মো: আমজাদ হোসাইন চৌধুরী
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
ছাত্র
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
আমজাদ হোসাইন চৌধুরী
পেশা: শিক্ষার্থী পটিয়া সরকারি কলেজ
ক্রমিক- ৪২৩
আইডি: চট্টগ্রাম- ১৩
প্রারম্ভিক কথা
আমজাদ হোসাইন চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেছেন ০৩ আগস্ট ২০০১ সালে। তিনি বীর চট্টলার সন্তান। বাবা মারা গেছেন, মা মমতাজ বেগম গৃহিণী। তিনি পটিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।
পুরো ঘটনার বিবরণ
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার ঘৃণ্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়। তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে। দেশকে একটি নতজানু করদরাজ্যে পরিণত করার সকল আয়োজন করতে থাকে। পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে দেশের বীরসন্তানদের হত্যা করে। শাপলা চত্বরে ঘটায় ম্যাসাকার। বাকস্বাধীনতা হরণ করে। বিনা ভোটের নির্বাচন ও রাতের ভোটের আয়োজনে ক্ষমতার মসনদে বসে ছিলেন টানা পনেরো বছর। যখনই যারা কথা বলার চেষ্টা করেছে তাদের দমন করেছে নির্মমভাবে। সকল বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে মামলা, হামলা। এভাবেই টিকে ছিল হাসিনা।
যেভাবে আন্দোলন শুরু
দেশকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিণত করেছিল নানা কায়দায়। ২০২৪ জুলাই মাসে ভার্সিটির সচেতন ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে কোটার বিরুদ্ধে। তারা চাকরিতে কোটার বদল মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ক্রমশ আন্দোলন চাঙ্গা হতে থাকে।
বরাবরের মতো হাসিনা আন্দোলন দমন করতে রাজাকার কার্ড খেলে। ছাত্র-ছাত্রীদের রাজাকার বলে ট্যাগ করে। মুহূর্তে আন্দোলন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ১৪, ১৫, ১৬ জুলাইয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। সারাদেশে ইতোমধ্যে অনেক ছাত্র পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুলিতে শহীদ হয়ে পড়ে।
মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। চেপে থাকা ক্ষোভ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও।
এদিন চট্টগ্রাম বিভাগেও আন্দোলনের দ্রোহে কেঁপে ওঠে। আমজাদ হোসাইন চৌধুরী পটিয়া থানার মুরাদপুরে অবস্থান নেন। ১৬ জুলাই ২০২৪ তারা মুরাদপুরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সরকারের নির্দেশে পুলিশ ও তার দলীয় বাহিনী দেশ জুড়ে আন্দোলনকারীদের আক্রমণ করে। এতে শহীদ হন আন্দোলনের সাথীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তখন আওয়ামী ত্রাসে কোনো বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক আহতদের চিকিৎসা দিতে চায়নি। হাসপাতালেও অ- নিরাপদ হয়ে ওঠে হামলা ও গ্রেফতার আতঙ্কে। বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করতে ব্যর্থ হয়ে তাকে ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম সরকারি হাসপাতালে। গুলি অপসারণ করা হয়। তারপর ঝুঁকি নিয়েই চিকিৎসা নিতে হয় তাকে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হয়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে জমিনে লুটিয়ে পড়েন। প্রথমেই একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে কর্তৃপক্ষ আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা দিতে অনীহা দেখায়। বাইরে গ্রেফতার আতঙ্ক, আবার আওয়ামী লীগের গুণ্ডাদের আক্রমণের ভয়। রোগীর অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে তাকে শেষ পর্যন্ত নেওা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেলে। সেখানে মাথার অপারেশন করে গুলি অপসারণ করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এখনো মাথায় মাঝে মাঝে জটিলতা দেখা দেয়।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
বাবাহারা সন্তান, উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন থাকলেও তিনি উন্নত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। তার জন্য আর্থিক অনুদান প্রয়োজন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি একজন শিক্ষার্থী। তার জন্য শিক্ষাবৃত্তিসহ আর্থিক অনুদান দিলে নিজে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
নাম : আমজাদ হোসাইন চৌধুরী
জন্ম তারিখ : ০৩-০৮-২০০১
জন্মস্থান : চট্টগ্রাম
পেশা/পদবি : ছাত্র
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: চাপড়া মোহাম্মদনগর, ইউনিয়ন: কোলাগাও, থানা: পটিয়া, জেলা: চট্টগ্রাম
বর্তমান ঠিকানা : বাসা/মহল্লা: পশ্চিম বাকলিয়া, থানা: কোতয়ালী, জেলা: চট্টগ্রাম
পরিবারসংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মৃত আব্দুল করিম
মায়ের নাম : মমতাজ বেগম
মায়ের পেশা : গৃহিণী
মাসিক আয় : ২৫,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : ব্যবসা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. ফারুক হোসেন, সম্পর্ক: ভাই, বয়স: ২৮, পেশা: ব্যবসা
২. মারজানা বেগম, সম্পর্ক: বোন, বয়স: ১৮, পেশা: শিক্ষার্থী
আহত হওয়ার সময় : ১৬ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৩ টা
পেশা: শিক্ষার্থী পটিয়া সরকারি কলেজ
ক্রমিক- ৪২৩
আইডি: চট্টগ্রাম- ১৩
প্রারম্ভিক কথা
আমজাদ হোসাইন চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেছেন ০৩ আগস্ট ২০০১ সালে। তিনি বীর চট্টলার সন্তান। বাবা মারা গেছেন, মা মমতাজ বেগম গৃহিণী। তিনি পটিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।
পুরো ঘটনার বিবরণ
আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করার ঘৃণ্য চক্রান্তে লিপ্ত হয়। তারা গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে। দেশকে একটি নতজানু করদরাজ্যে পরিণত করার সকল আয়োজন করতে থাকে। পিলখানায় পরিকল্পিতভাবে দেশের বীরসন্তানদের হত্যা করে। শাপলা চত্বরে ঘটায় ম্যাসাকার। বাকস্বাধীনতা হরণ করে। বিনা ভোটের নির্বাচন ও রাতের ভোটের আয়োজনে ক্ষমতার মসনদে বসে ছিলেন টানা পনেরো বছর। যখনই যারা কথা বলার চেষ্টা করেছে তাদের দমন করেছে নির্মমভাবে। সকল বিরোধী দলীয় নেতা-কর্মীদের ওপর চাপিয়ে দিয়েছে মামলা, হামলা। এভাবেই টিকে ছিল হাসিনা।
যেভাবে আন্দোলন শুরু
দেশকে নিজেদের পৈতৃক সম্পত্তিতে পরিণত করেছিল নানা কায়দায়। ২০২৪ জুলাই মাসে ভার্সিটির সচেতন ছাত্র-ছাত্রীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে কোটার বিরুদ্ধে। তারা চাকরিতে কোটার বদল মেধাভিত্তিক নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। ক্রমশ আন্দোলন চাঙ্গা হতে থাকে।
বরাবরের মতো হাসিনা আন্দোলন দমন করতে রাজাকার কার্ড খেলে। ছাত্র-ছাত্রীদের রাজাকার বলে ট্যাগ করে। মুহূর্তে আন্দোলন উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ১৪, ১৫, ১৬ জুলাইয়ে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে সারাদেশে। সারাদেশে ইতোমধ্যে অনেক ছাত্র পুলিশ ও আওয়ামী লীগের গুলিতে শহীদ হয়ে পড়ে।
মানুষ ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। চেপে থাকা ক্ষোভ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে। আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদরাসার শিক্ষার্থীরাও।
এদিন চট্টগ্রাম বিভাগেও আন্দোলনের দ্রোহে কেঁপে ওঠে। আমজাদ হোসাইন চৌধুরী পটিয়া থানার মুরাদপুরে অবস্থান নেন। ১৬ জুলাই ২০২৪ তারা মুরাদপুরে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলেন। সরকারের নির্দেশে পুলিশ ও তার দলীয় বাহিনী দেশ জুড়ে আন্দোলনকারীদের আক্রমণ করে। এতে শহীদ হন আন্দোলনের সাথীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। তখন আওয়ামী ত্রাসে কোনো বেসরকারি হাসপাতাল ক্লিনিক আহতদের চিকিৎসা দিতে চায়নি। হাসপাতালেও অ- নিরাপদ হয়ে ওঠে হামলা ও গ্রেফতার আতঙ্কে। বেশ কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করতে ব্যর্থ হয়ে তাকে ভর্তি করা হয় চট্টগ্রাম সরকারি হাসপাতালে। গুলি অপসারণ করা হয়। তারপর ঝুঁকি নিয়েই চিকিৎসা নিতে হয় তাকে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা
আহত হয়ে তিনি অজ্ঞান হয়ে জমিনে লুটিয়ে পড়েন। প্রথমেই একটি ক্লিনিকে নেয়া হলে কর্তৃপক্ষ আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসা দিতে অনীহা দেখায়। বাইরে গ্রেফতার আতঙ্ক, আবার আওয়ামী লীগের গুণ্ডাদের আক্রমণের ভয়। রোগীর অবস্থা ক্রমশ অবনতির দিকে তাকে শেষ পর্যন্ত নেওা হয় চট্টগ্রাম মেডিকেলে। সেখানে মাথার অপারেশন করে গুলি অপসারণ করে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এখনো মাথায় মাঝে মাঝে জটিলতা দেখা দেয়।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
বাবাহারা সন্তান, উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন থাকলেও তিনি উন্নত চিকিৎসা নিতে পারছেন না। তার জন্য আর্থিক অনুদান প্রয়োজন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
তিনি একজন শিক্ষার্থী। তার জন্য শিক্ষাবৃত্তিসহ আর্থিক অনুদান দিলে নিজে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
নাম : আমজাদ হোসাইন চৌধুরী
জন্ম তারিখ : ০৩-০৮-২০০১
জন্মস্থান : চট্টগ্রাম
পেশা/পদবি : ছাত্র
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: চাপড়া মোহাম্মদনগর, ইউনিয়ন: কোলাগাও, থানা: পটিয়া, জেলা: চট্টগ্রাম
বর্তমান ঠিকানা : বাসা/মহল্লা: পশ্চিম বাকলিয়া, থানা: কোতয়ালী, জেলা: চট্টগ্রাম
পরিবারসংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মৃত আব্দুল করিম
মায়ের নাম : মমতাজ বেগম
মায়ের পেশা : গৃহিণী
মাসিক আয় : ২৫,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : ব্যবসা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. ফারুক হোসেন, সম্পর্ক: ভাই, বয়স: ২৮, পেশা: ব্যবসা
২. মারজানা বেগম, সম্পর্ক: বোন, বয়স: ১৮, পেশা: শিক্ষার্থী
আহত হওয়ার সময় : ১৬ জুলাই ২০২৪, বিকাল ৩ টা
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍