মো: হারুন আর রশিদ
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : আমিন
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
সবুজ শ্যামলের ছায়ায় হারুনের শৈশব
পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের মাটি ও মানুষের সন্তান মো: হারুন আর রশিদ। ১৯৭০ সালের ২৭ অক্টোবর তার জন্ম এক সাধারণ কৃষক পরিবারে। পিতা পজির উদ্দিন আহমেদ ও মাতা হামিদা খাতুন। দু’জনই আজ প্রয়াত, কিন্তু তাদের শিক্ষালব্ধ মূল্যবোধ আর সততার চর্চা আজও হারুনের জীবনে জ্বলন্ত মশাল হয়ে আছে।
বিচরিহীনতার যুগে তার ক্ষতচিহ্নই প্রতিবাদের প্রতিকশৈশব থেকেই হারুন প্রকৃতির সঙ্গে মিলে বড় হয়েছেন। কচুরিপানার ভেলা, ধানক্ষেতে সন্ধ্যার বাতাস, খেলতে গিয়ে মেঘলা আকাশের নিচে বৃষ্টিস্নান এসব স্মৃতিই তার জীবনের প্রথম পাঠশালা। শিক্ষাজীবন শেষে পেশা হিসেবে বেছে নেন ‘ভূমি জরিপ’-এর মতো একটি দায়িত্বশীল কর্মজীবন। আমিন হিসেবে কাজ করতে গিয়েই তার সঙ্গে গ্রামের প্রতিটি মানুষের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ধীরে ধীরে তিনি বোদা উপজেলার ভূমি জরিপ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে থাকেন এবং একসময় সংগঠনের সভাপতির দায়িত্বও পান। পারিবারিক জীবনেও তিনি ছিলেন সফল স্ত্রী। এক বিবাহিত মেয়ে নুসরাত জাহান নিশাত ও ব্যবসায়ী ছেলে নওশাদ ইসলাম নোবেলকে নিয়ে ছিল তার ছোট্ট সুখের সংসার। সরকারি চাকরি করে মাসে প্রায় বিশ হাজার টাকা আয় করতেন তিনি। সমাজে একজন নির্ভরযোগ্য, সৎ ও কর্মঠ মানুষ হিসেবেই পরিচিতি ছিল মো: হারুন আর রশিদের।
আন্দোলনের আগুনে জ্বলে ওঠা ছাত্রসমাজ
২০১৮ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। চাকরির কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ। দাবি ছিল পরিষ্কার, কোটার যৌক্তিক সংস্কার। সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রতিষ্ঠার এই আন্দোলন তীব্রভাবে গর্জে ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি কোনো স্থায়ী সমাধান। সময়ের আবর্তে সেই ক্ষোভ আবারও জেগে ওঠে ২০২৪ সালে। আন্দোলন তখন ছড়িয়ে পড়ে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত। ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে নামে লাখো শিক্ষার্থী, যুবক, পেশাজীবী মানুষ। কিন্তু রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া ছিল নির্মম! ছাত্রদের ওপর চলে বর্বর হামলা। গুম, খুন, হত্যা সবই যেন প্রকাশ্য হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় চালায় চরম নির্যাতন। রাজপথ রঞ্জিত হয় তরুণদের রক্তে। এই সময়েই একজন নিরীহ, দায়িত্ববান সরকারি কর্মচারী হারুন আর রশিদ নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন একটি বড় আন্দোলনে।
ভূমি অফিসের সামনে ঘটে যাওয়া অমানবিকতা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। সময় দুপুর ১২টা। বোদা উপজেলা শহরের মেডিকেল গেট এলাকায় তখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি। ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল করছে, চারদিকে স্লোগান চলছিল এক দফার দাবি নিয়ে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি। হারুন আর রশিদ তখন মাঠেছাত্রদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি শুধু একজন আমিন নন, তিনিই ছিলেন ভূমি জরিপ অফিসের সংগঠনের সভাপতি, দীর্ঘদিনের সম্মানজনক কর্মকর্তা। ছাত্রদের দাবি যে যৌক্তিক, তা তিনি বিশ্বাস করতেন। আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন ছাত্র-জনতার সাথে। কিন্তু হঠাৎ দেখা যায়, কয়েকজন মিছিলকারী ভূমি জরিপ অফিসের স্থাপনায় ভাঙচুর শুরু করতে চায়। হারুন ছুটে গিয়ে তাদের বাধা দেন। বলেন, ভাইয়েরা, আমরা সবাই একসাথে আন্দোলনে আছি। আমাদের অফিসে যারা কাজ করে তারাও তো আমাদের মতোই নির্যাতিত। দয়া করে স্থাপনা ভাঙবেন না।
ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে বিপর্যয়। মিছিলে ছদ্মবেশে ঢুকে পড়া কয়েকজন অনুপ্রবেশকারী হঠাৎ তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক কিল-ঘুষি, লাঠির আঘাতে তার মাথা ফেটে যায়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, রক্তে ভিজে যায় তার জামা-কাপড়। চারপাশে চিৎকার, হাহাকার। সাথে সাথে রক্তাক্ত অবস্থায় হারুনকে নিয়ে যাওয়া হয় পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে। জরুরি বিভাগে তাকে ভর্তি করা হয়। মাথার ক্ষত ছিল ভয়াবহ! ডাক্তারেরা সঙ্গে সঙ্গে ৮টি সেলাই দেন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে থাকতে হয় তাকে। পুরো পরিবার উদ্বিগ্ন। স্ত্রী ছুটে আসেন, ছেলে-মেয়ে বারবার ফোন করে খোঁজ নেয়। সঠিক চিকিৎসা আর বিশ্রামের ফলে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন মো: হারুন। তবে তার ভেতরের ক্ষত আজও রয়ে গেছে। তিনি কখনও ভাবেননি নিজের সহকর্মীদের রক্ষা করতে গিয়ে নিজেকেই এভাবে লাঞ্ছনার শিকার হতে হবে। জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে, ন্যায়ের পাশে দাঁড়াতে গেলে বিপদ আসবেই। তবু তিনি পিছিয়ে যাননি। আজও ছাত্রদের প্রতি তার ভালোবাসা, আন্দোলনের প্রতি তার বিশ্বাস অটুট। তিনি মনে করেন, দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে হলে মেধাকে মূল্য দিতে হবে। তিনি নিজের সন্তানদেরও সে শিক্ষাই দিয়েছেন। সৎ থেকে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: হারুন আর রশিদ
জন্ম তারিখ : ২৭ অক্টোবর ১৯৭০
জন্মস্থান : পঞ্চগড়
পেশা : আমিন
প্রতিষ্ঠান : ভূমি জরিপ
নিজ জেলা : পঞ্চগড়
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : পঞ্চগড়
গ্রাম : সরকারপাড়া
ইউনিয়ন : চন্দনবাড়ি
থানা : বোদা
জেলা : পঞ্চগড়
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : পজির উদ্দিন আহমেদ, মৃত
মায়ের নাম : হামিদা খাতুন, মৃত
মাসিক আয় : ২০ হাজার
আয়ের উৎস : কৃষি এবং ভূমি জরিপ
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. নুসরাত জাহান নিশাত, বয়স: ২৩, বিবাহিত, সম্পর্ক: মেয়ে
২. নওশাদ ইসলাম নোবেল, বয়স: ২০, পেশা: ব্যবসা, সম্পর্ক: ছেলে
ঘটনার স্থান : মেডিকেল গেইট, বোদা উপজেলা
আহত হওয়ার সময় : ৫ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২ টা
আক্রমণকারী : আন্দোলনে ছদ্দবেশী
পঞ্চগড় জেলার বোদা থানার চন্দনবাড়ি ইউনিয়নের সরকারপাড়া গ্রামের মাটি ও মানুষের সন্তান মো: হারুন আর রশিদ। ১৯৭০ সালের ২৭ অক্টোবর তার জন্ম এক সাধারণ কৃষক পরিবারে। পিতা পজির উদ্দিন আহমেদ ও মাতা হামিদা খাতুন। দু’জনই আজ প্রয়াত, কিন্তু তাদের শিক্ষালব্ধ মূল্যবোধ আর সততার চর্চা আজও হারুনের জীবনে জ্বলন্ত মশাল হয়ে আছে।
বিচরিহীনতার যুগে তার ক্ষতচিহ্নই প্রতিবাদের প্রতিকশৈশব থেকেই হারুন প্রকৃতির সঙ্গে মিলে বড় হয়েছেন। কচুরিপানার ভেলা, ধানক্ষেতে সন্ধ্যার বাতাস, খেলতে গিয়ে মেঘলা আকাশের নিচে বৃষ্টিস্নান এসব স্মৃতিই তার জীবনের প্রথম পাঠশালা। শিক্ষাজীবন শেষে পেশা হিসেবে বেছে নেন ‘ভূমি জরিপ’-এর মতো একটি দায়িত্বশীল কর্মজীবন। আমিন হিসেবে কাজ করতে গিয়েই তার সঙ্গে গ্রামের প্রতিটি মানুষের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
ধীরে ধীরে তিনি বোদা উপজেলার ভূমি জরিপ বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে থাকেন এবং একসময় সংগঠনের সভাপতির দায়িত্বও পান। পারিবারিক জীবনেও তিনি ছিলেন সফল স্ত্রী। এক বিবাহিত মেয়ে নুসরাত জাহান নিশাত ও ব্যবসায়ী ছেলে নওশাদ ইসলাম নোবেলকে নিয়ে ছিল তার ছোট্ট সুখের সংসার। সরকারি চাকরি করে মাসে প্রায় বিশ হাজার টাকা আয় করতেন তিনি। সমাজে একজন নির্ভরযোগ্য, সৎ ও কর্মঠ মানুষ হিসেবেই পরিচিতি ছিল মো: হারুন আর রশিদের।
আন্দোলনের আগুনে জ্বলে ওঠা ছাত্রসমাজ
২০১৮ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়। চাকরির কোটা সংস্কারের দাবিতে দেশজুড়ে শুরু হয় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ। দাবি ছিল পরিষ্কার, কোটার যৌক্তিক সংস্কার। সরকারি চাকরিতে মেধাভিত্তিক নিয়োগ প্রতিষ্ঠার এই আন্দোলন তীব্রভাবে গর্জে ওঠে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেওয়া হয়নি কোনো স্থায়ী সমাধান। সময়ের আবর্তে সেই ক্ষোভ আবারও জেগে ওঠে ২০২৪ সালে। আন্দোলন তখন ছড়িয়ে পড়ে শহর থেকে গ্রাম পর্যন্ত। ন্যায়বিচারের দাবিতে রাজপথে নামে লাখো শিক্ষার্থী, যুবক, পেশাজীবী মানুষ। কিন্তু রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়া ছিল নির্মম! ছাত্রদের ওপর চলে বর্বর হামলা। গুম, খুন, হত্যা সবই যেন প্রকাশ্য হয়ে ওঠে। আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা পুলিশ প্রশাসনের সহায়তায় চালায় চরম নির্যাতন। রাজপথ রঞ্জিত হয় তরুণদের রক্তে। এই সময়েই একজন নিরীহ, দায়িত্ববান সরকারি কর্মচারী হারুন আর রশিদ নিজেকে জড়িয়ে ফেলেন একটি বড় আন্দোলনে।
ভূমি অফিসের সামনে ঘটে যাওয়া অমানবিকতা
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। সময় দুপুর ১২টা। বোদা উপজেলা শহরের মেডিকেল গেট এলাকায় তখন উত্তপ্ত পরিস্থিতি। ছাত্ররা বিক্ষোভ মিছিল করছে, চারদিকে স্লোগান চলছিল এক দফার দাবি নিয়ে। স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবি। হারুন আর রশিদ তখন মাঠেছাত্রদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। তিনি শুধু একজন আমিন নন, তিনিই ছিলেন ভূমি জরিপ অফিসের সংগঠনের সভাপতি, দীর্ঘদিনের সম্মানজনক কর্মকর্তা। ছাত্রদের দাবি যে যৌক্তিক, তা তিনি বিশ্বাস করতেন। আন্দোলনের শুরু থেকেই তিনি সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন ছাত্র-জনতার সাথে। কিন্তু হঠাৎ দেখা যায়, কয়েকজন মিছিলকারী ভূমি জরিপ অফিসের স্থাপনায় ভাঙচুর শুরু করতে চায়। হারুন ছুটে গিয়ে তাদের বাধা দেন। বলেন, ভাইয়েরা, আমরা সবাই একসাথে আন্দোলনে আছি। আমাদের অফিসে যারা কাজ করে তারাও তো আমাদের মতোই নির্যাতিত। দয়া করে স্থাপনা ভাঙবেন না।
ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে বিপর্যয়। মিছিলে ছদ্মবেশে ঢুকে পড়া কয়েকজন অনুপ্রবেশকারী হঠাৎ তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। একের পর এক কিল-ঘুষি, লাঠির আঘাতে তার মাথা ফেটে যায়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন, রক্তে ভিজে যায় তার জামা-কাপড়। চারপাশে চিৎকার, হাহাকার। সাথে সাথে রক্তাক্ত অবস্থায় হারুনকে নিয়ে যাওয়া হয় পঞ্চগড় সদর হাসপাতালে। জরুরি বিভাগে তাকে ভর্তি করা হয়। মাথার ক্ষত ছিল ভয়াবহ! ডাক্তারেরা সঙ্গে সঙ্গে ৮টি সেলাই দেন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে থাকতে হয় তাকে। পুরো পরিবার উদ্বিগ্ন। স্ত্রী ছুটে আসেন, ছেলে-মেয়ে বারবার ফোন করে খোঁজ নেয়। সঠিক চিকিৎসা আর বিশ্রামের ফলে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন মো: হারুন। তবে তার ভেতরের ক্ষত আজও রয়ে গেছে। তিনি কখনও ভাবেননি নিজের সহকর্মীদের রক্ষা করতে গিয়ে নিজেকেই এভাবে লাঞ্ছনার শিকার হতে হবে। জীবনের অভিজ্ঞতা তাকে শিখিয়েছে, ন্যায়ের পাশে দাঁড়াতে গেলে বিপদ আসবেই। তবু তিনি পিছিয়ে যাননি। আজও ছাত্রদের প্রতি তার ভালোবাসা, আন্দোলনের প্রতি তার বিশ্বাস অটুট। তিনি মনে করেন, দেশের ভবিষ্যৎ গড়তে হলে মেধাকে মূল্য দিতে হবে। তিনি নিজের সন্তানদেরও সে শিক্ষাই দিয়েছেন। সৎ থেকে, মানুষের পাশে দাঁড়াতে।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: হারুন আর রশিদ
জন্ম তারিখ : ২৭ অক্টোবর ১৯৭০
জন্মস্থান : পঞ্চগড়
পেশা : আমিন
প্রতিষ্ঠান : ভূমি জরিপ
নিজ জেলা : পঞ্চগড়
স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা : পঞ্চগড়
গ্রাম : সরকারপাড়া
ইউনিয়ন : চন্দনবাড়ি
থানা : বোদা
জেলা : পঞ্চগড়
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : পজির উদ্দিন আহমেদ, মৃত
মায়ের নাম : হামিদা খাতুন, মৃত
মাসিক আয় : ২০ হাজার
আয়ের উৎস : কৃষি এবং ভূমি জরিপ
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
সন্তানদের বিবরণ
১. নুসরাত জাহান নিশাত, বয়স: ২৩, বিবাহিত, সম্পর্ক: মেয়ে
২. নওশাদ ইসলাম নোবেল, বয়স: ২০, পেশা: ব্যবসা, সম্পর্ক: ছেলে
ঘটনার স্থান : মেডিকেল গেইট, বোদা উপজেলা
আহত হওয়ার সময় : ৫ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২ টা
আক্রমণকারী : আন্দোলনে ছদ্দবেশী