হোম / আহতদের তালিকা / ফরহাদুল ইসলাম
ফরহাদুল ইসলাম

ফরহাদুল ইসলাম

জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

চাকরি

🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা

ফরহাদুল ইসলাম
পেশা: চাকরি, রিজওয়ান ট্রান্সপোর্ট
এজেন্সি লিমিটেড
ক্রমিক: ৪২৮
আইডি: চট্টগ্রাম বিভাগ ১৮

আওয়ামী লীগের ভয়াবহ শাসনকাল: একটি স্বৈরাচারী অধ্যায়ের রূপরেখা
২০০৯ সালে পুনরায় ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ যে শাসনের সূচনা করেছিল, তা ছিল গণতন্ত্রের জন্য এক অশনি সংকেত। স্বাধীনতার চেতনার নামে তারা শুরু করে ক্ষমতা চিরস্থায়ী করার এক ঘৃণ্য চক্রান্ত। নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় নিয়ে আসার পরিবর্তে তারা বেছে নেয় দমন-পীড়নের পথ এবং রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে বিরোধী কণ্ঠরোধের এক নিপীড়নমূলক অধ্যায় রচনা করে। তাদের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখার জন্য আওয়ামী লীগ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হত্যা ও নিপীড়ন, অত্যাচার চালায়, দেশকে নিজেদের সম্পত্তিতে পরিণত করে ভোগ করার জন্য। ফলে, ফ্যাসিবাদের ওপর দেশের সকল স্তরের মানুষের ঘৃণা জন্মে। প্রায় ১৭ বছর ধরে, এই ঘৃণা বিস্ফোরিত হয় ছাত্র-জনতার আন্দোলন তথা গণঅভ্যুত্থানে। ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে উৎখাত করার জন্য সমগ্র দেশের ছাত্র-জনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বৈরাচার হাসিনাকে পালিয়ে যেতে বাধ্য করে।

সংগ্রামী এক জীবন
নির্বাক গ্রামের কোলাহলহীন প্রান্তে, চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার নলুয়া ইউনিয়নের মরফুলা নামক এক নিভৃত গ্রামে ১৯৮৬ সালের ১ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন ফরহাদুল ইসলাম। মাটির ঘ্রাণে বেড়ে ওঠা এই মানুষটির শৈশব-কৈশোর কেটেছে প্রকৃতির সান্নিধ্যে, সহজ-সরল জীবনযাপনের মধ্যে। তাঁর পিতা জামির হোসেন ছিলেন একজন সাধারণ কৃষক—খেটে খাওয়া মানুষদের প্রতিনিধি। আর মাতা আমেনা বেগম, যিনি নিঃস্বার্থ এক গৃহিণী—যাঁর সেবা আর মমতা পরিবারকে আগলে রাখে ছায়ার মতো। গ্রামীণ স্কুলের পাঠশালায় শুরু হয় তাঁর শিক্ষাজীবন। প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েই অদম্য চেষ্টায় তিনি এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা শেষ করেন। উচ্চশিক্ষা কিংবা সুযোগ-সুবিধার অনুপস্থিতিতে স্বপ্নের পাখা মেলতে না পারলেও, জীবনের প্রয়োজনে একসময় পাড়ি জমান চট্টগ্রাম শহরে। সেখানে তিনি “রিজওয়ান ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি লিমিটেড”-এ চাকরি নেন, নিজের ও পরিবারের স্বপ্নগুলোকে ধরে রাখার আশায়। নগরজীবনের কোলাহলে তিনি গড়ে তুলতে থাকেন একটি ছোট্ট সুখের সংসার-বৃদ্ধ পিতা-মাতা, স্ত্রী এবং দুই স্নেহময় সন্তানকে নিয়ে। কিন্তু সবকিছু পাল্টে যায় হঠাৎ এক দিনে। রাজনৈতিক আন্দোলনের সময় সন্ত্রাসী হামলায় আহত হন তিনি। দেহের ক্ষতের চেয়েও গভীর ক্ষত হয় জীবনের ওপর। আহত হওয়ার পর তাঁর চাকরিটিও হারিয়ে যায়, সংসারের হাল ভেঙে পড়ে। যেই মানুষটি স্বপ্ন বুনতেন পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর, সেই মানুষটিই পরিণত হন প্রতিনিয়ত সংগ্রামরত এক সৈনিকে। বর্তমানে তিনি তাঁর পৈত্রিক ভিটায় বসবাস করেন। বৃদ্ধ পিতা, স্ত্রী এবং দুই শিশুসন্তানই এখন তাঁর জীবনের প্রেরণা। বড় ছেলে মোঃ আহাদ নার্সারিতে পড়ছে-
সন্তানের হাতে খাতা-কলম তুলে দেয়ার মাঝেই তিনি খুঁজে পান জীবনের নতুন অর্থ। সংসার আজ তাঁর জন্য যুদ্ধক্ষেত্র, যেখানে প্রতিটি দিনই একেকটি লড়াই-ভাতের জন্য, চিকিৎসার জন্য, শিক্ষার জন্য। তবে হেরে যাননি তিনি। দুঃখ, বেদনা, কষ্ট আর বঞ্চনার মাঝেও মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছেন এক সাহসী পিতার মতো, যিনি চায় সন্তানের মুখে হাসি আর পিতার চোখে শান্তি।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
আহত ফরহাদুল ইসলামের জবানিতে: ৫ আগস্টের নারকীয় হত্যাযজ্ঞের বিবরণ
আমি ফরহাদুল ইসলাম। দেশের ইতিহাসের এক কঠিন সময়- ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সূচনালগ্ন থেকেই আমি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এসেছি। একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে বসবাস করেও যখন দেখেছি, ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের ছাত্র ও যুব সংগঠন- ছাত্রলীগ-যুবলীগের সন্ত্রাসীরা আমার সন্তানতুল্য নিরপরাধ ছাত্রদের উপর ভয়াবহ নির্মমতা চালিয়েছে-তখন একজন বিবেকবান নাগরিক হিসেবে আমি আর চুপ থাকতে পারিনি।
প্রতিবাদ যেন তাদের কাছে রক্তচক্ষু
এই প্রতিবাদের অংশ হিসেবে ৫ আগস্ট ২০২৪,আমি চট্টগ্রাম নিউমার্কেট মোড়ে ছাত্র-জনতার এক শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশগ্রহণ করি। মিছিলটি ছিল সুশৃঙ্খল, সম্পূর্ণ অহিংস ও গণতান্ত্রিক। কিন্তু হঠাৎ করেই ছাত্রলীগের প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীরা এক ভয়াবহ পরিকল্পনা নিয়ে আমাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তাদের হাতে ছিল রামদা, রড, লোহার পাইপ, গুলি আর পেট্রোবোমা-এ যেন কোনো রাজনৈতিক কর্মী নয়, বরং পৈশাচিক ঘৃণায় উন্মত্ত হয়ে ওঠা একদল রক্তপিপাসু হায়েনার দল। তারা চিৎকার করতে করতে আমাদের ঘিরে ধরে- “ধর, মার, পশ করে দে”। মুহূর্তেই মিছিলের পরিবেশ রূপ নেয় রণক্ষেত্রে। আমরা আত্মরক্ষার্থে যতটুকু সম্ভব প্রতিরোধ গড়ে তুলি, কিন্তু সংখ্যায় ও অস্ত্রে তারা ছিল অনেক বেশি। কিছু সময় পরই সন্ত্রাসীরা পাথর, ইট, পাটকেল ছুড়ে আমাদের লক্ষ্য করে হামলা চালাতে শুরু করে, আর সেই সুযোগে রাষ্ট্রের বন্দুকধারী বাহিনী-পুলিশও যোগ দেয় গুলি চালাতে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে এমনভাবে গুলির বৃষ্টি নামিয়ে দেয়, যেন আমরা কোনো অপরাধী নই বরং শত্রু বাহিনী।
এই তাণ্ডবের একপর্যায়ে প্রায় ২০-৩০ জন সন্ত্রাসী আমাকে টার্গেট করে ঘিরে ধরে। তারা কোনো কথা না বলেই রামদা দিয়ে আমার উপর একের পর এক এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। আমার কাঁধ ফেটে যায়, মাথায় নেমে আসে ধারালো অস্ত্রের বর্বর ঘা, হাত রক্তে সিক্ত হয়ে পড়ে। আমি চিৎকার করারও শক্তি হারিয়ে ফেলি। রক্তক্ষরণে আমার দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে যায়, আর একসময় আমি অচেতন অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। এরপর আর কিছুই আমার মনে ছিল না।
পরে আমি জানতে পারি, আমার প্রাণপ্রিয় আন্দোলনের ভাইয়েরা আমাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে আমাকে সেলাই, ইনজেকশন, অপারেশনসহ জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়। আমার মাথায়, দুই কাঁধে ও হাতে গভীর ক্ষতচিহ্ন আজও বয়ে বেড়াচ্ছি আমি—শরীরে যেমন ক্ষত, মনে তেমনি অমোচনীয় দুঃসহ স্মৃতি।
ব্যথিত হৃদয়ের ক্রন্দন
এই হামলা শুধু আমার ওপর নয়-এটি ছিল একটি চলমান আন্দোলন, একটি গণতান্ত্রিক অধিকারের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত আঘাত। যারা এই হামলা চালিয়েছে, তারা মানুষের মুখোশ পরা নরপিশাচ। আমি আজও আহত শরীর নিয়ে বলছি, এই নির্মমতা যেন ইতিহাসে লেখা থাকে, যেন ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানে, কারা ছিল সে দিনের খুনি, আর কারা ছিল নিরস্ত্র স্বপ্নবাজ মানুষ।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা: মৃত্যুকে স্পর্শ করে ফিরে আসা
ছাত্রলীগের পৈশাচিক হামলায় যখন আমি রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ি, তখন আমার শরীর যেন এক ক্ষতবিক্ষত যুদ্ধক্ষেত্র। মাথা, কাঁধ ও হাত থেকে অনবরত রক্ত ঝরছিল। আমার সহযোদ্ধা সাহসী ভাইয়েরা তখন সময়ের এক সেকেন্ডও নষ্ট না করে ত্বরিৎ সিদ্ধান্তে আমাকে উদ্ধার করে। রিকশা, সিএনজি, মানুষ ও মানবতার এক চক্র গড়ে উঠে চারপাশে—যাতে আমাকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে হাসপাতালে পৌঁছানো যায়।
তারা আমাকে নিয়ে ছুটে যান চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে, পযখানে আমার জীবন-মৃত্যুর দোলাচলে শুরু হয় এক কঠিন লড়াই। হাসপাতালে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা আমার শরীরের অবস্থা দেখে চমকে ওঠেন। তারা এক মুহূর্তও দেরি না করে জরুরি বিভাগে আমাকে ভর্তি করে চিকিৎসা শুরু করেন। তাদের ভাষায়, আঘাতগুলো ছিল ‘প্রাণঘাতী’ এবং সময়মতো হাসপাতালে পৌঁছানো না গেলে হয়তো আমি আর বেঁচে থাকতাম না।
আঘাতের বর্ণনা
 দুই কাঁধে ছিল ধারালো অস্ত্রের গভীর ও বিপজ্জনক কাটা, যেখানে রক্তপাত এতটাই প্রবল ছিল যে, দ্রুত সেলাই না করলে রক্তশূন্যতায় মৃত্যুঝুঁকি তৈরি হতো। সেখানকার ঘাঁ- গুলোতে চিকিৎসকরা একাধিক সেলাই দেন এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি কমাতে দেন অ্যান্টিবায়োটিক।
 মাথায় আঘাতটি ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ, সেখানে রামদার আঘাতে মাথার উঁচু অংশ ফেটে যায়। মাথার হাড়ে চিড় ধরা না পড়লেও গভীর কাটা ছিল,ফলে সেখানে জরুরি ভিত্তিতে সেলাই দিয়ে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা হয়।
 ডান হাতে ধারালো অস্ত্রের কোপ ছিল, বিশেষ করে কনুই ও কবজির আশপাশে। এই অংশেও বেশ কয়েকটি গভীর কাটা পড়ায় চিকিৎসকরা পৃথকভাবে কয়েকটি স্থানে সেলাই দেন।
এই চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় আমাকে ইনজেকশন, ব্যথানাশক, রক্ত বন্ধের ইনফিউশন এবং অবিরত পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। প্রতিটি মুহূর্ত ছিল শঙ্কা ও উৎকণ্ঠার, যেন মৃত্যু প্রতিনিয়ত ডাক দিচ্ছিল,আর আমি মরার কাছ থেকে একটু একটু করে ফিরে আসছিলাম।
সুস্থতা ও পুনরুদ্ধার
হাসপাতালে কয়েকদিন ভর্তি থাকার পর, ধীরে ধীরে কিছুটা সুস্থতা ফিরে পাই। তবে সেই ভয়াল রাতের দাগ আজও শরীর ও মনে বহন করছি। আমার ক্ষতস্থানগুলো আজও ব্যথা দেয়—শুধু শারীরিক নয়, মানসিকভাবেও। একমাত্র সান্ত্বনা- আমার সহযোদ্ধা ভাইদের সাহসিকতা, চিকিৎসকদের আন্তরিকতা এবং জনগণের ভালোবাসা আমাকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
এই অভিজ্ঞতা আমার জীবনে শুধু একটি “ঘটনা” নয়-এটি এক রক্তাক্ত স্মৃতি, একটি যুগান্তকারী সত্য, যা বলে দেয়- “যেখানে স্বৈরাচারী শক্তি নিপীড়ন চালায়, সেখানে প্রতিরোধের ইতিহাসও জন্ম নেয় মানুষের রক্ত দিয়ে।”
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর কিছুটা সুস্থ হলেও এখনো শরীর পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। শরীরের বিভিন্ন স্থানে গভীর আঘাতের স্থায়ী ক্ষতচিহ্ন রয়ে গেছে, যা এখনও ব্যথা ও দুর্বলতার কারণ হয়ে আছে। মাথা, কাঁধ ও হাতের পুরনো জখমগুলো মাঝে মাঝেই তীব্র যন্ত্রণা সৃষ্টি করে, যা দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে অত্যন্ত কষ্টকর করে তুলেছে। চিকিৎসকদের মতে, আঘাতপ্রাপ্ত অঙ্গগুলোর সম্পূর্ণ পুনরুদ্ধারের জন্য দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসা ও নিয়মিত ফিজিওথেরাপি অত্যন্ত জরুরি। কিন্তু বর্তমানে পরিবারিক আর্থিক অবস্থা এতটাই সংকটাপন্ন যে উন্নত চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। এই অবস্থায় আমি উন্নত মানের চিকিৎসা গ্রহণের জন্য সহানুভূতিশীল মানুষের সহযোগিতা কামনা করছি। যাতে করে আমি দ্রুত সুস্থ হয়ে আবারও পরিবারের পাশে দাঁড়াতে পারি, জীবন-জীবিকার লড়াইয়ে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে পারি।
পূনর্বাসনসম্পর্কিত তথ্য
পূর্বে কী ধরণের পেশায় নিয়োজিত ছিলেন
রিজওয়ান ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি লিমিটেডে চাকরি করতেন।
কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা
স্থানীয় পর্যায়ে লঘুশ্রমভিত্তিক আয়মুখী কাজের সুযোগ।
চট্টগ্রাম শহরে অফিস সহায়ক বা কাস্টমার সার্ভিস সহকারীর পদে চাকরি।
ছোট পরিসরে আত্ম-কর্মসংস্থানের উদ্যোগে সহায়তা।
ব্যক্তিগত ও মানবিক অনুদান দিয়ে মাসিক ভাতা প্রদান।দেশীয় অস্ত্রের
আঘাতে জর্জরিত

একনজরে ব্যক্তিগত তথ্যাদিফরহাদুল ইসলাম:
নাম : ফরহাদুল ইসলাম
জন্ম তারিখ : ০১ নভেম্বর, ১৯৮৬
পেশা : চাকরি
শিক্ষাগত যোগ্যতা : এসএসসি
ধর্ম : ইসলাম
বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: মরফলা, ইউনিয়ন: নলুয়া, থানা: সাতকানিয়া, জেলা: চট্টগ্রাম
পরিবারের তথ্য
পিতার নাম : জামির হোসেন
পিতার পেশা ও বয়স : কৃষক, ৬০
মায়ের নাম : আমেনা বেগম
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৫৩
পারিবারিক অবস্থা : ৮০০০/=
আয়ের উৎস : কৃষি
বাড়ি : সেমিপাকা ঘর
সম্পদ : .২০ শতক জমি আছে
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৬ জন
স্ত্রী : আসফিয়া আনজুম
স্ত্রীর পেশা ও বয়স : ২২
সন্তানদের তথ্যাদি
১. মোঃ আহাদ, সম্পর্ক: ছেলে, বয়স: ৪.৫
২. মোঃ আনাস, সম্পর্ক: ছেলে, বয়স: ১.৫
আহত হওয়ার স্থান : চট্টগ্রাম নিউমার্কেট মোড়
আক্রমণকারী : পুলিশ ও আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগের সন্ত্রাসীরা
আহত হওয়ার সময় : ৫ আগস্ট ২০২৪, বিকাল ২টা ৩০মিনিট

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍
Memory Image
🔍