মো: শাকিল ইসলাম
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
দিনমজুর
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
১৯৯৭ সালের ৮ মে, নীলফামারী জেলার সদর থানার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের আরজি ইটাখোলা গ্রামে জন্ম নেয় শাকিল ইসলাম। পিতা মো: আইজুল ইসলাম এবং মা সাহেরা বেগম। পাঁচ সদস্যের দরিদ্র পরিবার। বাবা ছিলেন দিনমজুর, তবে বয়স ও অসুস্থতায় এখন আর কাজ করতে পারেন না। মা ঘরের কাজ সামলান, মাঝে মাঝে অন্যের বাড়িতে কাজ করেন। শাকিলের শৈশব কেটেছে অভাব-অনটনের মধ্যে। স্কুলে ভর্তি হয়েছিল একবার, কিন্তু দারিদ্র্যের চাপে খুব বেশিদূর আগাতে পারেনি। ছোট বয়সেই তাকে রোজগারের চাকা ঘোরাতে নামতে হয়। মা-বাবার সঙ্গে স্ত্রীর সন্তানসহ বাস করেন। তার একমাত্র ছেলে মইন ইসলাম যার বয়স মাত্র চার বছর। পরিবারের ভরণ পোষণ করতে শুরু হয় বাজারে কাপড়ের দোকানে কাজ করা। মালামাল টানা, দোকান ঝাড়ু দেওয়া, হিসেব লেখা সবই শিখে নেয় সে। কিন্তু সেই ছোট বয়স থেকেই সমাজের বৈষম্য তার চোখে লেগে থাকে। তিনি অন্যায় সহ্য করতে পারতেন না।
আন্দোলনের পেছনের বেদনার ইতিহাস
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের কথা শাকিলের মনে গেঁথে আছে। তখন সে তরুণ, দিনভর দোকানে কাজ করলেও রাতে বাড়ি ফিরে মোবাইলে ফেসবুক ঘেঁটে আন্দোলনের খবর পড়ত। শি¶ার্থীরা সরকারি চাকরির ¶েত্রে ৫৬% কোটা মেনে নিতে পারেনি। কারণ চাকরির ¶েত্রে মেধাবীদের মূল্যায়ন করা হতো না। বিভিন্ন ধরনের কোটা দিয়ে অযোগ্য লোকদের মন্ত্রণালয়গুলোতে বসানো হতো। যার কারণে চাকরির ¶েত্রে যৌক্তিক সংস্কার চেয়েছিলেন শি¶ার্থীরা যাতে মেধাবীদের মূল্যায়ন করা হয়। কিন্তু সেই আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট হাসিনা বাধা প্রদান করে। তবুও তখন ছাত্রদের প্রচন্ড গণআন্দোলনের মধ্যে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে দেন। সেটা ছিল তার রাগের বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু এটার কোন স্থায়ী সমাধান তখন দেননি। যার ফলে ২০২৪ সালে সেই আন্দোলন আবার মাথা তোলে। এবারের আন্দোলন শুধুমাত্র ঢাকা শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন জেলা উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এবারও ফ্যাসিস্ট সরকার দমন-,পীড়ন করে ছাত্রদের। ছাত্রদেরকে সরাসরি গুলি করে হত্যা করে। এভাবে ছাত্রদেরকে গুলি করে হত্যা করার প্রতিবাদে শি¶িত ছাত্ররাই নয়, সাধারণ দিনমজুর, শ্রমিক, কুলি সবাই জড়ো হতে থাকে। শাকিল তখন সিদ্ধান্ত নেয়, এবার আর চুপ করে বসে থাকবে না। তার অসুস্থ বাবা এবং ছোট্ট মেয়ে মইনের মুখের দিকে তাকিয়ে সে বুঝতে পারে এই অন্যায়ের প্রতিবাদ না করলে ভবিষ্যতে তার সন্তানদের ও ভোগ করতে হবে। তাই কাপড়ের দোকান থেকে ছুটে গিয়ে সে রাস্তায় নামে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একাধিক বি¶োভ মিছিলে অংশ নেয়। সে জানত, হামলা হতে পারে। পুলিশ ধরতে পারে, মারধর করতে পারে। তবুও ভয়ের চেয়ে অধিক ছিল ন্যায়বিচারের আশায় বুক বাঁধা।
ডিসি মোড়ে রক্ত ঝরানো বিকেল
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট, দুপুর ১২টা। নীলফামারী শহরের ডিসি মোড়ে ছাত্র-জনতার মিছিল শুরু হয়। স্লেগানে স্লেগানে মুখরিত ছিল চারপাশ, দাবি ছিলো একটাই, স্বৈরাচারী সরকারের পতন চাই! শাকিল ছিলেন সেই মিছিলের মাঝখানে। কাপড়ের দোকানের পরিচিত কয়েকজন সহকর্মীও ছিল পাশে। একদিকে ছিল নিরস্ত্র ছাত্র-জনতা আর অন্যদিকে ছিল স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশ বাহিনী এবং আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী। কোন সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ করে পুলিশের গুলিবর্ষণ শুরু হয়। প্রথমে লাঠিচার্জ, এরপর ছররা গুলি, রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস, জনতা দিকবিদিক ছোটে। কেউ পড়ে যায়, কেউ লুকিয়ে পড়ে আশপাশের দোকানে। শাকিল তখন মিছিলের মাঝ থেকে পালাতে পারছিল না। তার পেছনে দাঁড়ানো এক কিশোরকে আগলে রাখতে গিয়ে সে নিজেই গুলির সামনে পড়ে যায়। ছররা গুলি এসে লাগে তার গলায়, কাঁধে, হাতে একটির পর একটি।
রক্তে ভিজে যায় তার জামা। ঠোঁট ফাঁটা গলায় সে তখনও বলার চেষ্টা করছিল, আমি কিছু করিনি আমি তো শুধু ন্যায়বিচার চেয়েছিলাম।
ফার্মেসি ও চিকিৎসা
প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেদিন হাসপাতালের অবস্থাও ছিল ভয়াবহ। চিকিৎসক এবং আহতরা আতঙ্কিত ছিলেন। একদিকে পুলিশের মামলা হামলার ভয় অন্য দিকে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের মহড়া। তাই তিনি বাসা থেকে চিকিৎসা নেন। পরের দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট যখন ¯ৈ^রাচারীর শেখ হাসিনার সরকার দেশ থেকে পালালো তখন তিনি সদর হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসা নেন। সেখানে চিকিৎসকরা তার শরীর থেকে মোট ৬টি ছররা গুলি বের করেন। তবে ১টি গুলি আজও তার শরীরেই রয়ে গেছে, যেটি গভীরে ঢুকে পড়ায় অপারেশন ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিকিৎসকরা জানান।
হাসপাতালের বেডে শুয়ে শাকিল চোখ বন্ধ করে শুধুই চিন্তা করছিল তার পরিবারের কথা
অসুস্থ বাবা, ছেলের দুধের দাম, দোকানে তার অনুপস্থিতি, ঘরের ভাড়া। তবু এই লড়াই তার কাছে অর্থহীন নয়। কারণ দেশবাসী মুক্তি পেয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে। মানুষ তার বাক স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি।
শেষ কথা
শাকিল ইসলাম একজন সাধারণ দিনমজুর, যার হাতে ছিল না কলম, মুখে ছিল না রাজনৈতিক ভাষণ। তবু তার প্রতিবাদ ছিল সত্যিকারের। গরিব ঘরের সন্তান হয়েও সে রাস্তায় নেমেছিল সবার জন্য সমান সুযোগের দাবিতে। ছররা গুলির আঘাতে তার শরীর ক্ষতবিক্ষ হলেও, তার বিশ্বাস আর চেতনা আজও অটল। তার গল্প শুধু একজন আহত আন্দোলনকারীর নয়, এটি সেই প্রজন্মের গল্প, যারা বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় ন্যায়ের পায়ে, এটা জেনেও যে তাদের রক্ত ঝরবে।
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
স্থানীয় বাজারে কাপড়ের দোকান দিয়ে দেওয়া।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: শাকিল ইসলাম
জন্ম তারিখ : ৮ মে ১৯৯৭
জন্মস্থান : নীলফামারী
পেশা : দিনমজুর
প্রতিষ্ঠান : কাপড়ের দোকান
নিজ জেলা : নীলফামারী
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: আরজি ইটাখোলা, ইউনিয়ন: পলাশবাড়ী, থানা: নীলফামারী সদর, জেলা: নীলফামারী
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: আইজুল ইসলাম
মায়ের নাম : সাহেরা বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : অসুস্থ, ৬৩
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৫৫
মাসিক আয় : ১৫ হাজার টাকা
আয়ের উৎস : দিনমজুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. মইন ইসলাম, বয়স: ৪ বছর, সম্পর্ক: ছেলে
ঘটনার স্থান : ডিসি মোড়, নীলফামারী
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
আন্দোলনের পেছনের বেদনার ইতিহাস
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের কথা শাকিলের মনে গেঁথে আছে। তখন সে তরুণ, দিনভর দোকানে কাজ করলেও রাতে বাড়ি ফিরে মোবাইলে ফেসবুক ঘেঁটে আন্দোলনের খবর পড়ত। শি¶ার্থীরা সরকারি চাকরির ¶েত্রে ৫৬% কোটা মেনে নিতে পারেনি। কারণ চাকরির ¶েত্রে মেধাবীদের মূল্যায়ন করা হতো না। বিভিন্ন ধরনের কোটা দিয়ে অযোগ্য লোকদের মন্ত্রণালয়গুলোতে বসানো হতো। যার কারণে চাকরির ¶েত্রে যৌক্তিক সংস্কার চেয়েছিলেন শি¶ার্থীরা যাতে মেধাবীদের মূল্যায়ন করা হয়। কিন্তু সেই আন্দোলনে ফ্যাসিস্ট হাসিনা বাধা প্রদান করে। তবুও তখন ছাত্রদের প্রচন্ড গণআন্দোলনের মধ্যে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সংসদে দাঁড়িয়ে কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে দেন। সেটা ছিল তার রাগের বহিঃপ্রকাশ। কিন্তু এটার কোন স্থায়ী সমাধান তখন দেননি। যার ফলে ২০২৪ সালে সেই আন্দোলন আবার মাথা তোলে। এবারের আন্দোলন শুধুমাত্র ঢাকা শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বিভিন্ন জেলা উপজেলা পর্যায়ে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু এবারও ফ্যাসিস্ট সরকার দমন-,পীড়ন করে ছাত্রদের। ছাত্রদেরকে সরাসরি গুলি করে হত্যা করে। এভাবে ছাত্রদেরকে গুলি করে হত্যা করার প্রতিবাদে শি¶িত ছাত্ররাই নয়, সাধারণ দিনমজুর, শ্রমিক, কুলি সবাই জড়ো হতে থাকে। শাকিল তখন সিদ্ধান্ত নেয়, এবার আর চুপ করে বসে থাকবে না। তার অসুস্থ বাবা এবং ছোট্ট মেয়ে মইনের মুখের দিকে তাকিয়ে সে বুঝতে পারে এই অন্যায়ের প্রতিবাদ না করলে ভবিষ্যতে তার সন্তানদের ও ভোগ করতে হবে। তাই কাপড়ের দোকান থেকে ছুটে গিয়ে সে রাস্তায় নামে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের একাধিক বি¶োভ মিছিলে অংশ নেয়। সে জানত, হামলা হতে পারে। পুলিশ ধরতে পারে, মারধর করতে পারে। তবুও ভয়ের চেয়ে অধিক ছিল ন্যায়বিচারের আশায় বুক বাঁধা।
ডিসি মোড়ে রক্ত ঝরানো বিকেল
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট, দুপুর ১২টা। নীলফামারী শহরের ডিসি মোড়ে ছাত্র-জনতার মিছিল শুরু হয়। স্লেগানে স্লেগানে মুখরিত ছিল চারপাশ, দাবি ছিলো একটাই, স্বৈরাচারী সরকারের পতন চাই! শাকিল ছিলেন সেই মিছিলের মাঝখানে। কাপড়ের দোকানের পরিচিত কয়েকজন সহকর্মীও ছিল পাশে। একদিকে ছিল নিরস্ত্র ছাত্র-জনতা আর অন্যদিকে ছিল স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশ বাহিনী এবং আওয়ামী সন্ত্রাসী বাহিনী। কোন সতর্কতা ছাড়াই হঠাৎ করে পুলিশের গুলিবর্ষণ শুরু হয়। প্রথমে লাঠিচার্জ, এরপর ছররা গুলি, রাবার বুলেট, টিয়ারগ্যাস, জনতা দিকবিদিক ছোটে। কেউ পড়ে যায়, কেউ লুকিয়ে পড়ে আশপাশের দোকানে। শাকিল তখন মিছিলের মাঝ থেকে পালাতে পারছিল না। তার পেছনে দাঁড়ানো এক কিশোরকে আগলে রাখতে গিয়ে সে নিজেই গুলির সামনে পড়ে যায়। ছররা গুলি এসে লাগে তার গলায়, কাঁধে, হাতে একটির পর একটি।
রক্তে ভিজে যায় তার জামা। ঠোঁট ফাঁটা গলায় সে তখনও বলার চেষ্টা করছিল, আমি কিছু করিনি আমি তো শুধু ন্যায়বিচার চেয়েছিলাম।
ফার্মেসি ও চিকিৎসা
প্রথমে স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেদিন হাসপাতালের অবস্থাও ছিল ভয়াবহ। চিকিৎসক এবং আহতরা আতঙ্কিত ছিলেন। একদিকে পুলিশের মামলা হামলার ভয় অন্য দিকে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ, আওয়ামী লীগের মহড়া। তাই তিনি বাসা থেকে চিকিৎসা নেন। পরের দিন অর্থাৎ ৫ আগস্ট যখন ¯ৈ^রাচারীর শেখ হাসিনার সরকার দেশ থেকে পালালো তখন তিনি সদর হাসপাতালে ভর্তি হন এবং চিকিৎসা নেন। সেখানে চিকিৎসকরা তার শরীর থেকে মোট ৬টি ছররা গুলি বের করেন। তবে ১টি গুলি আজও তার শরীরেই রয়ে গেছে, যেটি গভীরে ঢুকে পড়ায় অপারেশন ঝুঁকিপূর্ণ বলে চিকিৎসকরা জানান।
হাসপাতালের বেডে শুয়ে শাকিল চোখ বন্ধ করে শুধুই চিন্তা করছিল তার পরিবারের কথা
অসুস্থ বাবা, ছেলের দুধের দাম, দোকানে তার অনুপস্থিতি, ঘরের ভাড়া। তবু এই লড়াই তার কাছে অর্থহীন নয়। কারণ দেশবাসী মুক্তি পেয়েছে ফ্যাসিস্ট সরকার থেকে। মানুষ তার বাক স্বাধীনতা ফিরে পেয়েছি।
শেষ কথা
শাকিল ইসলাম একজন সাধারণ দিনমজুর, যার হাতে ছিল না কলম, মুখে ছিল না রাজনৈতিক ভাষণ। তবু তার প্রতিবাদ ছিল সত্যিকারের। গরিব ঘরের সন্তান হয়েও সে রাস্তায় নেমেছিল সবার জন্য সমান সুযোগের দাবিতে। ছররা গুলির আঘাতে তার শরীর ক্ষতবিক্ষ হলেও, তার বিশ্বাস আর চেতনা আজও অটল। তার গল্প শুধু একজন আহত আন্দোলনকারীর নয়, এটি সেই প্রজন্মের গল্প, যারা বুক চিতিয়ে দাঁড়ায় ন্যায়ের পায়ে, এটা জেনেও যে তাদের রক্ত ঝরবে।
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
স্থানীয় বাজারে কাপড়ের দোকান দিয়ে দেওয়া।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: শাকিল ইসলাম
জন্ম তারিখ : ৮ মে ১৯৯৭
জন্মস্থান : নীলফামারী
পেশা : দিনমজুর
প্রতিষ্ঠান : কাপড়ের দোকান
নিজ জেলা : নীলফামারী
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: আরজি ইটাখোলা, ইউনিয়ন: পলাশবাড়ী, থানা: নীলফামারী সদর, জেলা: নীলফামারী
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: আইজুল ইসলাম
মায়ের নাম : সাহেরা বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : অসুস্থ, ৬৩
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৫৫
মাসিক আয় : ১৫ হাজার টাকা
আয়ের উৎস : দিনমজুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. মইন ইসলাম, বয়স: ৪ বছর, সম্পর্ক: ছেলে
ঘটনার স্থান : ডিসি মোড়, নীলফামারী
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍