মোমেন সাকিব
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : ব্যবসা (ফার্মেসি দোকান)
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্ম পরিচয়
আবদুল মোমেন সাকিব একজন দরিদ্র পরিবারের সন্তান, যিনি জীবনের নানা অভাব-অনটনের মাঝেও দেশের জন্য এগিয়ে আসতে দ্বিধা করেননি। তার জন্ম ১৯ নভেম্বর ২০০৩ সালে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব চাম্বল গ্রামে। বর্তমানে তিনি একটি ফার্মেসি দোকানে কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বড় হতে হয়েছে তাকে। তার মাসিক আয় মাত্র ১২,০০০ টাকা, যা দিয়ে সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়, যখন দেখা যায় এমন এক তরুণ, যার নিজের জীবনে কোনো স্বাচ্ছন্দ্য নেই, ভবিষ্যতের নিরাপত্তাও নেই, তবুও দেশের প্রয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করতে পিছপা হয়নি। তার এই আত্মত্যাগ ও সাহসিকতা সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আন্দলনে অংশগ্রহণ
আমি ৪ আগস্ট ২০২৪ দুপুর ৩টায় একদফা একদাবি আন্দোলনের ডাকে মিছিল নিয়ে সেখের খীল রাস্তার মাথায় অবস্থান করলাম। দরিদ্র জীবনে বেড়ে ওঠা আমি মাসে মাত্র ১২,০০০ টাকায় সংসার চালানো এক সাধারণ মানুষের ছেলেটি তবু দেশের কল্যাণে, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর আশায় মঞ্চে ছিলাম; হাতে প্ল্যাকার্ড, কণ্ঠে আকুতি, চোখে এক অটল আশা। হঠাৎই সবকিছু বদলে গেল: অপমানমিশ্রিত ঘাতক নৃশংসতার ছায়া নেমে এলো ঘাতক যুবলীগ ও পুলিশ একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ল, লাঠি আর গুলির আওয়াজে পরিবেশ কেঁপে উঠল। ঘাতকের গুলির এক আঘাত আমার পায়ে, আরেকটি হাতে লাগে; তখন যেন সময় থমকে গেল, রক্ত মাখা মাটি আর চিৎকারে ভরপুর সেই দৃশ্য আমার কানে এখনো বাঁধা। ছাত্র-জনতা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয় তারা না থাকলে হয়তো কিছুই থাকত না তবু যে নিষ্ঠুরতা, যে নির্মমতা দেখলাম, তা হৃদয়ে দীর্ঘসময় ধাক্কা দিয়েছে। দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার দেশের জন্য এগিয়ে এসেছি; আজ সেই ত্যাগের বিনিময়ে যে নিপীড়ন ও নৃশংসতা আমাকে লেগেছে, তা শুধু শরীর নয়, মনকেও অগাধভাবে আঘাত করেছে এই ক্ষতগুলো হৃদয়ের গভীরে দাগ কেটে গেছে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বিবরণ
৪ আগস্ট ২০২৪ দুপুর ৩টায় সেখের খীল রাস্তার মাথায় ঘটে যাওয়া নির্মম হামলার সময় আমাকে প্রথমে উপস্থিত ছাত্র-ভাইগুলো বাঁশখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে পরে এপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসা শেষে ডাক্তার আমাকে চট্টগ্রামের একটি বড় হাসপাতালে (রেফার করে) নেওয়ার পর সেখানে আর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্ভব হয়নি; পরে প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন করা হলেও শরীর থেকে সব গুলি বের করা সম্ভব হয়নি এবং এখনো চিকিৎসা চলমান। আমার পা ও হাতে গুলির আঘাতের ফলে নরম কলা ও হাড়, স্নায়ু অথবা রক্তনালীর সমস্যা থাকতে পারে তার যথাযথ মূল্যায়ন ও অপারেশন-পরিকল্পনার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণকায় ইমেজিং (ঢ-ৎধু ও ঈঞ-ংপধহ) ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ (অর্থোপেডিক্স/ভাসকুলার/নিউরো সার্জন) পরামর্শ আবশ্যক। সাধারণভাবে ৎবঃধরহবফ (অবশিষ্ট) গুলি প্রত্যেক ক্ষেত্রেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তুলে ফেলা হয় না কিন্তু গুলি যদি জয়েন্টে, স্নায়ুকে চাপ দেয়, রক্তনলীর ভিতরে থাকে বা সংক্রমণ/তীব্র ব্যথার কারণ হয় তবে তা অপারেশন করে সরানোর স্পষ্ট ইন্ডিকেশন থাকে; এসব বিষয়ের সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন ও ইমেজিংয়ের উপর নির্ভর করে।
চিকিৎসার প্রস্তাবনা:
১) দ্রুত ঢ-ৎধু ও ঈঞ-ংপধহ করে গুলির অবস্থান ও আশপাশের জটিলতা নির্ণয়;
২) প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থোপেডিক/ ভাসকুলার/ নিউরো সার্জারির পরিকল্পনা এবং সাদা পোশাকী অপারেটিং টিমে অপারেশন;
৩) সংক্রমণ রোধে উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক ও ড্রেসিং, পেইন ম্যানেজমেন্ট;
৪) অপারেশন ও পরবর্তী অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন;
৫) মানসিক সহায়তা ও মেডিক্যাল রিপোর্ট মেডিকেল কাগজপত্র সংরক্ষণ করে আইনগত/সহায়তা আবেদন করতে হবে। ঈঞ-ংপধহ ও উন্নত ইমেজিং সাধারণত বেসিক ঈঞ-ংপধহ থেকে এঞ্জিও পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩,৫০০-১৭,০০০ টাকা বা তার বেশি খরচ হতে পারে (হাসপাতাল ও স্ক্যানের ধরন অনুযায়ী)।
আর্থিক প্রস্তাবিত বাজেট
ইমেজিং ও ল্যাব পরীক্ষা: মোট ৫,০০০-৩০,০০০ টাকা; এক বা একাধিক অপারেশন (বেসিক গুলো থেকে জটিল সার্জারি পর্যন্ত) আনুমানিক ৫০,০০০-২০০,০০০ টাকা (খরচ বেশি হলে ৩-৬ লাখ পর্যন্তও যেতে পারে জটিল ভাসকুলার/নিউরো/অর্থোপেডিক সার্জারির ক্ষেত্রে)। হাসপাতালের শয্যা ও ভর্তি-চার্জ ডিলাক্স কেবিন থেকে জেনারেল বেড পর্যন্ত দিনে প্রায় ৪০০-১৩,০০০ টাকার মধ্যে ভিন্নতা থাকে; ফলে ৫-১০ দিনের ভর্তি মানে সংরক্ষিত বিল বড় হতে পারে। ফিজিওথেরাপি প্রতিসেশন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রায় ৪০০-১,০০০ টাকা/সেশন হতে পারে, আর সরকারি/বিশেষায়িত কেন্দ্রে কম। ওষুধ, প্লাস্টার/ড্রেসিং, রক্ত ও অন্যান্য সরঞ্জাম যোগ করলে প্রাথমিক সুস্থতার লক্ষ্যে মোট দরকার পড়তে পারে সামান্য থেকে মাঝারি কেসে ৮০,০০০-২৫০,০০০ টাকা; জটিল কেসে ৫০০,০০০ টাকারও বেশি বাজেট প্রয়োজন হতে পারে। এগুলো হাসপাতালের প্রকৃত কোটেশন ও সার্জনের পরিকল্পনার উপর নির্ভরশীল।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : আবদুল মোমেন সাকিব
জন্ম তারিখ : ১৯-১১-২০০৩
জন্মস্থান : বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
পেশা : ব্যবসা (ফার্মেসি দোকান)
প্রতিষ্ঠান : ফার্মেসি দোকান
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: পূর্ব চাম্বল, ইউনিয়ন: ১০নং, থানা: বাঁশখালী, জেলা: চট্টগ্রাম
বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: পূর্ব চাম্বল, ইউনিয়ন: ১০নং, থানা: বাঁশখালী, জেলা: চট্টগ্রাম
পারিবারিক তথ্য
পিতার নাম : জসীম উদ্দীন (অবসরপ্রাপ্ত, বয়স ৫০ বছর)
মাতার নাম : রহিমুন্নাহার (গৃহিণী, বয়স ৪০ বছর)
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
বোন: আফিয়া বেগম (ছাত্রী, অষ্টম শ্রেণি, বয়স ১৩ বছর)
ভাই: আব্দুল জলিল আসিফ (বেকার, বয়স ২০ বছর)
মাসিক আয় : ১২,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : ব্যবসা
আহত হওয়ার স্থান : সেখের খীল রাস্তার মাথা, চট্টগ্রাম
ঘটনার তারিখ ও সময় : ০৪-০৮-২০২৪, দুপুর ৩টা
আক্রমণকারী : একদফা একদাবি আন্দোলনে অংশগ্রহণকালে যুবলীগ ও পুলিশের গুলিবর্ষণ
আহতের ধরন : পা ও হাতে গুলিবিদ্ধ, শরীরে এখনো কিছু গুলি রয়ে গেছে
চিকিৎসা
১. বাঁশখালী জেনারেল হাসপাতাল (প্রাথমিক চিকিৎসা)
২. এপোলো হাসপাতাল (ভর্তি)
৩. চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে রেফার
৪. প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন (সব গুলি অপসারণ সম্ভব হয়নি)
বর্তমানে চিকিৎসা চলমান
চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা : দ্রুত শরীরে থাকা গুলি অপসারণের জন্য উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন
প্রস্তাবিত বাজেট : উন্নত চিকিৎসা ও পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ সহায়তা জরুরি।
আবদুল মোমেন সাকিব একজন দরিদ্র পরিবারের সন্তান, যিনি জীবনের নানা অভাব-অনটনের মাঝেও দেশের জন্য এগিয়ে আসতে দ্বিধা করেননি। তার জন্ম ১৯ নভেম্বর ২০০৩ সালে চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার পূর্ব চাম্বল গ্রামে। বর্তমানে তিনি একটি ফার্মেসি দোকানে কাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছোটবেলা থেকেই দারিদ্র্যের সাথে লড়াই করে বড় হতে হয়েছে তাকে। তার মাসিক আয় মাত্র ১২,০০০ টাকা, যা দিয়ে সত্যিই হৃদয় ছুঁয়ে যায়, যখন দেখা যায় এমন এক তরুণ, যার নিজের জীবনে কোনো স্বাচ্ছন্দ্য নেই, ভবিষ্যতের নিরাপত্তাও নেই, তবুও দেশের প্রয়োজনে নিজেকে উৎসর্গ করতে পিছপা হয়নি। তার এই আত্মত্যাগ ও সাহসিকতা সমাজের জন্য অনুপ্রেরণার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
আন্দলনে অংশগ্রহণ
আমি ৪ আগস্ট ২০২৪ দুপুর ৩টায় একদফা একদাবি আন্দোলনের ডাকে মিছিল নিয়ে সেখের খীল রাস্তার মাথায় অবস্থান করলাম। দরিদ্র জীবনে বেড়ে ওঠা আমি মাসে মাত্র ১২,০০০ টাকায় সংসার চালানো এক সাধারণ মানুষের ছেলেটি তবু দেশের কল্যাণে, ন্যায়ের পক্ষে দাঁড়ানোর আশায় মঞ্চে ছিলাম; হাতে প্ল্যাকার্ড, কণ্ঠে আকুতি, চোখে এক অটল আশা। হঠাৎই সবকিছু বদলে গেল: অপমানমিশ্রিত ঘাতক নৃশংসতার ছায়া নেমে এলো ঘাতক যুবলীগ ও পুলিশ একযোগে ঝাঁপিয়ে পড়ল, লাঠি আর গুলির আওয়াজে পরিবেশ কেঁপে উঠল। ঘাতকের গুলির এক আঘাত আমার পায়ে, আরেকটি হাতে লাগে; তখন যেন সময় থমকে গেল, রক্ত মাখা মাটি আর চিৎকারে ভরপুর সেই দৃশ্য আমার কানে এখনো বাঁধা। ছাত্র-জনতা আমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয় তারা না থাকলে হয়তো কিছুই থাকত না তবু যে নিষ্ঠুরতা, যে নির্মমতা দেখলাম, তা হৃদয়ে দীর্ঘসময় ধাক্কা দিয়েছে। দরিদ্র হওয়া সত্ত্বেও আমি আমার দেশের জন্য এগিয়ে এসেছি; আজ সেই ত্যাগের বিনিময়ে যে নিপীড়ন ও নৃশংসতা আমাকে লেগেছে, তা শুধু শরীর নয়, মনকেও অগাধভাবে আঘাত করেছে এই ক্ষতগুলো হৃদয়ের গভীরে দাগ কেটে গেছে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বিবরণ
৪ আগস্ট ২০২৪ দুপুর ৩টায় সেখের খীল রাস্তার মাথায় ঘটে যাওয়া নির্মম হামলার সময় আমাকে প্রথমে উপস্থিত ছাত্র-ভাইগুলো বাঁশখালী জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলেন, সেখান থেকে পরে এপোলো হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসা শেষে ডাক্তার আমাকে চট্টগ্রামের একটি বড় হাসপাতালে (রেফার করে) নেওয়ার পর সেখানে আর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সম্ভব হয়নি; পরে প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন করা হলেও শরীর থেকে সব গুলি বের করা সম্ভব হয়নি এবং এখনো চিকিৎসা চলমান। আমার পা ও হাতে গুলির আঘাতের ফলে নরম কলা ও হাড়, স্নায়ু অথবা রক্তনালীর সমস্যা থাকতে পারে তার যথাযথ মূল্যায়ন ও অপারেশন-পরিকল্পনার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পূর্ণকায় ইমেজিং (ঢ-ৎধু ও ঈঞ-ংপধহ) ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ (অর্থোপেডিক্স/ভাসকুলার/নিউরো সার্জন) পরামর্শ আবশ্যক। সাধারণভাবে ৎবঃধরহবফ (অবশিষ্ট) গুলি প্রত্যেক ক্ষেত্রেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে তুলে ফেলা হয় না কিন্তু গুলি যদি জয়েন্টে, স্নায়ুকে চাপ দেয়, রক্তনলীর ভিতরে থাকে বা সংক্রমণ/তীব্র ব্যথার কারণ হয় তবে তা অপারেশন করে সরানোর স্পষ্ট ইন্ডিকেশন থাকে; এসব বিষয়ের সিদ্ধান্ত বিশেষজ্ঞ মূল্যায়ন ও ইমেজিংয়ের উপর নির্ভর করে।
চিকিৎসার প্রস্তাবনা:
১) দ্রুত ঢ-ৎধু ও ঈঞ-ংপধহ করে গুলির অবস্থান ও আশপাশের জটিলতা নির্ণয়;
২) প্রয়োজন অনুযায়ী অর্থোপেডিক/ ভাসকুলার/ নিউরো সার্জারির পরিকল্পনা এবং সাদা পোশাকী অপারেটিং টিমে অপারেশন;
৩) সংক্রমণ রোধে উপযুক্ত এন্টিবায়োটিক ও ড্রেসিং, পেইন ম্যানেজমেন্ট;
৪) অপারেশন ও পরবর্তী অভিজ্ঞ ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসন;
৫) মানসিক সহায়তা ও মেডিক্যাল রিপোর্ট মেডিকেল কাগজপত্র সংরক্ষণ করে আইনগত/সহায়তা আবেদন করতে হবে। ঈঞ-ংপধহ ও উন্নত ইমেজিং সাধারণত বেসিক ঈঞ-ংপধহ থেকে এঞ্জিও পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ৩,৫০০-১৭,০০০ টাকা বা তার বেশি খরচ হতে পারে (হাসপাতাল ও স্ক্যানের ধরন অনুযায়ী)।
আর্থিক প্রস্তাবিত বাজেট
ইমেজিং ও ল্যাব পরীক্ষা: মোট ৫,০০০-৩০,০০০ টাকা; এক বা একাধিক অপারেশন (বেসিক গুলো থেকে জটিল সার্জারি পর্যন্ত) আনুমানিক ৫০,০০০-২০০,০০০ টাকা (খরচ বেশি হলে ৩-৬ লাখ পর্যন্তও যেতে পারে জটিল ভাসকুলার/নিউরো/অর্থোপেডিক সার্জারির ক্ষেত্রে)। হাসপাতালের শয্যা ও ভর্তি-চার্জ ডিলাক্স কেবিন থেকে জেনারেল বেড পর্যন্ত দিনে প্রায় ৪০০-১৩,০০০ টাকার মধ্যে ভিন্নতা থাকে; ফলে ৫-১০ দিনের ভর্তি মানে সংরক্ষিত বিল বড় হতে পারে। ফিজিওথেরাপি প্রতিসেশন প্রাইভেট ক্লিনিকে প্রায় ৪০০-১,০০০ টাকা/সেশন হতে পারে, আর সরকারি/বিশেষায়িত কেন্দ্রে কম। ওষুধ, প্লাস্টার/ড্রেসিং, রক্ত ও অন্যান্য সরঞ্জাম যোগ করলে প্রাথমিক সুস্থতার লক্ষ্যে মোট দরকার পড়তে পারে সামান্য থেকে মাঝারি কেসে ৮০,০০০-২৫০,০০০ টাকা; জটিল কেসে ৫০০,০০০ টাকারও বেশি বাজেট প্রয়োজন হতে পারে। এগুলো হাসপাতালের প্রকৃত কোটেশন ও সার্জনের পরিকল্পনার উপর নির্ভরশীল।
একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদি
নাম : আবদুল মোমেন সাকিব
জন্ম তারিখ : ১৯-১১-২০০৩
জন্মস্থান : বাঁশখালী, চট্টগ্রাম
পেশা : ব্যবসা (ফার্মেসি দোকান)
প্রতিষ্ঠান : ফার্মেসি দোকান
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: পূর্ব চাম্বল, ইউনিয়ন: ১০নং, থানা: বাঁশখালী, জেলা: চট্টগ্রাম
বর্তমান ঠিকানা : গ্রাম: পূর্ব চাম্বল, ইউনিয়ন: ১০নং, থানা: বাঁশখালী, জেলা: চট্টগ্রাম
পারিবারিক তথ্য
পিতার নাম : জসীম উদ্দীন (অবসরপ্রাপ্ত, বয়স ৫০ বছর)
মাতার নাম : রহিমুন্নাহার (গৃহিণী, বয়স ৪০ বছর)
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
বোন: আফিয়া বেগম (ছাত্রী, অষ্টম শ্রেণি, বয়স ১৩ বছর)
ভাই: আব্দুল জলিল আসিফ (বেকার, বয়স ২০ বছর)
মাসিক আয় : ১২,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : ব্যবসা
আহত হওয়ার স্থান : সেখের খীল রাস্তার মাথা, চট্টগ্রাম
ঘটনার তারিখ ও সময় : ০৪-০৮-২০২৪, দুপুর ৩টা
আক্রমণকারী : একদফা একদাবি আন্দোলনে অংশগ্রহণকালে যুবলীগ ও পুলিশের গুলিবর্ষণ
আহতের ধরন : পা ও হাতে গুলিবিদ্ধ, শরীরে এখনো কিছু গুলি রয়ে গেছে
চিকিৎসা
১. বাঁশখালী জেনারেল হাসপাতাল (প্রাথমিক চিকিৎসা)
২. এপোলো হাসপাতাল (ভর্তি)
৩. চট্টগ্রাম মেডিকেল হাসপাতালে রেফার
৪. প্রাইভেট হাসপাতালে অপারেশন (সব গুলি অপসারণ সম্ভব হয়নি)
বর্তমানে চিকিৎসা চলমান
চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা : দ্রুত শরীরে থাকা গুলি অপসারণের জন্য উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন
প্রস্তাবিত বাজেট : উন্নত চিকিৎসা ও পরবর্তী পুনর্বাসনের জন্য উল্লেখযোগ্য অর্থ সহায়তা জরুরি।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍