মো: রফিকুল ইসলাম
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : ইলেকট্রনিকস মেকার
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্ম পরিচিতি
মো: রফিকুল ইসলাম ২১ মার্চ ২০০৪ সালে দিনাজপুর সদর জেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের খামারঝার বাড়ি গ্রামে এক মুসলিম মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জনাব শওকত হোসেন একজন কসাই এবং মাতা নূরজাহান একজন গৃহিণী। রফিকুল ইসলাম একজন ইলেকট্রিশিয়ান।বিভিন্ন গাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং ত্রুটি সংক্রান্ত সমস্যার কাজ করে। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের পাশে একটি গাড়ি সার্ভিসিংয়ের দোকানে সাপ্তাহিক পারিশ্রমিকের কাজ করতো। তার বাবা শওকত হোসেন অনেক বছর আগেই তার পুরো পরিবার রেখে অন্যত্র চলে যায়।
তখন থেকেই তার বাবার সাথে তার পরিবারের যোগাযোগ হয়নি। যার কারণে তাকে খুব অল্প বয়সেই সংগ্রাম করতে হয়। তার দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই রায়হান দিনমজুর এবং নওশাদ পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই রফিকুল ইসলাম নম্র, ভদ্র ছিলেন। বড়দের সাথে সুন্দর ব্যবহার করতেন এবং ছোটদের স্নেহ করতেন।
রফিকুলের রক্তে লেখা একটি আন্দোলনের ইতিহাস
২০২৪ সালের জুলাই মাস। বাংলাদেশের রাজপথে তখন এক অগ্নিগর্ভ সময়। ছাত্র-জনতা, বেকার যুবক, গার্মেন্টস কর্মী থেকে শুরু করে গ্রামের কৃষক পর্যন্ত সবাই যেন জেগে উঠেছিল। কারণ ছিল একটাই “জুলুমের বিরুদ্ধে শেষবারের মতো রুখে দাঁড়ানো।” সরকারি দমন-পীড়ন, চাকরিতে অনিয়ম, কোটা বৈষম্য, মানবাধিকার লঙ্ঘন সব মিলিয়ে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এক অভূতপূর্ব আন্দোলন, যার নাম দেয়া হয় জুলাই আন্দোলন।
এই আন্দোলন হঠাৎ করে আসেনি। বহু বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভ, বঞ্চনা আর চুপ করে থাকা মানুষের নীরব কান্না থেকে উঠে এসেছিল এই বিস্ফোরণ। ছাত্ররা রাজপথে নেমেছিল, শুধু নিজেদের অধিকারের জন্য নয় বরং পুরো জাতির মুক্তির স্বপ্ন নিয়েই। এমন এক সময়েই রফিকুল ইসলামের মতো সাধারণ মানুষরাও পাশে দাঁড়ায় ছাত্রদের। রফিকুল ছিলেন দিনাজপুরের একজন ছোট ইলেকট্রনিক্স মেকানিক। গাড়ির ত্রুটি সারিয়ে দিনে সামান্য যে টাকা আয় করতেন তা দিয়েই সংসার চালাতেন। পড়াশুনা তেমন হয়নি, কিন্তু সত্য-মিথ্যা চেনার চোখটা ছিল তীক্ষ্ম। তিনি বিশ্বাস করতেন, “এই লড়াই শুধু ছাত্রদের নয়, আমাদের সবার।”
দিনটি ছিল ৪ আগস্ট ২০২৪
৪ আগস্ট ছিল রাষ্ট্রের বর্বর রূপ উন্মোচনের দিন। সেদিন দিনাজপুরে ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল হাসপাতালের সামনের সড়ক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে গলা টিপে হত্যার এক জঘন্য চেষ্টা হয়েছিল এ দিনে। রফিকুল ইসলামের শরীরে বিদ্ধ হয় ১৫০ টি ছররা গুলি। শুধু একটা দেহ নয়, পুরো একটা আন্দোলনের উপর চালানো হয় নির্মমতা। সেদিন দিনাজপুর সদর হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়েছিল শত শত ছাত্র-জনতা। ছাত্র জনতা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ চারদিক থেকে পুলিশ এসে অবস্থান নেয়। সাদা পোশাকে ছদ্মবেশে ঘুরছিলো যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। ছাত্রদের হাতে ছিল না কোনো অস্ত্র, ছিল না কোনো হুমকি তবু পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে হঠাৎ ছোড়ে কাঁদানে গ্যাস। আর তারপর শুরু হয় ভয়ংকর এক হামলা। পুলিশ পেছন থেকে রফিকুলকে লক্ষ্য করে ছোড়ে ছররা গুলি। গুনে গুনে প্রায় ১৫০টি ছররা গুলি বিদ্ধ হয় তার শরীরে। পিঠটা রক্তে ভিজে লাল হয়ে যায়। জামা ভেদ করে ছররা গুলি গুলো শরীরের গভীরে ঢুকে পড়ে। সে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। একসময় ধপ করে পড়ে যায় রাস্তায়। চারপাশে তখন কেবল ধোঁয়া, চিৎকার আর হাহাকার। সদর হাসপাতালের সামনে পুলিশের ৪৫০টি বুলেট আমার শরীরে বিঁধে, ঐখান থেকে সদর হসাপাতালে ভর্তি করানো হয়, পরে তাৎক্ষণিক আমাকে দিনাজপুর মেডিকেলে স্থান্তান্তর করে। সেখানে চারদিন চিকিৎসা নেয়ার পর বাসায় থেকে ১ মাস চিকিৎসা চলে। তারপর রংপুর থেকে ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসা চলতেছে।
আশেপাশের ছাত্ররা প্রথমে বুঝতে পারেনি, পরে দৌড়ে আসে। একজন চিৎকার করে বলছিলো,
“ভাই! এতো গুলি লাগছে! কেউ আছে? কেউ অ্যাম্বুলেন্স ডাকো!” ছাত্র-জনতা রফিকুলকে তুলে নিয়ে যায় হাসপাতালে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্ণনা
ছাত্র-জনতা তাকে দিনাজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চার দিন তার চিকিৎসা চলে। অবস্থার উন্নতি না হলে রংপুরে ক্লিনিকে ডাক্তার দেখানো হয়। তার শরীরে প্রায় ৪০০ টার উপরে ছররা গুলি লাগে। তার সারা শরীর, পিঠে, হাতে, পায়ে সব স্থানে গুলিগুলো আছে। কাছ থেকে লাগার কারণে গুলি ভিতরে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে তিনি ঢাকায় সি এম এইচ এ চিকিৎসা নেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছু গুলি বের করা হয়েছে। বাকিগুলো তার শরীরের ভিতরেই থেকে গেছে। এখন তার সারা শরীর প্রচুর যন্ত্রণা হয়। রাতে ঘুমাতে অনেক কষ্ট হয়।
নাম : মো: রফিকুল ইসলাম
জন্ম তারিখ : ২১ মার্চ ২০০৪
জন্মস্থান : দিনাজপুর
পেশা : ইলেকট্রনিকস মেকার
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: খামারঝার বাড়ি, ইউনিয়ন: আউলিয়াপুর, থানা: দিনাজপুর সদর, জেলা: দিনাজপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: শওকত হোসেন
মায়ের নাম : নুর জাহান
পিতার পেশা ও বয়স : কসাই, ৫০
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
মাসিক আয় : ১৮০০ টাকা
আয়ের উৎস : দিনমজুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনদের বিবরণ
১. রায়হান, বয়স: ২৪, সম্পর্ক: ভাই
২. নওশাদ, বয়স: ১০, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ৫ম, সম্পর্ক: ভাই
ঘটনার স্থান : সদর হাসপাতালের ভিতর, দিনাজপুর
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১ টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
মো: রফিকুল ইসলাম ২১ মার্চ ২০০৪ সালে দিনাজপুর সদর জেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের খামারঝার বাড়ি গ্রামে এক মুসলিম মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা জনাব শওকত হোসেন একজন কসাই এবং মাতা নূরজাহান একজন গৃহিণী। রফিকুল ইসলাম একজন ইলেকট্রিশিয়ান।বিভিন্ন গাড়িতে বৈদ্যুতিক সংযোগ এবং ত্রুটি সংক্রান্ত সমস্যার কাজ করে। দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের পাশে একটি গাড়ি সার্ভিসিংয়ের দোকানে সাপ্তাহিক পারিশ্রমিকের কাজ করতো। তার বাবা শওকত হোসেন অনেক বছর আগেই তার পুরো পরিবার রেখে অন্যত্র চলে যায়।
তখন থেকেই তার বাবার সাথে তার পরিবারের যোগাযোগ হয়নি। যার কারণে তাকে খুব অল্প বয়সেই সংগ্রাম করতে হয়। তার দুই ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই রায়হান দিনমজুর এবং নওশাদ পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী। ছোটবেলা থেকেই রফিকুল ইসলাম নম্র, ভদ্র ছিলেন। বড়দের সাথে সুন্দর ব্যবহার করতেন এবং ছোটদের স্নেহ করতেন।
রফিকুলের রক্তে লেখা একটি আন্দোলনের ইতিহাস
২০২৪ সালের জুলাই মাস। বাংলাদেশের রাজপথে তখন এক অগ্নিগর্ভ সময়। ছাত্র-জনতা, বেকার যুবক, গার্মেন্টস কর্মী থেকে শুরু করে গ্রামের কৃষক পর্যন্ত সবাই যেন জেগে উঠেছিল। কারণ ছিল একটাই “জুলুমের বিরুদ্ধে শেষবারের মতো রুখে দাঁড়ানো।” সরকারি দমন-পীড়ন, চাকরিতে অনিয়ম, কোটা বৈষম্য, মানবাধিকার লঙ্ঘন সব মিলিয়ে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এক অভূতপূর্ব আন্দোলন, যার নাম দেয়া হয় জুলাই আন্দোলন।
এই আন্দোলন হঠাৎ করে আসেনি। বহু বছর ধরে জমে থাকা ক্ষোভ, বঞ্চনা আর চুপ করে থাকা মানুষের নীরব কান্না থেকে উঠে এসেছিল এই বিস্ফোরণ। ছাত্ররা রাজপথে নেমেছিল, শুধু নিজেদের অধিকারের জন্য নয় বরং পুরো জাতির মুক্তির স্বপ্ন নিয়েই। এমন এক সময়েই রফিকুল ইসলামের মতো সাধারণ মানুষরাও পাশে দাঁড়ায় ছাত্রদের। রফিকুল ছিলেন দিনাজপুরের একজন ছোট ইলেকট্রনিক্স মেকানিক। গাড়ির ত্রুটি সারিয়ে দিনে সামান্য যে টাকা আয় করতেন তা দিয়েই সংসার চালাতেন। পড়াশুনা তেমন হয়নি, কিন্তু সত্য-মিথ্যা চেনার চোখটা ছিল তীক্ষ্ম। তিনি বিশ্বাস করতেন, “এই লড়াই শুধু ছাত্রদের নয়, আমাদের সবার।”
দিনটি ছিল ৪ আগস্ট ২০২৪
৪ আগস্ট ছিল রাষ্ট্রের বর্বর রূপ উন্মোচনের দিন। সেদিন দিনাজপুরে ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত হয়েছিল হাসপাতালের সামনের সড়ক। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে গলা টিপে হত্যার এক জঘন্য চেষ্টা হয়েছিল এ দিনে। রফিকুল ইসলামের শরীরে বিদ্ধ হয় ১৫০ টি ছররা গুলি। শুধু একটা দেহ নয়, পুরো একটা আন্দোলনের উপর চালানো হয় নির্মমতা। সেদিন দিনাজপুর সদর হাসপাতালের সামনে জড়ো হয়েছিল শত শত ছাত্র-জনতা। ছাত্র জনতা শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ চারদিক থেকে পুলিশ এসে অবস্থান নেয়। সাদা পোশাকে ছদ্মবেশে ঘুরছিলো যুবলীগ-ছাত্রলীগের ক্যাডাররা। ছাত্রদের হাতে ছিল না কোনো অস্ত্র, ছিল না কোনো হুমকি তবু পুলিশ তাদের লক্ষ্য করে হঠাৎ ছোড়ে কাঁদানে গ্যাস। আর তারপর শুরু হয় ভয়ংকর এক হামলা। পুলিশ পেছন থেকে রফিকুলকে লক্ষ্য করে ছোড়ে ছররা গুলি। গুনে গুনে প্রায় ১৫০টি ছররা গুলি বিদ্ধ হয় তার শরীরে। পিঠটা রক্তে ভিজে লাল হয়ে যায়। জামা ভেদ করে ছররা গুলি গুলো শরীরের গভীরে ঢুকে পড়ে। সে আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না। একসময় ধপ করে পড়ে যায় রাস্তায়। চারপাশে তখন কেবল ধোঁয়া, চিৎকার আর হাহাকার। সদর হাসপাতালের সামনে পুলিশের ৪৫০টি বুলেট আমার শরীরে বিঁধে, ঐখান থেকে সদর হসাপাতালে ভর্তি করানো হয়, পরে তাৎক্ষণিক আমাকে দিনাজপুর মেডিকেলে স্থান্তান্তর করে। সেখানে চারদিন চিকিৎসা নেয়ার পর বাসায় থেকে ১ মাস চিকিৎসা চলে। তারপর রংপুর থেকে ঢাকা সিএমএইচ হাসপাতালে চিকিৎসা চলতেছে।
আশেপাশের ছাত্ররা প্রথমে বুঝতে পারেনি, পরে দৌড়ে আসে। একজন চিৎকার করে বলছিলো,
“ভাই! এতো গুলি লাগছে! কেউ আছে? কেউ অ্যাম্বুলেন্স ডাকো!” ছাত্র-জনতা রফিকুলকে তুলে নিয়ে যায় হাসপাতালে।
চিকিৎসা সংক্রান্ত বর্ণনা
ছাত্র-জনতা তাকে দিনাজপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চার দিন তার চিকিৎসা চলে। অবস্থার উন্নতি না হলে রংপুরে ক্লিনিকে ডাক্তার দেখানো হয়। তার শরীরে প্রায় ৪০০ টার উপরে ছররা গুলি লাগে। তার সারা শরীর, পিঠে, হাতে, পায়ে সব স্থানে গুলিগুলো আছে। কাছ থেকে লাগার কারণে গুলি ভিতরে ঢুকে যায়। পরবর্তীতে তিনি ঢাকায় সি এম এইচ এ চিকিৎসা নেয়। কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছু গুলি বের করা হয়েছে। বাকিগুলো তার শরীরের ভিতরেই থেকে গেছে। এখন তার সারা শরীর প্রচুর যন্ত্রণা হয়। রাতে ঘুমাতে অনেক কষ্ট হয়।
নাম : মো: রফিকুল ইসলাম
জন্ম তারিখ : ২১ মার্চ ২০০৪
জন্মস্থান : দিনাজপুর
পেশা : ইলেকট্রনিকস মেকার
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: খামারঝার বাড়ি, ইউনিয়ন: আউলিয়াপুর, থানা: দিনাজপুর সদর, জেলা: দিনাজপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: শওকত হোসেন
মায়ের নাম : নুর জাহান
পিতার পেশা ও বয়স : কসাই, ৫০
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
মাসিক আয় : ১৮০০ টাকা
আয়ের উৎস : দিনমজুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনদের বিবরণ
১. রায়হান, বয়স: ২৪, সম্পর্ক: ভাই
২. নওশাদ, বয়স: ১০, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ৫ম, সম্পর্ক: ভাই
ঘটনার স্থান : সদর হাসপাতালের ভিতর, দিনাজপুর
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১ টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍