ফরিদ আহমদ
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা:গাড়ির মিস্ত্রী
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্মপরিচয়ঃ
ফরিদ আহমদ, যিনি ১৯৮৭ সালের ১লা জানুয়ারি নোয়াখালী জেলার এক স্বনামধন্য মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মহিনুল হক একজন কৃষক এবং মা নাসিমা বেগম একজন গৃহিণী। পরিবারের তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনিই সবার বড়। তার ছোট ভাই রিয়াজ মাহমুদ চাকরি করছেন এবং বোন ইয়াসমিন আক্তার।
ফরিদ আহমদের পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীর সেনবাগ থানার অন্তর্গত লুধুয়া গ্রামের কালাবাড়িয়াতে, যেখানে তার পরিবার দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করে আসছে। বর্তমানে তিনি একই থানার বজলবাড়িতে বসবাস করছেন।
পেশায় তিনি একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ গাড়ি মিস্ত্রী। ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলেছেন। গাড়ির মেকানিকের কাজকে তিনি শুধু পেশা হিসেবেই দেখেন না, বরং এটিকে শিল্প হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তার হাতের ছোঁয়ায় প্রতিটি গাড়ির যান্ত্রিক ত্রুটি দূর হয় এবং সেগুলি আবারও নতুন রূপে সচল হয়। তার এই কর্মনিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব তাকে তার কর্মক্ষেত্রে পরিচিতি এনে দিয়েছে।
আন্দোলনে অংশগ্রহণ
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা সারা দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচি পালন করেন। পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার অধিকার আদায়ের জন্য ঢাকার মহাখালী মোড়ে অন্যান্য হাজার হাজার ছাত্রজনতার সাথে আন্দোলনে অংশ নিই। আমরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো তুলে ধরছিলাম। আমাদের এই অবস্থান বেলা বাড়ার সাথে সাথে উত্তপ্ত হতে শুরু করে।
হঠাৎ করেই পুলিশ, সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একদল সশস্ত্র সদস্য আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা বিনা উসকানিতে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে। এক মুহূর্তের মধ্যেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। চারদিকে কেবল চিৎকার, বিশৃঙ্খলা আর আতঙ্ক। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে একটি গুলি এসে আমার ডান পায়ে আঘাত করে। তীব্র ব্যথা এবং আকস্মিক আঘাতে আমি তাৎক্ষণিকভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমার অবস্থার অবনতি হওয়ায় আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পরবর্তীতে, ২০ জুলাই আমি ১৩ হাজার টাকা খরচ করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নোয়াখালী চলে আসি। সেখানে একদিন থাকার পর, ২১ জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য আমি চট্টগ্রাম চলে যাই এবং চকবাজার মেডিকেলে ভর্তি হই। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আমার চিকিৎসা শুরু হয়।
চিকিৎসাঃ
আমার সাথে থাকা সহযোদ্ধা ছাত্র ও কিছু মানবিক সাধারণ মানুষ আমাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমার অবস্থার অবনতি হওয়ায় আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গুলির আঘাতে আমার পায়ের মাংস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটি একটি গুরুতর জখম। ফলে, আমার পায়ের ক্ষতস্থানে অন্য স্থান থেকে মাংস নিয়ে প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি জটিল অস্ত্রোপচার করতে হয়।
এই আঘাত আমাকে মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক চিকিৎসার পর আমি বাড়িতে ফিরে আসি এবং এখন পর্যন্ত আমার চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসা প্রস্তাবনা
গুলির আঘাতে রোগীর ডান পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আংশিকভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে। বর্তমানে রোগীর সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে উন্নত চিকিৎসা অপরিহার্য। ক্ষতস্থানে নিয়মিত ড্রেসিং, অ্যান্টিবায়োটিক সেবন এবং চিকিৎসকের ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়ানো যায়। একই সঙ্গে ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। পায়ের স্বাভাবিক চলাচল ও শক্তি ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি ফিজিওথেরাপি অপরিহার্য, পাশাপাশি পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু করতে হবে। এ ধরনের শারীরিক আঘাত মানসিকভাবে গভীর প্রভাব ফেলে, তাই রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে বিশেষজ্ঞ কাউন্সেলিং ও প্রয়োজনীয় থেরাপি জরুরি। উন্নত চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখতে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন, এবং প্রয়োজনে বিদেশে উন্নত অর্থোপেডিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে রোগী ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সক্ষম হবে।
কর্মসংস্থান প্রস্তাবনা
উল্লিখিত ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকার কারণে শিক্ষাজীবন ও স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে স্বাভাবিক চাকরির সুযোগ সীমিত হওয়ায় টিকে থাকার জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে একটি ওয়ার্কশপ দোকান প্রতিষ্ঠা করা বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে। ওয়ার্কশপ দোকান চালু হলে সেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যেমন যানবাহনের যন্ত্রাংশ মেরামত, যান্ত্রিক সেবা প্রদান ও খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রি। এর মাধ্যমে কেবল নিজস্ব আয়ের পথ সুগম হবে না, বরং অন্য কয়েকজনকে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে এই দোকান একটি স্থায়ী আয়ের উৎসে পরিণত হবে, যা চিকিৎসার খরচ বহন ও পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে সহায়ক হবে। তাই জীবিকা নির্বাহ, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং সমাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার জন্য একটি ওয়ার্কশপ দোকান দেয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
একনজরে:
নাম:ফরিদ আহমদ
জন্মতারিখ: ০১/০১/১৯৮৭
জন্মস্থান:নোয়াখালী
পেশা:গাড়ির মিস্ত্রী
প্রতিষ্ঠান: ঢাকায় গাড়ির মেকানিকের কাজ
স্থায়ী ঠিকানা: কালাবাড়িয়া,লুধুয়া,সেনবাগ,নোয়াখালী
বর্তমান ঠিকানাঃ বজলবাড়ি,সেনবাগ,নোয়াখালী
পিতাঃ মহিনুল হক (কৃষি)
মাতা: নাসিমা বেগম (গৃহিণী)
আয়:৫০০০-৬০০০ টাকা
আয়ের উৎস:কৃষি
যোগাযোগ:০১৮৩২২২৯৬৪১
পরিবারের সদস্য সংখ্যা:৬
ভাই:রিয়াজ মাহমুদ,চাকরি
বোন:ইয়াসমিন আক্তার
ঘটনার স্থানঃ মহাখালী,ঢাকা
আক্রমণকারীঃ সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ,যুবলীগ ও পুলিশ
আহত হওয়ার সময়ঃ ১৯ লুলাই ২০২৪, বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিট
ফরিদ আহমদ, যিনি ১৯৮৭ সালের ১লা জানুয়ারি নোয়াখালী জেলার এক স্বনামধন্য মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মহিনুল হক একজন কৃষক এবং মা নাসিমা বেগম একজন গৃহিণী। পরিবারের তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনিই সবার বড়। তার ছোট ভাই রিয়াজ মাহমুদ চাকরি করছেন এবং বোন ইয়াসমিন আক্তার।
ফরিদ আহমদের পৈতৃক নিবাস নোয়াখালীর সেনবাগ থানার অন্তর্গত লুধুয়া গ্রামের কালাবাড়িয়াতে, যেখানে তার পরিবার দীর্ঘকাল ধরে বসবাস করে আসছে। বর্তমানে তিনি একই থানার বজলবাড়িতে বসবাস করছেন।
পেশায় তিনি একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ গাড়ি মিস্ত্রী। ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে তিনি নিষ্ঠার সাথে কাজ করে চলেছেন। গাড়ির মেকানিকের কাজকে তিনি শুধু পেশা হিসেবেই দেখেন না, বরং এটিকে শিল্প হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, তার হাতের ছোঁয়ায় প্রতিটি গাড়ির যান্ত্রিক ত্রুটি দূর হয় এবং সেগুলি আবারও নতুন রূপে সচল হয়। তার এই কর্মনিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব তাকে তার কর্মক্ষেত্রে পরিচিতি এনে দিয়েছে।
আন্দোলনে অংশগ্রহণ
২০২৪ সালের ১৯ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা সারা দেশে দ্বিতীয় দিনের মতো 'কমপ্লিট শাটডাউন' কর্মসূচি পালন করেন। পূর্বঘোষিত এই কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমার অধিকার আদায়ের জন্য ঢাকার মহাখালী মোড়ে অন্যান্য হাজার হাজার ছাত্রজনতার সাথে আন্দোলনে অংশ নিই। আমরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে আমাদের যৌক্তিক দাবিগুলো তুলে ধরছিলাম। আমাদের এই অবস্থান বেলা বাড়ার সাথে সাথে উত্তপ্ত হতে শুরু করে।
হঠাৎ করেই পুলিশ, সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের একদল সশস্ত্র সদস্য আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা বিনা উসকানিতে এলোপাথাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে। এক মুহূর্তের মধ্যেই শান্তিপূর্ণ সমাবেশটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়। চারদিকে কেবল চিৎকার, বিশৃঙ্খলা আর আতঙ্ক। এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে একটি গুলি এসে আমার ডান পায়ে আঘাত করে। তীব্র ব্যথা এবং আকস্মিক আঘাতে আমি তাৎক্ষণিকভাবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি এবং জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমার অবস্থার অবনতি হওয়ায় আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
পরবর্তীতে, ২০ জুলাই আমি ১৩ হাজার টাকা খরচ করে একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে নোয়াখালী চলে আসি। সেখানে একদিন থাকার পর, ২১ জুলাই উন্নত চিকিৎসার জন্য আমি চট্টগ্রাম চলে যাই এবং চকবাজার মেডিকেলে ভর্তি হই। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে আমার চিকিৎসা শুরু হয়।
চিকিৎসাঃ
আমার সাথে থাকা সহযোদ্ধা ছাত্র ও কিছু মানবিক সাধারণ মানুষ আমাকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ একটি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর আমার অবস্থার অবনতি হওয়ায় আমাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, গুলির আঘাতে আমার পায়ের মাংস মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং এটি একটি গুরুতর জখম। ফলে, আমার পায়ের ক্ষতস্থানে অন্য স্থান থেকে মাংস নিয়ে প্রতিস্থাপন করার জন্য একটি জটিল অস্ত্রোপচার করতে হয়।
এই আঘাত আমাকে মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে দুর্বল করে দিয়েছে। দীর্ঘ ও যন্ত্রণাদায়ক চিকিৎসার পর আমি বাড়িতে ফিরে আসি এবং এখন পর্যন্ত আমার চিকিৎসা চলছে।
চিকিৎসা প্রস্তাবনা
গুলির আঘাতে রোগীর ডান পা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা ইতোমধ্যে জটিল অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে আংশিকভাবে চিকিৎসা করা হয়েছে। বর্তমানে রোগীর সুস্থতা ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনতে উন্নত চিকিৎসা অপরিহার্য। ক্ষতস্থানে নিয়মিত ড্রেসিং, অ্যান্টিবায়োটিক সেবন এবং চিকিৎসকের ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন, যাতে সংক্রমণের ঝুঁকি এড়ানো যায়। একই সঙ্গে ব্যথা ও প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে উপযুক্ত ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে। পায়ের স্বাভাবিক চলাচল ও শক্তি ফিরিয়ে আনতে দীর্ঘমেয়াদি ফিজিওথেরাপি অপরিহার্য, পাশাপাশি পুনর্বাসন কর্মসূচি চালু করতে হবে। এ ধরনের শারীরিক আঘাত মানসিকভাবে গভীর প্রভাব ফেলে, তাই রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যের যত্নে বিশেষজ্ঞ কাউন্সেলিং ও প্রয়োজনীয় থেরাপি জরুরি। উন্নত চিকিৎসা সেবা অব্যাহত রাখতে পর্যাপ্ত আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন, এবং প্রয়োজনে বিদেশে উন্নত অর্থোপেডিক চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা যেতে পারে। যথাযথ চিকিৎসা ও সহায়তা নিশ্চিত করা গেলে রোগী ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সক্ষম হবে।
কর্মসংস্থান প্রস্তাবনা
উল্লিখিত ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়ে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকার কারণে শিক্ষাজীবন ও স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। বর্তমানে স্বাভাবিক চাকরির সুযোগ সীমিত হওয়ায় টিকে থাকার জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে একটি ওয়ার্কশপ দোকান প্রতিষ্ঠা করা বাস্তবসম্মত সমাধান হতে পারে। ওয়ার্কশপ দোকান চালু হলে সেখানে বিভিন্ন ধরনের কাজের সুযোগ সৃষ্টি হবে, যেমন যানবাহনের যন্ত্রাংশ মেরামত, যান্ত্রিক সেবা প্রদান ও খুচরা যন্ত্রাংশ বিক্রি। এর মাধ্যমে কেবল নিজস্ব আয়ের পথ সুগম হবে না, বরং অন্য কয়েকজনকে কর্মসংস্থানের সুযোগও সৃষ্টি করা সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদে এই দোকান একটি স্থায়ী আয়ের উৎসে পরিণত হবে, যা চিকিৎসার খরচ বহন ও পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করতে সহায়ক হবে। তাই জীবিকা নির্বাহ, স্বনির্ভরতা অর্জন এবং সমাজে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থাকার জন্য একটি ওয়ার্কশপ দোকান দেয়া অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।
একনজরে:
নাম:ফরিদ আহমদ
জন্মতারিখ: ০১/০১/১৯৮৭
জন্মস্থান:নোয়াখালী
পেশা:গাড়ির মিস্ত্রী
প্রতিষ্ঠান: ঢাকায় গাড়ির মেকানিকের কাজ
স্থায়ী ঠিকানা: কালাবাড়িয়া,লুধুয়া,সেনবাগ,নোয়াখালী
বর্তমান ঠিকানাঃ বজলবাড়ি,সেনবাগ,নোয়াখালী
পিতাঃ মহিনুল হক (কৃষি)
মাতা: নাসিমা বেগম (গৃহিণী)
আয়:৫০০০-৬০০০ টাকা
আয়ের উৎস:কৃষি
যোগাযোগ:০১৮৩২২২৯৬৪১
পরিবারের সদস্য সংখ্যা:৬
ভাই:রিয়াজ মাহমুদ,চাকরি
বোন:ইয়াসমিন আক্তার
ঘটনার স্থানঃ মহাখালী,ঢাকা
আক্রমণকারীঃ সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ,যুবলীগ ও পুলিশ
আহত হওয়ার সময়ঃ ১৯ লুলাই ২০২৪, বিকাল ৩ টা ৩০ মিনিট
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍