শহীদ মোঃ আবু হুরাইরা
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
ইসলাম বিরোধী শক্তি শহীদ আবু হুরাইরাকে মেনে নিতে পারেনি, তাই গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে গ্রেফতারের পর সাঁইত্রিশ দিন গুম রেখে অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে, জবাই করে হত্যা করে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ আবু হুরাইরা একজন আধুনিক শিক্ষিত মানুষ হওয়ার পরেও আল কুরআন ও রাসুল সা. জীবনী অধ্যয়নের মাধ্যমে ইসলামের সঠিক বুঝ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ইসলামকে প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হন।
শহীদের পরিচিতি
শহীদ আবু হুরাইরা ১৯৬২ সালে ঝিনাইদহ সদরের অশ্বস্থলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত আশিরুদ্দিন মালিতা ও মাতা নুর জাহান নেসার ৬ষ্ঠ সন্তান। তিনি কর্মজীবনে কুঠি দূর্গাপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। কর্মরত অবস্থায় নিজ প্রতিষ্ঠান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। নির্যাতন শেষে যশোর জেলার আমবটতলা বাজার সংলগ্ন বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ছাত্র জীবনে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। কর্মজীবনে এসে তিনি বৃহত্তর আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড দায়িত্বশীল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, আত্মীয় স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ইসলাম বিরোধী শক্তি শহীদ আবু হুরাইরাকে মেনে নিতে পারেনি, তাই গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে গ্রেফতারের পর সাঁইত্রিশ দিন গুম রেখে অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে, জবাই করে হত্যা করে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
মানুষ সৃষ্টির প্রথম থেকেই মহান আল্লাহতায়ালা মানবতার কল্যাণের জন্য নবী-রাসুলদের আগমন ঘটিয়েছেন। মানবতার ইতিহাসে আল্লাহর দু'টি নিয়ামত প্রত্যেক যুগেই মানুষের কাছে এসে থাকে। আল্লাহর কালাম এবং নবীদের ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব। নবীগণকে আল্লাহপাক শুধু যে, নিজের কালাম বা বাণীর বাহক, প্রচারক, শিক্ষক ও ব্যাখ্যা দাতা বানিয়েছেন তা নয়। সেই সাথে বাস্তব নেতৃত্বদান ও পথ প্রদর্শনের দায়িত্বও তাদের ওপর অর্পণ করেছেন। যাতে করে তাঁরা আল্লাহর বাণীর প্রকৃত ও সঠিক সাক্ষ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যক্তিগতভাবে প্রতিটি মানুষকে ও সামষ্টিকভাবে গোটা সমাজকে সংশোধন করতে পারেন।
প্রাচীন যুগের মতো এখন এই নতুন যুগের মানুষেরও ইসলামকে জানা বোঝার দু'টো মাধ্যমই রয়েছে। এক, আল্লাহর বাণী, যা এখন শুধুমাত্র কোরআনের আকারেই বিদ্যমান। দুই, নবীর জীবনী, যা এখন শুধু মুহাম্মদ সা. এর সীরাতের আকারেই সংরক্ষিত। যে এই দুটোর একটাকে দেখে অপরটা শিখবে, সে যথার্থই ইসলামকে সঠিকভাবে শিখতে পারবে, অন্যথায় ইসলাম সংক্রান্ত বুঝ থেকে সে থাকবে বঞ্চিত।
শহীদ আবু হুরাইরা একজন আধুনিক শিক্ষিত মানুষ হওয়ার পরেও আল কুরআন ও রাসুল সা. জীবনী অধ্যয়নের মাধ্যমে ইসলামের সঠিক বুঝ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ইসলামকে প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হন।
ইসলাম বিরোধী শক্তি শহীদ আবু হুরাইরাকে মেনে নিতে পারেনি, তাই গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে গ্রেফতারের পর সাঁইত্রিশ দিন গুম রেখে অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে, জবাই করে হত্যা করে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
এক নজরে শহীদ মোঃ আবু হোরাইরা
নাম: মোঃ আবু হোরাইরা
জন্ম তারিখ: ২৯-০৮-১৯৬২
পিতা: মোঃ আশীরুদ্দীন মালিতা
মাতা মোছাঃ নুর জাহান নেসা
বয়স: চুয়ান্ন বছর
ঠিকানা: অশ্বস্থলী, কুঠিদুর্গাপুর, সদর, ঝিনাইদহ
ভাই-বোন: দশ ভাই বোনের মধ্যে ষষ্ঠ
সন্তানাদি: দুই ছেলে
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এ
পেশা: শিক্ষকতা
শহীদের শখ/ ইচ্ছা: হজ্ব করা
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সর্বশেষ দায়িত্ব: ওয়ার্ড সভাপতি
শাহাদাতের তারিখ: ২৯-০২-২০১৬
শাহাদাতের স্থান: আমবটতলা বাজার সংলগ্ন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে। চুড়ামনকাটি, যশোর।
যেভাবে শহীদ হয়েছেন: আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ৩৭ দিন পর কঠিন নির্যাতন করে গলা কেটে শহীদ করা
শহীদের কবর: অশ্বস্থলি পারিবারিক কবরস্থান
শহীদের পরিচিতি
শহীদ আবু হুরাইরা ১৯৬২ সালে ঝিনাইদহ সদরের অশ্বস্থলী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মৃত আশিরুদ্দিন মালিতা ও মাতা নুর জাহান নেসার ৬ষ্ঠ সন্তান। তিনি কর্মজীবনে কুঠি দূর্গাপুর দাখিল মাদরাসার শিক্ষক ছিলেন। কর্মরত অবস্থায় নিজ প্রতিষ্ঠান থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। নির্যাতন শেষে যশোর জেলার আমবটতলা বাজার সংলগ্ন বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। ছাত্র জীবনে ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। কর্মজীবনে এসে তিনি বৃহত্তর আন্দোলন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ওয়ার্ড দায়িত্বশীল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, আত্মীয় স্বজন ও অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে আল্লাহর সান্নিধ্যে চলে গেলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
ইসলাম বিরোধী শক্তি শহীদ আবু হুরাইরাকে মেনে নিতে পারেনি, তাই গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে গ্রেফতারের পর সাঁইত্রিশ দিন গুম রেখে অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে, জবাই করে হত্যা করে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
মানুষ সৃষ্টির প্রথম থেকেই মহান আল্লাহতায়ালা মানবতার কল্যাণের জন্য নবী-রাসুলদের আগমন ঘটিয়েছেন। মানবতার ইতিহাসে আল্লাহর দু'টি নিয়ামত প্রত্যেক যুগেই মানুষের কাছে এসে থাকে। আল্লাহর কালাম এবং নবীদের ব্যক্তিত্ব ও নেতৃত্ব। নবীগণকে আল্লাহপাক শুধু যে, নিজের কালাম বা বাণীর বাহক, প্রচারক, শিক্ষক ও ব্যাখ্যা দাতা বানিয়েছেন তা নয়। সেই সাথে বাস্তব নেতৃত্বদান ও পথ প্রদর্শনের দায়িত্বও তাদের ওপর অর্পণ করেছেন। যাতে করে তাঁরা আল্লাহর বাণীর প্রকৃত ও সঠিক সাক্ষ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ব্যক্তিগতভাবে প্রতিটি মানুষকে ও সামষ্টিকভাবে গোটা সমাজকে সংশোধন করতে পারেন।
প্রাচীন যুগের মতো এখন এই নতুন যুগের মানুষেরও ইসলামকে জানা বোঝার দু'টো মাধ্যমই রয়েছে। এক, আল্লাহর বাণী, যা এখন শুধুমাত্র কোরআনের আকারেই বিদ্যমান। দুই, নবীর জীবনী, যা এখন শুধু মুহাম্মদ সা. এর সীরাতের আকারেই সংরক্ষিত। যে এই দুটোর একটাকে দেখে অপরটা শিখবে, সে যথার্থই ইসলামকে সঠিকভাবে শিখতে পারবে, অন্যথায় ইসলাম সংক্রান্ত বুঝ থেকে সে থাকবে বঞ্চিত।
শহীদ আবু হুরাইরা একজন আধুনিক শিক্ষিত মানুষ হওয়ার পরেও আল কুরআন ও রাসুল সা. জীবনী অধ্যয়নের মাধ্যমে ইসলামের সঠিক বুঝ অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এরই ফলশ্রুতিতে তিনি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ইসলামকে প্রতিষ্ঠার জন্য ইসলামী আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হন।
ইসলাম বিরোধী শক্তি শহীদ আবু হুরাইরাকে মেনে নিতে পারেনি, তাই গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে গ্রেফতারের পর সাঁইত্রিশ দিন গুম রেখে অমানবিক অত্যাচার-নির্যাতন চালিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে, জবাই করে হত্যা করে। (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)
এক নজরে শহীদ মোঃ আবু হোরাইরা
নাম: মোঃ আবু হোরাইরা
জন্ম তারিখ: ২৯-০৮-১৯৬২
পিতা: মোঃ আশীরুদ্দীন মালিতা
মাতা মোছাঃ নুর জাহান নেসা
বয়স: চুয়ান্ন বছর
ঠিকানা: অশ্বস্থলী, কুঠিদুর্গাপুর, সদর, ঝিনাইদহ
ভাই-বোন: দশ ভাই বোনের মধ্যে ষষ্ঠ
সন্তানাদি: দুই ছেলে
শিক্ষাগত যোগ্যতা: বি.এ
পেশা: শিক্ষকতা
শহীদের শখ/ ইচ্ছা: হজ্ব করা
সাংগঠনিক মান: কর্মী, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী
সর্বশেষ দায়িত্ব: ওয়ার্ড সভাপতি
শাহাদাতের তারিখ: ২৯-০২-২০১৬
শাহাদাতের স্থান: আমবটতলা বাজার সংলগ্ন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে। চুড়ামনকাটি, যশোর।
যেভাবে শহীদ হয়েছেন: আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে তুলে নিয়ে যাওয়ার ৩৭ দিন পর কঠিন নির্যাতন করে গলা কেটে শহীদ করা
শহীদের কবর: অশ্বস্থলি পারিবারিক কবরস্থান