মোঃ আব্দুল্লাহ আল শাহেদ
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা/ পদবী : ছাত্র
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
হাতে এবং পায়ে গুলিবিদ্ধমোঃ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ জন্ম গ্রহণ করেছেন ০১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে। তিনি কক্সবাজারের সন্তান । তার বাবা মোঃ সরোয়ার কামাল। মা ফরিদা বেগম সিকদার গৃহিণী। তিনি আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম একজন নিয়মিত শিক্ষার্থী।
ঘটনার বিবরণ
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার এক নিষ্ঠুর ও সুপরিকল্পিত চক্রান্তে লিপ্ত হয়। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, দেশকে একটি করদরাজ্য ও একদলীয় শাসনের পথে ঠেলে দেয়। পিলখানার হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডে পরিকল্পিতভাবে দেশের গর্ব, সশস্ত্র বাহিনীর বীর সন্তানদের রক্তাক্ত করা হয়। শাপলা চত্বরে সংঘটিত নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ছিল ইতিহাসের এক নির্মম অধ্যায়। বাকস্বাধীনতা হনন করে, সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে এবং বিরোধী মতকে দমন করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একদলীয় কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করে। ভোটের নামে প্রহসন, কখনো বিনা ভোটে, আবার কখনো রাতের আঁধারে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করে টানা পনের বছর ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখে। যেই কণ্ঠই ভিন্নমত প্রকাশ করতে চেয়েছে, তাকে দমন করা হয়েছে দুঃসহ নির্যাতন দিয়ে। মামলা, হামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের উপর চালানো হয়েছে নিপীড়নের নিদারুণ উৎসব। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আওয়ামী লীগ তার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ছাত্র-জনতার উপর হামলা শুরু করে। তারই পরিপেক্ষিতে আমি ১৮ জুলাই ২০২৪ বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে বহদ্দরহাট আন্দোলনে আমি অংশগ্রহণ করি। আন্দোলনে এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ এবং পুলিশ বাহিনী আক্রমণ করে ও নির্বিচারে গুলি চালায় এবং সাউন্ড গ্রেনেড এবং রাবার বুলেট মারতে থাকে, এক পর্যায়ে ৩টি রাবার বুলেট লাগে আমার শরীরে, ১টি পায়ে ও ২টি ডান হাতে আঘাত করে এবং চায়না রাইফেলের বুলেট কোমরের মাঝামাঝি ঢুকে ডান পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়।
যেভাবে আন্দোলন শুরু
যে আগুন ছাই চাপা ছিল, তা দাবানল হয়ে জ্বলে উঠেছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি গৌরবময়, রক্তাক্ত এবং আন্দোলনমুখর অধ্যায়। এক দুঃসহ শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে, এক চেতনার অপব্যবহার এর বিরুদ্ধে, এবং একপাক্ষিক নিয়োগ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে জেগে উঠেছিল ছাত্রসমাজ। সরকার দীর্ঘদিন ধরে দেশকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে নানা কৌশলে শাসন করে এসেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রশাসন সবখানে দলের অনুগতদের প্রাধান্য দিয়ে মেধার প্রতি চরম অবহেলা করে গেছে। একসময় বিষয়টি তীব্র হয়ে ওঠে যখন ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। জুলাই মাসের শুরুতেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন ছাত্রছাত্রীরা কোটাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে রাস্তায় নামেন। তাদের দাবি ছিল, মেধার মূল্যায়ন হোক, অন্যায় কোটার অবসান ঘটুক। প্রথমে ছোট পরিসরে শুরু হলেও, ১৪, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। রাজপথ কাঁপিয়ে ওঠে মেধাবী তরুণদের গর্জনে। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে একত্র হয়। আওয়ামী সরকার অতীতের মতোই দমননীতির আশ্রয় নেয়। তারা আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলে ট্যাগ করতে শুরু করে, যা মুহূর্তেই জনরোষকে আরও উসকে দেয়। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও দলীয় সশস্ত্র বাহিনী হামলা চালায়। শহীদ হন অনেক নিরীহ ছাত্র। মানুষের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। ১৮ জুলাই ২০২৪, চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার থানার পৌরসভা এই অঞ্চলেও আন্দোলনের আগুন জ্বলতে থাকে।
মোঃ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ, এক সাহসী ছাত্রনেতা, কক্সবাজারে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। হঠাৎ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও সশস্ত্র ছাত্রলীগ অতর্কিত হামলা চালায়। গুলি চলে নির্বিচারে। আব্দুল্লাহ আল সাহেদ হাত এবং পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে আন্দোলনের সহযোদ্ধারা স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে গেলে দেখা যায়, প্রায় কোন বেসরকারি হাসপাতাল তাকে ভর্তি নিতে রাজি নয়। আতঙ্ক, হুমকি এবং রাজনৈতিক চাপে চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় সবাই। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। হাত ও পায়ের গুলি অপসারণ করা হয়, কিন্তু অবস্থা ছিল সংকটজনক। গ্রেফতার আতঙ্ক ও হামলার ভয়ে সেখানেও চিকিৎসা চলত অস্থির পরিবেশে। তবুও ছাত্রসমাজ, পরিবার ও সচেতন নাগরিকদের প্রচেষ্টায় সে প্রাণে বেঁচে যায়।
চিকিৎসাসম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হয়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে জমিনে লুটিয়ে পড়েন। প্রথমেই একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তৃপক্ষ আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা দিতে অনীহা দেখায়। বাইরে গ্রেফতার আতঙ্ক, আবার আওয়ামী লীগের গুন্ডাদের আক্রমণের ভয়। রোগীর অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে তাকে শেষ পর্যন্ত নেওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেলে। সেখানে চিকিৎসা দিয়ে ব্যান্ডেজ করা হয়। পরবর্তীতে রাতে তাকে পার্ক ভিউ হাসপাতাল নিয়ে অপারেশন করা হয়। পরবর্তীতে তিনি বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন থাকলেও তিনি উন্নত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। তার জন্য আর্থিক অনুদান প্রয়োজন এবং ফিজিওথেরাপীর প্রয়োজন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি একজন শিক্ষার্থী। তার জন্য শিক্ষাবৃত্তিসহ আর্থিক অনুদান দিলে নিজে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
প্রস্তাবিত বাজেট
মাসিক শিক্ষাবৃত্তি ১০ হাজার টাকা করে হলে শিক্ষা ও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
নাম : মোঃ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ
জন্ম তারিখ : ০১-০১-১৯৯৯
জন্মস্থান : কক্সবাজার
পেশা/ পদবী : ছাত্র
নিজ জেলা : কক্সবাজার
স্থায়ী ঠিকানা : দক্ষিণ ঘোনার পাড়া, কক্সবাজার পৌরসভা, ৯নং ওয়ার্ড, কক্সবাজার, কক্সবাজার
বর্তমান ঠিকানা : বাসা/মহল্লা: ফটিকছড়ি আবাসিক, এলাকা: অক্সিজেন, থানা: বায়েজিদ, জেলা: চট্টগ্রাম
পরিবারের তথ্য
পিতার নাম : মোঃ সরোয়ার কামাল
মায়ের নাম : ফরিদা বেগম সিকদার
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী ও ৫৮
পারিবারিক অবস্থা
মাসিক আয় : ১৮,০০০/=
আয়ের উৎস : নিজ দোকান
বাড়ি : সেমি পাকা ঘর
সম্পদ : সরকারি খাস জায়গাতে থাকে, নিজস্ব একটি বাড়ি প্রয়োজন
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. মোঃ আব্দুল্লাহ আল রাশেদ, বয়স: ৩৪, পেশা: চাকরি
ঘটনার বিবরণ
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার এক নিষ্ঠুর ও সুপরিকল্পিত চক্রান্তে লিপ্ত হয়। গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে, দেশকে একটি করদরাজ্য ও একদলীয় শাসনের পথে ঠেলে দেয়। পিলখানার হৃদয়বিদারক হত্যাকাণ্ডে পরিকল্পিতভাবে দেশের গর্ব, সশস্ত্র বাহিনীর বীর সন্তানদের রক্তাক্ত করা হয়। শাপলা চত্বরে সংঘটিত নারকীয় হত্যাযজ্ঞ ছিল ইতিহাসের এক নির্মম অধ্যায়। বাকস্বাধীনতা হনন করে, সংবাদমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করে এবং বিরোধী মতকে দমন করতে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে একদলীয় কর্তৃত্ববাদ প্রতিষ্ঠা করে। ভোটের নামে প্রহসন, কখনো বিনা ভোটে, আবার কখনো রাতের আঁধারে ব্যালট বাক্স পূর্ণ করে টানা পনের বছর ধরে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখে। যেই কণ্ঠই ভিন্নমত প্রকাশ করতে চেয়েছে, তাকে দমন করা হয়েছে দুঃসহ নির্যাতন দিয়ে। মামলা, হামলা ও গ্রেফতারের মাধ্যমে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের উপর চালানো হয়েছে নিপীড়নের নিদারুণ উৎসব। জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে আওয়ামী লীগ তার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে ছাত্র-জনতার উপর হামলা শুরু করে। তারই পরিপেক্ষিতে আমি ১৮ জুলাই ২০২৪ বিকাল ৪টা ৩০ মিনিটের দিকে বহদ্দরহাট আন্দোলনে আমি অংশগ্রহণ করি। আন্দোলনে এক পর্যায়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ এবং পুলিশ বাহিনী আক্রমণ করে ও নির্বিচারে গুলি চালায় এবং সাউন্ড গ্রেনেড এবং রাবার বুলেট মারতে থাকে, এক পর্যায়ে ৩টি রাবার বুলেট লাগে আমার শরীরে, ১টি পায়ে ও ২টি ডান হাতে আঘাত করে এবং চায়না রাইফেলের বুলেট কোমরের মাঝামাঝি ঢুকে ডান পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়।
যেভাবে আন্দোলন শুরু
যে আগুন ছাই চাপা ছিল, তা দাবানল হয়ে জ্বলে উঠেছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাস বাংলাদেশের ইতিহাসে আরেকটি গৌরবময়, রক্তাক্ত এবং আন্দোলনমুখর অধ্যায়। এক দুঃসহ শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে, এক চেতনার অপব্যবহার এর বিরুদ্ধে, এবং একপাক্ষিক নিয়োগ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে দেশজুড়ে জেগে উঠেছিল ছাত্রসমাজ। সরকার দীর্ঘদিন ধরে দেশকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তি মনে করে নানা কৌশলে শাসন করে এসেছে। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রশাসন সবখানে দলের অনুগতদের প্রাধান্য দিয়ে মেধার প্রতি চরম অবহেলা করে গেছে। একসময় বিষয়টি তীব্র হয়ে ওঠে যখন ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে ফেটে পড়ে। জুলাই মাসের শুরুতেই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সচেতন ছাত্রছাত্রীরা কোটাব্যবস্থার সংস্কারের দাবিতে রাস্তায় নামেন। তাদের দাবি ছিল, মেধার মূল্যায়ন হোক, অন্যায় কোটার অবসান ঘটুক। প্রথমে ছোট পরিসরে শুরু হলেও, ১৪, ১৫ ও ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। রাজপথ কাঁপিয়ে ওঠে মেধাবী তরুণদের গর্জনে। সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে একত্র হয়। আওয়ামী সরকার অতীতের মতোই দমননীতির আশ্রয় নেয়। তারা আন্দোলনকারীদের রাজাকার বলে ট্যাগ করতে শুরু করে, যা মুহূর্তেই জনরোষকে আরও উসকে দেয়। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ ও দলীয় সশস্ত্র বাহিনী হামলা চালায়। শহীদ হন অনেক নিরীহ ছাত্র। মানুষের ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। ১৮ জুলাই ২০২৪, চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার থানার পৌরসভা এই অঞ্চলেও আন্দোলনের আগুন জ্বলতে থাকে।
মোঃ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ, এক সাহসী ছাত্রনেতা, কক্সবাজারে অবস্থান নিয়ে আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন। হঠাৎ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও সশস্ত্র ছাত্রলীগ অতর্কিত হামলা চালায়। গুলি চলে নির্বিচারে। আব্দুল্লাহ আল সাহেদ হাত এবং পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে আন্দোলনের সহযোদ্ধারা স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে নিতে গেলে দেখা যায়, প্রায় কোন বেসরকারি হাসপাতাল তাকে ভর্তি নিতে রাজি নয়। আতঙ্ক, হুমকি এবং রাজনৈতিক চাপে চিকিৎসা দিতে অস্বীকৃতি জানায় সবাই। শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। হাত ও পায়ের গুলি অপসারণ করা হয়, কিন্তু অবস্থা ছিল সংকটজনক। গ্রেফতার আতঙ্ক ও হামলার ভয়ে সেখানেও চিকিৎসা চলত অস্থির পরিবেশে। তবুও ছাত্রসমাজ, পরিবার ও সচেতন নাগরিকদের প্রচেষ্টায় সে প্রাণে বেঁচে যায়।
চিকিৎসাসম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হয়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে জমিনে লুটিয়ে পড়েন। প্রথমেই একটি ক্লিনিকে নেওয়া হলে কর্তৃপক্ষ আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা দিতে অনীহা দেখায়। বাইরে গ্রেফতার আতঙ্ক, আবার আওয়ামী লীগের গুন্ডাদের আক্রমণের ভয়। রোগীর অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে তাকে শেষ পর্যন্ত নেওয়া হয় চট্টগ্রাম মেডিকেলে। সেখানে চিকিৎসা দিয়ে ব্যান্ডেজ করা হয়। পরবর্তীতে রাতে তাকে পার্ক ভিউ হাসপাতাল নিয়ে অপারেশন করা হয়। পরবর্তীতে তিনি বাড়িতে থেকেই চিকিৎসা গ্রহণ করেন।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন থাকলেও তিনি উন্নত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। তার জন্য আর্থিক অনুদান প্রয়োজন এবং ফিজিওথেরাপীর প্রয়োজন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি একজন শিক্ষার্থী। তার জন্য শিক্ষাবৃত্তিসহ আর্থিক অনুদান দিলে নিজে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
প্রস্তাবিত বাজেট
মাসিক শিক্ষাবৃত্তি ১০ হাজার টাকা করে হলে শিক্ষা ও চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া সহজ হবে।
নাম : মোঃ আব্দুল্লাহ আল সাহেদ
জন্ম তারিখ : ০১-০১-১৯৯৯
জন্মস্থান : কক্সবাজার
পেশা/ পদবী : ছাত্র
নিজ জেলা : কক্সবাজার
স্থায়ী ঠিকানা : দক্ষিণ ঘোনার পাড়া, কক্সবাজার পৌরসভা, ৯নং ওয়ার্ড, কক্সবাজার, কক্সবাজার
বর্তমান ঠিকানা : বাসা/মহল্লা: ফটিকছড়ি আবাসিক, এলাকা: অক্সিজেন, থানা: বায়েজিদ, জেলা: চট্টগ্রাম
পরিবারের তথ্য
পিতার নাম : মোঃ সরোয়ার কামাল
মায়ের নাম : ফরিদা বেগম সিকদার
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী ও ৫৮
পারিবারিক অবস্থা
মাসিক আয় : ১৮,০০০/=
আয়ের উৎস : নিজ দোকান
বাড়ি : সেমি পাকা ঘর
সম্পদ : সরকারি খাস জায়গাতে থাকে, নিজস্ব একটি বাড়ি প্রয়োজন
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. মোঃ আব্দুল্লাহ আল রাশেদ, বয়স: ৩৪, পেশা: চাকরি
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍