মো: জিয়াউর রহমান
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : ইলেক্ট্রিশিয়ান
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
শ্যামল গ্রামের ছেলেটি
দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর পৌরসভার এক প্রান্তিক গ্রামে ১৯৮৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিয়েছিলেন মো: জিয়াউর রহমান। শৈশব কেটেছে মাটির ঘরে, পাখির ডাক আর কুয়াশাভেজা সকালে ভেজা শস্যখেতের মাঝে। কাঁচা রাস্তা, ধুলোমাখা খেলার মাঠের দিনগুলোই ছিল তার জীবনের প্রথম শিক্ষা। প্রকৃতি যেন তাকে গড়েছিল এক নির্মল অথচ সংগ্রামী মানুষ হিসেবে।
তার বাবা আর নেই। বৃদ্ধা মা এখন বাড়িতেই শয্যাশায়ী। সংসারে আছেন তার স্ত্রী এবং ছোট্ট মেয়ে জাইফা ফাতিমা, বয়স মাত্র ২ বছর। চারজনের ছোট এই সংসারটিকে টিকিয়ে রাখার দায় কাঁধে নিয়ে জিয়াউর রহমান দিনাজপুর ছাড়েন। পেশায় একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে ঢাকায় আসেন পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার তাগিদে। ঢাকার বাংলামোটর এলাকায় প্রতিদিন বিদ্যুতের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে যে সামান্য টাকা আয় করতেন, তা দিয়েই চলতো সংসার। তবু দিনের শেষে নিজের ঘামে ভেজা জামার গন্ধেই তিনি খুঁজে নিতেন সন্তুষ্টি।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট
২০১৮ সালে শুরু হয়েছিল কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম অধ্যায়। দেশের তরুণরা, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। তাদের দাবি ছিল যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে, অন্ধভাবে কোটা নয়। সেই সময় আন্দোলন এতই প্রবল হয়ে ওঠে যে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেন কোটা বাতিলের কথা। কিন্তু বাস্তবতা ছিল অন্যরকম। সময় গড়ালেও সেই ঘোষণার আইনি বাস্তবায়ন হয়নি। কোটা সংস্কার শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা হয়েই থেকে গেল। ২০২৪ সালে হাইকোর্টের রায় কোটা ব্যবস্থাপনার পুনর্বহাল করা হয়। এতে ছাত্রসমাজের ক্ষোভ নতুন করে জ্বলে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে “বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলন” প্লাটফর্ম নামে আবার আন্দোলনের সূচনা হয়। মিছিলে মুখরিত হয় রাজপথ, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবাদের ঝড়। দেশের প্রতিটি জেলা, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে আসে একই স্লোগান যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ চাই। এই আন্দোলন শুধু চাকরির দাবির নয়, এটি ছিল এক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ন্যায়ের যুদ্ধ।
দমন-পীড়নের অন্ধকার অধ্যায়
আন্দোলন যখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে, তখন সরকার তা দমন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে বাধা দিতে শুরু করে পুলিশ এবং শাসকদলের ছাত্র সংগঠন ও যুব সংগঠনের সন্ত্রাসী বাহিনী। ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং বিভিন্ন টোকাই বাহিনী হকিস্টিক, রড, অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর। সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই দমন-পীড়ন চলে। নারী শিক্ষার্থীরাও রক্ষা পায়নি তাদের ওপরও চলে নির্মম নির্যাতন। শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে ফুঁসে ওঠে জনতা। যখন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে, তখন সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়ে। সারা দেশে শুরু হয় বিক্ষোভের নতুন ঢেউ।
জিয়াউর রহমান সেই সময় ঢাকার বাংলামোটরে কাজ করছিলেন। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অমানবিক হামলা দেখে তিনি আর বসে থাকতে পারেননি। তিনি জানতেন এই লড়াই শুধু ছাত্রদের নয়, এই লড়াই তার মেয়ের ভবিষ্যতের জন্যও। তাই তিনি কাজ ফেলে রাস্তায় নেমে পড়েন।
কিন্তু তার এই নেমে পড়াটাই যেন তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।
রক্তাক্ত ৪ আগস্ট ও এক লড়াকু শ্রমিকের গল্প
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট, সকাল থেকেই বাংলামোটর এলাকায় চলছিল ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ। দুপুরের পর বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। “এক দফা এক দাবি শেখ হাসিনা তুই কবে যাবি” এই স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছিল শহর। ঠিক বিকাল ৪টায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। পুলিশ হঠাৎ করে ছাত্রদের উপর লাঠিচার্জ শুরু করে। কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট এবং গুলি বর্ষণে রাস্তাজুড়ে শুরু হয় ভয়াবহ ছত্রভঙ্গ। চারদিক অন্ধকার হয়ে যায় ধোঁয়ায়, আর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে আর্তনাদে। জিয়াউর রহমান সেই মুহূর্তে এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যখন রাবার বুলেট ছোড়া শুরু হয়, তখন চারদিক থেকে মানুষ ছুটতে থাকে। তিনিও দিগি¦দিক ছোটেন। কিন্তু কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে ঘিরে ধরে। তুই ছাত্র না, তাও কেন এখানে? এই বলে শুরু হয় লাঠির আঘাত। তার শরীরের প্রতিটি অংশে নেমে আসে নির্মমতা। মাথা ফেটে যায়, পিঠে আঘাত, পায়ে রক্ত ঝরে। জীবন ভয়ে তিনি দৌড়িয়ে পালাতে থাকে। একটু সামনে আগাতেই অচেতন অবস্থায় পড়ে যান।আন্দোলনকারীরা দৌড়ে এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (পিজি) হাসপাতালে। সেখানেই দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। অনেকটা সময় পেরিয়ে বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ, তবে শরীরে সেই দিনের ক্ষত আজও রয়ে গেছে। তিনি এখনো দিনাজপুরে তার ছোট্ট মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন। তিনি এক ইলেক্ট্রিশিয়ান হয়েও গণআন্দোলনের একজন নীরব বীর ছিলেন।
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
স্থানীয় বাজারে ইলেকট্রনিক্সের দোকান দেওয়ায় সহায়তা করা।
নাম : মো: জিয়াউর রহমান
জন্ম তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩
জন্মস্থান : দিনাজপুর
পেশা : ইলেক্ট্রিশিয়ান
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : দিনাজপুর
ইউনিয়ন : হাকিমপুর পৌরসভা
থানা : হাকিমপুর
জেলা : দিনাজপুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. জাইফা ফাতিমা, বয়স : ২ বছর, সম্পর্ক: মেয়ে
ঘটনার স্থান : বাংলামোটর, ঢাকা
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, বিকাল ৪ টা
আক্রম-ণকারী : পুলিশ
দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর পৌরসভার এক প্রান্তিক গ্রামে ১৯৮৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জন্ম নিয়েছিলেন মো: জিয়াউর রহমান। শৈশব কেটেছে মাটির ঘরে, পাখির ডাক আর কুয়াশাভেজা সকালে ভেজা শস্যখেতের মাঝে। কাঁচা রাস্তা, ধুলোমাখা খেলার মাঠের দিনগুলোই ছিল তার জীবনের প্রথম শিক্ষা। প্রকৃতি যেন তাকে গড়েছিল এক নির্মল অথচ সংগ্রামী মানুষ হিসেবে।
তার বাবা আর নেই। বৃদ্ধা মা এখন বাড়িতেই শয্যাশায়ী। সংসারে আছেন তার স্ত্রী এবং ছোট্ট মেয়ে জাইফা ফাতিমা, বয়স মাত্র ২ বছর। চারজনের ছোট এই সংসারটিকে টিকিয়ে রাখার দায় কাঁধে নিয়ে জিয়াউর রহমান দিনাজপুর ছাড়েন। পেশায় একজন ইলেক্ট্রিশিয়ান হিসেবে ঢাকায় আসেন পরিবারের মুখে অন্ন তুলে দেওয়ার তাগিদে। ঢাকার বাংলামোটর এলাকায় প্রতিদিন বিদ্যুতের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করে যে সামান্য টাকা আয় করতেন, তা দিয়েই চলতো সংসার। তবু দিনের শেষে নিজের ঘামে ভেজা জামার গন্ধেই তিনি খুঁজে নিতেন সন্তুষ্টি।
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রেক্ষাপট
২০১৮ সালে শুরু হয়েছিল কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম অধ্যায়। দেশের তরুণরা, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, সরকারি চাকরিতে বৈষম্যমূলক কোটার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়। তাদের দাবি ছিল যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে হবে, অন্ধভাবে কোটা নয়। সেই সময় আন্দোলন এতই প্রবল হয়ে ওঠে যে প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে ঘোষণা দেন কোটা বাতিলের কথা। কিন্তু বাস্তবতা ছিল অন্যরকম। সময় গড়ালেও সেই ঘোষণার আইনি বাস্তবায়ন হয়নি। কোটা সংস্কার শুধু রাজনৈতিক ঘোষণা হয়েই থেকে গেল। ২০২৪ সালে হাইকোর্টের রায় কোটা ব্যবস্থাপনার পুনর্বহাল করা হয়। এতে ছাত্রসমাজের ক্ষোভ নতুন করে জ্বলে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে “বৈষম্য বিরোধী কোটা আন্দোলন” প্লাটফর্ম নামে আবার আন্দোলনের সূচনা হয়। মিছিলে মুখরিত হয় রাজপথ, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে প্রতিবাদের ঝড়। দেশের প্রতিটি জেলা, প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উঠে আসে একই স্লোগান যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ চাই। এই আন্দোলন শুধু চাকরির দাবির নয়, এটি ছিল এক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ন্যায়ের যুদ্ধ।
দমন-পীড়নের অন্ধকার অধ্যায়
আন্দোলন যখন সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে, তখন সরকার তা দমন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে বাধা দিতে শুরু করে পুলিশ এবং শাসকদলের ছাত্র সংগঠন ও যুব সংগঠনের সন্ত্রাসী বাহিনী। ছাত্রলীগ, যুবলীগ এবং বিভিন্ন টোকাই বাহিনী হকিস্টিক, রড, অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে আন্দোলনকারীদের ওপর। সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এই দমন-পীড়ন চলে। নারী শিক্ষার্থীরাও রক্ষা পায়নি তাদের ওপরও চলে নির্মম নির্যাতন। শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এই পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে ফুঁসে ওঠে জনতা। যখন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে, তখন সেই ভিডিও ভাইরাল হয়ে পড়ে। সারা দেশে শুরু হয় বিক্ষোভের নতুন ঢেউ।
জিয়াউর রহমান সেই সময় ঢাকার বাংলামোটরে কাজ করছিলেন। শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের অমানবিক হামলা দেখে তিনি আর বসে থাকতে পারেননি। তিনি জানতেন এই লড়াই শুধু ছাত্রদের নয়, এই লড়াই তার মেয়ের ভবিষ্যতের জন্যও। তাই তিনি কাজ ফেলে রাস্তায় নেমে পড়েন।
কিন্তু তার এই নেমে পড়াটাই যেন তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়।
রক্তাক্ত ৪ আগস্ট ও এক লড়াকু শ্রমিকের গল্প
২০২৪ সালের ৪ আগস্ট, সকাল থেকেই বাংলামোটর এলাকায় চলছিল ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ। দুপুরের পর বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়। “এক দফা এক দাবি শেখ হাসিনা তুই কবে যাবি” এই স্লোগানে প্রকম্পিত হচ্ছিল শহর। ঠিক বিকাল ৪টায় পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। পুলিশ হঠাৎ করে ছাত্রদের উপর লাঠিচার্জ শুরু করে। কাঁদানে গ্যাস, রাবার বুলেট এবং গুলি বর্ষণে রাস্তাজুড়ে শুরু হয় ভয়াবহ ছত্রভঙ্গ। চারদিক অন্ধকার হয়ে যায় ধোঁয়ায়, আর বাতাস ভারী হয়ে ওঠে আর্তনাদে। জিয়াউর রহমান সেই মুহূর্তে এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিলেন। যখন রাবার বুলেট ছোড়া শুরু হয়, তখন চারদিক থেকে মানুষ ছুটতে থাকে। তিনিও দিগি¦দিক ছোটেন। কিন্তু কয়েকজন পুলিশ সদস্য তাকে ঘিরে ধরে। তুই ছাত্র না, তাও কেন এখানে? এই বলে শুরু হয় লাঠির আঘাত। তার শরীরের প্রতিটি অংশে নেমে আসে নির্মমতা। মাথা ফেটে যায়, পিঠে আঘাত, পায়ে রক্ত ঝরে। জীবন ভয়ে তিনি দৌড়িয়ে পালাতে থাকে। একটু সামনে আগাতেই অচেতন অবস্থায় পড়ে যান।আন্দোলনকারীরা দৌড়ে এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ (পিজি) হাসপাতালে। সেখানেই দীর্ঘদিন চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। অনেকটা সময় পেরিয়ে বর্তমানে তিনি কিছুটা সুস্থ, তবে শরীরে সেই দিনের ক্ষত আজও রয়ে গেছে। তিনি এখনো দিনাজপুরে তার ছোট্ট মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেন। তিনি এক ইলেক্ট্রিশিয়ান হয়েও গণআন্দোলনের একজন নীরব বীর ছিলেন।
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা
স্থানীয় বাজারে ইলেকট্রনিক্সের দোকান দেওয়ায় সহায়তা করা।
নাম : মো: জিয়াউর রহমান
জন্ম তারিখ : ১২ ফেব্রুয়ারী ১৯৮৩
জন্মস্থান : দিনাজপুর
পেশা : ইলেক্ট্রিশিয়ান
নিজ জেলা : দিনাজপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : দিনাজপুর
ইউনিয়ন : হাকিমপুর পৌরসভা
থানা : হাকিমপুর
জেলা : দিনাজপুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. জাইফা ফাতিমা, বয়স : ২ বছর, সম্পর্ক: মেয়ে
ঘটনার স্থান : বাংলামোটর, ঢাকা
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, বিকাল ৪ টা
আক্রম-ণকারী : পুলিশ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍