতন করে তোলে।
পারিবারিক জীবন
রিয়াদ বাবুর পিতা আব্দুল কুদ্দুস একজন পরিশ্রমী কৃষক, যিনি মাটির সঙ্গে যুদ্ধ করে পরিবারকে বাঁচিয়ে রেখেছেন এবং সন্তানদের মাঝে সততা ও নিষ্ঠার আদর্শ স্থাপন করেছেন। মা রিনা খাতুন একজন স্নেহময়ী গৃহিণী, যিনি নিজের শ্রম ও ভালোবাসা দিয়ে সন্তানদের গড়ে তুলেছেন নৈতিকতার আলোকে। তিন ভাই—বোনের মধ্যে রিয়াদ বাবু মেঝো। বড় বোন সুরাইয়া আক্তার একজন গৃহিণী এবং ছোট ভাই রিফাত সপ্তম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। এই পরিবারিক পরিবেশই তাঁকে গড়ে তোলে একটি মানবিক ও প্রতিবাদী চরিত্রে।
শিক্ষা জীবন
শিক্ষাজীবনে রিয়াদ বাবু একজন আলিম দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাতেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না তিনি, বরং সমাজের বাস্তবতা, বৈষম্য ও অবিচারের বিরুদ্ধে সচেতন ছিলেন শুরু থেকেই। ছোটবেলা থেকেই তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে স্পষ্ট মত প্রকাশ করতেন এবং আশেপাশের সামাজিক—রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে ভাবতেন। ছাত্রজীবনে তিনি ছিলেন সাহসী, যুক্তিবাদী এবং ন্যায়ের পক্ষে অটল।
সংগ্রামী জীবন
মোঃ রিয়াদ বাবুর জীবনের মোড় ঘুরে যায় যখন ফ্যাসিবাদী দমন—পীড়নের বিরুদ্ধে দেশের রাজপথ উত্তাল হয়ে ওঠে। ভয়, হুমকি ও নির্যাতনের সময়েও তিনি রাজপথ থেকে সরে যাননি। বুক চিতিয়ে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যান এবং জনগণের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন। তাঁর দৃঢ়তা, আত্মত্যাগ এবং অদম্য মনোবল তাঁকে এক সাহসী যোদ্ধায় পরিণত করে। জুলাই আন্দোলনে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল এক আদর্শিক সংগ্রামের বহিঃপ্রকাশ। রিয়াদ বাবুর সংগ্রামী জীবন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে হবে প্রেরণার উৎস।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ : জুলাই আন্দোলনের জবানীতে শুনুন
জুলাই আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে যখন গোটা দেশ ফ্যাসিবাদ বিরোধী অবস্থায়, ঠিক তখন আমি মো: রিয়াদ বাবু সেই আন্দোলনের একজন সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হিসেবে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট সকাল ১০টার দিকে ভূরুঙ্গামারীর দিকে যাত্রা করি। শান্তিপূর্ণভাবে পথ চলার সময় হঠাৎ পাগলারহাট এলাকায় ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর কাপুরুষোচিত হামলা চালায়। হামলা শুধু এক জায়গায় থেমে থাকেনি আমরা সাদ্দামের মোড় অতিক্রম করার সময় সেখানে আবারও আমাদের উপর চড়াও হয় তারা। মনে হচ্ছিল, যেন তারা পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই আমাদের গতিপথে প্রতিটি মোড়ে মোড়ে ওঁত পেতে ছিল। পরবর্তীতে আমরা জামতলায় অবস্থান নিলে, সেখানেও ভয়ংকর হামলা চালানো হয়। ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা তখন লগি, বৈঠা ও লাঠি দিয়ে আমাকে আঘাত করে। তাদের সে পৈশাচিক আক্রমণে আমার মাথা ফেটে যায়। মাথার রক্তে ভেসে যায় কাপড়। শরীরের বিভিন্ন স্থানে একাধিক জখম হয়। তীব্র ব্যথা, রক্তক্ষরণ ও বিভীষিকাময় পরিস্থিতি আমাকে নিঃশেষ করে দিলেও আমার মনোবল ভেঙে দিতে পারেনি।
এই বর্বরতা ছিল শুধুই ভিন্নমত দমনের এক নির্মম প্রয়াস। কিন্তু সে মুহূর্তেই আমি বুঝতে পারি—এই ফ্যাসিবাদী শক্তির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো শুধু আমার অধিকার নয়, বরং একটি ঐতিহাসিক দায়িত্ব। সে দিন আমার রক্ত ঝরেছিল, কিন্তু তাতে ন্যায়ের প্রতি আমার বিশ্বাস আরও পোক্ত হয়েছিল।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
আমি এখনো শরীরে ফ্যাসিবাদের ক্ষত বয়ে বেড়াচ্ছি
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
বর্তমানে মোটামুটি সুস্থ, আলহামদুলিল্লাহ। ফলোআপ ও মেডিকেল মনিটরিং দরকার।
পূর্বে কী ধরনের পেশায় নিয়োজিত ছিলেন
শিক্ষার্থী
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তার বাবাকে স্থায়ী ও নিরাপদ চাকরির ব্যবস্থা, চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসা ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা এবং তার পড়াশুনার জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করা, যাতে তার স্বপ্ন অনুসারে পড়াশুনা করে ভালো ক্যারিয়ার গড়ে নিতে পারে।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: রিয়াদ বাবু
জন্ম তারিখ : ২৮—০২—২০০৮
জন্মস্থান : কুড়িগ্রাম
পেশা : শিক্ষার্থী, আলিম দ্বিতীয় বর্ষ, ভূরুঙ্গামারী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা
নিজ জেলা : কুড়িগ্রাম
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: উত্তর তিলাই, ইউনিয়ন: শিলখুরী, থানা: ভূরুঙ্গামারী, জেলা: কুড়িগ্রাম
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : আব্দুল কুদ্দুস
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষি, ৪৫
মায়ের নাম : রিনা খাতুন
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪০
মাসিক আয় : ১০০০০
আয়ের উৎস : কৃষি
বাড়ির বিবরণ : টিনের বেড়া ও টিনের চাল
সম্পদের পরিমাণ : ৪ শতক
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
ভাই—বোনদের বিবরণ
১. মোছা: সুরাইয়া আক্তার, বয়স: ২৪, পেশা: গৃহিণী, সম্পর্ক: বোন
২. মো: রিফাত, বয়স: ১৩ পেশা: ৭ম, সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার স্থান : ভূরুঙ্গামারী, জামতলা মোড়
আক্রমণকারী : আওয়ামী সন্ত্রাসীদের মদদপুষ্ট পুলিশ ও ছাত্রলীগ—এর সন্ত্রাসী ছোটন—এর নেতৃত্বে হামলা করে
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট, ২০২৪, বিকাল ৩.৩০ মিনিটের দিকে

জন্ম তারিখ : ২৮—০২—২০০৮
জন্মস্থান : কুড়িগ্রাম
পেশা : শিক্ষার্থী, আলিম দ্বিতীয় বর্ষ, ভূরুঙ্গামারী ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসা
নিজ জেলা : কুড়িগ্রাম
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: উত্তর তিলাই, ইউনিয়ন: শিলখুরী, থানা: ভূরুঙ্গামারী, জেলা: কুড়িগ্রাম
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : আব্দুল কুদ্দুস
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষি, ৪৫
মায়ের নাম : রিনা খাতুন
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪০
মাসিক আয় : ১০০০০
আয়ের উৎস : কৃষি
বাড়ির বিবরণ : টিনের বেড়া ও টিনের চাল
সম্পদের পরিমাণ : ৪ শতক
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
ভাই—বোনদের বিবরণ
১. মোছা: সুরাইয়া আক্তার, বয়স: ২৪, পেশা: গৃহিণী, সম্পর্ক: বোন
২. মো: রিফাত, বয়স: ১৩ পেশা: ৭ম, সম্পর্ক: ভাই
আহত হওয়ার স্থান : ভূরুঙ্গামারী, জামতলা মোড়
আক্রমণকারী : আওয়ামী সন্ত্রাসীদের মদদপুষ্ট পুলিশ ও ছাত্রলীগ—এর সন্ত্রাসী ছোটন—এর নেতৃত্বে হামলা করে
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট, ২০২৪, বিকাল ৩.৩০ মিনিটের দিকে

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍