মো: লিমন আলী
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : শিক্ষার্থী (উদ্ভিদ বিজ্ঞান, অনার্স ৩য় বর্ষ)
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
সবুজ মাঠের ছেলে
ঠাকুরগাঁও জেলার একটি ছোট গ্রাম ব্রক্ষ্মপুর। সবুজ ধানের গন্ধ, কচি বাঁশের কঞ্চি আর শিশিরভেজা সকালে পাখির ডাক এই সবকিছু ঘিরে বেড়ে ওঠে মো: লিমন আলী। তার জন্ম ২০০১ সালের ৩১ ডিসেম্বর, কৃষক পরিবারে। বাবা মো: মমতাজ আলী একজন কৃষক মাটির গন্ধ আর কৃষির ঘাম যার জীবনের একমাত্র সত্য। মা মোছা: লিলি বেগম গৃহিণী, বয়স ৪৫।
সংসারে তখন ছিল চার ভাইবোন দুই বড় বোন বিবাহিত, একজন ভাই এখনো পড়াশোনা করছে। প্রতিদিন বই খাতা হাতে গ্রামের মেঠোপথ ধরে হাঁটতেন, মাথার উপর রোদ, কখনো বৃষ্টিও পড়ত তবুও থেমে যেতেন না। বড় ভাই লালন অনার্সে পড়ছেন, আর লিমন নিজে উদ্ভিদবিজ্ঞানে অনার্স তৃতীয় বর্ষে দিনাজপুর সরকারি কলেজে পড়াশোনা করছে। বাবা মায়ের মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকায় কোনোভাবে চলে সংসার। এই অর্থ থেকেই চালাতে হয় দুই ছেলের পড়ালেখা, খাওয়া-দাওয়া আর সংসারের নিত্য প্রয়োজন। দিনাজপুর শহরে তার বর্তমান ঠিকানা ফকিরপাড়া। সেখানে ছোট একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকেন। জীবন তার কাছে এখন কেবল পাঠ্যপুস্তক নয়, দায়িত্ব আর চ্যালেঞ্জেরও আরেক নাম। বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে, মায়ের চোখের স্বপ্নকে জীবন্ত রাখতে, লিমন দিনরাত পরিশ্রম করছে।
মেধার জন্য আন্দোলন
২০১৮ সাল। ঢাকার রাজপথে তখন মেধাবী ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল। কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয় যেন চাকরিতে বৈষম্যের অবসান ঘটে। সরকারি চাকরিতে যেন মেধা আর প্রাপ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ হয় এই ছিল দাবি। কিন্তু সেই আন্দোলনের কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি। বরং সরকারের পক্ষ থেকে নানা তালবাহানা চলতে থাকে। স্বৈরাচারী শাসনের ফাঁদে গণতন্ত্র হারিয়ে যেতে থাকে। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানে দলীয় নিয়োগ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও বঞ্চনা সবই লিমনের চোখে লেগে ছিল। ২০২৪ সালে হাইকোর্টে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা ব্যবস্থা পুনর্বাহাল করা হয়। সরকারি চাকরিতে প্রশ্ন ফাঁস দুর্নীতি দলীয় নিয়োগ বানিজ্য ইত্যাদির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আবারো গড়ে ওঠে কোটা সংস্কার আন্দোলন। এবার তারা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নামে ফেসবুক পেজ খুলে প্রচার-প্রচারণা চালাতে থাকে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ আর অবিচারের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্র-জনতা আবার রাস্তায় নামে। ছাত্রদের ন্যায্য আন্দোলনে যখন স্বৈরাচারী সরকার তার পুলিশ বাহিনী এবং আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দমনের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদেরকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছোরে। নির্বিচারে ছাত্রদেরকে হত্যা করতে থাকে। ধীরে ধীরে আন্দোলনের গতি বাড়তে থাকে। আন্দোলনে যোগ দিতে থাকে শ্রমজীবী, কৃষকজীবী, ব্যবসায়ী শ্রেণী, গার্মেন্টস কর্মী রিকশাচালক এবং ভ্যানচালকও । আন্দোলন আর কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বরং স্বৈরাচারী সরকারের পতনের আন্দোলনে রুপ নেয়। শেখ হাসিনার সরকার তখন হয়ে উঠেছিল ফ্যাসিবাদী, দমনপীড়নের সরকার। সর্বত্র তাদের দলের লোকজন বসানো হচ্ছিল প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিশ্ববিদ্যালয় সবখানে। দিনাজপুর সরকারি কলেজের ছাত্র হিসেবে লিমন নিজেও যুক্ত হন আন্দোলনে। দেশকে ভালোবেসে, নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে, বাবার কষ্টের ঘামে গড়া আয় দিয়ে যে শিক্ষা নিচ্ছেন তাতে যেন ন্যায়ের জয় হয়, এই আশায় রাস্তায় নামেন তিনি।
রক্তে লেখা প্রতিরোধ
আগস্টের ৪ তারিখ, ২০২৪ সাল। দিনটা ছিল শনিবার। আগের রাতেই বিভিন্ন জায়গায় খবর আসে, সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ হামলার পরিকল্পনা করছে। তবুও সকাল হতেই হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকে। লিমনও সকাল ১০টায় ফকিরপাড়া থেকে হেঁটে এসে বন্ধুদের সাথে আন্দোলনে যোগ দেন। হাতে কোনো লাঠি ছিল না, পকেটে ছিল শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র আর একটি কলম। দুপুর ১২টা নাগাদ হঠাৎই ছাত্রলীগের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মোটরসাইকেলে এসে লাঠিসোঁটা, রড, বাঁশ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়।তাদের হামলায় ছাত্ররা ছাত্র ভঙ্গ হয়ে যায়। যে যার মতো দিক্বিদিক ছুটতে থাকে। লিমন ও পিছনদিকে দৌড় দিয়ে পালাতে থাকে। কিন্তু ছাত্রলীগের কয়েকজন তাকে লাঠি দিয়ে তার পায়ে আঘাত করে। আরেকজন রড দিয়ে আঘাত করে হাতে। সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তবুও প্রাণ বয়ে তিনি দৌড় দিয়ে পালিয়ে বাঁচেন লিমন। রক্তাক্ত অবস্থায় ছাত্র-জনতা তাকে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা নেন, সেলাই পড়ে হাতে। পায়ে ক্ষত এতটা গভীর ছিল যে কয়েকদিন হাটতেই পারেননি। কিন্তু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি তিনি। হাসপাতালে তিনি বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা নেন বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।
কর্মসংস্থানে প্রস্তাবনা
শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করে দেওয়া।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: লিমন আলী
জন্ম তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০০১
জন্মস্থান : ঠাকুরগাঁও
পেশা : শিক্ষার্থী (উদ্ভিদ বিজ্ঞান, অনার্স ৩য় বর্ষ)
প্রতিষ্ঠান : দিনাজপুর সরকারি কলেজ
নিজ জেলা : ঠাকুরগাঁও
বর্তমান ঠিকানা : ফকিরপাড়া, দিনাজপুর
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: ব্রক্ষ্মপুর, ইউনিয়ন: ৪নং লেহেম্বা, থানা: রানীশংকাইল, জেলা: ঠাকুরগাঁও
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: মমতাজ আলী
মায়ের নাম : মোছা: লিলি বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষক, ৫২
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
মাসিক আয় : ১৫ হাজার
আয়ের উৎস : কৃষি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
ভাইবোনের বিবরণ
১. মো: লালন আলী, বয়স: ২৪, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: অনার্স ৪র্থ বর্ষ, সম্পর্ক: ভাই
২. দুলালী আক্তার, বয়স: ৩২, পেশা: বিবাহিত, সম্পর্ক: বোন
৩. মৌসুমি আক্তার, বয়স: ২৮, পেশা: বিবাহিত, সম্পর্ক: বোন
ঘটনার স্থান : বাশেঁর হাট, হাবিপ্রবি, দিনাজপুর
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২টা
আক্রমণকারী : ছাত্রলীগ
ঠাকুরগাঁও জেলার একটি ছোট গ্রাম ব্রক্ষ্মপুর। সবুজ ধানের গন্ধ, কচি বাঁশের কঞ্চি আর শিশিরভেজা সকালে পাখির ডাক এই সবকিছু ঘিরে বেড়ে ওঠে মো: লিমন আলী। তার জন্ম ২০০১ সালের ৩১ ডিসেম্বর, কৃষক পরিবারে। বাবা মো: মমতাজ আলী একজন কৃষক মাটির গন্ধ আর কৃষির ঘাম যার জীবনের একমাত্র সত্য। মা মোছা: লিলি বেগম গৃহিণী, বয়স ৪৫।
সংসারে তখন ছিল চার ভাইবোন দুই বড় বোন বিবাহিত, একজন ভাই এখনো পড়াশোনা করছে। প্রতিদিন বই খাতা হাতে গ্রামের মেঠোপথ ধরে হাঁটতেন, মাথার উপর রোদ, কখনো বৃষ্টিও পড়ত তবুও থেমে যেতেন না। বড় ভাই লালন অনার্সে পড়ছেন, আর লিমন নিজে উদ্ভিদবিজ্ঞানে অনার্স তৃতীয় বর্ষে দিনাজপুর সরকারি কলেজে পড়াশোনা করছে। বাবা মায়ের মাসিক আয় ১৫ হাজার টাকায় কোনোভাবে চলে সংসার। এই অর্থ থেকেই চালাতে হয় দুই ছেলের পড়ালেখা, খাওয়া-দাওয়া আর সংসারের নিত্য প্রয়োজন। দিনাজপুর শহরে তার বর্তমান ঠিকানা ফকিরপাড়া। সেখানে ছোট একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকেন। জীবন তার কাছে এখন কেবল পাঠ্যপুস্তক নয়, দায়িত্ব আর চ্যালেঞ্জেরও আরেক নাম। বাবার মুখের দিকে তাকিয়ে, মায়ের চোখের স্বপ্নকে জীবন্ত রাখতে, লিমন দিনরাত পরিশ্রম করছে।
মেধার জন্য আন্দোলন
২০১৮ সাল। ঢাকার রাজপথে তখন মেধাবী ছাত্ররা রাস্তায় নেমেছিল। কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু হয় যেন চাকরিতে বৈষম্যের অবসান ঘটে। সরকারি চাকরিতে যেন মেধা আর প্রাপ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ হয় এই ছিল দাবি। কিন্তু সেই আন্দোলনের কোন স্থায়ী সমাধান হয়নি। বরং সরকারের পক্ষ থেকে নানা তালবাহানা চলতে থাকে। স্বৈরাচারী শাসনের ফাঁদে গণতন্ত্র হারিয়ে যেতে থাকে। রাষ্ট্রের প্রতিটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠানে দলীয় নিয়োগ, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও বঞ্চনা সবই লিমনের চোখে লেগে ছিল। ২০২৪ সালে হাইকোর্টে আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কোটা ব্যবস্থা পুনর্বাহাল করা হয়। সরকারি চাকরিতে প্রশ্ন ফাঁস দুর্নীতি দলীয় নিয়োগ বানিজ্য ইত্যাদির বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে আবারো গড়ে ওঠে কোটা সংস্কার আন্দোলন। এবার তারা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন নামে ফেসবুক পেজ খুলে প্রচার-প্রচারণা চালাতে থাকে। দীর্ঘদিনের জমে থাকা ক্ষোভ আর অবিচারের বিরুদ্ধে দেশের ছাত্র-জনতা আবার রাস্তায় নামে। ছাত্রদের ন্যায্য আন্দোলনে যখন স্বৈরাচারী সরকার তার পুলিশ বাহিনী এবং আওয়ামী যুবলীগ ও ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে দমনের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদেরকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছোরে। নির্বিচারে ছাত্রদেরকে হত্যা করতে থাকে। ধীরে ধীরে আন্দোলনের গতি বাড়তে থাকে। আন্দোলনে যোগ দিতে থাকে শ্রমজীবী, কৃষকজীবী, ব্যবসায়ী শ্রেণী, গার্মেন্টস কর্মী রিকশাচালক এবং ভ্যানচালকও । আন্দোলন আর কোটা সংস্কারের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে বরং স্বৈরাচারী সরকারের পতনের আন্দোলনে রুপ নেয়। শেখ হাসিনার সরকার তখন হয়ে উঠেছিল ফ্যাসিবাদী, দমনপীড়নের সরকার। সর্বত্র তাদের দলের লোকজন বসানো হচ্ছিল প্রশাসন, পুলিশ, সেনাবাহিনী, বিশ্ববিদ্যালয় সবখানে। দিনাজপুর সরকারি কলেজের ছাত্র হিসেবে লিমন নিজেও যুক্ত হন আন্দোলনে। দেশকে ভালোবেসে, নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে, বাবার কষ্টের ঘামে গড়া আয় দিয়ে যে শিক্ষা নিচ্ছেন তাতে যেন ন্যায়ের জয় হয়, এই আশায় রাস্তায় নামেন তিনি।
রক্তে লেখা প্রতিরোধ
আগস্টের ৪ তারিখ, ২০২৪ সাল। দিনটা ছিল শনিবার। আগের রাতেই বিভিন্ন জায়গায় খবর আসে, সরকার দলীয় ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগ হামলার পরিকল্পনা করছে। তবুও সকাল হতেই হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) সামনে শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে থাকে। লিমনও সকাল ১০টায় ফকিরপাড়া থেকে হেঁটে এসে বন্ধুদের সাথে আন্দোলনে যোগ দেন। হাতে কোনো লাঠি ছিল না, পকেটে ছিল শুধু জাতীয় পরিচয়পত্র আর একটি কলম। দুপুর ১২টা নাগাদ হঠাৎই ছাত্রলীগের একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী মোটরসাইকেলে এসে লাঠিসোঁটা, রড, বাঁশ ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর হামলা চালায়।তাদের হামলায় ছাত্ররা ছাত্র ভঙ্গ হয়ে যায়। যে যার মতো দিক্বিদিক ছুটতে থাকে। লিমন ও পিছনদিকে দৌড় দিয়ে পালাতে থাকে। কিন্তু ছাত্রলীগের কয়েকজন তাকে লাঠি দিয়ে তার পায়ে আঘাত করে। আরেকজন রড দিয়ে আঘাত করে হাতে। সে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। তবুও প্রাণ বয়ে তিনি দৌড় দিয়ে পালিয়ে বাঁচেন লিমন। রক্তাক্ত অবস্থায় ছাত্র-জনতা তাকে ইসলামী ব্যাংক কমিউনিটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা নেন, সেলাই পড়ে হাতে। পায়ে ক্ষত এতটা গভীর ছিল যে কয়েকদিন হাটতেই পারেননি। কিন্তু মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি তিনি। হাসপাতালে তিনি বেশ কয়েকদিন চিকিৎসা নেন বর্তমানে তিনি সুস্থ আছেন।
কর্মসংস্থানে প্রস্তাবনা
শিক্ষাবৃত্তির ব্যবস্থা করে দেওয়া।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : মো: লিমন আলী
জন্ম তারিখ : ৩১ ডিসেম্বর ২০০১
জন্মস্থান : ঠাকুরগাঁও
পেশা : শিক্ষার্থী (উদ্ভিদ বিজ্ঞান, অনার্স ৩য় বর্ষ)
প্রতিষ্ঠান : দিনাজপুর সরকারি কলেজ
নিজ জেলা : ঠাকুরগাঁও
বর্তমান ঠিকানা : ফকিরপাড়া, দিনাজপুর
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: ব্রক্ষ্মপুর, ইউনিয়ন: ৪নং লেহেম্বা, থানা: রানীশংকাইল, জেলা: ঠাকুরগাঁও
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: মমতাজ আলী
মায়ের নাম : মোছা: লিলি বেগম
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষক, ৫২
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
মাসিক আয় : ১৫ হাজার
আয়ের উৎস : কৃষি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৪ জন
ভাইবোনের বিবরণ
১. মো: লালন আলী, বয়স: ২৪, পেশা: শিক্ষার্থী, শ্রেণি: অনার্স ৪র্থ বর্ষ, সম্পর্ক: ভাই
২. দুলালী আক্তার, বয়স: ৩২, পেশা: বিবাহিত, সম্পর্ক: বোন
৩. মৌসুমি আক্তার, বয়স: ২৮, পেশা: বিবাহিত, সম্পর্ক: বোন
ঘটনার স্থান : বাশেঁর হাট, হাবিপ্রবি, দিনাজপুর
আহত হওয়ার সময় : ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২টা
আক্রমণকারী : ছাত্রলীগ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍
🔍