মো: মাসুদ রানা
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা: ব্যবসায়ী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
পুলিশের হামলায় আহত আর
আওয়ামীলীগের হামলায় নিঃস্বমোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা রংপুর শহরের একজন ব্যবসায়ী। জুলাইয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হন। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার বাড়িঘরে হামলা করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট করে।
মাসুদ রানা জন্ম গ্রহণ করেন ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সালে। তার বাবার নাম মোঃ মোজাহার আলী, মা মোছা: হাজেরা খাতুন। তার বাড়ি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের পশ্চিম পীরজাবাদ মহল্লার পীরজাবাদ এলাকায়। তিনি জুলাই বিপ্লবে একজন আহত যোদ্ধা।
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই:
মাসুদ রানা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ব্যবসা করতেন। জুলাইয়ে সরকার পতন আন্দোলন শুরু হলে দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ছাত্রদের সমর্থন করে। আওয়ামী লীগ এদেশের বুকে চেপে বসা এক স্বৈরাচার। জঘন্য ফ্যাসিজমে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সচেতন জনগণের কাছে গণ-বিরোধী সরকার হিসেবে পরিচিতি পায়।
বিগত পনের বছরে বাকস্বাধীনতা হরণ করে, গণতন্ত্র ধ্বংস করে, ভারতের সাথে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে আওয়ামী লীগ এদেশের সচেতন সমাজের কাছে দেশ বিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলো পনের বছরই তুমুল আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকার বারবার জনতাকে দাঁড় করায় বুলেটের মুখোমুখি।
২৪ এর জুলাইয়ে কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে আন্দোলন রূপ নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। এই আন্দোলনে রক্ত ঝরায় খুনি হাসিনা। জুলাইয়ের শুরুতে আন্দোলনের সূচনা। মধ্য জুলাইয়ে সরকার দমনের নামে আন্দোলনরতদের হত্যা করতে থাকে। নিরীহ ছাত্রদের হত্যা ও হামলায় জনতা ক্ষিপ্ত হয়। মাসুদ রানার মতো হাজার হাজার জনতা রাজপথে নেমে আসে। সারাদেশ তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
মোঃ মাসুদ রানা অবস্থান নেন সিটি কর্পোরেশন অফিসের সামনে। নিরীহ ছাত্র জনতার উপর গুলি নিক্ষেপ করে পুলিশ। বর্বর হামলা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। মাসুদ রানা গুলিবিদ্ধ হন। অন্য অনেকেই গুলিবিদ্ধ হন।
আহতের বাড়িতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা কর তার বাড়িঘরে হামলা করে। মাসুদ রানা গুলিবিদ্ধ হলে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যান। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। তিনি একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েন।
হাসপাতালেও তিনি হামলার আশঙ্কায় দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
চিকিৎসা নেন আত্মগোপনে থেকে:
হাসপাতাল ত্যাগ করে আত্মগোপনে থাকেন।
পরে শহরের প্রাইম হাসপাতালে সতর্কতার সাথে চিকিৎসা নেন। অপারেশন করে গুলি বের করেন। কিন্ত চোখের গুলি বের করা হয়নি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত তিনি পালিয়ে বেড়ান। পরে হাসিনার পলায়নের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়। তিনি পরবর্তী সময় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।
চিকিৎসা পরবর্তী প্রস্তাবনা :
তিনি এখন সুস্থ। তবে বা চোখে ঝাপসা দেখেন। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়।
পুনর্বাসন ও বাজেট :
তিনি আহত হয়েছেন। এখন সুস্থ হলেও নিঃস্ব। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শেষ করে দেয়। তার তিন সন্তানের লেখাপড়া, সংসার সব নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। এখন তিনি পুঁজি সংকটে ভুগছেন।
তাকে প্রাথমিকভাবে এককালীন অনুদান ও বাচ্চাদের পড়ালেখার জন্য মাসিক বৃত্তি দিলে ভাল হবে। পুঁজি দিলে ব্যবসা করতে পারবে।
তাকে এককালীন ৫/৬ লাখ টাকার প্রস্তাব পেশ করছি।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মোঃ মাসুদ রানা
জন্ম তারিখ : ০১-০২-১৯৮২
জন্মস্থান : রংপুর
পেশা : ব্যবসায়ী
নিজ জেলা : রংপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম/ মহল্লা: পশ্চিম পীরজাবাদ, পীরজাবাদ, রংপুর সিটি কর্পোরেশন
পিতার নাম : মোঃ মোজাহার আলী
মায়ের নাম : মোছাঃ হাজেরা খাতুন
মায়ের পেশা : গৃহিণী
আহত হওয়ার তথ্য:
আহত হওয়ার সময়কাল : ১৯ জুলাই ২০২৪ এ তিনি আহত হন। তখন ৪.৩০টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
আঘাতের ধরন : ছররা গুলি লাগে
আওয়ামীলীগের হামলায় নিঃস্বমোঃ মাসুদ রানা
মোঃ মাসুদ রানা রংপুর শহরের একজন ব্যবসায়ী। জুলাইয়ে পুলিশের গুলিতে আহত হন। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার বাড়িঘরে হামলা করে। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও লুটপাট করে।
মাসুদ রানা জন্ম গ্রহণ করেন ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২ সালে। তার বাবার নাম মোঃ মোজাহার আলী, মা মোছা: হাজেরা খাতুন। তার বাড়ি রংপুর সিটি কর্পোরেশনের পশ্চিম পীরজাবাদ মহল্লার পীরজাবাদ এলাকায়। তিনি জুলাই বিপ্লবে একজন আহত যোদ্ধা।
ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই:
মাসুদ রানা সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ব্যবসা করতেন। জুলাইয়ে সরকার পতন আন্দোলন শুরু হলে দেশের সচেতন নাগরিক সমাজ ছাত্রদের সমর্থন করে। আওয়ামী লীগ এদেশের বুকে চেপে বসা এক স্বৈরাচার। জঘন্য ফ্যাসিজমে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সচেতন জনগণের কাছে গণ-বিরোধী সরকার হিসেবে পরিচিতি পায়।
বিগত পনের বছরে বাকস্বাধীনতা হরণ করে, গণতন্ত্র ধ্বংস করে, ভারতের সাথে নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কারণে আওয়ামী লীগ এদেশের সচেতন সমাজের কাছে দেশ বিরোধী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত হয়। রাজনৈতিক দলগুলো পনের বছরই তুমুল আন্দোলন সংগ্রাম করে আসছে। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকার বারবার জনতাকে দাঁড় করায় বুলেটের মুখোমুখি।
২৪ এর জুলাইয়ে কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে আন্দোলন রূপ নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে। এই আন্দোলনে রক্ত ঝরায় খুনি হাসিনা। জুলাইয়ের শুরুতে আন্দোলনের সূচনা। মধ্য জুলাইয়ে সরকার দমনের নামে আন্দোলনরতদের হত্যা করতে থাকে। নিরীহ ছাত্রদের হত্যা ও হামলায় জনতা ক্ষিপ্ত হয়। মাসুদ রানার মতো হাজার হাজার জনতা রাজপথে নেমে আসে। সারাদেশ তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
মোঃ মাসুদ রানা অবস্থান নেন সিটি কর্পোরেশন অফিসের সামনে। নিরীহ ছাত্র জনতার উপর গুলি নিক্ষেপ করে পুলিশ। বর্বর হামলা করে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। মাসুদ রানা গুলিবিদ্ধ হন। অন্য অনেকেই গুলিবিদ্ধ হন।
আহতের বাড়িতে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হামলা কর তার বাড়িঘরে হামলা করে। মাসুদ রানা গুলিবিদ্ধ হলে চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে যান। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাড়িঘরে ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করে। তিনি একেবারে নিঃস্ব হয়ে পড়েন।
হাসপাতালেও তিনি হামলার আশঙ্কায় দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন।
চিকিৎসা নেন আত্মগোপনে থেকে:
হাসপাতাল ত্যাগ করে আত্মগোপনে থাকেন।
পরে শহরের প্রাইম হাসপাতালে সতর্কতার সাথে চিকিৎসা নেন। অপারেশন করে গুলি বের করেন। কিন্ত চোখের গুলি বের করা হয়নি। ৫ আগস্ট পর্যন্ত তিনি পালিয়ে বেড়ান। পরে হাসিনার পলায়নের মাধ্যমে দেশ ফ্যাসিস্ট মুক্ত হয়। তিনি পরবর্তী সময় চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হন।
চিকিৎসা পরবর্তী প্রস্তাবনা :
তিনি এখন সুস্থ। তবে বা চোখে ঝাপসা দেখেন। উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে তার চিকিৎসা নিশ্চিত করা যায়।
পুনর্বাসন ও বাজেট :
তিনি আহত হয়েছেন। এখন সুস্থ হলেও নিঃস্ব। আওয়ামী সন্ত্রাসীরা তার বাড়িঘর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শেষ করে দেয়। তার তিন সন্তানের লেখাপড়া, সংসার সব নিয়ে দুর্বিষহ জীবন যাপন করছেন। এখন তিনি পুঁজি সংকটে ভুগছেন।
তাকে প্রাথমিকভাবে এককালীন অনুদান ও বাচ্চাদের পড়ালেখার জন্য মাসিক বৃত্তি দিলে ভাল হবে। পুঁজি দিলে ব্যবসা করতে পারবে।
তাকে এককালীন ৫/৬ লাখ টাকার প্রস্তাব পেশ করছি।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মোঃ মাসুদ রানা
জন্ম তারিখ : ০১-০২-১৯৮২
জন্মস্থান : রংপুর
পেশা : ব্যবসায়ী
নিজ জেলা : রংপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম/ মহল্লা: পশ্চিম পীরজাবাদ, পীরজাবাদ, রংপুর সিটি কর্পোরেশন
পিতার নাম : মোঃ মোজাহার আলী
মায়ের নাম : মোছাঃ হাজেরা খাতুন
মায়ের পেশা : গৃহিণী
আহত হওয়ার তথ্য:
আহত হওয়ার সময়কাল : ১৯ জুলাই ২০২৪ এ তিনি আহত হন। তখন ৪.৩০টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
আঘাতের ধরন : ছররা গুলি লাগে
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍