শাহরিয়ার
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : ছাত্র, দিনাজপুর আদর্শ মহাবিদ্যালয়
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্ম পরিচিতি
দিনাজপুর আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র শাহরিয়ার। শাহরিয়ারের বাবা বৃদ্ধ মোঃ মান্নান। মায়েরও বয়স হয়েছে। দুই বোন বিবাহিত। শাহরিয়ার জন্মগ্রহণ করেন ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০০১ সালে। তার শৈশব-কৈশোর কাটে নিজ গ্রাম সৈয়দপুরে। ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম সৈয়দপুর। এটি দিনাজপুর জেলার দিনাজপুর সদর থানার অন্তর্ভুক্ত। দিনাজপুর মহাবিদ্যালয়ে অনার্স চতুর্থ বর্ষে তিনি অধ্যয়নরত। তিনি জুলাই বিপ্লব ২০২৪ এর সময় নিজ জেলায় সক্রিয় কর্মী এবং জুলাইয়ের একজন আহত যোদ্ধা।
যেভাবে শাহরিয়ার শরিক হলেন আন্দোলনে
সচেতন নাগরিক মাত্রই দেশ নিয়ে ভাবেন। দেশের জনগণ নিয়ে ভাবেন। এই ভাবনার প্রতিফল দেখাতে চান নিজ নিজ সাধ্যমতো। শাহরিয়ার একজন ছাত্র। দিনাজপুর জেলা শহরের দিনাজপুর মহাবিদ্যালয়ের তিনি অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। আওয়ামী লীগের সামগ্রিক ফ্যাসিবাদী আচরণ স্বৈরতান্ত্রিক কার্যক্রমে তিনি অনুভব করেন, দেশ এক ক্রান্তিকালীন সময় পার করছে। যেখানে নাই মানুষের কথা বলার অধিকার, নাই জীবনের নিরাপত্তা। কেবল ভিন্নমত হওয়ার কারণে কত শত মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে। খুন, গুম, হামলা, মামলায় মানুষের কণ্ঠকে রুদ্ধ করে রাখছে বিগত সময়ে। দু হাজার চব্বিশে ঢাকা ভার্সিটির ছাত্ররা কোটা বাতিলের দাবি জানায় আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধান হতে পারত। তা না করে সরকার তার ফ্যাসিস্ট আচরণ প্রয়োগ করল। দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশ লেলিয়ে দিল নিরীহ ছাত্রদের পিছনে। রাজপথে নির্মম হামলা করে রক্তাক্ত করল ছাত্রদের। আন্দোলন ক্রমশ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ল। ঢাকা ভার্সিটি থেকে প্রাইভেট ভার্সিটি, সারা দেশের জেলা, থানা শহরেও ছড়িয়ে পড়ল। ছাত্রদের পাশে এসে দাঁড়াল অভিভাবক ও সর্বস্তরের জনতা। শাহরিয়ার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আর চুপ থাকতে পারেননি। তিনিও ফ্যাসিবাদ বিরোধী এই আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
৪ আগস্ট
আন্দোলন বিপ্লবে রূপ নেয়। শাহরিয়ারের নিজের শহরেও এর বাতাস বইতে থাকে। আওয়ামী লীগ মারমুখী আচরণ করে। রাজপথের শক্তিকে হিংস্রভাবে আক্রমণ করে। পুলিশ খুব আক্রমণাত্মক থাকে। সারা দেশে লাশ পড়তে থাকে পুলিশের গুলিতে। দিনাজপুরেও হামলা হয়। মৃত্যুকে উপেক্ষা করে হাজার হাজার জনতা রাজপথে নেমে আসে।
প্রতিদিন ছাত্র-জনতার সাথে মিলেমিশে আন্দোলন চালিয়ে যান। সরকার দেশে কারফিউ জারি করে। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। দেশকে সারা পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে। সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে রাখে। তবু মানুষ জেনে যায়, প্রতিদিনের নিহত হওয়ার খবর। সরকার জারি রাখে দেখা মাত্র গুলির ফরমান। জুলাইয়ের শেষের দিকে শত শত লাশ ফেলে দেয় সরকার। রক্তে রঞ্জিত হয় স্বাধীন দেশের নাগরিকের রক্তে।
মুক্তির নেশায় মানুষ জীবনবাজি রেখে রাস্তায় নামে। সব দফা গিয়ে মিলিত হয় এক দফায়। ফ্যাসিস্টের পতন ঘটিয়ে দেশকে মুক্ত করতে হবেই। শাহরিয়ার ও শত জনতা রাজপথে লড়াই করতে থাকে। হাসিনার পতন ত্বরান্বিত হয়। জুলাই শেষ হয়ে আগস্ট আসে।
সকাল থেকেই হাসিনার পদত্যাগ, ছাত্র হত্যা, গণহত্যার বিচারের দাবিতে জড়ো হতে থাকে জনতা। আওয়ামী কর্মী বাহিনী মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে পুলিশের প্রহরায় তারা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যায়। এদিন দিনাজপুর শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র অবস্থান নেয়। ছাত্র-জনতা দিনাজপুর মেডিকেলের সামনে অবস্থান নেয়। পুলিশ হঠাৎ গুলি, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। শত শত মানুষ আহত হয়। শাহরিয়ার টিয়ারশেলে আহত হন, ঝাঁঝালো গ্যাসে চোখ জ্বালাপোড়া করে। তিনি মাটিতে পড়ে যান। উঠে দাঁড়াতে গেলেই পুলিশ তাকে লাথি দিয়ে ফেলে দেয়। বেধড়ক পিটাতে থাকে। মারতে মারতে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে যায়। আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে কাতরাতে থাকেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হওয়ার পর প্রথমে তাকে দিনাজপুরের অবস্থা ভালো না হওয়ায় মেডিকেলে ভর্তি নেয়নি। তারপর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন। পরে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রংপুর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। সেখানেও উপযুক্ত ফলাফল না পেয়ে ভর্তি করা হয় ঢাকা পপুলার হাসপাতালে। ঢাকার নিউরোসাইন্সেও চিকিৎসা করা হয়। লাঠির আঘাতে তার মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়। বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে এখন সুস্থ। ডাক্তার বিভিন্ন বিধিনিষেধ দিয়েছেন। ভারী কোনো কাজ করতে নিষেধ করেছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক তিনি চলছেন।
চিকিৎসা প্রস্তাব
তিনি এখন সুস্থ আছেন। মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়ায় নানারকম জটিলতা দেখা দেয়। তার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আরও আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজন।
কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রস্তাবনা
মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়ায় তিনি ভারী কাজ করতে পারেননি। তাকে কোনো চাকরি দিয়ে সহযোগিতা করা যায়।
পুঁজি দিয়ে ব্যবসার ব্যবস্থাও করা যায়। তাকে আর্থিক অনুদান দিয়ে স্বাবলম্বী করার প্রস্তাবনা রইল।
বাজেট: ৪/৫ লাখ টাকা।
আহত হওয়ার সংক্ষিপ্ত তথ্য: তারিখ: ০৪-০৮-২৪, দুপুর ২.০০
স্থান: দিনাজপুর সদর হাসপাতালের সামনে
আক্রমণকারী: পুলিশ
আঘাতের ধরণ: টিয়ারশেলে আহত হয়ে পড়ে যান। উঠে দাঁড়াতেই পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জ। মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়।
নাম : শাহরিয়ার
জন্ম তারিখ : ০৫-০২-২০০১
জন্মস্থান : শিকদারহাট
পেশা : ছাত্র, দিনাজপুর আদর্শ মহাবিদ্যালয়
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ঠিকানা
গ্রাম : সৈয়দপুর
ইউনিয়ন : ৬নং আউলিয়াপুর
থানা : সদর
জেলা : দিনাজপুর
পিতার নাম : মোঃ মান্নান, বৃদ্ধ
মায়ের নাম : গুলশানা
মায়ের পেশা : গৃহিণী
আয়ের উৎস : টিউশনি
দিনাজপুর আদর্শ মহাবিদ্যালয়ের অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র শাহরিয়ার। শাহরিয়ারের বাবা বৃদ্ধ মোঃ মান্নান। মায়েরও বয়স হয়েছে। দুই বোন বিবাহিত। শাহরিয়ার জন্মগ্রহণ করেন ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০০১ সালে। তার শৈশব-কৈশোর কাটে নিজ গ্রাম সৈয়দপুরে। ৬নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের একটি গ্রামের নাম সৈয়দপুর। এটি দিনাজপুর জেলার দিনাজপুর সদর থানার অন্তর্ভুক্ত। দিনাজপুর মহাবিদ্যালয়ে অনার্স চতুর্থ বর্ষে তিনি অধ্যয়নরত। তিনি জুলাই বিপ্লব ২০২৪ এর সময় নিজ জেলায় সক্রিয় কর্মী এবং জুলাইয়ের একজন আহত যোদ্ধা।
যেভাবে শাহরিয়ার শরিক হলেন আন্দোলনে
সচেতন নাগরিক মাত্রই দেশ নিয়ে ভাবেন। দেশের জনগণ নিয়ে ভাবেন। এই ভাবনার প্রতিফল দেখাতে চান নিজ নিজ সাধ্যমতো। শাহরিয়ার একজন ছাত্র। দিনাজপুর জেলা শহরের দিনাজপুর মহাবিদ্যালয়ের তিনি অনার্স চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। আওয়ামী লীগের সামগ্রিক ফ্যাসিবাদী আচরণ স্বৈরতান্ত্রিক কার্যক্রমে তিনি অনুভব করেন, দেশ এক ক্রান্তিকালীন সময় পার করছে। যেখানে নাই মানুষের কথা বলার অধিকার, নাই জীবনের নিরাপত্তা। কেবল ভিন্নমত হওয়ার কারণে কত শত মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে ফ্যাসিস্ট হাসিনা তা ভাবলে গা শিউরে ওঠে। খুন, গুম, হামলা, মামলায় মানুষের কণ্ঠকে রুদ্ধ করে রাখছে বিগত সময়ে। দু হাজার চব্বিশে ঢাকা ভার্সিটির ছাত্ররা কোটা বাতিলের দাবি জানায় আলোচনার মাধ্যমে তা সমাধান হতে পারত। তা না করে সরকার তার ফ্যাসিস্ট আচরণ প্রয়োগ করল। দলীয় সন্ত্রাসী ও পুলিশ লেলিয়ে দিল নিরীহ ছাত্রদের পিছনে। রাজপথে নির্মম হামলা করে রক্তাক্ত করল ছাত্রদের। আন্দোলন ক্রমশ সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ল। ঢাকা ভার্সিটি থেকে প্রাইভেট ভার্সিটি, সারা দেশের জেলা, থানা শহরেও ছড়িয়ে পড়ল। ছাত্রদের পাশে এসে দাঁড়াল অভিভাবক ও সর্বস্তরের জনতা। শাহরিয়ার একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আর চুপ থাকতে পারেননি। তিনিও ফ্যাসিবাদ বিরোধী এই আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
৪ আগস্ট
আন্দোলন বিপ্লবে রূপ নেয়। শাহরিয়ারের নিজের শহরেও এর বাতাস বইতে থাকে। আওয়ামী লীগ মারমুখী আচরণ করে। রাজপথের শক্তিকে হিংস্রভাবে আক্রমণ করে। পুলিশ খুব আক্রমণাত্মক থাকে। সারা দেশে লাশ পড়তে থাকে পুলিশের গুলিতে। দিনাজপুরেও হামলা হয়। মৃত্যুকে উপেক্ষা করে হাজার হাজার জনতা রাজপথে নেমে আসে।
প্রতিদিন ছাত্র-জনতার সাথে মিলেমিশে আন্দোলন চালিয়ে যান। সরকার দেশে কারফিউ জারি করে। ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। দেশকে সারা পৃথিবী থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখে। সকল প্রকার যোগাযোগ বন্ধ করে রাখে। তবু মানুষ জেনে যায়, প্রতিদিনের নিহত হওয়ার খবর। সরকার জারি রাখে দেখা মাত্র গুলির ফরমান। জুলাইয়ের শেষের দিকে শত শত লাশ ফেলে দেয় সরকার। রক্তে রঞ্জিত হয় স্বাধীন দেশের নাগরিকের রক্তে।
মুক্তির নেশায় মানুষ জীবনবাজি রেখে রাস্তায় নামে। সব দফা গিয়ে মিলিত হয় এক দফায়। ফ্যাসিস্টের পতন ঘটিয়ে দেশকে মুক্ত করতে হবেই। শাহরিয়ার ও শত জনতা রাজপথে লড়াই করতে থাকে। হাসিনার পতন ত্বরান্বিত হয়। জুলাই শেষ হয়ে আগস্ট আসে।
সকাল থেকেই হাসিনার পদত্যাগ, ছাত্র হত্যা, গণহত্যার বিচারের দাবিতে জড়ো হতে থাকে জনতা। আওয়ামী কর্মী বাহিনী মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়। তবে পুলিশের প্রহরায় তারা ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে যায়। এদিন দিনাজপুর শহরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও সন্ত্রাসীরা সশস্ত্র অবস্থান নেয়। ছাত্র-জনতা দিনাজপুর মেডিকেলের সামনে অবস্থান নেয়। পুলিশ হঠাৎ গুলি, টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। শত শত মানুষ আহত হয়। শাহরিয়ার টিয়ারশেলে আহত হন, ঝাঁঝালো গ্যাসে চোখ জ্বালাপোড়া করে। তিনি মাটিতে পড়ে যান। উঠে দাঁড়াতে গেলেই পুলিশ তাকে লাথি দিয়ে ফেলে দেয়। বেধড়ক পিটাতে থাকে। মারতে মারতে তাকে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে যায়। আহত অবস্থায় মাটিতে পড়ে কাতরাতে থাকেন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসা সংক্রান্ত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হওয়ার পর প্রথমে তাকে দিনাজপুরের অবস্থা ভালো না হওয়ায় মেডিকেলে ভর্তি নেয়নি। তারপর জিয়া হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে চলে আসেন। পরে তার শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে রংপুর পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। সেখানেও উপযুক্ত ফলাফল না পেয়ে ভর্তি করা হয় ঢাকা পপুলার হাসপাতালে। ঢাকার নিউরোসাইন্সেও চিকিৎসা করা হয়। লাঠির আঘাতে তার মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়। বিভিন্ন হাসপাতালে দীর্ঘদিন চিকিৎসা শেষে এখন সুস্থ। ডাক্তার বিভিন্ন বিধিনিষেধ দিয়েছেন। ভারী কোনো কাজ করতে নিষেধ করেছেন। চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক তিনি চলছেন।
চিকিৎসা প্রস্তাব
তিনি এখন সুস্থ আছেন। মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যাওয়ায় নানারকম জটিলতা দেখা দেয়। তার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আরও আধুনিক চিকিৎসার প্রয়োজন।
কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রস্তাবনা
মেরুদণ্ডে আঘাত পাওয়ায় তিনি ভারী কাজ করতে পারেননি। তাকে কোনো চাকরি দিয়ে সহযোগিতা করা যায়।
পুঁজি দিয়ে ব্যবসার ব্যবস্থাও করা যায়। তাকে আর্থিক অনুদান দিয়ে স্বাবলম্বী করার প্রস্তাবনা রইল।
বাজেট: ৪/৫ লাখ টাকা।
আহত হওয়ার সংক্ষিপ্ত তথ্য: তারিখ: ০৪-০৮-২৪, দুপুর ২.০০
স্থান: দিনাজপুর সদর হাসপাতালের সামনে
আক্রমণকারী: পুলিশ
আঘাতের ধরণ: টিয়ারশেলে আহত হয়ে পড়ে যান। উঠে দাঁড়াতেই পুলিশের বেধড়ক লাঠিচার্জ। মেরুদণ্ডের হাড় ভেঙে যায়।
নাম : শাহরিয়ার
জন্ম তারিখ : ০৫-০২-২০০১
জন্মস্থান : শিকদারহাট
পেশা : ছাত্র, দিনাজপুর আদর্শ মহাবিদ্যালয়
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ঠিকানা
গ্রাম : সৈয়দপুর
ইউনিয়ন : ৬নং আউলিয়াপুর
থানা : সদর
জেলা : দিনাজপুর
পিতার নাম : মোঃ মান্নান, বৃদ্ধ
মায়ের নাম : গুলশানা
মায়ের পেশা : গৃহিণী
আয়ের উৎস : টিউশনি
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍