মো: আবু সাইদ
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : শ্রমিক, অটোরিকশা চালক
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
সবুজ ধানক্ষেতের মাঝে বেড়ে ওঠা
রংপুর সদর উপজেলার গনেশপুর গ্রাম। উত্তরবঙ্গের শান্ত অথচ সংগ্রামী এক জনপদ। গ্রামটি যেন প্রকৃতির আঁচলে বাঁধা এক ছবির মতো। চারপাশে ধানক্ষেত, মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া সরু খাল, ভোরবেলায় কুয়াশাঢাকা গাছপালা আর পাখির কিচির মিচির শব্দে মুখরিত পথ-ঘাট।
এই প্রকৃতির মাঝেই ১৯৮৩ সালে জন্ম নেন মো: আবু সাইদ। বাবা নুর ইসলাম তখন রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। মা সাঈদা ছিলেন একেবারে সাদামাটা গৃহিণী। ছোট থেকেই আবু সাইদ প্রকৃতির খুব কাছে ছিল। গরু চরানো, কাঁচা রাস্তায় দৌড়ানো, খেলাধুলা, ধানের শিষে মুখ লাগিয়ে হালকা হাওয়ায় দোল খাওয়া এসব তার শৈশবের স্মৃতি। আবু সাঈদ ধীরে ধীরে বড় হন ও জীবন সংগ্রামে নিজেকে শামিল করেন।
স্ত্রী-হারা জীবন, টানাপোড়েনের সংসার
২০১৯ সাল ছিল আবু সাইদের জীবনের সবচেয়ে বড় শোকের বছর। তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মেডিকেলে একদিন স্ত্রী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার দুই মেয়ে তখন ছোট। সাথী আক্তার মাত্র ১৩ বছরে পা দিয়েছে, স্মৃতি আক্তার মাত্র ৮ বছর। স্ত্রী চলে যাওয়ার পর আবু সাইদ ভেঙে পড়েন, কিন্তু ভাঙা মন নিয়ে থেমে থাকেননি। পরিবারের মুখে আহার তুলে দিতে ভাড়ায় অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। প্রতিদিন সকাল ৬টায় বের হন, রাত ১০টায় ফেরেন। দিনে যা পান, তাতেই চাল, তেল, নুন কিনে সংসার চালান। সাথী স্কুলে পড়ে, কিন্তু সংসারের হাল ধরতে তিনি অন্যের বাসায় কাজ করেন। নিজের পড়াশুনার খরচ নিজে চালানোর পাশাপাশি পরিবারকেও সহায়তা করেন। স্মৃতি এখনও ছোট, বাবার কোলে মাথা রেখে পড়ে। আবু সাইদের শরীরেও ধরা দিয়েছে দুর্বলতা। বারবার মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় করা, চোখে ঝাপসা দেখা তবুও রিকশা থামায়নি। কারণ সংসারের সব দায়িত্ব এখন আবু সাইদের কাঁধে।
আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে রংপুরেও
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে কোটাব্যবস্থা আবারও পুনর্বহাল করা হয়। শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছিল, এই রায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভাগ্য কেড়ে নেবে। তাই ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সেই ক্ষোভ আবার ফুঁসে ওঠে আগুন হয়ে। শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামে, মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম, গঞ্জ, উপজেলায়। রংপুরেও এই আগুন ছড়ায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কারমাইকেল কলেজ, টাউন হলের মোড় ও কলেজ মোড়ে। ছাত্ররা রিকশা-ভ্যান বন্ধ করে রাস্তায় বসে, স্লোগান তোলে, চাকরি চাই, বৈষম্য নয়!
“মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দাও!” আবু সাইদ প্রথমে দর্শক ছিল, কিন্তু যখন জানতে পারে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তখন তার ভিতরটা কেঁপে ওঠে। তিনিও আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে উঠেন। কেউ আহত হলে সাথে সাথেই তাকে ভ্যানে উঠিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেত। ১৯ জুলাই ২০২৪, ছাত্র-জনতা যখন শহরের টাউন হলের সামনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে বসেছিল, তখনই পুলিশ এসে কোনো প্রকার হুঁশিয়ারি ছাড়া শুরু করে লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণ। সাথে আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে শুরু করে। আবু সাইদ তখনও পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলির একটি গুলি তার চোখে লাগে এবং ছররা গুলিগুলো তার শরীরের বিভিন্ন অংশ বিদ্ধ হয়। চোখে লাগার সাথে সাথেই তার চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। রক্তে রঞ্জিত হয় তার শরীর। তিনি অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় পড়ে যান। ছাত্ররা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে অমানবিকতার নির্মম চিত্র
হাসপাতালগুলো তখন আর হাসপাতাল ছিল না, ছিল যেন রাষ্ট্রীয় শত্রু শিবির। বাইরে অস্ত্রধারী পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ঘিরে রেখেছে, ভেতরে ডাক্তাররা ভয়ে রোগীদের কাছে যেতে চাচ্ছে না। আবু সাইদকে নিলে একজন ডাক্তার বলেন, আপনাকে দেখে ফেললে আমরাও বিপদে পড়ব। শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টায় তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে গুলি অপারেশন করে বের করা হয়। কিন্তু চোখে লাগা গুলিটি এমনভাবে বসেছিল যে, তার বাঁ-চোখের দৃষ্টি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। চোখের আলোহীন আবু সাইদকে পরবর্তীতে ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানেও সরকারি নজরদারি, প্রশ্নবান, সাংবাদিকদের নিষেধাজ্ঞা আর ভয়, এসবের মধ্যে চলে তার চিকিৎসা। তিনি আজ আর রিকশা চালাতে পারেন না। প্রায় ৬৫ হাজার টাকার মতো ঋণ নিয়ে তিনি চিকিৎসা করেন। পরবর্তীতে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে ১ লক্ষ টাকা পেলে সেই ঋণ পরিশোধ করেন। বর্তমানে শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি বেকার বসে আছেন এবং সাংসারিক অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: আবু সাইদ
জন্ম তারিখ : ১৯৮৩
জন্মস্থান : রংপুর
পেশা : শ্রমিক, অটোরিকশা চালক
নিজ জেলা : রংপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: গনেশপুর, ইউনিয়ন: পৌরসভা, থানা: রংপুর সদর, জেলা: রংপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : নুর ইসলাম
মায়ের নাম : সাঈদা
পিতার পেশা ও বয়স : রাজমিস্ত্রী, ৬০
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৫৩
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. সাথী আক্তার, বয়স: ১৮, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ১০ম, সম্পর্ক: মেয়ে
২. স্মৃতি আক্তার, বয়স: ১৩, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ৫ম, সম্পর্ক: মেয়ে
ঘটনার স্থান : টাউন হলের সামনে, রংপুর
আহত হওয়ার সময় : ১৯ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৩:৩০মিনিট
আক্রমণকারী : পুলিশ
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা : একটি অটো রিকশার ব্যবস্থা করে দেয়া
রংপুর সদর উপজেলার গনেশপুর গ্রাম। উত্তরবঙ্গের শান্ত অথচ সংগ্রামী এক জনপদ। গ্রামটি যেন প্রকৃতির আঁচলে বাঁধা এক ছবির মতো। চারপাশে ধানক্ষেত, মাঝখান দিয়ে বয়ে যাওয়া সরু খাল, ভোরবেলায় কুয়াশাঢাকা গাছপালা আর পাখির কিচির মিচির শব্দে মুখরিত পথ-ঘাট।
এই প্রকৃতির মাঝেই ১৯৮৩ সালে জন্ম নেন মো: আবু সাইদ। বাবা নুর ইসলাম তখন রাজমিস্ত্রির কাজ করতেন। মা সাঈদা ছিলেন একেবারে সাদামাটা গৃহিণী। ছোট থেকেই আবু সাইদ প্রকৃতির খুব কাছে ছিল। গরু চরানো, কাঁচা রাস্তায় দৌড়ানো, খেলাধুলা, ধানের শিষে মুখ লাগিয়ে হালকা হাওয়ায় দোল খাওয়া এসব তার শৈশবের স্মৃতি। আবু সাঈদ ধীরে ধীরে বড় হন ও জীবন সংগ্রামে নিজেকে শামিল করেন।
স্ত্রী-হারা জীবন, টানাপোড়েনের সংসার
২০১৯ সাল ছিল আবু সাইদের জীবনের সবচেয়ে বড় শোকের বছর। তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে ক্যান্সারে ভুগছিলেন। টাকার অভাবে ঠিকমতো চিকিৎসা করাতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত মেডিকেলে একদিন স্ত্রী শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তার দুই মেয়ে তখন ছোট। সাথী আক্তার মাত্র ১৩ বছরে পা দিয়েছে, স্মৃতি আক্তার মাত্র ৮ বছর। স্ত্রী চলে যাওয়ার পর আবু সাইদ ভেঙে পড়েন, কিন্তু ভাঙা মন নিয়ে থেমে থাকেননি। পরিবারের মুখে আহার তুলে দিতে ভাড়ায় অটোরিকশা চালানো শুরু করেন। প্রতিদিন সকাল ৬টায় বের হন, রাত ১০টায় ফেরেন। দিনে যা পান, তাতেই চাল, তেল, নুন কিনে সংসার চালান। সাথী স্কুলে পড়ে, কিন্তু সংসারের হাল ধরতে তিনি অন্যের বাসায় কাজ করেন। নিজের পড়াশুনার খরচ নিজে চালানোর পাশাপাশি পরিবারকেও সহায়তা করেন। স্মৃতি এখনও ছোট, বাবার কোলে মাথা রেখে পড়ে। আবু সাইদের শরীরেও ধরা দিয়েছে দুর্বলতা। বারবার মাথা ঘোরা, বুক ধড়ফড় করা, চোখে ঝাপসা দেখা তবুও রিকশা থামায়নি। কারণ সংসারের সব দায়িত্ব এখন আবু সাইদের কাঁধে।
আন্দোলনের আগুন ছড়িয়ে পড়ে রংপুরেও
২০১৮ সালের কোটা সংস্কার আন্দোলনের পর হাইকোর্টের রায়ের মাধ্যমে কোটাব্যবস্থা আবারও পুনর্বহাল করা হয়। শিক্ষার্থীরা বুঝতে পেরেছিল, এই রায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের ভাগ্য কেড়ে নেবে। তাই ২০২৪ সালের জুলাইয়ে সেই ক্ষোভ আবার ফুঁসে ওঠে আগুন হয়ে। শিক্ষার্থীরা রাস্তায় নামে, মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন শুরু হয়। ঢাকা থেকে শুরু হয়ে এই আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে গ্রাম, গঞ্জ, উপজেলায়। রংপুরেও এই আগুন ছড়ায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কারমাইকেল কলেজ, টাউন হলের মোড় ও কলেজ মোড়ে। ছাত্ররা রিকশা-ভ্যান বন্ধ করে রাস্তায় বসে, স্লোগান তোলে, চাকরি চাই, বৈষম্য নয়!
“মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দাও!” আবু সাইদ প্রথমে দর্শক ছিল, কিন্তু যখন জানতে পারে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, তখন তার ভিতরটা কেঁপে ওঠে। তিনিও আন্দোলনে সক্রিয় হয়ে উঠেন। কেউ আহত হলে সাথে সাথেই তাকে ভ্যানে উঠিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেত। ১৯ জুলাই ২০২৪, ছাত্র-জনতা যখন শহরের টাউন হলের সামনে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে বসেছিল, তখনই পুলিশ এসে কোনো প্রকার হুঁশিয়ারি ছাড়া শুরু করে লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণ। সাথে আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতে শুরু করে। আবু সাইদ তখনও পাশে দাঁড়িয়ে ছিল। স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশের এলোপাতাড়ি গুলির একটি গুলি তার চোখে লাগে এবং ছররা গুলিগুলো তার শরীরের বিভিন্ন অংশ বিদ্ধ হয়। চোখে লাগার সাথে সাথেই তার চারপাশ অন্ধকার হয়ে যায়। রক্তে রঞ্জিত হয় তার শরীর। তিনি অজ্ঞান হয়ে রাস্তায় পড়ে যান। ছাত্ররা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে অমানবিকতার নির্মম চিত্র
হাসপাতালগুলো তখন আর হাসপাতাল ছিল না, ছিল যেন রাষ্ট্রীয় শত্রু শিবির। বাইরে অস্ত্রধারী পুলিশ ও আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ঘিরে রেখেছে, ভেতরে ডাক্তাররা ভয়ে রোগীদের কাছে যেতে চাচ্ছে না। আবু সাইদকে নিলে একজন ডাক্তার বলেন, আপনাকে দেখে ফেললে আমরাও বিপদে পড়ব। শেষ পর্যন্ত অনেক চেষ্টায় তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন অংশ থেকে গুলি অপারেশন করে বের করা হয়। কিন্তু চোখে লাগা গুলিটি এমনভাবে বসেছিল যে, তার বাঁ-চোখের দৃষ্টি পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায়। চোখের আলোহীন আবু সাইদকে পরবর্তীতে ঢাকা জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানেও সরকারি নজরদারি, প্রশ্নবান, সাংবাদিকদের নিষেধাজ্ঞা আর ভয়, এসবের মধ্যে চলে তার চিকিৎসা। তিনি আজ আর রিকশা চালাতে পারেন না। প্রায় ৬৫ হাজার টাকার মতো ঋণ নিয়ে তিনি চিকিৎসা করেন। পরবর্তীতে জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে ১ লক্ষ টাকা পেলে সেই ঋণ পরিশোধ করেন। বর্তমানে শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি বেকার বসে আছেন এবং সাংসারিক অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: আবু সাইদ
জন্ম তারিখ : ১৯৮৩
জন্মস্থান : রংপুর
পেশা : শ্রমিক, অটোরিকশা চালক
নিজ জেলা : রংপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: গনেশপুর, ইউনিয়ন: পৌরসভা, থানা: রংপুর সদর, জেলা: রংপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : নুর ইসলাম
মায়ের নাম : সাঈদা
পিতার পেশা ও বয়স : রাজমিস্ত্রী, ৬০
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৫৩
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. সাথী আক্তার, বয়স: ১৮, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ১০ম, সম্পর্ক: মেয়ে
২. স্মৃতি আক্তার, বয়স: ১৩, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ৫ম, সম্পর্ক: মেয়ে
ঘটনার স্থান : টাউন হলের সামনে, রংপুর
আহত হওয়ার সময় : ১৯ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৩:৩০মিনিট
আক্রমণকারী : পুলিশ
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা : একটি অটো রিকশার ব্যবস্থা করে দেয়া
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍