মো: হারুনুর রশিদ
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
পেশা: কৃষি
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ মো: হারুনুর রশিদ ১৯৮৫ সালের ১৫ জুন নোয়াখালী জেলার সেনবাগ উপজেলার দক্ষিণ রাজারামপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি পিতা সিরাজ মিয়া এবং মাতা হেরানী বেগমের সাত সন্তানের মধ্যে চতুর্থ। অভাবের কারণে দশম শ্রেণির পর তার আর পড়াশোনা করা সম্ভব হয়নি। তিনি পেশায় একজন কৃষক ছিলেন এবং বাবার কৃষি কাজে সহযোগিতার পাশাপাশি ধর্মীয় ও সাংগঠনিক কাজে যুক্ত ছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত ছিলেন এবং তার ঝর্ণা আক্তার নামে দেড় বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান রয়েছে।
২. শাহাদাতের ঘটনা (২ মার্চ, ২০১৩)
২০১৩ সালের ২ মার্চ মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে দেশব্যাপী হরতাল চলছিল。 হারুনুর রশিদ সেই দিন ফজরের নামাজ শেষ করে সেবারহাট বাজারে হরতালে অংশগ্রহণ করতে যান। সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে একটি ট্রাক পিকেটারদের ধাওয়া খেয়ে পালানোর সময় তাকেসহ একটি দোকানের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে তার দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে মাইজদী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে দুপুর ২টার দিকে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
৩. শেষ ইচ্ছা ও দাফন
ঘটনার আগের রাতে তিনি সাংগঠনিক দায়িত্বশীলদের সাথে আলাপকালে বলেছিলেন, "আমি আগে যাই করি না কেন, এখন প্রয়োজন হলে নেতৃত্বের মুক্তির জন্য জীবন দেব"। মাত্র ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে তার সেই কথা ফলে যায়। ঐ দিন রাত ৮টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়。
৪. ব্যক্তিগত প্রোফাইল (একনজরে)
নাম: মো: হারুনুর রশিদ
পিতা: সিরাজ মিয়া (বয়স: ৬০, পেশা: কৃষিকাজ)
মাতা: হেরানী বেগম (বয়স: ৫৫, পেশা: গৃহিণী)
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: দক্ষিণ রাজারামপুর, ডাকঘর: মোহাম্মদপুর, থানা: সেনবাগ, জেলা: নোয়াখালী
পেশা: কৃষি
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৫ জুন ১৯৮৫; শাহাদাতকালে বয়স ছিল ২৮ বছর
আহত হওয়ার সময়: ০২ মার্চ ২০১৩, ভোর ৬টা (ট্রাকের চাপায় দুই পা বিচ্ছিন্ন)
শাহাদাতের তারিখ ও স্থান: ০২ মার্চ ২০১৩, বেলা ২টা; মাইজদী হাসপাতাল
পরিবার: স্ত্রী পান্না আক্তার (২১ বছর) এবং একমাত্র কন্যা ঝর্ণা আক্তার (দেড় বছর)
সম্পদ: একটি টিনের ঘর এবং সামান্য কিছু কৃষি জমি
২. শাহাদাতের ঘটনা (২ মার্চ, ২০১৩)
২০১৩ সালের ২ মার্চ মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়ের প্রতিবাদে দেশব্যাপী হরতাল চলছিল。 হারুনুর রশিদ সেই দিন ফজরের নামাজ শেষ করে সেবারহাট বাজারে হরতালে অংশগ্রহণ করতে যান। সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে একটি ট্রাক পিকেটারদের ধাওয়া খেয়ে পালানোর সময় তাকেসহ একটি দোকানের ওপর আছড়ে পড়ে। এতে তার দুই পা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে মাইজদী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে দুপুর ২টার দিকে তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
৩. শেষ ইচ্ছা ও দাফন
ঘটনার আগের রাতে তিনি সাংগঠনিক দায়িত্বশীলদের সাথে আলাপকালে বলেছিলেন, "আমি আগে যাই করি না কেন, এখন প্রয়োজন হলে নেতৃত্বের মুক্তির জন্য জীবন দেব"। মাত্র ৮ ঘণ্টার ব্যবধানে তার সেই কথা ফলে যায়। ঐ দিন রাত ৮টায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়。
৪. ব্যক্তিগত প্রোফাইল (একনজরে)
নাম: মো: হারুনুর রশিদ
পিতা: সিরাজ মিয়া (বয়স: ৬০, পেশা: কৃষিকাজ)
মাতা: হেরানী বেগম (বয়স: ৫৫, পেশা: গৃহিণী)
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: দক্ষিণ রাজারামপুর, ডাকঘর: মোহাম্মদপুর, থানা: সেনবাগ, জেলা: নোয়াখালী
পেশা: কৃষি
জন্ম তারিখ ও বয়স: ১৫ জুন ১৯৮৫; শাহাদাতকালে বয়স ছিল ২৮ বছর
আহত হওয়ার সময়: ০২ মার্চ ২০১৩, ভোর ৬টা (ট্রাকের চাপায় দুই পা বিচ্ছিন্ন)
শাহাদাতের তারিখ ও স্থান: ০২ মার্চ ২০১৩, বেলা ২টা; মাইজদী হাসপাতাল
পরিবার: স্ত্রী পান্না আক্তার (২১ বছর) এবং একমাত্র কন্যা ঝর্ণা আক্তার (দেড় বছর)
সম্পদ: একটি টিনের ঘর এবং সামান্য কিছু কৃষি জমি
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍