এস. এম. শাহরিয়ার শাহাদ
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : ছাত্র
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্ম ও বেড়ে ওঠা
২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর, চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার ধলাইতলী গ্রামে জন্ম নেয় এক ছোট্ট শিশু—নাম রাখা হয় এস. এম. শাহরিয়ার শাহাদ। গ্রামীণ পরিবেশে তার বেড়ে ওঠা ছিল একেবারেই স্বাভাবিক। বাড়ির উঠোনে আমগাছের ছায়ায় খেলা করা, গ্রামের খালের জলে সাঁতার কাটা, কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে দৌড়ঝাঁপ করা এসবের মধ্য দিয়েই তার শৈশব কেটেছে। পিতা জনাব সাহাবদ্দিন ছিলেন চাকরিজীবী, যিনি কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালাতেন।
আর মা ছালেহা আকতার, ছিলেন গৃহিণী। সংসারের প্রতিটি কাজে মমতা আর ভালোবাসা দিয়ে তিনি সন্তানদের আগলে রাখতেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে শাহাদ ছিলেন সবার মেঝো। বড় বোন শাহরনি সুমি অনার্সে পড়তেন, আর ছোট বোন শাহনূর সারা তখন স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শাহাদের পরিবার যদিও গ্রামীণ জীবনের সাধারণ সংগ্রাম পেরিয়ে দিন কাটাত, তবু শিক্ষার প্রতি ছিল অসাধারণ আগ্রহ। বাবা-মা সন্তানদের মানুষ করতে চেয়েছিলেন শিক্ষার আলোয়। তাই গ্রাম থেকে দূরে হলেও শাহাদকে ভর্তি করা হয় চাঁদপুর পুরান ডিগ্রী কলেজে। পরিবার চেয়েছিল, সে একদিন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর শাহাদ ধীরে ধীরে বন্ধুদের সাথে মিশে যায়। পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ছোটবেলা থেকেই তার মনে ছিল সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন।
আন্দোলনের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে চাকরিক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কোটার নামে বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা বারবার আন্দোলন গড়ে তুলেছে। ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে প্রথম বড় আন্দোলন হয়। তখন দাবি ছিল, সরকারি চাকরিতে মেধার সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে। সরকার একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের দাবি আংশিক মেনে নিলেও স্থায়ী সমাধান দেয়নি। এই অসম্পূর্ণ সমাধান থেকেই ২০২৪ সালে আবারও আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। সারা দেশে শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে রাস্তায় নামে। শাহাদও তাদের মধ্যে একজন। চাঁদপুরে পুরান ডিগ্রী কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। শাহাদ ছোট হলেও, তার মনে ছিল প্রবল উদ্যম। সে মনে করত—“দেশ আমারও, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য।” ০৪ আগস্ট ২০২৪ ইং, তারিখে সকাল থেকেই চাঁদপুরের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। শাহাদও সেদিন তার বন্ধুদের সঙ্গে রওনা দেয় চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। সকাল ১০টার দিকে স্লোগান, মিছিল আর ব্যানার নিয়ে শুরু হয় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি।কিন্তু আন্দোলনের অগ্রগতি যত বাড়তে থাকে, পরিস্থিতিও ততই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আহত হওয়ার ঘটনার বিবরণ
সকাল ১১টার দিকে হঠাৎ করে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ছাত্রলীগের কর্মীরা আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায়। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। শাহাদ সেই ভিড়ের মাঝেই ছিল।লাঠিসোটা আর ইটপাটকেলের আঘাতে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শাহাদ পালাতে চাইলেও পারল না। তার দুই পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। ব্যথায় কুঁকড়ে গেলেও সে নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করে। চারপাশে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। পুলিশও পরিস্থিতি সামলাতে এসে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। একের পর এক টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় চারপাশ ভরে যায়। শ্বাস নিতে কষ্ট হতে থাকে শাহাদের। চোখ জ্বালা করে, মাথা ঘুরে ওঠে। সে একসময় কাছের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়। আহত শরীর নিয়ে সেখানেই কিছুক্ষণ শুয়ে থাকে। কিন্তু টিয়ারশেলের ধোঁয়া আর ভয়ের পরিবেশ তাকে আরও অসহায় করে তোলে। শাহাদ ভাবছিল—“এটা কি তবে আমার দেশের জন্য লড়াইয়ের মূল্য?” তবু তার ভেতরে কোনো আফসোস ছিল না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য সে গর্বিত ছিল।
চিকিৎসা ও সুস্থতা
শাহাদকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানের ক্ষত প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমেই ধীরে ধীরে সেরে ওঠে। মারাত্মক আঘাত না থাকায় বড় ধরনের চিকিৎসা দরকার হয়নি। চিকিৎসা শেষে সে আবার বাড়ি ফিরে যায়। বাবা-মা খুব ভীত হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু শাহাদ তাদের সান্ত্বনা দিয়ে বলে, “আমি ভালো আছি। দেশের জন্য একটু ব্যথা আমার কিছু যায় আসে না।” বর্তমানে আলহামদুলিল্লাহ, সে সুস্থ আছে। তবে সেই দিনের অভিজ্ঞতা তার জীবনে গভীর ছাপ ফেলেছে। আন্দোলনের চেতনা তার ভেতরে আরও দৃঢ় হয়েছে। এস. এম. শাহরয়িয়ার শাহাদ কেবল একজন কলেজ শিক্ষার্থী নয়; সে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক সাহসী নাম। ছোট্ট শহর চাঁদপুর থেকে উঠে এসে সে প্রমাণ করেছে— দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে চুপ করে থাকবে না।
একনজরে
নাম : এস. এম. শাহরয়িয়ার শাহাদ
জন্ম তারিখ : ২ সেপ্টেম্বর ২০০৭
জন্মস্থান : চাঁদপুর
পেশা : ছাত্র
প্রতিষ্ঠান : পুরান ডিগ্রী কলেজ, চাঁদপুর
নিজ জেলা : চাঁদপুর
স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা
গ্রাম: ধলাইতলী
থানা: মতলব দক্ষিণ
জেলা : চাঁদপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মোঃ শাহাবুদ্দিন
মায়ের নাম : সালেহা আকতার
পিতার পেশা ও বয়স : চাকরিজীবী, ৫৪ বছর
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫ বছর
মাসিক আয় : ৩০,০০০ টাকা
আয়ের উৎস: চাকরি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৫ জন
ভাইবোনের বিবরণ
১. শাহরনি সিমি, বয়স : ২১, পেশা : ছাত্রী, শ্রেণি : অনার্স, সম্পর্ক : বোন
২. শাহনূর সারা, বয়স : ১৩, পেশা : ছাত্রী, শ্রেণি : ৭ম, সম্পর্ক : বোন
ঘটনার তথ্য
ঘটনার স্থান : বাসস্ট্যান্ড, চাঁদপুর
আহত হওয়ার সময়কাল : সকাল ১১টা, ৪ আগস্ট ২০২৪ ইং
আক্রমণকারী : ছাত্রলীগ
২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর, চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার ধলাইতলী গ্রামে জন্ম নেয় এক ছোট্ট শিশু—নাম রাখা হয় এস. এম. শাহরিয়ার শাহাদ। গ্রামীণ পরিবেশে তার বেড়ে ওঠা ছিল একেবারেই স্বাভাবিক। বাড়ির উঠোনে আমগাছের ছায়ায় খেলা করা, গ্রামের খালের জলে সাঁতার কাটা, কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে মাঠে দৌড়ঝাঁপ করা এসবের মধ্য দিয়েই তার শৈশব কেটেছে। পিতা জনাব সাহাবদ্দিন ছিলেন চাকরিজীবী, যিনি কঠোর পরিশ্রম করে সংসার চালাতেন।
আর মা ছালেহা আকতার, ছিলেন গৃহিণী। সংসারের প্রতিটি কাজে মমতা আর ভালোবাসা দিয়ে তিনি সন্তানদের আগলে রাখতেন। তিন ভাইবোনের মধ্যে শাহাদ ছিলেন সবার মেঝো। বড় বোন শাহরনি সুমি অনার্সে পড়তেন, আর ছোট বোন শাহনূর সারা তখন স্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী। শাহাদের পরিবার যদিও গ্রামীণ জীবনের সাধারণ সংগ্রাম পেরিয়ে দিন কাটাত, তবু শিক্ষার প্রতি ছিল অসাধারণ আগ্রহ। বাবা-মা সন্তানদের মানুষ করতে চেয়েছিলেন শিক্ষার আলোয়। তাই গ্রাম থেকে দূরে হলেও শাহাদকে ভর্তি করা হয় চাঁদপুর পুরান ডিগ্রী কলেজে। পরিবার চেয়েছিল, সে একদিন মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হোক। কলেজে ভর্তি হওয়ার পর শাহাদ ধীরে ধীরে বন্ধুদের সাথে মিশে যায়। পড়াশোনার পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় হয়ে ওঠে। ছোটবেলা থেকেই তার মনে ছিল সমাজ ও দেশের জন্য কিছু করার স্বপ্ন।
আন্দোলনের প্রেক্ষাপট
বাংলাদেশে চাকরিক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে কোটার নামে বৈষম্য বিদ্যমান ছিল। এ বৈষম্যের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা বারবার আন্দোলন গড়ে তুলেছে। ২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে প্রথম বড় আন্দোলন হয়। তখন দাবি ছিল, সরকারি চাকরিতে মেধার সঠিক মূল্যায়ন করতে হবে। সরকার একপর্যায়ে আন্দোলনকারীদের দাবি আংশিক মেনে নিলেও স্থায়ী সমাধান দেয়নি। এই অসম্পূর্ণ সমাধান থেকেই ২০২৪ সালে আবারও আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। সারা দেশে শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে রাস্তায় নামে। শাহাদও তাদের মধ্যে একজন। চাঁদপুরে পুরান ডিগ্রী কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা মিলে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল। শাহাদ ছোট হলেও, তার মনে ছিল প্রবল উদ্যম। সে মনে করত—“দেশ আমারও, অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো আমার কর্তব্য।” ০৪ আগস্ট ২০২৪ ইং, তারিখে সকাল থেকেই চাঁদপুরের বিভিন্ন জায়গায় শিক্ষার্থীরা জড়ো হতে শুরু করে। শাহাদও সেদিন তার বন্ধুদের সঙ্গে রওনা দেয় চাঁদপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায়। সকাল ১০টার দিকে স্লোগান, মিছিল আর ব্যানার নিয়ে শুরু হয় শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি।কিন্তু আন্দোলনের অগ্রগতি যত বাড়তে থাকে, পরিস্থিতিও ততই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
আহত হওয়ার ঘটনার বিবরণ
সকাল ১১টার দিকে হঠাৎ করে পরিস্থিতি পাল্টে যায়। ছাত্রলীগের কর্মীরা আন্দোলনকারীদের উপর হামলা চালায়। শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি মুহূর্তেই রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। শাহাদ সেই ভিড়ের মাঝেই ছিল।লাঠিসোটা আর ইটপাটকেলের আঘাতে চারদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শাহাদ পালাতে চাইলেও পারল না। তার দুই পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত লাগে। ব্যথায় কুঁকড়ে গেলেও সে নিজেকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করে। চারপাশে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলতে থাকে। পুলিশও পরিস্থিতি সামলাতে এসে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। একের পর এক টিয়ারশেলের ধোঁয়ায় চারপাশ ভরে যায়। শ্বাস নিতে কষ্ট হতে থাকে শাহাদের। চোখ জ্বালা করে, মাথা ঘুরে ওঠে। সে একসময় কাছের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেয়। আহত শরীর নিয়ে সেখানেই কিছুক্ষণ শুয়ে থাকে। কিন্তু টিয়ারশেলের ধোঁয়া আর ভয়ের পরিবেশ তাকে আরও অসহায় করে তোলে। শাহাদ ভাবছিল—“এটা কি তবে আমার দেশের জন্য লড়াইয়ের মূল্য?” তবু তার ভেতরে কোনো আফসোস ছিল না। অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়ানোর জন্য সে গর্বিত ছিল।
চিকিৎসা ও সুস্থতা
শাহাদকে দ্রুত প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। শরীরের বিভিন্ন স্থানের ক্ষত প্রাথমিক চিকিৎসার মাধ্যমেই ধীরে ধীরে সেরে ওঠে। মারাত্মক আঘাত না থাকায় বড় ধরনের চিকিৎসা দরকার হয়নি। চিকিৎসা শেষে সে আবার বাড়ি ফিরে যায়। বাবা-মা খুব ভীত হয়ে পড়েছিলেন। কিন্তু শাহাদ তাদের সান্ত্বনা দিয়ে বলে, “আমি ভালো আছি। দেশের জন্য একটু ব্যথা আমার কিছু যায় আসে না।” বর্তমানে আলহামদুলিল্লাহ, সে সুস্থ আছে। তবে সেই দিনের অভিজ্ঞতা তার জীবনে গভীর ছাপ ফেলেছে। আন্দোলনের চেতনা তার ভেতরে আরও দৃঢ় হয়েছে। এস. এম. শাহরয়িয়ার শাহাদ কেবল একজন কলেজ শিক্ষার্থী নয়; সে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের ইতিহাসে এক সাহসী নাম। ছোট্ট শহর চাঁদপুর থেকে উঠে এসে সে প্রমাণ করেছে— দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্যায়ের বিরুদ্ধে চুপ করে থাকবে না।
একনজরে
নাম : এস. এম. শাহরয়িয়ার শাহাদ
জন্ম তারিখ : ২ সেপ্টেম্বর ২০০৭
জন্মস্থান : চাঁদপুর
পেশা : ছাত্র
প্রতিষ্ঠান : পুরান ডিগ্রী কলেজ, চাঁদপুর
নিজ জেলা : চাঁদপুর
স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা
গ্রাম: ধলাইতলী
থানা: মতলব দক্ষিণ
জেলা : চাঁদপুর
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মোঃ শাহাবুদ্দিন
মায়ের নাম : সালেহা আকতার
পিতার পেশা ও বয়স : চাকরিজীবী, ৫৪ বছর
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫ বছর
মাসিক আয় : ৩০,০০০ টাকা
আয়ের উৎস: চাকরি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৫ জন
ভাইবোনের বিবরণ
১. শাহরনি সিমি, বয়স : ২১, পেশা : ছাত্রী, শ্রেণি : অনার্স, সম্পর্ক : বোন
২. শাহনূর সারা, বয়স : ১৩, পেশা : ছাত্রী, শ্রেণি : ৭ম, সম্পর্ক : বোন
ঘটনার তথ্য
ঘটনার স্থান : বাসস্ট্যান্ড, চাঁদপুর
আহত হওয়ার সময়কাল : সকাল ১১টা, ৪ আগস্ট ২০২৪ ইং
আক্রমণকারী : ছাত্রলীগ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍