মোঃ আবু হাসনাত
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : ছাত্র
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্ম ও বেড়ে ওঠা
মোঃ আবু হাসনাতের জন্ম ২০০৩ সালের ৩ জুলাই নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার কাবিলপুর ইউনিয়নের ভুঞাবাড়ী গ্রামে। পরিবারে তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি বড়। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিলেন। বাবা শাহ জালাল একজন মিলি: ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করলেও আয়ের উৎস ছিল সীমিত। মাসে প্রায় পনেরো হাজার টাকার মধ্যে সংসার চালাতে হতো। মায়ের নাম রোকেয়া বেগম, যিনি সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করতেন।
গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা হাসনাত ছোট থেকেই বই পড়তে ভালোবাসতেন। গ্রামের বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি ইন্টার ২য় বর্ষের ছাত্র। তার দুই বোন নুসরাত জাহান ও নরুজ্জাহান নিশাত দুজনেই নবম শ্রেণির ছাত্রী। পরিবারটির স্বপ্ন ছিল, হাসনাত পড়াশোনা শেষ করে একটি সরকারি চাকুরি করবে। তবে দারিদ্র্যের কারণে স্বপ্ন পূরণ সহজ ছিল না। বাড়ি বলতে নিজেদের কোনো জমি বা স্থায়ী ঘর নেই। পরিবারটি ভাড়াটিয়া হিসেবে অন্যের জায়গায় থাকত। অর্থনৈতিক সংকট থাকা সত্ত্বেও হাসনাত কখনও হতাশ হননি। বরং তিনি স্বপ্ন দেখতেন, একদিন দেশের জন্য কিছু করবেন এবং পরিবারকে দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্ত করবেন।
আন্দোলনের প্রেক্ষাপট
২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথমবার কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু করেছিল। দাবি ছিল সরকারি চাকরিতে মেধার মূল্যায়ন হোক। সরকার তখন ছাত্রদের উপর নির্যাতন চালায়, কিন্তু আন্দোলনের চাপে কিছু সংস্কার আনে। তবে সেটি স্থায়ী সমাধান ছিল না। ২০২৪ সালে আবারও দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়। এবার শুধু কোটা সংস্কারের দাবি নয়, বরং শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগেরও দাবি ওঠে। চারপাশে যখন তরুণরা রাস্তায় নামছে, তখন আবু হাসনাতও পিছিয়ে থাকেননি। খাগড়াছড়ি শহরের বিভিন্ন ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী সভায় তিনি নিয়মিত উপস্থিত হতেন। ৪ আগস্ট ২০২৪ ছিল আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। সেদিন সারা দেশে এক দফা এক দাবির ডাক দেয়া হয়। খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বরে শিক্ষার্থী, শ্রমিক, কৃষিজীবীসহ সাধারণ মানুষ সমবেত হয়। আবু হাসনাতও সেই জনতার সঙ্গে যোগ দেন। তার চোখে তখন ছিল স্বপ্নএকটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ।
আহত হওয়ার ঘটনার বিবরণ
সেদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট। শাপলা চত্বরে ছাত্ররা স্লোগান তুলছিল এক দফা, এক দাবি হাসিনা তুই কবে যাবি। মিছিল এগোতেই হঠাৎই সরকারপন্থী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা দা, রড, লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। চোখের পলকে শান্তিপূর্ণ মিছিল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। চারপাশে আর্তচিৎকার, ভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায়। আবু হাসনাত যখন স্লোগান দিতে দিতে সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন হঠাৎ একজন সন্ত্রাসী তার ওপর লোহার রড দিয়ে আঘাত করে। তার পায়ে একাধিক আঘাত লাগে, ডান হাতের আঙুল চূর্ণ হয়ে যায়। অসহ্য যন্ত্রণায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার শরীর থেকে রক্ত গড়িয়ে শার্ট ভিজে যায়। বন্ধুরা চেষ্টা করে তাকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে। কিন্তু চারপাশে এত ভীতি আর হামলা চলছিল যে তাকে বহন করাই কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও আন্দোলনরত সহপাঠীরা ঝুঁকি নিয়ে হাসনাতকে ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা
৪ আগস্ট বিকেলে তাকে দ্রুত খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ৬ আগস্ট চট্টগ্রাম ঈগঝ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন সন্ধ্যা সাতটায় তাকে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে নেয়া হয়।১০ আগস্ট তার অপারেশন সম্পন্ন হয়। ডান হাতের আঙুল আংশিক নষ্ট হয়ে যায়, যা এখন আর ঠিকভাবে নড়াচড়া করে না। পায়ের ক্ষত থেকে এখনও মাঝে মাঝে রক্ত ও পুঁজ বের হয়। চিকিৎসকরা নিয়মিত ড্রেসিং চালিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু সম্পূর্ণ সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে।চিকিৎসার খরচ বহন করাও পরিবারের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাবার স্বল্প আয়ের চাকরিতে সংসার চালানোই কষ্টকর, তার ওপর অতিরিক্ত চিকিৎসা খরচ যেন পাহাড়সম বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তবুও আবু হাসনাত মনোবল হারাননি। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন আবার লিখতে পারবেন, হাঁটতে পারবেন। তিনি আশা করেন, তার ক্ষত ও রক্ত ঝরানো একদিন বৃথা যাবে না এই দেশের তরুণ প্রজন্ম বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
নাম : মোঃ আবু হাসনাত
জন্ম তারিখ : ০৩/০৭/২০০৩
পেশা : ছাত্র
প্রতিষ্ঠান : খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ (ইন্টার-২য় বর্ষ)
নিজ জেলা : নোয়াখালী
স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা
গ্রাম: বাড়ী
ইউনিয়ন: কাবিলপুর
থানা: সেনবাগ
জেলা: নোয়াখালী
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম: শাহ জালাল
পিতার পেশা ও বয়স: মিলি: ইঞ্জিনিয়ার, নার্ভিসে চাকুরী, বয়স ৫২
মায়ের নাম: রোকেয়া বেগম
মায়ের পেশা ও বয়স: গৃহিণী, বয়স ৪২
মাসিক আয়: ১৫,০০০/-
আয়ের উৎস: বাবার সামান্য চাকুরি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৫
ভাইবোন/সন্তানদের বিবরণ
১. নুসরাত জাহান, বয়স ১৭, পেশা: ছাত্রী, শ্রেণি: ৯ম, সম্পর্ক: বোন
২. নরুজ্জাহান নিশাত, বয়স ১৭, পেশা: ছাত্রী, শ্রেণি: ৯ম, সম্পর্ক: বোন
ঘটনার স্থান: শাপলা চত্বর মোড়, খাগড়াছড়ি
আহত হওয়ার সময়কাল: ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২:৩০ মিনিট
আক্রমণকারী: স্বৈরাচারী সরকারের লালিত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও যুবলীগ
মোঃ আবু হাসনাতের জন্ম ২০০৩ সালের ৩ জুলাই নোয়াখালী জেলার সেনবাগ থানার কাবিলপুর ইউনিয়নের ভুঞাবাড়ী গ্রামে। পরিবারে তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি বড়। ছোটবেলা থেকেই মেধাবী ও শান্ত স্বভাবের ছেলে ছিলেন। বাবা শাহ জালাল একজন মিলি: ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করলেও আয়ের উৎস ছিল সীমিত। মাসে প্রায় পনেরো হাজার টাকার মধ্যে সংসার চালাতে হতো। মায়ের নাম রোকেয়া বেগম, যিনি সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব পালন করতেন।
গ্রামীণ পরিবেশে বেড়ে ওঠা হাসনাত ছোট থেকেই বই পড়তে ভালোবাসতেন। গ্রামের বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজে ভর্তি হন। বর্তমানে তিনি ইন্টার ২য় বর্ষের ছাত্র। তার দুই বোন নুসরাত জাহান ও নরুজ্জাহান নিশাত দুজনেই নবম শ্রেণির ছাত্রী। পরিবারটির স্বপ্ন ছিল, হাসনাত পড়াশোনা শেষ করে একটি সরকারি চাকুরি করবে। তবে দারিদ্র্যের কারণে স্বপ্ন পূরণ সহজ ছিল না। বাড়ি বলতে নিজেদের কোনো জমি বা স্থায়ী ঘর নেই। পরিবারটি ভাড়াটিয়া হিসেবে অন্যের জায়গায় থাকত। অর্থনৈতিক সংকট থাকা সত্ত্বেও হাসনাত কখনও হতাশ হননি। বরং তিনি স্বপ্ন দেখতেন, একদিন দেশের জন্য কিছু করবেন এবং পরিবারকে দুঃখ-কষ্ট থেকে মুক্ত করবেন।
আন্দোলনের প্রেক্ষাপট
২০১৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথমবার কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু করেছিল। দাবি ছিল সরকারি চাকরিতে মেধার মূল্যায়ন হোক। সরকার তখন ছাত্রদের উপর নির্যাতন চালায়, কিন্তু আন্দোলনের চাপে কিছু সংস্কার আনে। তবে সেটি স্থায়ী সমাধান ছিল না। ২০২৪ সালে আবারও দেশজুড়ে আন্দোলন শুরু হয়। এবার শুধু কোটা সংস্কারের দাবি নয়, বরং শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগেরও দাবি ওঠে। চারপাশে যখন তরুণরা রাস্তায় নামছে, তখন আবু হাসনাতও পিছিয়ে থাকেননি। খাগড়াছড়ি শহরের বিভিন্ন ছাত্র-জনতার বৈষম্যবিরোধী সভায় তিনি নিয়মিত উপস্থিত হতেন। ৪ আগস্ট ২০২৪ ছিল আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। সেদিন সারা দেশে এক দফা এক দাবির ডাক দেয়া হয়। খাগড়াছড়ির শাপলা চত্বরে শিক্ষার্থী, শ্রমিক, কৃষিজীবীসহ সাধারণ মানুষ সমবেত হয়। আবু হাসনাতও সেই জনতার সঙ্গে যোগ দেন। তার চোখে তখন ছিল স্বপ্নএকটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ।
আহত হওয়ার ঘটনার বিবরণ
সেদিন দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট। শাপলা চত্বরে ছাত্ররা স্লোগান তুলছিল এক দফা, এক দাবি হাসিনা তুই কবে যাবি। মিছিল এগোতেই হঠাৎই সরকারপন্থী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সন্ত্রাসীরা দা, রড, লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। চোখের পলকে শান্তিপূর্ণ মিছিল রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। চারপাশে আর্তচিৎকার, ভয়ে দৌড়াদৌড়ি শুরু হয়ে যায়। আবু হাসনাত যখন স্লোগান দিতে দিতে সামনে দাঁড়িয়েছিলেন, তখন হঠাৎ একজন সন্ত্রাসী তার ওপর লোহার রড দিয়ে আঘাত করে। তার পায়ে একাধিক আঘাত লাগে, ডান হাতের আঙুল চূর্ণ হয়ে যায়। অসহ্য যন্ত্রণায় তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তার শরীর থেকে রক্ত গড়িয়ে শার্ট ভিজে যায়। বন্ধুরা চেষ্টা করে তাকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে। কিন্তু চারপাশে এত ভীতি আর হামলা চলছিল যে তাকে বহন করাই কঠিন হয়ে পড়ে। তবুও আন্দোলনরত সহপাঠীরা ঝুঁকি নিয়ে হাসনাতকে ঘটনাস্থল থেকে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চিকিৎসা ও বর্তমান অবস্থা
৪ আগস্ট বিকেলে তাকে দ্রুত খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে ক্যান্টনমেন্ট হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ৬ আগস্ট চট্টগ্রাম ঈগঝ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন সন্ধ্যা সাতটায় তাকে ইমার্জেন্সি ওয়ার্ডে নেয়া হয়।১০ আগস্ট তার অপারেশন সম্পন্ন হয়। ডান হাতের আঙুল আংশিক নষ্ট হয়ে যায়, যা এখন আর ঠিকভাবে নড়াচড়া করে না। পায়ের ক্ষত থেকে এখনও মাঝে মাঝে রক্ত ও পুঁজ বের হয়। চিকিৎসকরা নিয়মিত ড্রেসিং চালিয়ে যাচ্ছেন, কিন্তু সম্পূর্ণ সুস্থ হতে দীর্ঘ সময় লাগবে।চিকিৎসার খরচ বহন করাও পরিবারের জন্য একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বাবার স্বল্প আয়ের চাকরিতে সংসার চালানোই কষ্টকর, তার ওপর অতিরিক্ত চিকিৎসা খরচ যেন পাহাড়সম বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে।তবুও আবু হাসনাত মনোবল হারাননি। তিনি বিশ্বাস করেন, একদিন আবার লিখতে পারবেন, হাঁটতে পারবেন। তিনি আশা করেন, তার ক্ষত ও রক্ত ঝরানো একদিন বৃথা যাবে না এই দেশের তরুণ প্রজন্ম বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলবে।
নাম : মোঃ আবু হাসনাত
জন্ম তারিখ : ০৩/০৭/২০০৩
পেশা : ছাত্র
প্রতিষ্ঠান : খাগড়াছড়ি সরকারি কলেজ (ইন্টার-২য় বর্ষ)
নিজ জেলা : নোয়াখালী
স্থায়ী ঠিকানা ও বর্তমান ঠিকানা
গ্রাম: বাড়ী
ইউনিয়ন: কাবিলপুর
থানা: সেনবাগ
জেলা: নোয়াখালী
পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম: শাহ জালাল
পিতার পেশা ও বয়স: মিলি: ইঞ্জিনিয়ার, নার্ভিসে চাকুরী, বয়স ৫২
মায়ের নাম: রোকেয়া বেগম
মায়ের পেশা ও বয়স: গৃহিণী, বয়স ৪২
মাসিক আয়: ১৫,০০০/-
আয়ের উৎস: বাবার সামান্য চাকুরি
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৫
ভাইবোন/সন্তানদের বিবরণ
১. নুসরাত জাহান, বয়স ১৭, পেশা: ছাত্রী, শ্রেণি: ৯ম, সম্পর্ক: বোন
২. নরুজ্জাহান নিশাত, বয়স ১৭, পেশা: ছাত্রী, শ্রেণি: ৯ম, সম্পর্ক: বোন
ঘটনার স্থান: শাপলা চত্বর মোড়, খাগড়াছড়ি
আহত হওয়ার সময়কাল: ৪ আগস্ট ২০২৪, দুপুর ১২:৩০ মিনিট
আক্রমণকারী: স্বৈরাচারী সরকারের লালিত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও যুবলীগ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍