মো: মোশারফ হোসাইন রিয়াদ
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শিক্ষা : অধ্যয়নরত, শহিদুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
১৯৯৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ফেনী জেলার চর লক্ষীগঞ্জ গ্রামের এক সাধারণ কৃষক পরিবারের কোল আলো করে জন্ম নেন মোসারেফ হোসাইন রিয়াদ। তাঁর পিতা আবু তৈয়ব ছিলেন মাটির মানুষ, সারাদিনের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমে যিনি সংসার চালাতেন। মাতা রোকেয়া বেগম ছিলেন শান্ত স্বভাবের একজন গৃহিণী, যিনি সন্তানের শিক্ষার প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন।
শিক্ষার অগ্রযাত্রায় রিয়াদ বর্তমানে অধ্যয়নরত শহিদুল ইসলামী কলেজে। তবে তিনি কেবল পাঠ্যপুস্তকেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার রক্তচক্ষুতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন তরুণ ছাত্র হিসেবে তিনি নিরব দর্শক না থেকে প্রতিরোধের মশাল হাতে নেন।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে গণমানুষের আন্দোলন যখন ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ে, তখন ফেনী জেলার তাকিয়া রোড সংলগ্ন এলাকায় ছাত্র-যুবকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রিয়াদও অংশগ্রহণ করেন। তাঁর কণ্ঠ উচ্চারিত হয়েছিলো স্বাধীনতার দাবিতে, তাঁর পদচারণা প্রতিধ্বনিত হয়েছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
কিন্তু ক্ষমতালোভী সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের অস্ত্রসজ্জিত দল হঠাৎ করেই তাঁর উপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। লাঠি, রড, ইটপাটকেল দিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে তাকে। অচেতন অবস্থায় সহযোদ্ধারা রিয়াদকে দ্রুত নিকটস্থ একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আলহামদুলিল্লাহ, আজ তিনি আবারও জীবনের পথে ফিরে এসেছেন। তবে সেই দিনের রক্তাক্ত স্মৃতি তাঁর ভেতরে অদম্য সাহস ও সংগ্রামী চেতনার অগ্নিশিখা প্রজ্জ্বলিত করেছে।
প্রস্তাবনা
১. চিকিৎসা ও মানসিক পুনর্বাসন: রিয়াদের শারীরিক আঘাতের যথাযথ চিকিৎসা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক কাউন্সেলিং নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ভবিষ্যতের সংগ্রামে আরও দৃঢ় হতে পারেন।
২. শিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়ন সহায়তা: তার শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে তিনি ভবিষ্যতে সমাজ ও জাতির জন্য আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
নাম : মোসারেফ হোসাইন রিয়াদ
পিতার নাম : আবু তৈয়ব (কৃষক)
মাতার নাম : রোকেয়া বেগম (গৃহিণী)
জন্ম তারিখ : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯
জন্মস্থান : চর লক্ষীগঞ্জ গ্রাম, ফেনী জেলা
শিক্ষা : অধ্যয়নরত, শহিদুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ
অবদান : জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও অদম্য সাহস প্রদর্শন
বর্তমান অবস্থা : চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ, সংগ্রামী জীবনের পথে অগ্রসর
শিক্ষার অগ্রযাত্রায় রিয়াদ বর্তমানে অধ্যয়নরত শহিদুল ইসলামী কলেজে। তবে তিনি কেবল পাঠ্যপুস্তকেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যখন স্বৈরাচারী খুনি হাসিনার রক্তচক্ষুতে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে, তখন তরুণ ছাত্র হিসেবে তিনি নিরব দর্শক না থেকে প্রতিরোধের মশাল হাতে নেন।
২০২৪ সালের জুলাই মাসে গণমানুষের আন্দোলন যখন ঢেউয়ের মতো ছড়িয়ে পড়ে, তখন ফেনী জেলার তাকিয়া রোড সংলগ্ন এলাকায় ছাত্র-যুবকদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রিয়াদও অংশগ্রহণ করেন। তাঁর কণ্ঠ উচ্চারিত হয়েছিলো স্বাধীনতার দাবিতে, তাঁর পদচারণা প্রতিধ্বনিত হয়েছিলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে।
কিন্তু ক্ষমতালোভী সন্ত্রাসী বাহিনী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের অস্ত্রসজ্জিত দল হঠাৎ করেই তাঁর উপর অতর্কিত আক্রমণ চালায়। লাঠি, রড, ইটপাটকেল দিয়ে রক্তাক্ত করে ফেলে তাকে। অচেতন অবস্থায় সহযোদ্ধারা রিয়াদকে দ্রুত নিকটস্থ একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যায়। প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে ওঠেন। আলহামদুলিল্লাহ, আজ তিনি আবারও জীবনের পথে ফিরে এসেছেন। তবে সেই দিনের রক্তাক্ত স্মৃতি তাঁর ভেতরে অদম্য সাহস ও সংগ্রামী চেতনার অগ্নিশিখা প্রজ্জ্বলিত করেছে।
প্রস্তাবনা
১. চিকিৎসা ও মানসিক পুনর্বাসন: রিয়াদের শারীরিক আঘাতের যথাযথ চিকিৎসা এবং দীর্ঘমেয়াদি মানসিক কাউন্সেলিং নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ভবিষ্যতের সংগ্রামে আরও দৃঢ় হতে পারেন।
২. শিক্ষা ও পেশাগত উন্নয়ন সহায়তা: তার শিক্ষাজীবন নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করতে হবে। পাশাপাশি, কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে তিনি ভবিষ্যতে সমাজ ও জাতির জন্য আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবেন।
নাম : মোসারেফ হোসাইন রিয়াদ
পিতার নাম : আবু তৈয়ব (কৃষক)
মাতার নাম : রোকেয়া বেগম (গৃহিণী)
জন্ম তারিখ : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯
জন্মস্থান : চর লক্ষীগঞ্জ গ্রাম, ফেনী জেলা
শিক্ষা : অধ্যয়নরত, শহিদুল ইসলাম ডিগ্রী কলেজ
অবদান : জুলাই আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও অদম্য সাহস প্রদর্শন
বর্তমান অবস্থা : চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ, সংগ্রামী জীবনের পথে অগ্রসর
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍