হাবিবুর রহমান
জুলাই-আগস্ট ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা : রিক্সাচালক
🩸 আহত হওয়ার ঘটনা ও বিস্তারিত বর্ণনা
হাবিবুর রহমান ১৯৬৮ সালের ১ জানুয়ারি ভোলা জেলার সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের চশ্মাইয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা ছিলেন মৃত আব্দুর রব এবং মাতা মৃত সফুরা বেগম। পারিবারিক পরিমন্ডল থেকেই হাবিবুর রহমানের জীবনের মৌলিক চরিত্র গড়ে ওঠে। তিনি ছিলেন সহানুভূতিশীল, সংগ্রামী এবং ন্যায়ের পক্ষে দৃঢ়চিত। পারিবারিক জীবন হাবিবুর রহমানের ১ ছেলে এবং ৩ মেয়ে রয়েছে। তার বড় ছেলে এবং বড় মেয়ে বিবাহিত এবং ২ মেয়ে পড়াশোনার মধ্যে আছে। জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মাঝেও তিনি পরিবারের জন্য ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ একজন অভিভাবক।
কর্মজীবন জীবিকা অর্জনের জন্য হাবিবুর রহমান পেশাগতভাবে একজন রিকশাচালক হিসেবে কাজ করতেন। কঠোর পরিশ্রম করে তিনি তার পরিবারের চাহিদা পূরণ করতেন। তবে আন্দোলনে আহত হওয়ার পর শারীরিকভাবে সক্ষম না থাকায় এখন আর রিকশা চালাতে পারেন না। তার এই জীবিকা ছিল শুধু জীবনের অবলম্বনই নয়, সম্মানজনক শ্রমের প্রতীক। সংগ্রামী জীবন ছোটবেলা থেকেই হাবিবুর রহমান সমাজের অসংগতি, বেষম্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হিসেবে গড়ে ওঠেন। তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্য নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতেন এবং ন্যায়ের পক্ষে নিজ অবস্থানকে কখনো গোপন করেননি। জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় শুরু হয় তখন, যখন তিনি রাজপথে ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। ভয়,নিপীড়ন কিংবা রক্তপাত-কোনো কিছুই তাঁর সংকল্পকে নত করতে পারেনি। তাঁর সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়চেতা মনোভাব শুধু সমকালীন প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও এক উজ্জ্বল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ আওয়ামী পাশবিকতা ও বর্বরতার নির্মম শিকার : প্রবীণ যোদ্ধা হাবিবুর রহমান ৫৭ বছর বয়সী হাবিবুর রহমান একজন সংগ্রামী প্রবীণ নাগরিক, যিনি জীবনের দীর্ঘসময় ধরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ১৮ জুলাই বিকেলবেলা তিনি তাঁর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় এক বৈষম্যবিরোধী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিতে যান। এই আন্দোলনে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল শান্তিপূর্ণ এবং নাগরিক অধিকারের বাস্তবায়নের দাবিতে স্বতঃস্ফূর্ত। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট আওয়ামী দমন-পীড়নের এক নির্মম অধ্যায় তাঁর জীবনে নেমে আসে। আন্দোলনের মিছিলে অংশ নেয়ার কিছু সময় পরেই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিনা উসকানিতে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালায়। এই বর্বর হামলায় হাবিবুর রহমানের পায়ে গুলি লাগে। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক, যিনি শুধু নাগরিক অধিকার ও সাম্যবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁর ওপর এমন অমানবিক ও নৃশংস আচরণ ছিল ফ্যাসিবাদী সরকারের সহিংসতা ও নৈতিক পতনের এক নগ্ন প্রকাশ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ভারসাম্য হারিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। তাঁর মেয়ে আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন, আর আশেপাশের জনতা দ্রুত মানবিকভাবে এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে রাজধানীর রয়েল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে জরুরি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসা শুরু হয়। এই নির্মম ঘটনা শুধু একটি ব্যক্তির উপর বর্বরতা নয় এ এক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, যা জনগণের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে রক্তাক্ত করতে চায়। হাবিবুর রহমানের ওপর এই হামলা প্রতিটি বিবেকবান মানুষের হৃদয়ে প্রশ্ন তোলে; একজন প্রবীণ নাগরিকের শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণও যদি এই ফ্যাসিবাদী সরকারের গুলির মুখোমুখি হয়, তবে নিরাপত্তা কোথায়? হাবিবুর রহমান আজ আহত শরীরে শুয়ে আছেন। কিন্তু তাঁর দৃঢ় মানসিকতা এখনো প্রশ্ন তোলে; এই অবিচার আর কতদিন? তাঁর গুলিবিদ্ধ পা রাষ্ট্রীয় দমননীতির বিরুদ্ধে আজ এক নীরব অথচ বজ্রকঠিন প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে আছে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাবিবুর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে আশপাশের উপস্থিত জনতা উদ্ধার করে রাজধানীর রয়েল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে তার পায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। তবে গুলির আঘাত গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা এক্স-রে করে গুলির অবস্থান নির্ণয় করেন। পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা যায় যে, গুলিটি পায়ের গভীরে আটকে আছে, যা অস্ত্রোপচার ব্যতীত সরানো সম্ভব নয়। অবস্থা বিবেচনায় জরুরি ভিত্তিতে তার অপারেশন করা হয়। সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি টানা ১০ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ সময় তার ক্ষতস্থানে নিয়মিত ড্রেসিং, ওষুধ প্রয়োগ এবং পর্যবেক্ষণ চলতে থাকে। বর্তমানে হাবিবুর রহমান ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে তিনি এখনও পুরোপুরি চলাফেরা করতে পারছেন না এবং তার পূণ সুস্থতার জন্য দীর্ঘমেয়াদী বিশ্রাম ও ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন বলে চিকিৎসকরা মত দিয়েছেন। এই চিকিৎসা প্রক্রিয়া ছিল শুধু একটি গুলির আঘাত সারানোর ব্যাপার নয়; বরং একজন সংগ্রামী প্রবীণের জীবন বাঁচানোর লড়াই, যা চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও হাবিবুর রহমানের মানসিক দৃঢ়তার সম্মিলিত ফল।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা বর্তমানে সুস্থ, তবে বয়স্ক হওয়ার কারনে ফলোআপ দরকার। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা স্থায়ী ও নিরাপদ চাকরির ব্যবস্থা, চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসা ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা।
এক নজরে হাবিবুর রহমান
নাম : হাবিবুর রহমান
জন্ম তারিখ : ০১/০১/১৯৬৮
জন্মস্থান : পটুয়াখালী
পেশা : রিক্সাচালক
নিজ জেলা : ভোলা
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: চশ্মাইয়া, ইউনিয়ন: সদর, থানা: সদর, জেলা: ভোলা
বর্তমান ঠিকানা : ১৩১১নং পলাশপুর, গ্যাসরোড, কদমতলী, ঢাকা পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: সেকেন্দার
পিতার পেশা ও বয়স : দিনমজুর, ৬০
মায়ের নাম : নূরজাহান
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
মাসিক আয় : ১০০০০
আয়ের উৎস : দিনমজুর
বাড়ির বিবরণ : ভাড়া বাসা
সম্পদের পরিমাণ : নেই
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৭ জন
সন্তানদের নাম
১. রোজিনা, বয়স: ৩১ পেশা: গৃহিণী, বিবাহিত, সম্পর্ক : মেয়ে
২. মিতু, বয়স: ১৭ পেশা: ছাত্রী, সম্পর্ক : মেয়ে
৩. শিরিনা, বয়স: ১৫ পেশা: ছাত্রী শ্রেণি: ৮ম, সম্পর্ক : মেয়ে আহতের হওয়ার বিবরণ
আহত হওয়ার স্থান : ঢাকার যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ, শনির আখড়া তারিখ ও সময় : ১৮ জুলাই, ২০২৪, রাত ২.০০ মিনিটের দিকে আক্রমণকারী : পুলিশ ও আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী কর্তৃক আঘাতের ধরণ : পায়ে গুলিবিদ্ধ চিকিৎসা : রয়েল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল
কর্মজীবন জীবিকা অর্জনের জন্য হাবিবুর রহমান পেশাগতভাবে একজন রিকশাচালক হিসেবে কাজ করতেন। কঠোর পরিশ্রম করে তিনি তার পরিবারের চাহিদা পূরণ করতেন। তবে আন্দোলনে আহত হওয়ার পর শারীরিকভাবে সক্ষম না থাকায় এখন আর রিকশা চালাতে পারেন না। তার এই জীবিকা ছিল শুধু জীবনের অবলম্বনই নয়, সম্মানজনক শ্রমের প্রতীক। সংগ্রামী জীবন ছোটবেলা থেকেই হাবিবুর রহমান সমাজের অসংগতি, বেষম্য এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হিসেবে গড়ে ওঠেন। তিনি রাজনৈতিক ও সামাজিক বৈচিত্র্য নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করতেন এবং ন্যায়ের পক্ষে নিজ অবস্থানকে কখনো গোপন করেননি। জীবনের শ্রেষ্ঠ অধ্যায় শুরু হয় তখন, যখন তিনি রাজপথে ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান। ভয়,নিপীড়ন কিংবা রক্তপাত-কোনো কিছুই তাঁর সংকল্পকে নত করতে পারেনি। তাঁর সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়চেতা মনোভাব শুধু সমকালীন প্রজন্মের জন্য নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও এক উজ্জ্বল প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ আওয়ামী পাশবিকতা ও বর্বরতার নির্মম শিকার : প্রবীণ যোদ্ধা হাবিবুর রহমান ৫৭ বছর বয়সী হাবিবুর রহমান একজন সংগ্রামী প্রবীণ নাগরিক, যিনি জীবনের দীর্ঘসময় ধরে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। ১৮ জুলাই বিকেলবেলা তিনি তাঁর মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে ঢাকায় এক বৈষম্যবিরোধী শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে অংশ নিতে যান। এই আন্দোলনে তাঁর অংশগ্রহণ ছিল শান্তিপূর্ণ এবং নাগরিক অধিকারের বাস্তবায়নের দাবিতে স্বতঃস্ফূর্ত। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে রাষ্ট্রীয় মদদপুষ্ট আওয়ামী দমন-পীড়নের এক নির্মম অধ্যায় তাঁর জীবনে নেমে আসে। আন্দোলনের মিছিলে অংশ নেয়ার কিছু সময় পরেই আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিনা উসকানিতে বিক্ষোভকারীদের উপর গুলি চালায়। এই বর্বর হামলায় হাবিবুর রহমানের পায়ে গুলি লাগে। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক, যিনি শুধু নাগরিক অধিকার ও সাম্যবাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। তাঁর ওপর এমন অমানবিক ও নৃশংস আচরণ ছিল ফ্যাসিবাদী সরকারের সহিংসতা ও নৈতিক পতনের এক নগ্ন প্রকাশ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তিনি ভারসাম্য হারিয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন। তাঁর মেয়ে আতঙ্কে চিৎকার শুরু করেন, আর আশেপাশের জনতা দ্রুত মানবিকভাবে এগিয়ে এসে তাঁকে উদ্ধার করে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে রাজধানীর রয়েল হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে জরুরি বিভাগে তাঁকে ভর্তি করা হয় এবং চিকিৎসা শুরু হয়। এই নির্মম ঘটনা শুধু একটি ব্যক্তির উপর বর্বরতা নয় এ এক রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস, যা জনগণের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে রক্তাক্ত করতে চায়। হাবিবুর রহমানের ওপর এই হামলা প্রতিটি বিবেকবান মানুষের হৃদয়ে প্রশ্ন তোলে; একজন প্রবীণ নাগরিকের শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণও যদি এই ফ্যাসিবাদী সরকারের গুলির মুখোমুখি হয়, তবে নিরাপত্তা কোথায়? হাবিবুর রহমান আজ আহত শরীরে শুয়ে আছেন। কিন্তু তাঁর দৃঢ় মানসিকতা এখনো প্রশ্ন তোলে; এই অবিচার আর কতদিন? তাঁর গুলিবিদ্ধ পা রাষ্ট্রীয় দমননীতির বিরুদ্ধে আজ এক নীরব অথচ বজ্রকঠিন প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে আছে।
চিকিৎসা সম্পর্কিত সামগ্রিক বর্ণনা গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর হাবিবুর রহমানকে তাৎক্ষণিকভাবে আশপাশের উপস্থিত জনতা উদ্ধার করে রাজধানীর রয়েল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান। সেখানে তার পায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয় এবং রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হয়। তবে গুলির আঘাত গুরুতর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসকের পরামর্শে দ্রুত তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় উন্নত চিকিৎসার জন্য। সেখানে পৌঁছানোর পর চিকিৎসকরা এক্স-রে করে গুলির অবস্থান নির্ণয় করেন। পরীক্ষার রিপোর্টে দেখা যায় যে, গুলিটি পায়ের গভীরে আটকে আছে, যা অস্ত্রোপচার ব্যতীত সরানো সম্ভব নয়। অবস্থা বিবেচনায় জরুরি ভিত্তিতে তার অপারেশন করা হয়। সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে হাসপাতালের সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি করে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তিনি টানা ১০ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। এ সময় তার ক্ষতস্থানে নিয়মিত ড্রেসিং, ওষুধ প্রয়োগ এবং পর্যবেক্ষণ চলতে থাকে। বর্তমানে হাবিবুর রহমান ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন। তবে তিনি এখনও পুরোপুরি চলাফেরা করতে পারছেন না এবং তার পূণ সুস্থতার জন্য দীর্ঘমেয়াদী বিশ্রাম ও ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন বলে চিকিৎসকরা মত দিয়েছেন। এই চিকিৎসা প্রক্রিয়া ছিল শুধু একটি গুলির আঘাত সারানোর ব্যাপার নয়; বরং একজন সংগ্রামী প্রবীণের জীবন বাঁচানোর লড়াই, যা চিকিৎসকদের আন্তরিকতা ও হাবিবুর রহমানের মানসিক দৃঢ়তার সম্মিলিত ফল।
চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা বর্তমানে সুস্থ, তবে বয়স্ক হওয়ার কারনে ফলোআপ দরকার। কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে প্রস্তাবনা স্থায়ী ও নিরাপদ চাকরির ব্যবস্থা, চাকরির মাধ্যমে চিকিৎসা ও জীবিকা নিশ্চিতকরণ, পারিবারিক দায়িত্ব বিবেচনায় মানবিক সহায়তা।
এক নজরে হাবিবুর রহমান
নাম : হাবিবুর রহমান
জন্ম তারিখ : ০১/০১/১৯৬৮
জন্মস্থান : পটুয়াখালী
পেশা : রিক্সাচালক
নিজ জেলা : ভোলা
স্থায়ী ঠিকানা : গ্রাম: চশ্মাইয়া, ইউনিয়ন: সদর, থানা: সদর, জেলা: ভোলা
বর্তমান ঠিকানা : ১৩১১নং পলাশপুর, গ্যাসরোড, কদমতলী, ঢাকা পরিবার সংক্রান্ত তথ্য
পিতার নাম : মো: সেকেন্দার
পিতার পেশা ও বয়স : দিনমজুর, ৬০
মায়ের নাম : নূরজাহান
মায়ের পেশা ও বয়স : গৃহিণী, ৪৫
মাসিক আয় : ১০০০০
আয়ের উৎস : দিনমজুর
বাড়ির বিবরণ : ভাড়া বাসা
সম্পদের পরিমাণ : নেই
পরিবারের সদস্য সংখ্যা : ৭ জন
সন্তানদের নাম
১. রোজিনা, বয়স: ৩১ পেশা: গৃহিণী, বিবাহিত, সম্পর্ক : মেয়ে
২. মিতু, বয়স: ১৭ পেশা: ছাত্রী, সম্পর্ক : মেয়ে
৩. শিরিনা, বয়স: ১৫ পেশা: ছাত্রী শ্রেণি: ৮ম, সম্পর্ক : মেয়ে আহতের হওয়ার বিবরণ
আহত হওয়ার স্থান : ঢাকার যাত্রাবাড়ী রায়েরবাগ, শনির আখড়া তারিখ ও সময় : ১৮ জুলাই, ২০২৪, রাত ২.০০ মিনিটের দিকে আক্রমণকারী : পুলিশ ও আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী কর্তৃক আঘাতের ধরণ : পায়ে গুলিবিদ্ধ চিকিৎসা : রয়েল হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল হাসপাতাল
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍
🔍
🔍