হোম / আওয়ামী দুঃশাসনে শহীদ / শহীদ ডা. তারেক হাসান সজীব
শহীদ ডা. তারেক হাসান সজীব

শহীদ ডা. তারেক হাসান সজীব

আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ

📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির, ঢাকা মহানগরী পশ্চিমের সাবেক সভাপতি ডা. মঈন উদ্দীন বলেন-তাঁর চারিত্রিক বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ না করলেই নয়।
সাহসিকতা:
তখন ৪ দলীয় জোট সরকারের সময় চলছিল। আমাদের দেশের কালচার অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানের হলে থাকতে হলে রাজনৈতিক সাপোর্ট লাগে। আর ছাত্র নেতৃবৃন্দও তার দল ভারি করার জন্য ১ম বর্ষের ছাত্রদের কাছে তাদের আদর্শে দাওয়াত দেওয়ার চেষ্টা করে।
তখনকার সময়ে ক্যাম্পাসে বিদ্যমান ২টি ছাত্র সংগঠন-জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির নতুনদের প্রতি তাদের দাওয়াত দিতে থাকে। এক দিকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকের নিষ্কলুষ, নির্লোভ, একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা গঠনের আহ্বান, অন্যদিকে বস্তুবাদী সভ্যতার চাকচিক্যময়, ভোগ বিলাসপূর্ণ জীবনের প্রলোভন। ক্যাম্পাসে নতুন ছাত্ররা আসলেই একদিকে ছাত্রশিবির তার আদর্শ দিয়ে ছাত্রদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে। অন্যদিকে দুনিয়াপ্রীতি ছাত্রসংগঠনগুলি আহ্বান জানায় পেশীশক্তি, নেশা, নারী আর ভয়ভীতি প্রদানের মাধ্যমে।

🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ

প্রতিবাদী দেশপ্রেমিক মানুষের কণ্ঠরোধ করার জন্য দেশ ও ইসলাম বিরোধী শক্তিগুলো বারবার আঘাত করেছে এ দেশের উদীয়মান, সাহসী, বুদ্ধিজীবী, ব্যবসায়ী নেতৃত্বকে। আমাদের প্রিয় ভাই তারেক হাসান সজীব তারই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি ১৯৮৭ সালের ৫ ডিসেম্বর ঝিনাইদহ সদরের বনানী পাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
বাম আন্দোলনের নেতা জনাব খন্দকার আব্দুল লতিফ এর ঘরে জন্ম হবার পরও ইসলামের প্রতি ছিল তার সহজাত ভালবাসা ও বিশ্বাস। তিনি ২০০৩ সালে ঢাকার মিরপুরে অবস্থিত ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রাজুয়েশান পর্যায়ের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান-'সরকারি ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক মেডিকেল কলেজে ভর্তি হন। ভর্তিকালীন বন্ধুদের মধ্যে মামুন ও রাজিবসহ আরও অনেকে খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ে। তিনি ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, যশোর অঞ্চলের সকল ব্যাচমেটদের একত্রিত করে প্রথমবর্ষেই একটি ইউনিট তৈরি করতে সক্ষম হন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান:
৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬ সাদা পোশাকের পুলিশ ডা. তারেক হাসান সজীবকে আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান। এরপর মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে ঝিনাইদহ জেলা শহরের বাইপাস সড়কের ভুটিয়ারগাতি এলাকায় নিয়ে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে।
কেমন ছিলেন শহীদ ডা. তারেক হাসান সজীব
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবির, ঢাকা মহানগরী পশ্চিমের সাবেক সভাপতি ডা. মঈন উদ্দীন বলেন-তাঁর চারিত্রিক বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্যের কথা উল্লেখ না করলেই নয়।
সাহসিকতা:
তখন ৪ দলীয় জোট সরকারের সময় চলছিল। আমাদের দেশের কালচার অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানের হলে থাকতে হলে রাজনৈতিক সাপোর্ট লাগে। আর ছাত্র নেতৃবৃন্দও তার দল ভারি করার জন্য ১ম বর্ষের ছাত্রদের কাছে তাদের আদর্শে দাওয়াত দেওয়ার চেষ্টা করে।
তখনকার সময়ে ক্যাম্পাসে বিদ্যমান ২টি ছাত্র সংগঠন-জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ও ইসলামী ছাত্রশিবির নতুনদের প্রতি তাদের দাওয়াত দিতে থাকে। এক দিকে ইসলামী ছাত্রশিবিরের আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের দিকের নিষ্কলুষ, নির্লোভ, একটি ইনসাফপূর্ণ সমাজ ব্যবস্থা গঠনের আহ্বান, অন্যদিকে বস্তুবাদী সভ্যতার চাকচিক্যময়, ভোগ বিলাসপূর্ণ জীবনের প্রলোভন। ক্যাম্পাসে নতুন ছাত্ররা আসলেই একদিকে ছাত্রশিবির তার আদর্শ দিয়ে ছাত্রদেরকে আল্লাহর দিকে আহ্বান করে। অন্যদিকে দুনিয়াপ্রীতি ছাত্রসংগঠনগুলি আহ্বান জানায় পেশীশক্তি, নেশা, নারী আর ভয়ভীতি প্রদানের মাধ্যমে।
এরই ধারাবাহিকতায় একদিন ছাত্রদলের এক নেতা প্রিয় ভাই তারেক হাসান সজিবকে একান্তে ডেকে নিয়ে বিভিন্নভাবে বুঝিয়ে তাদের দলে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি রাজি না হওয়ার এক পর্যায়ে তাকে বিছানার নিচে থাকা অস্ত্র দেখিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করে। ১ম বর্ষের একজন নতুন ছাত্র হওয়া সত্ত্বেও সেদিন ছাত্রদলের ঐ নেতার জবাবে প্রিয় সজীব ভাই যে বক্তব্য দিয়েছিলেন তা তার অসীম সাহসিকতার পরিচয় বহন করে।
তিনি বলেছিলেন, 'ভাই, এগুলি নিয়ে ছোট বেলায় খেলা করেছি। তাই এগুলির ভয় দেখিয়ে লাভনেই।' তাঁর নিজের প্রতি ছিল অত্যন্ত আস্থা। ক্যাম্পাসে কখনো ভীরুতা দেখাননি। মিছিল, মিটিং, অথবা শত্রুর মোকাবেলা করেছেন নির্ভীকভাবে।
একনিষ্ঠ ইবাদতকারী:
এক সাথে থাকার কারণে তাঁর ব্যক্তিগত যে আমলগুলি আমাকে খুব বেশি ঈর্ষান্বিত করতো। তিনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের পাবন্দি ছিলেন। তিনি নামাজ শেষ করে মাসনুন দোয়াসমূহ পড়ে বের হতেন। খুব জরুরী কাজ না থাকলে তিনি নামাজ পড়ে তাড়াহুড়ো করে বের হতেন না।
অধিকাংশ সময় তাহাজ্জুদ পড়তেন, প্রায়ই রোযা রাখতেন। এটা যেন আল্লাহর সেই বাণীরই প্রতিফলন যেখানে আল্লাহ বলেছেন-"আল মুসতাগফিরিনা বিল আছহার"। অর্থাৎ-তারা রাতের শেষ ভাগে আল্লাহর দরবারে মাফ চায়।
ত্যাগ কোরবানীর অনুসরণীয় ব্যক্তিত্ব:
তিনি যে পরিবেশে বড় হয়েছিলেন সে পরিবেশের সাথে গা ভাসিয়ে দিলে হয়তো দুনিয়ার অনেক সম্পদ অর্জন করতে পারতেন, ভোগ বিলাসিতায় জীবনযাপন করতে পারতেন। কিন্তু তিনি এ সকল প্রলোভনকে দুনিয়ার খেল-তামাশার বস্তু মনে করে তা উপেক্ষার পথ ধরেছেন। মজবুতভাবে আকড়ে ধরেছিলেন এমন এক রশি যা ছিড়বার নয়। দুনিয়ার সকল কিছুর তুলনায় আল্লাহর সন্তুষ্টি ও জান্নাত লাভের আশাকে প্রাধান্য দিয়েছিলেন।
এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে তাকে বাড়ি থেকে টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। বাবা তার সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক ছেদ করে ফেলেছিলেন। তার বাবার দীর্ঘদিনের বন্ধুরা অখুশী হয়। কিন্তু তিনি আদর্শের প্রতি অবিচল থেকে বুদ্ধিমত্তার সাথে সাথে নসীয়ত করে চরিত্র মাধুর্য দিয়ে তাদের সেই নেতিবাচক মনোভাব দূর করতে সক্ষম হয়েছিলেন। বাবা মায়ের একমাত্র ছেলে হওয়া সত্ত্বেও অল্প দামের টিউশনি করে তাকে চলতে হয়েছে। তার এ কোরবানী প্রখ্যাত সাহাবী মুসআব (রাঃ) এর কথাই আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয়। সাদাসিধে চাল চলন:
ডা. সজীবকে প্যান্ট শার্ট ইন করে পরতে খুব কমই দেখেছি। একটি চটি জুতা পায়েই অধিকাংশ সময় চলা ফেরা করতেন। তাঁকে দেখে বুঝা যেত না যে এ লোকটির কথার মধ্যে এতো দূরদৃষ্টি, দৃঢ়তা ও সাহসিকতা লুকিয়ে আছে। বড় বড় সরকারি বেসরকারি, কর্মকর্তার অফিসে অত্যন্ত সাবলীল গতিতে ঢুকে যেতেন, যা আমাদের অনেকের পক্ষেই সম্ভব হতো না। বিরোধী মতের সিনিয়রদের সাথেও কথা বলতেন অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে।
দৃঢ় ব্যক্তিত্ব:
তাঁর চলাফেরা কথা-বার্তায় ছিল দৃঢ় ব্যক্তিত্বের ছাপ। সদা মিষ্টভাষী, সদালাপী ছিলেন। অনেক সময়ই সকালের নাস্তা অথবা দুপুরের খাবার না খেয়েই ক্লাস ও দ্বীনের কাজে নিয়োজিত থাকতেন। পকেটে খরচের টাকা থাকতো না। কিন্তু এতো কষ্ট সত্ত্বেও তা কারো কাছে বলতেন না। নিজের কষ্টের কথাগুলি নিজের ভিতরেই রাখতেন। কারো কাছে চাওয়া ছিল তার স্বভাব বিরোধী। আনুগত্য-শৃঙ্খলা মেনে চলার এক উত্তম দৃষ্টান্ত: ছোটবেলায় তিনি সংগঠনের সাথে সম্পৃক্ত হতে না পারলেও ক্যাম্পাস জীবনের অল্প সময়ের প্রশিক্ষণ তিনি গ্রহণ করেছিলেন অত্যন্ত সুন্দরভাবে। আনুগত্য করার ক্ষেত্রে তার ভিতরে কোন কার্পণ্য ছিল না। সকল কাজেই নিয়ম মেনে চলার চেষ্টা করতেন। সমসাময়িক ও সাবেক দায়িত্বশীলদের সাথে তাঁর আচরণ ছিল অনুসরণীয়। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও সাংগঠনিক সকল সমস্যাই দায়িত্বশীলদের সাথে পরামর্শ করতেন। কোন কাজ সময়মতো করতে না পারলে অথবা উপস্থিত হতে না পারলে ছুটি নিতেন। তার, এ কাজগুলি একজন আদর্শ কর্মীর পরিচয় বহন করে।
নতুন স্বপ্ন লালনকারী:
তিনি নতুন নতুন স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করতেন। তাঁর ভিতর ছিল আত্মবিশ্বাস। পাঁচজনে পারলে আমি কেন পারবো না-এ ছিল তাঁর বিশ্বাসের মূল হাতিয়ার। তিনি সবাইকে নিয়ে স্বপ্ন দেখতেন। এ স্বপ্ন কোন ঘুমের স্বপ্ন ছিল না। এটা ছিল জেগে থাকা মানুষের বাস্তব স্বপ্ন। তিনি ছাত্রজীবন শেষ করতে না করতেই, বেশ কয়েকটি ব্যবসায়ী ও সমবায় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এ ব্যবসাগুলো গতানুগতিক টাকা উপার্জনের কোন ব্যবসা ছিল না। ব্যবসার পরিকল্পনাগুলো ছিল টেকসই, যুগোপযোগী। দেশীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার মতো বাস্তবমুখী। প্রিয় ভাইয়ের জীবনের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করতে গেলে আরও অনেক কথা বলার সুযোগ আছে। ভাই বেঁচে থাকলে আরও অনেক প্রতিভা বিকশিত হতো। কিন্তু দেশ বিরোধী, ইসলাম বিদ্বেষী আধিপত্যবাদী শক্তি দেশপ্রেমিক, সাহসী, প্রতিবাদী, ইসলাম প্রিয় শক্তিকে নিঃশেষ করার যে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে তার নির্মম, নিষ্ঠুর, প্রতিহিংসার শিকার আমাদের প্রিয় ভাই ডা. তারেক হাসান সজীব।
গণমাধ্যমে শাহাদাতের খবর
ঝিনাইদহে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত ২ শিবির নেতা দেড় মাস আগে পুলিশের হাতে আটক হয়েছিল শিরোনামে নিম্নোক্ত খবর প্রচারিত হয়- ঝিনাইদহে পুলিশের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' নিহত হয়েছে দুজন শিবিরের নেতা। গত ৭ সেপ্টেম্বর সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা তাঁদের আটক করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যান বলে অভিযোগ করেছেন পুলিশ সদস্যরা। আজ মঙ্গলবার ভোর পৌনে ৪টার দিকে ঝিনাইদহ জেলা শহরের বাইপাস সড়কের ভুটিয়ারগাতি এলাকায় পুলিশের গুলিতে তাঁদের মৃত্যু হয়। নিহত দুজন হচ্ছেন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কেয়াবাগান আদর্শ কলেজের প্রভাষক জহুরুল ইসলাম (৩৩) ও হারবাল চিকিৎসক তারেক হাসান সজীব (৩০)। এঁদের মধ্যে জহুরুল ইসলাম ঝিনাইদহ শহর জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি। আর সজীব শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটির উপদেষ্টা ছিলেন।
নিহত অপরজন তারেক হাসান সজীব সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের মৃত আবদুল লতিফের ছেলে। তিনি বিবাহিত। কিছুদিন আগে তাঁর যমজ দুটি মেয়েসন্তান হয়।
নিহত জহুরুল ইসলামের ভগ্নিপতি মোঃ লোকমান হোসেন বলেন, কালীগঞ্জ উপজেলার বুজিডাঙ্গামুন্দিয়া গ্রামে বিয়ে করেন জহুরুল। তবে তাঁর কোনো সন্তান নেই। তিন বছর ধরে তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। গত ৭ সেপ্টেম্বর জেলা শহরের দিশারী ইনস্টিটিউট থেকে সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা জহুরুলকে আটক করেন। এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তা নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নিহত তারেক হাসান সজীবের স্বজনদেরও দাবি, গত ৭ সেপ্টেম্বর সাদা পোশাকের পুলিশ সদস্যরা সজীবকে আটক করেন। তাঁরাও থানায় অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তা নেয়নি এবং কেউ সজীবের সন্ধানও দিতে পারেনি।
তবে স্বজনদের এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।
আজ দুপুর ২টার দিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল মর্গের সামনে দেখা যায়, সেখানে নিহতদের স্বজনদের ভিড়। লাশ দুটি একটি রিকশাভ্যানে রাখা হয়েছে। বেলা ৩টার দিকে লাশের ময়নাতদন্ত শুরু করেন দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকরা।
এক নজরে শহীদ ডা. তারেক হাসান সজীব
নাম: ডা. তারেক হাসান সজীব
জন্ম তারিখ: ০৫-১২-১৯৮৭
পিতা: খন্দকার আব্দুল লতিফ
মাতা: মাহফুজা বেগম
বয়স: আটাশ বছর
ঠিকানা: বনানীপাড়া, ঝিনাইদহ সদর, ঝিনাইদহ
ভাই-বোন: তিন জনের মধ্যে দ্বিতীয়
সন্তান: দুই মেয়ে
শিক্ষাগত যোগ্যতা: অনার্স, মাস্টার্স
পেশা: ব্যবসা
শহীদের শখ: বৃক্ষরোপণ
সাংগঠনিক মান: রুকন।
সর্বশেষ দায়িত্ব: কাফরুল থানার একটি ওয়ার্ডের টিম সদস্য
শাহাদাতের তারিখ: ২৫-১০-২০১৬
শাহাদাতের স্থান: আড়কান্দি, ঝিনাইদহ
কিভাবে শহীদ হয়েছে: কথিত বন্দুকযুদ্ধে
শহীদের কবর: ঝিনাইদহ পৌর কবরস্থান।

📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র

Memory Image
🔍