শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
০৫ জানুয়ারী ২০১৪ প্রহসনের নিবার্চন অনুষ্ঠানের প্রতিবাদে সারাদেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শুরু হলে সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ডান চোখ ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন হাদিউজ্জামান সুজন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জানুয়ারী সকাল ৭ টায় শাহাদাত বরণ করেন তিনি।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
"আমি যদি ইসলামী আন্দোলনে শহীদ হয়ে যাই, আমার জন্য কেউ দুঃখ করিও না, সবাই আমার জন্য দোয়া কর
শহীদ হাদিউজ্জামান সুজন
শহীদের পরিচিতি
শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন ১৯৯৯ সালে পীরগাছা থানার কুটিয়াল পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতার ৫ সন্তানের মধ্যে তিনি ২য় সন্তান। ছেলেকে বড় আলেম তৈরি করার স্বপ্ন দেখছিলেন পিতা, তাই শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামানকে ভর্তি করেছিলেন মাদ্রাসায়। তিনি পারিবারিক কাজ, গ্রামের মসজিদে আজান দেয়া, নামাজ পড়ানোসহ বিভিন্ন প্রকার সামাজিক কাজে সর্বদাই যোগ দিতেন। শাহাদাতকালীনতিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
০৫ জানুয়ারী ২০১৪ প্রহসনের নিবার্চন অনুষ্ঠানের প্রতিবাদে সারাদেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শুরু হলে সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ডান চোখ ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন হাদিউজ্জামান সুজন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জানুয়ারী সকাল ৭ টায় শাহাদাত বরণ করেন তিনি।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
ঘটনার দিন সকাল ৮ টায় দায়িত্বশীল বৈঠকে তার দায়িত্বশীল বলেছিলেন আওয়ামী লীগের এ প্রহসনের নিবার্চনকে প্রতিহত করতে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হলেও আমরা পিছিয়ে যাব না। তিনি তার ব্যক্তিগত ডায়েরীতে ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে লিখেছিলেন "আমি যদি ইসলামী আন্দোলনের জন্য শহীদ হয়ে যাই তবে আমার জন্য কেউ দুঃখ করো না, সবাই আমার জন্য দোয়া কর"।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার ০৫ জানুয়ারী ২০১৪ বাকশালী কায়দায় বিরোধীদলকে বাদ দিয়ে এককভাবে একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে রংপুর পীরগাছার দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং দেউতি স্কুল এন্ড কলেজ ভোট কেন্দ্রের নিবার্চনকে বন্ধ করার লক্ষ্যে কেন্দ্র অবরোধ করে। এই মিছিলে যোগদান করেন শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন। মিছিল শুরু হলে সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ডান চোখ ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে ৫ জানুয়ারী সকাল ৭ টায় শাহাদাতবরণ করেন তিনি। এই ঘটনায় মিরাজুল ইসলাম নামে আরও একজন জামায়াত কর্মী শহীদ হন।
সংগঠনে আসার ইতিহাস শেষ দিন পর্যন্ত
শহীদ হাদিউজ্জামান প্রথমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন, ২০১২ সালের প্রথম দিকে একদিন জামায়াতে ইসলামীর এক প্রোগ্রাম শেষে তিনি ছাত্রশিবিরের স্থানীয় দায়িত্বশীলের কাছে শিবির করার ইচ্ছা পোষণ করলে, শিবিরের দায়িত্বশীল ইমরান বাদশা ভাই তাকে ছাত্রশিবিরের ব্যাক্তিগত রিপোর্ট দেন এবং ঐ মাসেই তিনি কর্মী হন এবং পরের মাসেই তার নিজ প্রচেষ্টায় ৬ জন কর্মী বৃদ্ধি করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি দায়িত্বশীলের কাছে সাথী হওয়ার জন্য প্রবল ইচ্ছা পোষণ করেন এবং ২০১২ সালের ডিসেম্বর এর প্রথম সপ্তাহে তিনি ছাত্রশিবিরের সাথী শপথ লাভকরেন।
দেউতি স্কুল এন্ড কলেজ এ কেন্দ্রে গুলিবিদ্ধ হন শহীদ সুজন
শহীদের জীবনের উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা
ঘটনার দিন সকাল ৮ টায় দায়িত্বশীল বৈঠকে তার দায়িত্বশীল বলেছিলেন- আওয়ামীলীগের এ প্রহসনের নির্বাচনকে প্রতিহত করতে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হলেও হতে পারে, তিনি দাঁড়িয়ে বলেছিলেন আমরা শহীদ হলেও হতে পারি। শহীদ হাদিউজ্জামান ভাই তোতলিয়ে কথা বলতেন, তিনি সর্বদাই তোতলিয়ে-তোতলিয়ে তার শহীদ হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতেন। তিনি তার ব্যক্তিগত ডায়েরীতে ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে লিখেছিলেন-"আমি যদি ইসলামী আন্দোলনে শহীদ হয়ে যাই, আমার জন্য কেউ দুঃখ করিও না, সবাই আমার জন্য দোয়া কর" যা তাঁর শাহাদাত এর পরে দেখতে পাওয়া যায়।
শহীদের আপনজনদের কথা:
পিতা: আমার সন্তানকে আল্লাহ শহীদ হিসাবে কবুল করুন, আমীন। আমি শহীদের পিতা হিসাবে গর্বিত এবং আমি নিজেও শহীদ হতে চাই।
ভাই-বোনের বিবরণ:
১. বড় বোন- নূর-ই-তামান্না ৩০ বছর, বিবাহিতা
২. বড় ভাই- মোঃ হামিদুজ্জামান ২৭ বছর, মাদ্রাসায় চাকুরী
৩. ছোটভাই- মোঃ হাসানুজ্জামান ১৫ বছর, ছাত্র- একাদশ শ্রেণী
৪. ছোটভাই- মোঃ হাফিজুর রহমান ৯ বছর, ছাত্র- চতুর্থ শ্রেণীএক নজরে শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন।
পুরোনাম: শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন।
পিতার নাম: মাওলানা ওজায়ের গুল পেশা- দাখিল মাদ্রাসার সুপার, বয়স- ৫৪ বছর
মাতার নাম: মোছাঃ আলিমা বেগম, পেশা- গৃহিণী, বয়স- ৪৫ বছর
জন্ম তারিখ: ১৪.০৩.১৯৯৯ ইং
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-কুটিয়ালপাড়া, ডাকঘর- মাদ্রাসা সৈয়দপুর, থানা- পীরগাছা, জেলা- রংপুর
সাংগঠনিক মান: সাথী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: উপশাখা সভাপতি
সর্বশেষ পড়ালেখা: দশম শ্রেণী
ভাই-বোন: ৫ ভাই-বোনের মধ্যে ২য়
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: আওয়ামী পুলিশের গুলি
শাহাদাতের স্থান: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫ জানুয়ারী ২০১৪ ইং, সকাল ৭টা।
শহীদ হাদিউজ্জামান সুজন
শহীদের পরিচিতি
শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন ১৯৯৯ সালে পীরগাছা থানার কুটিয়াল পাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতার ৫ সন্তানের মধ্যে তিনি ২য় সন্তান। ছেলেকে বড় আলেম তৈরি করার স্বপ্ন দেখছিলেন পিতা, তাই শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামানকে ভর্তি করেছিলেন মাদ্রাসায়। তিনি পারিবারিক কাজ, গ্রামের মসজিদে আজান দেয়া, নামাজ পড়ানোসহ বিভিন্ন প্রকার সামাজিক কাজে সর্বদাই যোগ দিতেন। শাহাদাতকালীনতিনি দশম শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
০৫ জানুয়ারী ২০১৪ প্রহসনের নিবার্চন অনুষ্ঠানের প্রতিবাদে সারাদেশ উত্তাল হয়ে ওঠে। ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা প্রতিবাদ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। মিছিল শুরু হলে সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ডান চোখ ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন হাদিউজ্জামান সুজন। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৫ জানুয়ারী সকাল ৭ টায় শাহাদাত বরণ করেন তিনি।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
ঘটনার দিন সকাল ৮ টায় দায়িত্বশীল বৈঠকে তার দায়িত্বশীল বলেছিলেন আওয়ামী লীগের এ প্রহসনের নিবার্চনকে প্রতিহত করতে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হলেও আমরা পিছিয়ে যাব না। তিনি তার ব্যক্তিগত ডায়েরীতে ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে লিখেছিলেন "আমি যদি ইসলামী আন্দোলনের জন্য শহীদ হয়ে যাই তবে আমার জন্য কেউ দুঃখ করো না, সবাই আমার জন্য দোয়া কর"।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার ০৫ জানুয়ারী ২০১৪ বাকশালী কায়দায় বিরোধীদলকে বাদ দিয়ে এককভাবে একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে রংপুর পীরগাছার দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং দেউতি স্কুল এন্ড কলেজ ভোট কেন্দ্রের নিবার্চনকে বন্ধ করার লক্ষ্যে কেন্দ্র অবরোধ করে। এই মিছিলে যোগদান করেন শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন। মিছিল শুরু হলে সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ডান চোখ ও মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারাত্মক আহত হন তিনি। দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে ৫ জানুয়ারী সকাল ৭ টায় শাহাদাতবরণ করেন তিনি। এই ঘটনায় মিরাজুল ইসলাম নামে আরও একজন জামায়াত কর্মী শহীদ হন।
সংগঠনে আসার ইতিহাস শেষ দিন পর্যন্ত
শহীদ হাদিউজ্জামান প্রথমে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেন, ২০১২ সালের প্রথম দিকে একদিন জামায়াতে ইসলামীর এক প্রোগ্রাম শেষে তিনি ছাত্রশিবিরের স্থানীয় দায়িত্বশীলের কাছে শিবির করার ইচ্ছা পোষণ করলে, শিবিরের দায়িত্বশীল ইমরান বাদশা ভাই তাকে ছাত্রশিবিরের ব্যাক্তিগত রিপোর্ট দেন এবং ঐ মাসেই তিনি কর্মী হন এবং পরের মাসেই তার নিজ প্রচেষ্টায় ৬ জন কর্মী বৃদ্ধি করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি দায়িত্বশীলের কাছে সাথী হওয়ার জন্য প্রবল ইচ্ছা পোষণ করেন এবং ২০১২ সালের ডিসেম্বর এর প্রথম সপ্তাহে তিনি ছাত্রশিবিরের সাথী শপথ লাভকরেন।
দেউতি স্কুল এন্ড কলেজ এ কেন্দ্রে গুলিবিদ্ধ হন শহীদ সুজন
শহীদের জীবনের উল্লেখযোগ্য কিছু ঘটনা
ঘটনার দিন সকাল ৮ টায় দায়িত্বশীল বৈঠকে তার দায়িত্বশীল বলেছিলেন- আওয়ামীলীগের এ প্রহসনের নির্বাচনকে প্রতিহত করতে আমাদের বড় ধরনের ক্ষতি হলেও হতে পারে, তিনি দাঁড়িয়ে বলেছিলেন আমরা শহীদ হলেও হতে পারি। শহীদ হাদিউজ্জামান ভাই তোতলিয়ে কথা বলতেন, তিনি সর্বদাই তোতলিয়ে-তোতলিয়ে তার শহীদ হওয়ার ইচ্ছা পোষণ করতেন। তিনি তার ব্যক্তিগত ডায়েরীতে ২০১২ সালের ডিসেম্বর মাসে লিখেছিলেন-"আমি যদি ইসলামী আন্দোলনে শহীদ হয়ে যাই, আমার জন্য কেউ দুঃখ করিও না, সবাই আমার জন্য দোয়া কর" যা তাঁর শাহাদাত এর পরে দেখতে পাওয়া যায়।
শহীদের আপনজনদের কথা:
পিতা: আমার সন্তানকে আল্লাহ শহীদ হিসাবে কবুল করুন, আমীন। আমি শহীদের পিতা হিসাবে গর্বিত এবং আমি নিজেও শহীদ হতে চাই।
ভাই-বোনের বিবরণ:
১. বড় বোন- নূর-ই-তামান্না ৩০ বছর, বিবাহিতা
২. বড় ভাই- মোঃ হামিদুজ্জামান ২৭ বছর, মাদ্রাসায় চাকুরী
৩. ছোটভাই- মোঃ হাসানুজ্জামান ১৫ বছর, ছাত্র- একাদশ শ্রেণী
৪. ছোটভাই- মোঃ হাফিজুর রহমান ৯ বছর, ছাত্র- চতুর্থ শ্রেণীএক নজরে শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন।
পুরোনাম: শহীদ মোঃ হাদিউজ্জামান সুজন।
পিতার নাম: মাওলানা ওজায়ের গুল পেশা- দাখিল মাদ্রাসার সুপার, বয়স- ৫৪ বছর
মাতার নাম: মোছাঃ আলিমা বেগম, পেশা- গৃহিণী, বয়স- ৪৫ বছর
জন্ম তারিখ: ১৪.০৩.১৯৯৯ ইং
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম-কুটিয়ালপাড়া, ডাকঘর- মাদ্রাসা সৈয়দপুর, থানা- পীরগাছা, জেলা- রংপুর
সাংগঠনিক মান: সাথী
সাংগঠনিক দায়িত্ব: উপশাখা সভাপতি
সর্বশেষ পড়ালেখা: দশম শ্রেণী
ভাই-বোন: ৫ ভাই-বোনের মধ্যে ২য়
আহত হওয়ার তারিখ: ০৫.০১.২০১৪ ইং
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা: আওয়ামী পুলিশের গুলি
শাহাদাতের স্থান: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
শাহাদাতের তারিখ ও সময়: ০৫ জানুয়ারী ২০১৪ ইং, সকাল ৭টা।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍