মো নুর উদ্দিন তালহা
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : শিক্ষার্থী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্মপরিচয়
মো: নুর উদ্দিন তালহা একজন তরুণ শিক্ষার্থী, যিনি ২০০০ সালের ৫ জুলাই ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি শিক্ষা ও স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। বর্তমানে তিনি পড়াশোনার মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছেন। তার শিকড় ফেনীর লেমুয়া ইউনিয়নের কসবা গ্রামে, যেখানে তিনি বড় হয়েছেন। এখন তিনি ফেনী থানার কসবা এলাকার মিঝি বাড়িতে বসবাস করছেন।
তালহার পরিবার অত্যন্ত সাধারণ ও সংগ্রামী। তার পিতা মো: তমিজ উদ্দিন কর্মহীন অবস্থায় দিন পার করছেন, আর মা মোসাম্মৎ মোরশেদা আক্তার একজন গৃহিণী। পরিবারের মূল আয়ের উৎস হলো টিউশন থেকে অর্জিত সামান্য ৬,০০০ টাকা, যা দিয়ে পাঁচ সদস্যের সংসার চলে। অর্থনৈতিক সংকট থাকা সত্ত্বেও তালহার পরিবার শিক্ষার গুরুত্বকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। তার দুই বোন মোমেনা আক্তার রাজিয়া ও মাইমুন আক্তার গৃহিণী হিসেবে সংসার সামলাচ্ছেন। পরিবারের প্রত্যেকেই স্বপ্ন দেখে তালহাকে একজন সুশিক্ষিত ও সফল মানুষ হিসেবে দেখতে।
তালহা নিজের সীমিত সুযোগের মধ্যেও চেষ্টা করে যাচ্ছেন, যাতে তিনি শুধু নিজের নয়, পরিবারের ভাগ্যও পরিবর্তন করতে পারেন। তার সংগ্রাম ও স্বপ্নের পথে বাধা যতই আসুক না কেন, তিনি দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ থেকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
আন্দলনে অংশগ্রহণ
২০২৪ সালের ৪ আগস্টের দিনটি আমার জীবনে সবচেয়ে ভয়াবহ অথচ গৌরবময় একটি দিন হয়ে থাকবে। সেদিন দুপুরে, আমরা কয়েকজন সহপাঠী মিলে ফেনীর মহিপাল জিরো পয়েন্টে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিই। আমাদের দাবি ছিল স্পষ্ট অন্যায়, দমন-পীড়ন আর বৈষম্যমুক্ত একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ। চারদিক থেকে ভেসে আসছিল স্লোগান, মানুষের চোখেমুখে ছিল আশার আলো, বুকের ভেতরে ছিল সাহস আর স্বপ্নের আগুন। আমি বিশ্বাস করছিলাম, যদি আমরা একসঙ্গে দাঁড়াই, তবে পরিবর্তন একদিন হবেই. কিন্তু ঠিক দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ পরিস্থিতি পাল্টে যায়। হঠাৎ ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী আমাদের উপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। মুহূর্তেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ভেঙে যায় রক্তাক্ত চিৎকারে। আতঙ্কিত মানুষ দৌড়াতে থাকে চারদিকে, আমি নিজেও প্রাণপণ দৌড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ অনুভব করলাম প্রচণ্ড এক ঝাঁকুনি কপালে আঘাত করছে- আমি বুঝতে পারলাম, আমার কপালে গুলি লেগেছে। চারপাশ অন্ধকার হয়ে এলো, রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল চোখ-মুখ বেয়ে। তীব্র যন্ত্রণা সত্ত্বেও তখনো মনে হচ্ছিল, আমার রক্ত বৃথা যাবে না।আমি আর কয়েকজন সঙ্গী প্রাণ বাঁচানোর জন্য কাছের একটি অ:গ বুথে আশ্রয় নেই। বাইরে তখনও চলছিল গুলির শব্দ আর মানুষের আহাজারি। ভেতরে আমি রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে ছিলাম, মনে হচ্ছিল এই মুহূর্তে হয়তো আমি আর বাঁচব না। কিন্তু সেই ভয়াবহ মুহূর্তেও বুকের গভীরে ছিল এক অদম্য বিশ্বাস ন্যায়ের সংগ্রাম থামানো যাবে না, আমাদের আত্মত্যাগই একদিন মুক্তির পথকে সুগম করবে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বিবরণ
আন্দোলনের সময় গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পর আমাকে দ্রুত চট্টগ্রামের আলকেমী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আমার মাথায় অপারেশন করা হয় এবং কপালে বিদ্ধ হয়ে থাকা বুলেট অপারেশনের মাধ্যমে বের করে আনা সম্ভব হয়। এই চিকিৎসা ছিল জীবন-মরণ সংকট থেকে আমাকে ফিরিয়ে আনার অন্যতম বড় সহায়। বর্তমানে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত কোনো জটিল চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, তবে নিয়মিত বিশ্রাম, পর্যবেক্ষণ ও সুস্থ জীবনযাপনের পরামর্শ দিয়েছেন।
আঘাতের কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে আমি এক কঠিন সময় অতিক্রম করেছি, তবে চিকিৎসকদের আন্তরিক সেবা ও পরিবার-পরিজনের সহায়তায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছি। যেহেতু আমি পেশায় একজন ছাত্র এবং আগের মতো পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ইচ্ছা রাখি, তাই ভবিষ্যতের জন্য চাকরির সুযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি প্রস্তাবিত বাজেট তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি চিকিৎসা-পরবর্তী স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ সুগম হয়।
অতএব, চিকিৎসা সংক্রান্তভাবে বলা যায় আমি ইতোমধ্যে আলকেমী হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিয়েছি, বর্তমানে অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। এখন আমার সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো একটি স্থিতিশীল কর্মসংস্থান ও আর্থিক সহায়তা, যা আমাকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ, স্বাভাবিক ও স্বনির্ভর জীবনের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
নাম : মো: নুর উদ্দিন তালহা
জন্মতারিখ : ০৫-০৭-২০০০
জন্মস্থান : ফেনী
পেশা : শিক্ষার্থী
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: কসবা, ইউনিয়ন: লেমুয়া, থানা: ফেনী, জেলা: ফেনী
বর্তমান ঠিকানা : মিঝি বাড়ি, এলাকা কসবা, থানা: ফেনী, জেলা: ফেনী
পারিবারিক তথ্য
পিতার নাম : মো: তমিজ উদ্দিন
পিতার পেশা : কর্মহীন
মাতার নাম : মোসাম্মৎ মোরশেদা আক্তার
মাতার পেশা : গৃহিণী
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
মাসিক আয় : ৬,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : টিউশন
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. মোমেনা আক্তার রাজিয়া, সম্পর্ক: বোন, পেশা: গৃহিণী
২. মাইমুন আক্তার, সম্পর্ক: বোন, পেশা: গৃহিণী
আহত হওয়ার স্থান : মহিপাল জিরো পয়েন্ট, ফেনী
আহত হওয়ার সময় : ০৪-০৮-২০২৪, দুপুর আনুমানিক ২টা
আক্রমণকারী : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ বাহিনীর গুলিবর্ষণ
আহতের ধরন : কপালে বুলেট বিদ্ধ
চিকিৎসা : ১. আলকেমী হাসপাতালে ভর্তি, ২. অপারেশনের মাধ্যমে কপাল থেকে বুলেট বের করা
৩. চিকিৎসকগণ জানিয়েছেন বর্তমানে অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন নেই
চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা: বর্তমানে বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন নেই;
কর্মসংস্থানের জন্য চাকরির ব্যবস্থা ও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন।
মো: নুর উদ্দিন তালহা একজন তরুণ শিক্ষার্থী, যিনি ২০০০ সালের ৫ জুলাই ফেনী জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। ছোটবেলা থেকেই তিনি শিক্ষা ও স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলেছেন। বর্তমানে তিনি পড়াশোনার মাধ্যমে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার চেষ্টা করছেন। তার শিকড় ফেনীর লেমুয়া ইউনিয়নের কসবা গ্রামে, যেখানে তিনি বড় হয়েছেন। এখন তিনি ফেনী থানার কসবা এলাকার মিঝি বাড়িতে বসবাস করছেন।
তালহার পরিবার অত্যন্ত সাধারণ ও সংগ্রামী। তার পিতা মো: তমিজ উদ্দিন কর্মহীন অবস্থায় দিন পার করছেন, আর মা মোসাম্মৎ মোরশেদা আক্তার একজন গৃহিণী। পরিবারের মূল আয়ের উৎস হলো টিউশন থেকে অর্জিত সামান্য ৬,০০০ টাকা, যা দিয়ে পাঁচ সদস্যের সংসার চলে। অর্থনৈতিক সংকট থাকা সত্ত্বেও তালহার পরিবার শিক্ষার গুরুত্বকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়। তার দুই বোন মোমেনা আক্তার রাজিয়া ও মাইমুন আক্তার গৃহিণী হিসেবে সংসার সামলাচ্ছেন। পরিবারের প্রত্যেকেই স্বপ্ন দেখে তালহাকে একজন সুশিক্ষিত ও সফল মানুষ হিসেবে দেখতে।
তালহা নিজের সীমিত সুযোগের মধ্যেও চেষ্টা করে যাচ্ছেন, যাতে তিনি শুধু নিজের নয়, পরিবারের ভাগ্যও পরিবর্তন করতে পারেন। তার সংগ্রাম ও স্বপ্নের পথে বাধা যতই আসুক না কেন, তিনি দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ থেকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
আন্দলনে অংশগ্রহণ
২০২৪ সালের ৪ আগস্টের দিনটি আমার জীবনে সবচেয়ে ভয়াবহ অথচ গৌরবময় একটি দিন হয়ে থাকবে। সেদিন দুপুরে, আমরা কয়েকজন সহপাঠী মিলে ফেনীর মহিপাল জিরো পয়েন্টে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিই। আমাদের দাবি ছিল স্পষ্ট অন্যায়, দমন-পীড়ন আর বৈষম্যমুক্ত একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজ। চারদিক থেকে ভেসে আসছিল স্লোগান, মানুষের চোখেমুখে ছিল আশার আলো, বুকের ভেতরে ছিল সাহস আর স্বপ্নের আগুন। আমি বিশ্বাস করছিলাম, যদি আমরা একসঙ্গে দাঁড়াই, তবে পরিবর্তন একদিন হবেই. কিন্তু ঠিক দুপুর ২টার দিকে হঠাৎ পরিস্থিতি পাল্টে যায়। হঠাৎ ছাত্রলীগের সশস্ত্র বাহিনী আমাদের উপর এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। মুহূর্তেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ভেঙে যায় রক্তাক্ত চিৎকারে। আতঙ্কিত মানুষ দৌড়াতে থাকে চারদিকে, আমি নিজেও প্রাণপণ দৌড়াচ্ছিলাম। হঠাৎ অনুভব করলাম প্রচণ্ড এক ঝাঁকুনি কপালে আঘাত করছে- আমি বুঝতে পারলাম, আমার কপালে গুলি লেগেছে। চারপাশ অন্ধকার হয়ে এলো, রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল চোখ-মুখ বেয়ে। তীব্র যন্ত্রণা সত্ত্বেও তখনো মনে হচ্ছিল, আমার রক্ত বৃথা যাবে না।আমি আর কয়েকজন সঙ্গী প্রাণ বাঁচানোর জন্য কাছের একটি অ:গ বুথে আশ্রয় নেই। বাইরে তখনও চলছিল গুলির শব্দ আর মানুষের আহাজারি। ভেতরে আমি রক্তাক্ত অবস্থায় শুয়ে ছিলাম, মনে হচ্ছিল এই মুহূর্তে হয়তো আমি আর বাঁচব না। কিন্তু সেই ভয়াবহ মুহূর্তেও বুকের গভীরে ছিল এক অদম্য বিশ্বাস ন্যায়ের সংগ্রাম থামানো যাবে না, আমাদের আত্মত্যাগই একদিন মুক্তির পথকে সুগম করবে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বিবরণ
আন্দোলনের সময় গুরুতরভাবে আহত হওয়ার পর আমাকে দ্রুত চট্টগ্রামের আলকেমী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আমার মাথায় অপারেশন করা হয় এবং কপালে বিদ্ধ হয়ে থাকা বুলেট অপারেশনের মাধ্যমে বের করে আনা সম্ভব হয়। এই চিকিৎসা ছিল জীবন-মরণ সংকট থেকে আমাকে ফিরিয়ে আনার অন্যতম বড় সহায়। বর্তমানে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, অতিরিক্ত কোনো জটিল চিকিৎসার প্রয়োজন নেই, তবে নিয়মিত বিশ্রাম, পর্যবেক্ষণ ও সুস্থ জীবনযাপনের পরামর্শ দিয়েছেন।
আঘাতের কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে আমি এক কঠিন সময় অতিক্রম করেছি, তবে চিকিৎসকদের আন্তরিক সেবা ও পরিবার-পরিজনের সহায়তায় ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছি। যেহেতু আমি পেশায় একজন ছাত্র এবং আগের মতো পড়াশোনার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার ইচ্ছা রাখি, তাই ভবিষ্যতের জন্য চাকরির সুযোগকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এজন্য একটি প্রস্তাবিত বাজেট তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের পাশাপাশি চিকিৎসা-পরবর্তী স্বাভাবিক জীবনে ফেরার পথ সুগম হয়।
অতএব, চিকিৎসা সংক্রান্তভাবে বলা যায় আমি ইতোমধ্যে আলকেমী হাসপাতালে অপারেশনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিয়েছি, বর্তমানে অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন নেই। এখন আমার সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো একটি স্থিতিশীল কর্মসংস্থান ও আর্থিক সহায়তা, যা আমাকে দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ, স্বাভাবিক ও স্বনির্ভর জীবনের পথে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে।
নাম : মো: নুর উদ্দিন তালহা
জন্মতারিখ : ০৫-০৭-২০০০
জন্মস্থান : ফেনী
পেশা : শিক্ষার্থী
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: কসবা, ইউনিয়ন: লেমুয়া, থানা: ফেনী, জেলা: ফেনী
বর্তমান ঠিকানা : মিঝি বাড়ি, এলাকা কসবা, থানা: ফেনী, জেলা: ফেনী
পারিবারিক তথ্য
পিতার নাম : মো: তমিজ উদ্দিন
পিতার পেশা : কর্মহীন
মাতার নাম : মোসাম্মৎ মোরশেদা আক্তার
মাতার পেশা : গৃহিণী
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৫ জন
মাসিক আয় : ৬,০০০ টাকা
আয়ের উৎস : টিউশন
ভাই-বোনের তথ্যাদি
১. মোমেনা আক্তার রাজিয়া, সম্পর্ক: বোন, পেশা: গৃহিণী
২. মাইমুন আক্তার, সম্পর্ক: বোন, পেশা: গৃহিণী
আহত হওয়ার স্থান : মহিপাল জিরো পয়েন্ট, ফেনী
আহত হওয়ার সময় : ০৪-০৮-২০২৪, দুপুর আনুমানিক ২টা
আক্রমণকারী : বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগ বাহিনীর গুলিবর্ষণ
আহতের ধরন : কপালে বুলেট বিদ্ধ
চিকিৎসা : ১. আলকেমী হাসপাতালে ভর্তি, ২. অপারেশনের মাধ্যমে কপাল থেকে বুলেট বের করা
৩. চিকিৎসকগণ জানিয়েছেন বর্তমানে অতিরিক্ত চিকিৎসার প্রয়োজন নেই
চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রস্তাবনা: বর্তমানে বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন নেই;
কর্মসংস্থানের জন্য চাকরির ব্যবস্থা ও আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍