শহীদ শাহিন হোসেন
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
২০১৩ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর পোস্টার টাঙাতে গাছে ওঠেন। গাছে বিদ্যুতের তার লেগে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠ হয়ে নিচে পড়ে যায়। মারাত্মকভাবে আহত হন। হাত পা ভেঙে যায়। শরীরের অধিকাংশ জায়গা পুড়ে যায়। নির্মম যন্ত্রণা শেষে দীর্ঘ ছয় মাস পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ শাহিন হোসেন ১৯৯৫ সালের ২২ জুলাই ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর থানাধীন আলামপুর ২নং কলোনিতে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা সাহেব আলী এবং মাতা নূর বানু। দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। শহীদ শাহিন হোসেন কোটচাদপুর পৌর কলেজে একাদশ শ্রেণীতে পড়তেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের কর্মী এবং উপশাখা সভাপতির দায়িত্ব পালন করতেন।
সামগ্রিক বিবরণ:
২০১৩ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর পোস্টার টাঙাতে গাছে ওঠেন। গাছে বিদ্যুতের তার লেগে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠ হয়ে নিচে পড়ে যায়। মারাত্মকভাবে আহত হন। হাত পা ভেঙে যায়। শরীরের অধিকাংশ জায়গা পুড়ে যায়। নির্মম যন্ত্রণা শেষে দীর্ঘ ছয় মাস পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
আপনজনদের কথা:
মা: আমার ইচ্ছা ছিল ছেলেদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবো। পড়ালেখা করে চাকুরি করবে এবং সংসারের হাল ধরবে। শাহিন বেঁচে থাকলে সংসারের অবস্থা একটু ভাল হতো। তোমরাই আমাদের ছেলে। তোমরা নিয়মিত ইসলামের হুকুমগুলো মেনে চলবে। তোমরা আমাদের খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করবে। আমি গর্বিত একজন শহীদের মা হয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকবা ততদিন এই আন্দোলন তোমরা করে যাবা। আল্লাহর পথে যখন নেমেছো আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করবে না। মহান আল্লাহ তোমাদের হেফাজত করবে। তোমরা আমার শাহীনের মতো ইসলামী আন্দোলনের কাজ করে যেত পার এটাই আমার চাওয়া পাওয়া।
বোনের অনুভূতি
আপনাদের দেখলে শাহিনের কথা বেশি মনে হয়। যে ভাবে চললে মানুষ ভালো বলে এবং আল্লাহ তায়ালাও ভালবাসেন, সেভাবে আপনারা চলাফেরা করবেন। আপনারা সর্বদা নামাজ, রোজা করবেন। আপনাদের পিতা মাতার খোঁজ খবর নিবেন। মুক্তির পথ ইসলামী আন্দোলন। আপনার যে কষ্ট করছেন আল্লাহ একদিন এর প্রতিদান দেবেন।এক নজরে শহীদ শাহিন হোসেন
নাম: শহীদ শাহিন হোসেন
জন্ম তারিখ: ২২-০৭-১৯৯৫
পিতা: সাহেব আলী
মাতা: নুর বানু
ভাইবোন: দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
পিতার পেশা: কৃষি
মাতার পেশা: গৃহিণী
ঠিকানা: আলামপুর ২নং কলোনী, ১২ নং আজমপুর ইউনিয়ন পরিষদ মহেশপুর, ঝিনাইদহ
সর্বশেষ লেখাপড়া: একাদশ, কোটচাঁদপুর পৌর কলেজ
সাংগঠনিক মান: কর্মী
সর্বশেষ দায়িত্ব: উপশাখা সভাপতি।
পেশাগত লক্ষ্য: চাকুরি
শাহাদাতের স্থান: নিজ বাসা
শাহাদাতের তারিখ: ১১-০৫-২০১৪
আঘাতের ধরন: তৎকালীন উইনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পোস্টার কুলানোর জন্য গাছে উঠার পর বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যায়।
সামগ্রিক বিবরণ:
২০১৩ সালের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর পোস্টার টাঙাতে গাছে ওঠেন। গাছে বিদ্যুতের তার লেগে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ঠ হয়ে নিচে পড়ে যায়। মারাত্মকভাবে আহত হন। হাত পা ভেঙে যায়। শরীরের অধিকাংশ জায়গা পুড়ে যায়। নির্মম যন্ত্রণা শেষে দীর্ঘ ছয় মাস পর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
আপনজনদের কথা:
মা: আমার ইচ্ছা ছিল ছেলেদের সুশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলবো। পড়ালেখা করে চাকুরি করবে এবং সংসারের হাল ধরবে। শাহিন বেঁচে থাকলে সংসারের অবস্থা একটু ভাল হতো। তোমরাই আমাদের ছেলে। তোমরা নিয়মিত ইসলামের হুকুমগুলো মেনে চলবে। তোমরা আমাদের খোঁজখবর নেওয়ার চেষ্টা করবে। আমি গর্বিত একজন শহীদের মা হয়েছি। যতদিন বেঁচে থাকবা ততদিন এই আন্দোলন তোমরা করে যাবা। আল্লাহর পথে যখন নেমেছো আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করবে না। মহান আল্লাহ তোমাদের হেফাজত করবে। তোমরা আমার শাহীনের মতো ইসলামী আন্দোলনের কাজ করে যেত পার এটাই আমার চাওয়া পাওয়া।
বোনের অনুভূতি
আপনাদের দেখলে শাহিনের কথা বেশি মনে হয়। যে ভাবে চললে মানুষ ভালো বলে এবং আল্লাহ তায়ালাও ভালবাসেন, সেভাবে আপনারা চলাফেরা করবেন। আপনারা সর্বদা নামাজ, রোজা করবেন। আপনাদের পিতা মাতার খোঁজ খবর নিবেন। মুক্তির পথ ইসলামী আন্দোলন। আপনার যে কষ্ট করছেন আল্লাহ একদিন এর প্রতিদান দেবেন।এক নজরে শহীদ শাহিন হোসেন
নাম: শহীদ শাহিন হোসেন
জন্ম তারিখ: ২২-০৭-১৯৯৫
পিতা: সাহেব আলী
মাতা: নুর বানু
ভাইবোন: দুই ভাই দুই বোনের মধ্যে দ্বিতীয়
পিতার পেশা: কৃষি
মাতার পেশা: গৃহিণী
ঠিকানা: আলামপুর ২নং কলোনী, ১২ নং আজমপুর ইউনিয়ন পরিষদ মহেশপুর, ঝিনাইদহ
সর্বশেষ লেখাপড়া: একাদশ, কোটচাঁদপুর পৌর কলেজ
সাংগঠনিক মান: কর্মী
সর্বশেষ দায়িত্ব: উপশাখা সভাপতি।
পেশাগত লক্ষ্য: চাকুরি
শাহাদাতের স্থান: নিজ বাসা
শাহাদাতের তারিখ: ১১-০৫-২০১৪
আঘাতের ধরন: তৎকালীন উইনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে পোস্টার কুলানোর জন্য গাছে উঠার পর বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে নিচে পড়ে যায়।