শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সন্তান শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন। একটি দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসের রোগী ছিলেন। তাঁর পিতার নাম: আলি আহমদ। মায়ের নাম: বিলকিস বেগম। তিনি বসুরহাট ফাজিল মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার ইতি ঘটান। পেশায় ছিলেন পরিবহন ড্রাইভার। পিতা প্যারালাইসিসের রোগী হওয়ায় শহীদ সুমনকেই অল্প বয়সে পরিবারের হাল ধরতে হয়। তাঁর একটি ছোট ভাই, দুটি ছোট বোন রয়েছে। বোনদের বিয়ে দিয়ে তিনিও বিয়ে করেছিলেন। স্ত্রী ও একমাত্র শিশুকন্যা সন্তানকে রেখে তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে চলে যান মহান আল্লাহর কাছে।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন যেমন সাহসী ছিলেন তেমনি ছিলেন বিনয়ী। তাঁর শাশুড়ি বলেন, ‘এতদিন হয়ে গেল (৭ বছর) আমার এই জামাইর কথা আমার এলাকার মানুষ এখনও ভুলতে পারে না। কেউ না কেউ এসে তাঁর কথা তোলে। গোটা এলাকার মানুষ তাঁর প্রশংসা করে।
শহীদের জন্ম : ১৯৮০, শাহাদাতবরণ : ১৮ আগস্ট ২০১৩
শহীদের পরিচিতি
নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সন্তান শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন। একটি দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসের রোগী ছিলেন। তাঁর পিতার নাম: আলি আহমদ। মায়ের নাম: বিলকিস বেগম। তিনি বসুরহাট ফাজিল মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার ইতি ঘটান। পেশায় ছিলেন পরিবহন ড্রাইভার। পিতা প্যারালাইসিসের রোগী হওয়ায় শহীদ সুমনকেই অল্প বয়সে পরিবারের হাল ধরতে হয়। তাঁর একটি ছোট ভাই, দুটি ছোট বোন রয়েছে। বোনদের বিয়ে দিয়ে তিনিও বিয়ে করেছিলেন। স্ত্রী ও একমাত্র শিশুকন্যা সন্তানকে রেখে তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে চলে যান মহান আল্লাহর কাছে।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
তিনি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তার বাড়ির পাশেই তাকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা করে আহত করে। পরে তাকে মাইজদি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
কেমন ছিলেন শহীদ সুমন
ছোটবেলা থেকেই তিনি নামাজে-কালামে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। তাঁর দুরন্ত সাহসের সঙ্গে ছিল চমৎকার বিনয় ও ভদ্রতা। তিনি অল্প সময়ে মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
তিনি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তার বাড়ির পাশেই তাকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা করে আহত করে। পরে তাকে মাইজদি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
আপনজনদের কথা
তাঁর শাশুড়ি জানান, শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমনের কথা আমরা কোনদিন ভুলবো না। আমাদের এলাকার মানুষ আজও আমার এই জামাইটার নাম মুখে মুখে উচ্চারণ করে। মনে হয় সে শুধু আমার না, তাদেরও আপনজন ছিল। প্রায়ই কেউ না কেউ তাঁর কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়। তিনি জানান, শহীদের স্ত্রী অর্থাৎ তাঁর কন্যাকে শহীদের ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। শহীদ সুমনের একমাত্র কন্যা সন্তানটি এখন স্কুলে যাচ্ছে।
পারিবারিক অবস্থা
বর্তমানে শহীদ পরিবারটি নানা প্রতিকূলতার মধ্যে আছে। শহীদের মা খুবই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন। শহীদের পিতাও আগে থেকেই অসুস্থ। ইসলামী আন্দোলনের শুভাকাঙ্ক্ষী এই শহীদ পরিবারটি আর্থিক অস্বচ্ছলতার মধ্যে আছে।
ভাই-বোনদের বিবরণ
শহীদের একমাত্র ছোট ভাইয়ের সঙ্গে শহীদের স্ত্রী বিয়ে হওয়ায় তাদের একমাত্র কন্যাসন্তানটি নিরাপদেই আছে। শহীদের অন্য দুই বোনেরও বিয়ে হয়েছে। তারা গৃহিণী।
স্ত্রী ও সন্তান
শহীদের স্ত্রীর নাম তাসলিমা আক্তার স্বপ্না। শহীদের একমাত্র কন্যা নূরে ফাতেহা জান্নাত কেজি ওয়ানে পড়ছে।
এক নজরে শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন
নাম: শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন
পিতা: আলি আহমদ
মাতা: বিলকিস বেগম
জন্ম: ১৯৮০
ঠিকানা: বসুরহাট পৌরসভা, ৪নং ওয়ার্ড, উপজেলা- কোম্পানিগঞ্জ, জেলা- নোয়াখালী
পেশা: পরিবহন ড্রাইভার
ভাই-বোনের সংখ্যা: দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার বড়
সন্তান: একটি কন্যা সন্তান
সাংগঠনিক মান: সহযোগী সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
কিভাবে শহীদ হলেন: বাড়ির পাশে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ১৮ আগস্ট ২০১৩
শহীদের জন্ম : ১৯৮০, শাহাদাতবরণ : ১৮ আগস্ট ২০১৩
শহীদের পরিচিতি
নোয়াখালী জেলার কোম্পানিগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সন্তান শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন। একটি দরিদ্র পরিবারে তাঁর জন্ম। পিতা দীর্ঘদিন ধরে প্যারালাইসিসের রোগী ছিলেন। তাঁর পিতার নাম: আলি আহমদ। মায়ের নাম: বিলকিস বেগম। তিনি বসুরহাট ফাজিল মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত লেখাপড়া করে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার ইতি ঘটান। পেশায় ছিলেন পরিবহন ড্রাইভার। পিতা প্যারালাইসিসের রোগী হওয়ায় শহীদ সুমনকেই অল্প বয়সে পরিবারের হাল ধরতে হয়। তাঁর একটি ছোট ভাই, দুটি ছোট বোন রয়েছে। বোনদের বিয়ে দিয়ে তিনিও বিয়ে করেছিলেন। স্ত্রী ও একমাত্র শিশুকন্যা সন্তানকে রেখে তিনি শাহাদাতের অমিয় সুধা পান করে চলে যান মহান আল্লাহর কাছে।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
তিনি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তার বাড়ির পাশেই তাকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা করে আহত করে। পরে তাকে মাইজদি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
কেমন ছিলেন শহীদ সুমন
ছোটবেলা থেকেই তিনি নামাজে-কালামে নিবেদিতপ্রাণ ছিলেন। তাঁর দুরন্ত সাহসের সঙ্গে ছিল চমৎকার বিনয় ও ভদ্রতা। তিনি অল্প সময়ে মানুষকে আপন করে নিতে পারতেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
তিনি ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তার বাড়ির পাশেই তাকে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা বোমা হামলা করে আহত করে। পরে তাকে মাইজদি সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
আপনজনদের কথা
তাঁর শাশুড়ি জানান, শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমনের কথা আমরা কোনদিন ভুলবো না। আমাদের এলাকার মানুষ আজও আমার এই জামাইটার নাম মুখে মুখে উচ্চারণ করে। মনে হয় সে শুধু আমার না, তাদেরও আপনজন ছিল। প্রায়ই কেউ না কেউ তাঁর কথা আমাদের মনে করিয়ে দেয়। তিনি জানান, শহীদের স্ত্রী অর্থাৎ তাঁর কন্যাকে শহীদের ছোট ভাইয়ের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। শহীদ সুমনের একমাত্র কন্যা সন্তানটি এখন স্কুলে যাচ্ছে।
পারিবারিক অবস্থা
বর্তমানে শহীদ পরিবারটি নানা প্রতিকূলতার মধ্যে আছে। শহীদের মা খুবই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে আছেন। শহীদের পিতাও আগে থেকেই অসুস্থ। ইসলামী আন্দোলনের শুভাকাঙ্ক্ষী এই শহীদ পরিবারটি আর্থিক অস্বচ্ছলতার মধ্যে আছে।
ভাই-বোনদের বিবরণ
শহীদের একমাত্র ছোট ভাইয়ের সঙ্গে শহীদের স্ত্রী বিয়ে হওয়ায় তাদের একমাত্র কন্যাসন্তানটি নিরাপদেই আছে। শহীদের অন্য দুই বোনেরও বিয়ে হয়েছে। তারা গৃহিণী।
স্ত্রী ও সন্তান
শহীদের স্ত্রীর নাম তাসলিমা আক্তার স্বপ্না। শহীদের একমাত্র কন্যা নূরে ফাতেহা জান্নাত কেজি ওয়ানে পড়ছে।
এক নজরে শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন
নাম: শহীদ ইসমাইল হোসেন সুমন
পিতা: আলি আহমদ
মাতা: বিলকিস বেগম
জন্ম: ১৯৮০
ঠিকানা: বসুরহাট পৌরসভা, ৪নং ওয়ার্ড, উপজেলা- কোম্পানিগঞ্জ, জেলা- নোয়াখালী
পেশা: পরিবহন ড্রাইভার
ভাই-বোনের সংখ্যা: দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে সবার বড়
সন্তান: একটি কন্যা সন্তান
সাংগঠনিক মান: সহযোগী সদস্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
কিভাবে শহীদ হলেন: বাড়ির পাশে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে শাহাদাত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ১৮ আগস্ট ২০১৩
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍