রেজাউল ইসলাম
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : কৃষক
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্ম পরিচয়
রেজাউল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন ১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারি, রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার অন্তর্গত আরাজি শাহবাজ গ্রামে। নিবৃত পল্লীতে জন্ম নেওয়া রেজাউল বেড়ে উঠেছেন এক সাদামাটা, কৃষিনির্ভর পরিবারে। পিতা নুরনবী একজন কৃষক, যিনি আজও মাটির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রেখে জীবিকা নির্বাহ করেন। মাতা রমিছা বেগম ছিলেন গৃহিণী, তবে তিনি এখন মৃত। পরিবারটি মধ্যবিত্ত হলেও পরিশ্রম আর আত্মসম্মানের সঙ্গে জীবন যাপন করে আসছে। ছোটবেলা থেকেই রেজাউল ছিলেন পরিশ্রমী ও সংবেদনশীল। কৃষিকে জীবিকা হিসেবে বেছে নিয়ে তিনি গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে একাত্ম হয়েছেন। তবে সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। সরল জীবনযাপনকারী হলেও রেজাউল ছিলেন সচেতন নাগরিক, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পিছপা হননি।
মাথায় ও শরীরে গুলিবিদ্ধ
আন্দোলনে অংশগ্রহন
রেজাউল ইসলাম নিবৃত গ্রামীণ জীবনের এক সাধারণ কৃষক, কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে তার সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ প্রমাণ করে দিয়েছে, এই মাটির সন্তানরাই প্রকৃত নায়ক। রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার আরাজি শাহবাজ গ্রামে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। সংসার চলে কৃষিকাজের আয়ে; সাদামাটা জীবন, কিন্তু অন্তরে এক অদম্য দেশপ্রেম।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন সারাদশে আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণবিস্ফোরণ ঘটে, তখন শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে প্রতিরোধের ঢেউ। এই সময় রেজাউল, নিজের প্রাণের মায়া ত্যাগ করে সরাসরি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯ জুলাই রংপুর ডিসি অফিসের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিল ছাত্র-জনতার একাংশ, যেখানে রেজাউলও ছিলেন তার ছোট বোনসহ। পুলিশ হঠাৎই অতর্কিতে গুলি ছোড়ে, ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় আন্দোলনকারীরা।
তবে রেজাউল পিছু হটেননি। তিনি পুনরায় গিয়ে ছাত্রদের নতুন করে সংগঠিত করেন, পাশে দাঁড়ান, স্লোগান দেন, লাঠিচার্জ ও গুলির মুখেও সাহস হারান না। এসময় ছোরাগুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। তার শরীর রক্তে ভেসে যায়, কিন্তু তবুও তিনি মাঠ ছাড়েননি। ব্যথায় কাতর শরীর নিয়েও তিনি আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন। তার এই সাহস এবং বিশ্বাস আশেপাশের আন্দোলনকারীদের অনুপ্রাণিত করে।
তার মতো একজন কৃষক, যিনি কখনো রাজনীতি করেননি, গ্রাম ছেড়ে শহরে খুব একটা আসেননি, তিনিই তখন রংপুর শহরের রাজপথে দাঁড়িয়ে মুক্তি, ন্যায় এবং গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। তার বড় বোনও তার সাথে রাজপথে নামেন, যা এক পারিবারিক প্রতিবাদের দুর্লভ নিদর্শন।
আন্দোলন তীব্র হতে থাকায় আওয়ামী সরকারের নিয়ন্ত্রিত পুলিশ বাহিনী রেজাউলকে টার্গেট করে। তার গ্রামে নিয়মিত পুলিশি অভিযান চলতে থাকে, তাকে গ্রেফতার করতে। তবুও তিনি প্রতিদিন সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে রংপুর শহরের আন্দোলনে হাজির হন। কখনো মাথায় গামছা, কখনো মুখে কাপড় বেঁধে, পরিচয় গোপন করে তিনি রাজপথে থাকতেন প্রথম সারিতে।
এভাবে একজন সাধারণ কৃষক হয়ে উঠেছিলেন ছাত্র-জনতার মধ্যে সাহসের প্রতীক, লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা। তার এই অবদান প্রমাণ করে, দেশের জন্য ভালোবাসা কারো পেশা, শিক্ষা বা পরিচয়ের ওপর নির্ভর করে না, এটি আসে হৃদয় থেকে।
রেজাউল ইসলাম এখন শুধুমাত্র একজন কৃষকের নাম নয়, এটি একটি প্রতীক বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পক্ষে, নির্যাতিত জাতির জন্য এবং ন্যায়ের পক্ষে মাথা তুলে দাঁড়ানো এক সংগ্রামী নাগরিকের পরিচয়। তার জীবন আমাদের শেখায় সত্য ও স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়াতে হলে সাহস ও আত্মত্যাগই যথেষ্ট।
চিকিৎসার অবস্থা: ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই, আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলন রংপুর শহরে তীব্র আকার ধারণ করে। রেজাউল ইসলাম ছিলেন সেই আন্দোলনের অন্যতম সাহসী অংশগ্রহণকারী, যিনি নিজের জীবন বিপন্ন জেনেও রাজপথে দাঁড়িয়েছিলেন। ওই দিন রংপুর ডিসি অফিসের সামনের আন্দোলনে পুলিশ যখন অতর্কিতে গুলি ও লাঠিচার্জ শুরু করে, তখন রেজাউল সামনের সারিতে অবস্থান করছিলেন। পুলিশের দমনপীড়ন শুরু হলে অনেকেই গুরুতর আহত হন, কেউ কেউ নিহত হন। রেজাউলও সামান্যভাবে আহত হন, কিন্তু ভাগ্যক্রমে গুরুতর আঘাত পাননি।
আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা হলেও তা সম্ভব হয়নি। ১৯ জুলাইয়ের মতো উত্তপ্ত দিনে সরকারি হাসপাতালে তখন আন্দোলনকারীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল না। উপরন্তু, হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করছিল পুলিশ এবং আওয়ামী সমর্থকরা, যারা আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের শনাক্ত করে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। ফলে জীবনের নিরাপত্তার জন্য রেজাউল হাসপাতালমুখী না হয়ে, স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে গিয়ে নিজ উদ্যোগে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এই সময় তার অবস্থান জানার চেষ্টা চালাতে থাকে পুলিশ ও সরকারি দলের লোকজন। রেজাউলকে আটক করতে গ্রামে গ্রামে খোঁজ চালানো হয়, যার ফলে তাকে আত্মগোপনে থাকতে হয় কয়েকদিন। তবে শারীরিক আঘাত যেহেতু গুরুতর ছিল না, তাই কিছুদিনের মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং বর্তমানে চিকিৎসার আর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এবং পুনরায় কৃষিকাজে ফিরে গেছেন।
নাম : রেজাউল ইসলাম
জন্ম তারিখ : ০১/০১/১৯৯৬
পেশা : কৃষক
জেলা : রংপুর
বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: আবাজিশাহবাজ, ইউনিয়ন: কাউলিয়া, থানা: কাউলিয়া, জেলা: রংপুর
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: আবাজিশাহবাজ, ইউনিয়ন: কাউলিয়া, থানা: কাউলিয়া, জেলা: রংপুর
পরিবারের তথ্য
পিতার নাম : নুরননবী
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষি,
মায়ের নাম : মৃত রমিছা বেগম
পারিবারিক অবস্থা : মধ্যবিত্ত
আয়ের উৎস : কৃষি
রেজাউল ইসলাম জন্মগ্রহণ করেন ১৯৯৬ সালের ১ জানুয়ারি, রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার অন্তর্গত আরাজি শাহবাজ গ্রামে। নিবৃত পল্লীতে জন্ম নেওয়া রেজাউল বেড়ে উঠেছেন এক সাদামাটা, কৃষিনির্ভর পরিবারে। পিতা নুরনবী একজন কৃষক, যিনি আজও মাটির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রেখে জীবিকা নির্বাহ করেন। মাতা রমিছা বেগম ছিলেন গৃহিণী, তবে তিনি এখন মৃত। পরিবারটি মধ্যবিত্ত হলেও পরিশ্রম আর আত্মসম্মানের সঙ্গে জীবন যাপন করে আসছে। ছোটবেলা থেকেই রেজাউল ছিলেন পরিশ্রমী ও সংবেদনশীল। কৃষিকে জীবিকা হিসেবে বেছে নিয়ে তিনি গ্রামীণ জীবনের সঙ্গে একাত্ম হয়েছেন। তবে সমাজ ও দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ থেকেই তিনি ২০২৪ সালের জুলাই মাসে আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার চলমান আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। সরল জীবনযাপনকারী হলেও রেজাউল ছিলেন সচেতন নাগরিক, যিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পিছপা হননি।
মাথায় ও শরীরে গুলিবিদ্ধ
আন্দোলনে অংশগ্রহন
রেজাউল ইসলাম নিবৃত গ্রামীণ জীবনের এক সাধারণ কৃষক, কিন্তু ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে তার সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ প্রমাণ করে দিয়েছে, এই মাটির সন্তানরাই প্রকৃত নায়ক। রংপুর জেলার কাউনিয়া থানার আরাজি শাহবাজ গ্রামে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। সংসার চলে কৃষিকাজের আয়ে; সাদামাটা জীবন, কিন্তু অন্তরে এক অদম্য দেশপ্রেম।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে যখন সারাদশে আওয়ামী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার গণবিস্ফোরণ ঘটে, তখন শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে প্রতিরোধের ঢেউ। এই সময় রেজাউল, নিজের প্রাণের মায়া ত্যাগ করে সরাসরি আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। ১৯ জুলাই রংপুর ডিসি অফিসের সামনে শান্তিপূর্ণভাবে অবস্থান করছিল ছাত্র-জনতার একাংশ, যেখানে রেজাউলও ছিলেন তার ছোট বোনসহ। পুলিশ হঠাৎই অতর্কিতে গুলি ছোড়ে, ছত্রভঙ্গ হয়ে যায় আন্দোলনকারীরা।
তবে রেজাউল পিছু হটেননি। তিনি পুনরায় গিয়ে ছাত্রদের নতুন করে সংগঠিত করেন, পাশে দাঁড়ান, স্লোগান দেন, লাঠিচার্জ ও গুলির মুখেও সাহস হারান না। এসময় ছোরাগুলিতে তিনি গুরুতর আহত হন। তার শরীর রক্তে ভেসে যায়, কিন্তু তবুও তিনি মাঠ ছাড়েননি। ব্যথায় কাতর শরীর নিয়েও তিনি আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন। তার এই সাহস এবং বিশ্বাস আশেপাশের আন্দোলনকারীদের অনুপ্রাণিত করে।
তার মতো একজন কৃষক, যিনি কখনো রাজনীতি করেননি, গ্রাম ছেড়ে শহরে খুব একটা আসেননি, তিনিই তখন রংপুর শহরের রাজপথে দাঁড়িয়ে মুক্তি, ন্যায় এবং গণতন্ত্রের জন্য প্রাণ দিতে প্রস্তুত। তার বড় বোনও তার সাথে রাজপথে নামেন, যা এক পারিবারিক প্রতিবাদের দুর্লভ নিদর্শন।
আন্দোলন তীব্র হতে থাকায় আওয়ামী সরকারের নিয়ন্ত্রিত পুলিশ বাহিনী রেজাউলকে টার্গেট করে। তার গ্রামে নিয়মিত পুলিশি অভিযান চলতে থাকে, তাকে গ্রেফতার করতে। তবুও তিনি প্রতিদিন সবার চোখ ফাঁকি দিয়ে রংপুর শহরের আন্দোলনে হাজির হন। কখনো মাথায় গামছা, কখনো মুখে কাপড় বেঁধে, পরিচয় গোপন করে তিনি রাজপথে থাকতেন প্রথম সারিতে।
এভাবে একজন সাধারণ কৃষক হয়ে উঠেছিলেন ছাত্র-জনতার মধ্যে সাহসের প্রতীক, লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা। তার এই অবদান প্রমাণ করে, দেশের জন্য ভালোবাসা কারো পেশা, শিক্ষা বা পরিচয়ের ওপর নির্ভর করে না, এটি আসে হৃদয় থেকে।
রেজাউল ইসলাম এখন শুধুমাত্র একজন কৃষকের নাম নয়, এটি একটি প্রতীক বঞ্চিত জনগোষ্ঠীর পক্ষে, নির্যাতিত জাতির জন্য এবং ন্যায়ের পক্ষে মাথা তুলে দাঁড়ানো এক সংগ্রামী নাগরিকের পরিচয়। তার জীবন আমাদের শেখায় সত্য ও স্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়াতে হলে সাহস ও আত্মত্যাগই যথেষ্ট।
চিকিৎসার অবস্থা: ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই, আওয়ামী সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলন রংপুর শহরে তীব্র আকার ধারণ করে। রেজাউল ইসলাম ছিলেন সেই আন্দোলনের অন্যতম সাহসী অংশগ্রহণকারী, যিনি নিজের জীবন বিপন্ন জেনেও রাজপথে দাঁড়িয়েছিলেন। ওই দিন রংপুর ডিসি অফিসের সামনের আন্দোলনে পুলিশ যখন অতর্কিতে গুলি ও লাঠিচার্জ শুরু করে, তখন রেজাউল সামনের সারিতে অবস্থান করছিলেন। পুলিশের দমনপীড়ন শুরু হলে অনেকেই গুরুতর আহত হন, কেউ কেউ নিহত হন। রেজাউলও সামান্যভাবে আহত হন, কিন্তু ভাগ্যক্রমে গুরুতর আঘাত পাননি।
আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা হলেও তা সম্ভব হয়নি। ১৯ জুলাইয়ের মতো উত্তপ্ত দিনে সরকারি হাসপাতালে তখন আন্দোলনকারীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছিল না। উপরন্তু, হাসপাতাল এলাকায় অবস্থান করছিল পুলিশ এবং আওয়ামী সমর্থকরা, যারা আন্দোলনের নেতা-কর্মীদের শনাক্ত করে খুঁজে বেড়াচ্ছিল। ফলে জীবনের নিরাপত্তার জন্য রেজাউল হাসপাতালমুখী না হয়ে, স্থানীয় একটি ফার্মেসিতে গিয়ে নিজ উদ্যোগে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন।
এই সময় তার অবস্থান জানার চেষ্টা চালাতে থাকে পুলিশ ও সরকারি দলের লোকজন। রেজাউলকে আটক করতে গ্রামে গ্রামে খোঁজ চালানো হয়, যার ফলে তাকে আত্মগোপনে থাকতে হয় কয়েকদিন। তবে শারীরিক আঘাত যেহেতু গুরুতর ছিল না, তাই কিছুদিনের মধ্যেই তিনি সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং বর্তমানে চিকিৎসার আর প্রয়োজন নেই। তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করছেন এবং পুনরায় কৃষিকাজে ফিরে গেছেন।
নাম : রেজাউল ইসলাম
জন্ম তারিখ : ০১/০১/১৯৯৬
পেশা : কৃষক
জেলা : রংপুর
বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: আবাজিশাহবাজ, ইউনিয়ন: কাউলিয়া, থানা: কাউলিয়া, জেলা: রংপুর
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: আবাজিশাহবাজ, ইউনিয়ন: কাউলিয়া, থানা: কাউলিয়া, জেলা: রংপুর
পরিবারের তথ্য
পিতার নাম : নুরননবী
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষি,
মায়ের নাম : মৃত রমিছা বেগম
পারিবারিক অবস্থা : মধ্যবিত্ত
আয়ের উৎস : কৃষি
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍