মো: আব্দুর রাজ্জাক
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : রাজমিস্ত্রী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
মজুর রাজ্জাকের জীবনচিত্র
রংপুর জেলার পীরগাছা থানার অন্তরাম ইউনিয়নের মাছুয়াপাড়া গ্রামে জন্ম নেয় মো: আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৯৯ সালের ১০ই মার্চ তাঁর জন্ম হলেও জীবনের আনন্দময় দিনগুলো খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দরিদ্র পরিবারের সন্তান তিনি। পিতা মো: আজিম উদ্দিন এখন ৮৪ বছরের বৃদ্ধ, আর মা মোছা: আয়েশা বেগমের বয়স ৬৫। দু’জনেই নানা রোগে পর্যুদস্ত। অভাব-অনটনের সংসারে রাজ্জাক খুব অল্প বয়সেই রাজমিস্ত্রির কাজে নামতে বাধ্য হন। গ্রামে খুব বেশি কাজ না থাকায় তিনি সপরিবারে রংপুর শহরে থাকতেন। পাকা হাতে দেয়াল তুলতেন, সিমেন্ট-বালি মিশিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন গড়তেন, অথচ নিজের ভবিষ্যত ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন। প্রতিদিন সকালে ঘর থেকে বেরিয়ে কাজে যেতেন শহরের বিভিন্ন জায়গায়, সন্ধ্যায় ফিরতেন ক্লান্ত শরীরে, কিন্তু মুখে হাসি, কারণ বাড়িতে অপেক্ষায় থাকত তাঁর দুই ফুটফুটে মেয়ে।
রাজ্জাকের পরিবারে আলোর মতো দু’টি সন্তান
রাজ্জাকের সংসারে আলো জ্বালায় দুই কন্যা মো: রিয়ামনি ও রিতিকা আক্তার। বড় মেয়ে রিয়ামনি এখন প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। বয়স মাত্র ৬ বছর হলেও বাবার অভাবী জীবনের গল্পগুলো সে বুঝে গেছে ছোট থেকেই। সকাল হলেই সে বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যায়, যেন একদিন বাবাকে এই কঠিন জীবনের হাত থেকে মুক্ত করতে পারে। ছোট মেয়ে রিতিকা আক্তার মাত্র ২ বছর বয়সী। মায়ের কোলে ঘুমিয়ে থাকে, বাবার মুখ দেখেই হাসে। রাজ্জাকের একমাত্র স্বপ্ন, এই দুই মেয়েকে পড়াশুনা শেখানো ও মানুষ করা। কখনো নিজের নতুন কাপড়ের কথা ভাবেননি, শুধু মেয়েদের মুখের হাসির পেছনেই তাঁর জীবন। কিন্তু ১৮ জুলাইয়ের সেই বিকেল সব কিছু উল্টে দেয়।
১৮ জুলাইয়ের রক্তাক্ত বিকেল
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, বিকেল ৩টা। আব্দুর রাজ্জাক প্রতিদিনই ছাত্রদের সাথে আন্দোলনে সক্রিয় থাকতেন। বিশেষ করে যখন ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে পুলিশ নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে তখন দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠে। বিশেষ করে রংপুর শহরে ছাত্ররা ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের সাথে যোগ দেয় সাধারণ শ্রমজীবী, শিক্ষক শ্রেণি, ভ্যানচালক, রিকশাচালক সকল। পেশাজীবীর মানুষ ছাত্রদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে রাস্তায় নেমে যায়। রাজ্জাকও তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি সেদিন সকাল থেকেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। একদিকে ছাত্র-জনতা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল করছিল। অন্যদিকে স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশ বাহিনী এবং সরকার দলীয়বাহিনী আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ দেশী-বিদেশি অস্ত্র, রড, হকিস্টিক, কিরিচ, চাপাতি নিয়ে পুলিশকে সহায়তা করছিলো। ছাত্র-জনতা সকল বাধা উপেক্ষা করে সামনের দিকে আগাতে ছিলেন। পুলিশ ও সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ছিল তৎপর। তারা ন্যাচার আন্দোলন কে বাধাগ্রস্ত করার জন্য পুলিশ কদমের টিয়ারশীল এবং ছররা গুলি ছাড়ে। ছাত্ররা ভয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে ছাত্রলীগ তাদেরকে ধরে ধরে আক্রমণ করে। আব্দুর রাজ্জাক ও পুলিশের গুলির মধ্যে পড়ে যায়। পুলিশের ছররাগুলিতে তার বুক এবং পাঁজরের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়। খুব কাছ থেকে লাগার কারণে তার বুকে একটি গুলি বিদ্ধ হয়ে থাকে। আর পাজরে লাগা গুলি একপাশ থেকে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। রক্তাক্ত হয়ে যায় তার সারা শরীর। রক্তে ভিজে যায় তার জামা। তবুও নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য পিছনের দিকে দৌড়াতে থাকেন। তার শরীর থেকে রক্ত পড়তে দেখে ছাত্র-জনতা তাকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে রংপুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসা
রংপুর সরকারি হাসপাতালে তখন ছিল ভয়াবহ অবস্থা। একটু পর পরই জুলাই আন্দোলনের আহত যোদ্ধারা হাসপাতালে আসতে থাকে। কিন্তু চিকিৎসকরাও সেবা দিতে অনিহা প্রকাশ করে কারণ আওয়ামী ছাত্রলীগের মহড়া চলছিল হাসপাতালেও। তারা এতটাই উম্মাদ ছিল যে, আহতদের কেউ ঠিকমতো চিকিৎসা করতে দিচ্ছিল না। পুলিশও বারবার হাসপাতালে এসে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও মামলার ভয় দেখাচ্ছিল। এমতাবস্থায়ও তিনি ৪ দিন ভয়ে ভয়ে হাসপাতালে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। ৫ আগস্ট তারিখের আগে তিনি আহত হওয়ার কারণে তাকে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়। তিনি ভয়ে আর হাসপাতালে থাকেননি। বাড়িতে চলে আসেন। বাড়ি থেকে গোপনে কিছুদিন চিকিৎসা নেন। ৫ আগস্টে স্বৈরাচারী সরকার দেশ ছেড়ে পালালে দিনে আবারও চিকিৎসা নিতে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে যান। সেখান থেকে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন। তার পাজরে বুকের একটা হাড় ফেটে যায়। এখনো তিনি ভারী কাজ করতে পারেন না ভালোভাবে হাঁটতে পারেন না। তার বুকে এবং কোমরে ব্যথা করে। চিকিৎসা করাতে তার পরিবারের দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়। এই টাকা তার পরিবার বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরিবার এখনো জানে না এই টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে।নির্মাণ শ্রমিক থেকে সংগ্রামী চরিত্র
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদিদিন
নাম : মো: আব্দুর রাজ্জাক
জন্ম তারিখ : ১০ মার্চ ১৯৯৯
জন্মস্থান : রংপুর
পেশা : রাজমিস্ত্রী
নিজ জেলা : রংপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: মাছুয়াপাড়া অন্তরাম, ইউনিয়ন: অন্তরাম, থানা: পীরগাছা, জেলা: রংপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: আজিম উদ্দিন
মায়ের নাম : মোছা: আয়শা বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : বৃদ্ধ, ৮৪
মায়ের পেশা ও বয়স : বৃদ্ধ, ৬৫
আয়ের উৎস : দিনমজুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৩ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. মো: রিয়া মনি, বয়স: ৬ বছর, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ১ম, সম্পর্ক: মেয়ে
২. রিতিকা আক্তার, বয়স: ২, সম্পর্ক: মেয়ে
ঘটনার স্থান : রংপুর
আহত হওয়ার সময় : ১৮ জুলাই ২০২৪, বিকেল ৩টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা : স্থানীয় বাজারে ব্যবসার জন্য দোকান ও মূলধনের ব্যবস্থা করে দেয়া।
রংপুর জেলার পীরগাছা থানার অন্তরাম ইউনিয়নের মাছুয়াপাড়া গ্রামে জন্ম নেয় মো: আব্দুর রাজ্জাক। ১৯৯৯ সালের ১০ই মার্চ তাঁর জন্ম হলেও জীবনের আনন্দময় দিনগুলো খুব বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। দরিদ্র পরিবারের সন্তান তিনি। পিতা মো: আজিম উদ্দিন এখন ৮৪ বছরের বৃদ্ধ, আর মা মোছা: আয়েশা বেগমের বয়স ৬৫। দু’জনেই নানা রোগে পর্যুদস্ত। অভাব-অনটনের সংসারে রাজ্জাক খুব অল্প বয়সেই রাজমিস্ত্রির কাজে নামতে বাধ্য হন। গ্রামে খুব বেশি কাজ না থাকায় তিনি সপরিবারে রংপুর শহরে থাকতেন। পাকা হাতে দেয়াল তুলতেন, সিমেন্ট-বালি মিশিয়ে ভবিষ্যতের স্বপ্ন গড়তেন, অথচ নিজের ভবিষ্যত ছিল কুয়াশাচ্ছন্ন। প্রতিদিন সকালে ঘর থেকে বেরিয়ে কাজে যেতেন শহরের বিভিন্ন জায়গায়, সন্ধ্যায় ফিরতেন ক্লান্ত শরীরে, কিন্তু মুখে হাসি, কারণ বাড়িতে অপেক্ষায় থাকত তাঁর দুই ফুটফুটে মেয়ে।
রাজ্জাকের পরিবারে আলোর মতো দু’টি সন্তান
রাজ্জাকের সংসারে আলো জ্বালায় দুই কন্যা মো: রিয়ামনি ও রিতিকা আক্তার। বড় মেয়ে রিয়ামনি এখন প্রথম শ্রেণির ছাত্রী। বয়স মাত্র ৬ বছর হলেও বাবার অভাবী জীবনের গল্পগুলো সে বুঝে গেছে ছোট থেকেই। সকাল হলেই সে বই-খাতা নিয়ে স্কুলে যায়, যেন একদিন বাবাকে এই কঠিন জীবনের হাত থেকে মুক্ত করতে পারে। ছোট মেয়ে রিতিকা আক্তার মাত্র ২ বছর বয়সী। মায়ের কোলে ঘুমিয়ে থাকে, বাবার মুখ দেখেই হাসে। রাজ্জাকের একমাত্র স্বপ্ন, এই দুই মেয়েকে পড়াশুনা শেখানো ও মানুষ করা। কখনো নিজের নতুন কাপড়ের কথা ভাবেননি, শুধু মেয়েদের মুখের হাসির পেছনেই তাঁর জীবন। কিন্তু ১৮ জুলাইয়ের সেই বিকেল সব কিছু উল্টে দেয়।
১৮ জুলাইয়ের রক্তাক্ত বিকেল
২০২৪ সালের ১৮ জুলাই, বিকেল ৩টা। আব্দুর রাজ্জাক প্রতিদিনই ছাত্রদের সাথে আন্দোলনে সক্রিয় থাকতেন। বিশেষ করে যখন ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে পুলিশ নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে তখন দেশব্যাপী তীব্র আন্দোলন গড়ে উঠে। বিশেষ করে রংপুর শহরে ছাত্ররা ব্যাপক প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তাদের সাথে যোগ দেয় সাধারণ শ্রমজীবী, শিক্ষক শ্রেণি, ভ্যানচালক, রিকশাচালক সকল। পেশাজীবীর মানুষ ছাত্রদের সাথে একাত্মতা পোষণ করে রাস্তায় নেমে যায়। রাজ্জাকও তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি সেদিন সকাল থেকেই আন্দোলনে যোগ দিয়েছিলেন। একদিকে ছাত্র-জনতা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল করছিল। অন্যদিকে স্বৈরাচারী সরকারের পুলিশ বাহিনী এবং সরকার দলীয়বাহিনী আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ দেশী-বিদেশি অস্ত্র, রড, হকিস্টিক, কিরিচ, চাপাতি নিয়ে পুলিশকে সহায়তা করছিলো। ছাত্র-জনতা সকল বাধা উপেক্ষা করে সামনের দিকে আগাতে ছিলেন। পুলিশ ও সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ছিল তৎপর। তারা ন্যাচার আন্দোলন কে বাধাগ্রস্ত করার জন্য পুলিশ কদমের টিয়ারশীল এবং ছররা গুলি ছাড়ে। ছাত্ররা ভয়ে ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে ছাত্রলীগ তাদেরকে ধরে ধরে আক্রমণ করে। আব্দুর রাজ্জাক ও পুলিশের গুলির মধ্যে পড়ে যায়। পুলিশের ছররাগুলিতে তার বুক এবং পাঁজরের কাছে গুলিবিদ্ধ হয়। খুব কাছ থেকে লাগার কারণে তার বুকে একটি গুলি বিদ্ধ হয়ে থাকে। আর পাজরে লাগা গুলি একপাশ থেকে ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। রক্তাক্ত হয়ে যায় তার সারা শরীর। রক্তে ভিজে যায় তার জামা। তবুও নিজের জীবন বাঁচানোর জন্য পিছনের দিকে দৌড়াতে থাকেন। তার শরীর থেকে রক্ত পড়তে দেখে ছাত্র-জনতা তাকে সেখান থেকে ধরে নিয়ে রংপুর সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসা
রংপুর সরকারি হাসপাতালে তখন ছিল ভয়াবহ অবস্থা। একটু পর পরই জুলাই আন্দোলনের আহত যোদ্ধারা হাসপাতালে আসতে থাকে। কিন্তু চিকিৎসকরাও সেবা দিতে অনিহা প্রকাশ করে কারণ আওয়ামী ছাত্রলীগের মহড়া চলছিল হাসপাতালেও। তারা এতটাই উম্মাদ ছিল যে, আহতদের কেউ ঠিকমতো চিকিৎসা করতে দিচ্ছিল না। পুলিশও বারবার হাসপাতালে এসে বিভিন্ন ধরনের হুমকি ও মামলার ভয় দেখাচ্ছিল। এমতাবস্থায়ও তিনি ৪ দিন ভয়ে ভয়ে হাসপাতালে থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। ৫ আগস্ট তারিখের আগে তিনি আহত হওয়ার কারণে তাকে চিকিৎসার ক্ষেত্রে অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়। তিনি ভয়ে আর হাসপাতালে থাকেননি। বাড়িতে চলে আসেন। বাড়ি থেকে গোপনে কিছুদিন চিকিৎসা নেন। ৫ আগস্টে স্বৈরাচারী সরকার দেশ ছেড়ে পালালে দিনে আবারও চিকিৎসা নিতে রংপুর মেডিকেল হাসপাতালে যান। সেখান থেকে তিনি দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেন। তার পাজরে বুকের একটা হাড় ফেটে যায়। এখনো তিনি ভারী কাজ করতে পারেন না ভালোভাবে হাঁটতে পারেন না। তার বুকে এবং কোমরে ব্যথা করে। চিকিৎসা করাতে তার পরিবারের দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়। এই টাকা তার পরিবার বিভিন্ন জায়গা থেকে ঋণ নিয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করে। পরিবার এখনো জানে না এই টাকা কিভাবে পরিশোধ করবে।নির্মাণ শ্রমিক থেকে সংগ্রামী চরিত্র
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদিদিন
নাম : মো: আব্দুর রাজ্জাক
জন্ম তারিখ : ১০ মার্চ ১৯৯৯
জন্মস্থান : রংপুর
পেশা : রাজমিস্ত্রী
নিজ জেলা : রংপুর
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: মাছুয়াপাড়া অন্তরাম, ইউনিয়ন: অন্তরাম, থানা: পীরগাছা, জেলা: রংপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: আজিম উদ্দিন
মায়ের নাম : মোছা: আয়শা বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : বৃদ্ধ, ৮৪
মায়ের পেশা ও বয়স : বৃদ্ধ, ৬৫
আয়ের উৎস : দিনমজুর
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৩ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. মো: রিয়া মনি, বয়স: ৬ বছর, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: ১ম, সম্পর্ক: মেয়ে
২. রিতিকা আক্তার, বয়স: ২, সম্পর্ক: মেয়ে
ঘটনার স্থান : রংপুর
আহত হওয়ার সময় : ১৮ জুলাই ২০২৪, বিকেল ৩টা
আক্রমণকারী : পুলিশ
কর্মসংস্থানের প্রস্তাবনা : স্থানীয় বাজারে ব্যবসার জন্য দোকান ও মূলধনের ব্যবস্থা করে দেয়া।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍