মোঃ জাহিদ মির
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা: শিক্ষার্থী
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজ
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজ
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
জন্মপরিচয়
মোঃ জাহিদ মির একজন উদীয়মান শিক্ষার্থী, যিনি ১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০০৭ সালে চাঁদপুর জেলার সকদি পাঁচগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান আলগী পাঁচগাঁও ইউনিয়নের অন্তর্গত, যা চাঁদপুর সদর উপজেলার একটি শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। জাহিদের শৈশব কেটেছে এই গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা পরিবেশে, যেখানে মানুষের জীবনযাত্রা এখনও সহজ-সরল এবং পারিবারিক বন্ধন দৃঢ়। তিনি বর্তমানে বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যয়নরত, যেখানে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
জাহিদের পরিবার একটি সাধারণ, কিন্তু মূল্যবোধে পরিপূর্ণ পরিবার। তাঁর পিতা মোঃ আবুল কালাম আজাদ একজন কৃষক, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করেন এবং গ্রামের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর মাতা খাদিজা বেগম একজন গৃহিণী, যিনি সংসার পরিচালনার পাশাপাশি সন্তানদের নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাহিদের স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা একই—চাঁদপুর সদর উপজেলার আলগী পাঁচগাঁও ইউনিয়নের সকদি পাঁচগাঁও গ্রামে অবস্থিত, যা তাঁর শিকড়ের সাথে গভীর সম্পর্কের প্রতীক।
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে জাহিদ মির ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন একটি আলোকিত সমাজ গঠনের। তাঁর শিক্ষাজীবন, পারিবারিক মূল্যবোধ, এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির ছোঁয়া তাঁকে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছে। তিনি নিজেকে শুধু একজন ছাত্র হিসেবে নয়, বরং একজন ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে প্রস্তুত করছেন, যিনি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।
আন্দোলনে অংশগ্রহণ
২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী দাবিতে সারাদেশে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের যে গণআন্দোলন শুরু হয়, আমি চাঁদপুরে সক্রিয়ভাবে সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা নয় দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমা চাওয়া, কয়েকজন মন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ, হামলায় জড়িত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও পুলিশ সদস্যদের শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এদিন মধ্যরাত থেকে সরকার দেশব্যাপী কারফিউ ঘোষণা করে এবং সেনা মোতায়েন করে।
১৯ জুলাই বিকালে চাঁদপুরের অঙ্গিকারে আমি আন্দোলনে অংশ নিচ্ছিলাম,এই সময় ছাত্রলীগের কিছু সন্ত্রাসী সদস্য আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ আমাকে চাঁদপুর সদর থানায় নিয়ে যায়, যেখানে আমার নাম-ঠিকানা লিখে আলাদা একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। ঐদিন রাতেই আমার পরিবার আমাকে মুক্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু পুলিশ ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করে, যা দিতে না পারায় আমাকে সেদিন মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরদিন আমার পরিবার ৬৫,০০০ টাকা দিয়ে আমাকে জামিনে মুক্ত করে। যা আমার পরিবার ঋণ করে জোগাড় করে। এই ঋণের বোঝা এখনও আমার পরিবারের কাঁধে রয়ে গেছে। থানায় আটক থাকা অবস্থায় এবং তার আগে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের সদস্যরা আমার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়—পাই্প দিয়ে আঘাত করে, যার ফলে আমার শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে আমাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এই অভিজ্ঞতা আমাকে আন্দোলনের প্রকৃত রূপ ও রাষ্ট্রীয় দমননীতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। আমি বিশ্বাস করি, এই আন্দোলন শুধু একটি ন্যায্য দাবির প্রতিফলন নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক গণজাগরণ, যা অবশেষে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটায়।
________________________________________
চিকিৎসা
আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলায় আমি শারীরিকভাবে গুরুতরভাবে আহত হই। পাইন দিয়ে আঘাত করার ফলে আমার শরীরে একাধিক স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করি। পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন অবস্থায়ও আমাকে কোনো প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, বরং শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও দুর্বল করে তোলা হয়। মুক্তি পাওয়ার পর, আমার পরিবার আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করি। চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে আমার পরিবারকে ঋণ করতে হয়, যা এখনো পরিশোধ হয়নি। চিকিৎসকরা আমার শরীরের ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ করেন এবং কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখেন। এই শারীরিক নির্যাতনের ফলে আমি এখনও পুরোপুরি সুস্থ নই এবং নিয়মিত চিকিৎসা ও বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। আন্দোলনের সময়কার এই চিকিৎসা-সংকট ও আর্থিক চাপ পরিবারের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।
কর্মসংস্থান প্রস্তাবনা
২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণের সময় শারীরিক নির্যাতন ও পুলিশি হয়রানির শিকার হয়ে চিকিৎসা ও জামিনের জন্য প্রায় ৬০,০০০ টাকার ঋণ গ্রহণ করতে হয়েছে। এই আর্থিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি স্থায়ী ও সম্মানজনক কর্মসংস্থানের প্রয়োজন রয়েছে, যা নিয়মিত আয় নিশ্চিত করতে পারে এবং ঋণ পরিশোধে সহায়ক হতে পারে।
একনজরে:
নাম: মোঃ জাহিদ মির
জন্মতারিখ: ১৫/০২/২০০৭
জন্মস্থান: সকদি পাঁচগাঁও,চাঁদপুর
পেশা: শিক্ষার্থী
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজ
স্থায়ী ঠিকানা: সকদি পাঁচগাঁও,আলগী পাঁচগাঁও,চাঁদপুর সদর,চাঁদপুর
বর্তমান ঠিকানাঃ একই
পিতাঃমোঃ আবুল কালাম আজাদ (কৃষক)
মাতা:খাদিজা বেগম (গৃহিণী)
যোগাযোগঃ ০১৬১২৪৫৪৮৯৫
আয়: ১২,০০০ টাকা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৪
ভাই:জাহিদ মির,ছাত্র,দ্বাদশ শ্রেণি
বোন: আফসানা আক্তার আখি
ঘটনার স্থানঃ অঙ্গীকার হাসান আলী হাই স্কুল মাঠ চাঁদপুর
আক্রমণকারীঃ সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ
আহত হওয়ার সময়ঃ ১৯/০৭/২০২৪ বিকাল ৩টা ৩০ মিনিট
মোঃ জাহিদ মির একজন উদীয়মান শিক্ষার্থী, যিনি ১৫ই ফেব্রুয়ারি ২০০৭ সালে চাঁদপুর জেলার সকদি পাঁচগাঁও গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর জন্মস্থান আলগী পাঁচগাঁও ইউনিয়নের অন্তর্গত, যা চাঁদপুর সদর উপজেলার একটি শান্তিপূর্ণ ও ঐতিহ্যবাহী গ্রাম। জাহিদের শৈশব কেটেছে এই গ্রামের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা পরিবেশে, যেখানে মানুষের জীবনযাত্রা এখনও সহজ-সরল এবং পারিবারিক বন্ধন দৃঢ়। তিনি বর্তমানে বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজে অধ্যয়নরত, যেখানে তিনি নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
জাহিদের পরিবার একটি সাধারণ, কিন্তু মূল্যবোধে পরিপূর্ণ পরিবার। তাঁর পিতা মোঃ আবুল কালাম আজাদ একজন কৃষক, যিনি কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে পরিবারের জীবিকা নির্বাহ করেন এবং গ্রামের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তাঁর মাতা খাদিজা বেগম একজন গৃহিণী, যিনি সংসার পরিচালনার পাশাপাশি সন্তানদের নৈতিক ও সামাজিক শিক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। জাহিদের স্থায়ী ও বর্তমান ঠিকানা একই—চাঁদপুর সদর উপজেলার আলগী পাঁচগাঁও ইউনিয়নের সকদি পাঁচগাঁও গ্রামে অবস্থিত, যা তাঁর শিকড়ের সাথে গভীর সম্পর্কের প্রতীক।
একজন শিক্ষার্থী হিসেবে জাহিদ মির ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখেন একটি আলোকিত সমাজ গঠনের। তাঁর শিক্ষাজীবন, পারিবারিক মূল্যবোধ, এবং গ্রামীণ সংস্কৃতির ছোঁয়া তাঁকে একজন দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলছে। তিনি নিজেকে শুধু একজন ছাত্র হিসেবে নয়, বরং একজন ভবিষ্যৎ নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে প্রস্তুত করছেন, যিনি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।
আন্দোলনে অংশগ্রহণ
২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার ও বৈষম্যবিরোধী দাবিতে সারাদেশে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের যে গণআন্দোলন শুরু হয়, আমি চাঁদপুরে সক্রিয়ভাবে সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করি। ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা নয় দফা দাবি ঘোষণা করেন। দাবিগুলোর মধ্যে ছিল ফ্যাসিস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমা চাওয়া, কয়েকজন মন্ত্রী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ, হামলায় জড়িত সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ ও পুলিশ সদস্যদের শাস্তি, ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং আন্দোলনকারীদের আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা। এদিন মধ্যরাত থেকে সরকার দেশব্যাপী কারফিউ ঘোষণা করে এবং সেনা মোতায়েন করে।
১৯ জুলাই বিকালে চাঁদপুরের অঙ্গিকারে আমি আন্দোলনে অংশ নিচ্ছিলাম,এই সময় ছাত্রলীগের কিছু সন্ত্রাসী সদস্য আমাদের ওপর হামলা চালায় এবং আমাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। পুলিশ আমাকে চাঁদপুর সদর থানায় নিয়ে যায়, যেখানে আমার নাম-ঠিকানা লিখে আলাদা একটি কক্ষে আটকে রাখা হয়। ঐদিন রাতেই আমার পরিবার আমাকে মুক্ত করার চেষ্টা করে, কিন্তু পুলিশ ১,৫০,০০০ টাকা দাবি করে, যা দিতে না পারায় আমাকে সেদিন মুক্ত করা সম্ভব হয়নি।
পরদিন আমার পরিবার ৬৫,০০০ টাকা দিয়ে আমাকে জামিনে মুক্ত করে। যা আমার পরিবার ঋণ করে জোগাড় করে। এই ঋণের বোঝা এখনও আমার পরিবারের কাঁধে রয়ে গেছে। থানায় আটক থাকা অবস্থায় এবং তার আগে সন্ত্রাসী ছাত্রলীগের সদস্যরা আমার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়—পাই্প দিয়ে আঘাত করে, যার ফলে আমার শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়। পরে আমাকে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এই অভিজ্ঞতা আমাকে আন্দোলনের প্রকৃত রূপ ও রাষ্ট্রীয় দমননীতির ভয়াবহতা উপলব্ধি করতে সাহায্য করেছে। আমি বিশ্বাস করি, এই আন্দোলন শুধু একটি ন্যায্য দাবির প্রতিফলন নয়, বরং এটি একটি ঐতিহাসিক গণজাগরণ, যা অবশেষে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১৫ বছরের শাসনের অবসান ঘটায়।
________________________________________
চিকিৎসা
আন্দোলনের সময় ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলায় আমি শারীরিকভাবে গুরুতরভাবে আহত হই। পাইন দিয়ে আঘাত করার ফলে আমার শরীরে একাধিক স্থানে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং প্রচণ্ড ব্যথা অনুভব করি। পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন অবস্থায়ও আমাকে কোনো প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, বরং শারীরিক ও মানসিকভাবে আরও দুর্বল করে তোলা হয়। মুক্তি পাওয়ার পর, আমার পরিবার আমাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, যেখানে আমি প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করি। চিকিৎসার খরচ বহন করতে গিয়ে আমার পরিবারকে ঋণ করতে হয়, যা এখনো পরিশোধ হয়নি। চিকিৎসকরা আমার শরীরের ক্ষতস্থানে ব্যান্ডেজ করেন এবং কয়েকদিন পর্যবেক্ষণে রাখেন। এই শারীরিক নির্যাতনের ফলে আমি এখনও পুরোপুরি সুস্থ নই এবং নিয়মিত চিকিৎসা ও বিশ্রামের প্রয়োজন রয়েছে। আন্দোলনের সময়কার এই চিকিৎসা-সংকট ও আর্থিক চাপ পরিবারের ওপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।
কর্মসংস্থান প্রস্তাবনা
২০২৪ সালের জুলাই মাসে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশগ্রহণের সময় শারীরিক নির্যাতন ও পুলিশি হয়রানির শিকার হয়ে চিকিৎসা ও জামিনের জন্য প্রায় ৬০,০০০ টাকার ঋণ গ্রহণ করতে হয়েছে। এই আর্থিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য একটি স্থায়ী ও সম্মানজনক কর্মসংস্থানের প্রয়োজন রয়েছে, যা নিয়মিত আয় নিশ্চিত করতে পারে এবং ঋণ পরিশোধে সহায়ক হতে পারে।
একনজরে:
নাম: মোঃ জাহিদ মির
জন্মতারিখ: ১৫/০২/২০০৭
জন্মস্থান: সকদি পাঁচগাঁও,চাঁদপুর
পেশা: শিক্ষার্থী
প্রতিষ্ঠানের নাম: বাবুরহাট স্কুল এন্ড কলেজ
স্থায়ী ঠিকানা: সকদি পাঁচগাঁও,আলগী পাঁচগাঁও,চাঁদপুর সদর,চাঁদপুর
বর্তমান ঠিকানাঃ একই
পিতাঃমোঃ আবুল কালাম আজাদ (কৃষক)
মাতা:খাদিজা বেগম (গৃহিণী)
যোগাযোগঃ ০১৬১২৪৫৪৮৯৫
আয়: ১২,০০০ টাকা
পরিবারের সদস্য সংখ্যা: ৪
ভাই:জাহিদ মির,ছাত্র,দ্বাদশ শ্রেণি
বোন: আফসানা আক্তার আখি
ঘটনার স্থানঃ অঙ্গীকার হাসান আলী হাই স্কুল মাঠ চাঁদপুর
আক্রমণকারীঃ সন্ত্রাসী ছাত্রলীগ
আহত হওয়ার সময়ঃ ১৯/০৭/২০২৪ বিকাল ৩টা ৩০ মিনিট
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍