শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিবাদে ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে রংপুর পীরগাছার দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এই মিছিলে যোগদান করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম। মিছিলের শুরুতেই সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদের পরিচিতি
মোঃ মিরাজুল ইসলাম ১৯৭২ সালে পীরগাছা থানার গুঞ্জর খাঁ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতার ১১ সন্তানের মধ্যে ৬ষ্ঠ সন্তান তিনি। তিনি আলিম পাশ করার পর পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে আর পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারেননি। পেশা হিসাবে বেছে নেন দিন মজুরী। তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছিলেন একটি সুখী ইসলামী পরিবার। শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম পারিবারিক অভাব-অনটনের মাঝেও সর্বদাই দ্বীনি কাজে ব্যস্ত থাকতেন। তিনি এলাকার মানুষের প্রিয়পাত্র ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিবাদে ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে রংপুর পীরগাছার দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এই মিছিলে যোগদান করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম। মিছিলের শুরুতেই সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে মাঝে-মাঝে বলতেন-"অমি শহীদ হবো শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। স্ত্রীকে বলতেন-আল্লাহ বলেছেন "শহীদেরা মৃত্যুবরণ করে না তারা জীবিত থাকে কিন্তু মানুষ তা বোঝে না।" সেদিন রাতে তিনি স্ত্রীর অনুরোধ উপেক্ষা করে দেউতি বাজারে চলে যান এবং মিছিলে অংশগ্রহণ করে শাহাদাতবরণ করেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার ০৫ জানুয়ারী ২০১৪ বাকশালী কায়দায় বিরোধীদলকে বাদ দিয়ে এককভাবে একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখ রাতে রংপুর দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং দেউতি স্কুল এন্ড কলেজ ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনকে বন্ধ করার লক্ষে কেন্দ্র অবরোধ করে। এই মিছিলে যোগদান করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম। মিছিল শুরু হলে সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম।
শহীদের আপনজনদের কথা:
শহীদের স্ত্রী: আমার স্বামীকে আল্লাহ শহীদ হিসাবে কবুল করুন। আমি শহীদের স্ত্রী হিসাবে গর্বিত বড় মেয়ে: আমার পিতা ইসলামী আন্দোলন করার কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা পিতার হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
শহীদের শালা মুহাম্মদ মাসুদ রানা
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে লেখেন- হঠাৎ করে ডাক পড়ল এক দ্বীনি ভাইয়ের মেরাজ ভাই, বাসায় আছে? দ্বীনি ভাইয়ের এমন ডাকে চোখে কি আর ঘুম চেপে বসতে পারে। ধড়ফর করে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালেন তিনি অতঃপর শার্ট পাজামা পরেই রওনা দিলেন আন্দোলনের ডাকে। পিছন থেকে ডাকবারও পর্যন্ত সময় দিলেন না স্ত্রীকে। তিনি চলে যাবার পর কিছুক্ষণ আর কোন সংবাদ নেই। রাত্রি নয়টা বাজে। চারদিকে কেমন যেন গভীর নিরবতা। ভয়ে আতঙ্কে আর এরই মধ্যে চোখে ঘুম আসল শহীদের স্ত্রী মমতাজ বেগমের। এদিকে আন্দোলনের কর্মীরাও আন্দোলনের সব রকম প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে ইতোমধ্যেই। ঐ রাত্রে মমতাজ বেগম স্বপ্ন দেখলেন। এক ভয়ানক স্বপ্ন। তিনি দেখতে পেলেন বাড়ির আঙ্গিনায় কে বা কারা তার সৌভাগ্যবান স্বামীকে গুলি করেছে। বাড়িতে লেকে লোকারণ্য, এমন সময় বিছানা থেকে চমকে উঠলেন তিনি। চোখে হালকা ঘুমের রেশও কেটে গেছে, ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখলেন রাত দুটা বাজে।
শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম-এর শোকাহত স্ত্রী ও কন্যা
তখন শীতকাল। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের উজ্জ্বলতা একটু কম দেখা যাচ্ছিল। এদিকে মসজিদ থেকে ভেসে আসতে লাগল মুয়াজ্জিনের কন্ঠে ফজরের আজান। তারপর শহীদ মেরাজের ছোট্ট ছেলে মোতাসিম ও তার মা বেরিয়ে পড়লো। অসহায় চোখে খুঁজতে লাগলো চারদিকে। দিনের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে মানুষের কোলাহল ও বৃদ্ধি পেতে লাগলো। মোতাসিম যেখানেই যাচ্ছে মানুষকে জিজ্ঞেস করছে। সকলেই তাকে ফিরিয়ে দিচ্ছে। লোকজন বলছে বাড়ী যাও। তোমার আব্বু ভালো আছে।
সকাল আটটা বেজে গেছে তখনও মিরাজুল ইসলামের খোঁজ পেল না তার পরিবার। এদিকে বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসা শুরু করল শহীদ মিরাজুলের বাসায়। একপর্যায়ে মমতাজ বেগমের বাবা বুঝিয়ে বললেন তাকে দেখ মা, মিরাজুল যে আন্দোলনে গিয়েছিল সেখানে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছেন তিনি। শহীদ মিরাজুল ইসলাম দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। বড় মেয়ে নবম শ্রেণীতে আর ছোট মেয়ের বয়স মাত্র দু বছর। আর ছেলে মোতাসিম বিল্লাহর বয়স এগারো বছর। সে এখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ছে। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ:
মোছাঃ মমতাজ বেগম, স্ত্রী, বয়স- ২৮ বছর, গৃহিণী
মোছাঃ মোসলেমা খাতুন, মেয়ে, বয়স- ১৪ বছর, ছাত্রী
মোঃ মোতাছিম বিল্লাহ, ছেলে, বয়স- ১১ বছর, ছাত্র
মোস্তানিবা খাতুন, মেয়ে, বয়স- ৩ বছর
এক নজরে শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম
নাম: মোঃ মিরাজুল ইসলাম
পিতার নাম: মৃত, আজিম উদ্দীন মুন্সি
মাতার নাম: মৃত রহিমা বেগম
জন্ম তারিখ: ০১ জানুয়ারি ১৯৭২
ঠিকানা: গ্রাম-গুঞ্জর খাঁ, আমিনটারী, ডাকঘর- দেউতি থানা-পীরগাছা, জেলা- রংপুর
ভাই-বোন: ছয় ভাই ও চার বোনের মধ্যে সবার ছোট :
ছেলে-মেয়ে: এক ছেলে দুই মেয়ে
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আলিম পাস
সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা
পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাৎক্ষণিক শাহাদত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ০৫ জানুয়ারি ২০১৪, দেউতি কলেজ।
কাদের দ্বারা শহীদ: পুলিশ ও আওয়ামী লীগ
মোঃ মিরাজুল ইসলাম ১৯৭২ সালে পীরগাছা থানার গুঞ্জর খাঁ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা-মাতার ১১ সন্তানের মধ্যে ৬ষ্ঠ সন্তান তিনি। তিনি আলিম পাশ করার পর পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে আর পড়ালেখা চালিয়ে যেতে পারেননি। পেশা হিসাবে বেছে নেন দিন মজুরী। তিন সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে তিনি গড়ে তুলেছিলেন একটি সুখী ইসলামী পরিবার। শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম পারিবারিক অভাব-অনটনের মাঝেও সর্বদাই দ্বীনি কাজে ব্যস্ত থাকতেন। তিনি এলাকার মানুষের প্রিয়পাত্র ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রতিবাদে ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ রাতে রংপুর পীরগাছার দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এই মিছিলে যোগদান করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম। মিছিলের শুরুতেই সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাত বরণ করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম।
শাহাদাতের পূর্বের বিভিন্ন ঘটনা
শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন। শাহাদাতের আগে মাঝে-মাঝে বলতেন-"অমি শহীদ হবো শহীদের মর্যাদা আল্লাহর কাছে অনেক বেশি। স্ত্রীকে বলতেন-আল্লাহ বলেছেন "শহীদেরা মৃত্যুবরণ করে না তারা জীবিত থাকে কিন্তু মানুষ তা বোঝে না।" সেদিন রাতে তিনি স্ত্রীর অনুরোধ উপেক্ষা করে দেউতি বাজারে চলে যান এবং মিছিলে অংশগ্রহণ করে শাহাদাতবরণ করেন।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার ০৫ জানুয়ারী ২০১৪ বাকশালী কায়দায় বিরোধীদলকে বাদ দিয়ে এককভাবে একটি প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে ওঠে সারা দেশ। ০৪ জানুয়ারী ২০১৪ তারিখ রাতে রংপুর দেউতি বাজারের বিক্ষুব্ধ জনতা বিক্ষোভ মিছিল বের করে এবং দেউতি স্কুল এন্ড কলেজ ভোট কেন্দ্রের নির্বাচনকে বন্ধ করার লক্ষে কেন্দ্র অবরোধ করে। এই মিছিলে যোগদান করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম। মিছিল শুরু হলে সশস্ত্র আওয়ামী পুলিশ সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করলে ঘটনাস্থলেই গুলিবিদ্ধ হয়ে শাহাদাতবরণ করেন শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম।
শহীদের আপনজনদের কথা:
শহীদের স্ত্রী: আমার স্বামীকে আল্লাহ শহীদ হিসাবে কবুল করুন। আমি শহীদের স্ত্রী হিসাবে গর্বিত বড় মেয়ে: আমার পিতা ইসলামী আন্দোলন করার কারণেই তাকে হত্যা করা হয়েছে। আমরা পিতার হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।
শহীদের শালা মুহাম্মদ মাসুদ রানা
স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে লেখেন- হঠাৎ করে ডাক পড়ল এক দ্বীনি ভাইয়ের মেরাজ ভাই, বাসায় আছে? দ্বীনি ভাইয়ের এমন ডাকে চোখে কি আর ঘুম চেপে বসতে পারে। ধড়ফর করে বিছানা থেকে উঠে দাঁড়ালেন তিনি অতঃপর শার্ট পাজামা পরেই রওনা দিলেন আন্দোলনের ডাকে। পিছন থেকে ডাকবারও পর্যন্ত সময় দিলেন না স্ত্রীকে। তিনি চলে যাবার পর কিছুক্ষণ আর কোন সংবাদ নেই। রাত্রি নয়টা বাজে। চারদিকে কেমন যেন গভীর নিরবতা। ভয়ে আতঙ্কে আর এরই মধ্যে চোখে ঘুম আসল শহীদের স্ত্রী মমতাজ বেগমের। এদিকে আন্দোলনের কর্মীরাও আন্দোলনের সব রকম প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে ইতোমধ্যেই। ঐ রাত্রে মমতাজ বেগম স্বপ্ন দেখলেন। এক ভয়ানক স্বপ্ন। তিনি দেখতে পেলেন বাড়ির আঙ্গিনায় কে বা কারা তার সৌভাগ্যবান স্বামীকে গুলি করেছে। বাড়িতে লেকে লোকারণ্য, এমন সময় বিছানা থেকে চমকে উঠলেন তিনি। চোখে হালকা ঘুমের রেশও কেটে গেছে, ঘড়ির দিকে চেয়ে দেখলেন রাত দুটা বাজে।
শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম-এর শোকাহত স্ত্রী ও কন্যা
তখন শীতকাল। ঘন কুয়াশার কারণে দিনের উজ্জ্বলতা একটু কম দেখা যাচ্ছিল। এদিকে মসজিদ থেকে ভেসে আসতে লাগল মুয়াজ্জিনের কন্ঠে ফজরের আজান। তারপর শহীদ মেরাজের ছোট্ট ছেলে মোতাসিম ও তার মা বেরিয়ে পড়লো। অসহায় চোখে খুঁজতে লাগলো চারদিকে। দিনের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে মানুষের কোলাহল ও বৃদ্ধি পেতে লাগলো। মোতাসিম যেখানেই যাচ্ছে মানুষকে জিজ্ঞেস করছে। সকলেই তাকে ফিরিয়ে দিচ্ছে। লোকজন বলছে বাড়ী যাও। তোমার আব্বু ভালো আছে।
সকাল আটটা বেজে গেছে তখনও মিরাজুল ইসলামের খোঁজ পেল না তার পরিবার। এদিকে বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন আসা শুরু করল শহীদ মিরাজুলের বাসায়। একপর্যায়ে মমতাজ বেগমের বাবা বুঝিয়ে বললেন তাকে দেখ মা, মিরাজুল যে আন্দোলনে গিয়েছিল সেখানে পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছেন তিনি। শহীদ মিরাজুল ইসলাম দুই মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান রেখে দুনিয়া থেকে বিদায় নেন। বড় মেয়ে নবম শ্রেণীতে আর ছোট মেয়ের বয়স মাত্র দু বছর। আর ছেলে মোতাসিম বিল্লাহর বয়স এগারো বছর। সে এখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ছে। স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ:
মোছাঃ মমতাজ বেগম, স্ত্রী, বয়স- ২৮ বছর, গৃহিণী
মোছাঃ মোসলেমা খাতুন, মেয়ে, বয়স- ১৪ বছর, ছাত্রী
মোঃ মোতাছিম বিল্লাহ, ছেলে, বয়স- ১১ বছর, ছাত্র
মোস্তানিবা খাতুন, মেয়ে, বয়স- ৩ বছর
এক নজরে শহীদ মোঃ মিরাজুল ইসলাম
নাম: মোঃ মিরাজুল ইসলাম
পিতার নাম: মৃত, আজিম উদ্দীন মুন্সি
মাতার নাম: মৃত রহিমা বেগম
জন্ম তারিখ: ০১ জানুয়ারি ১৯৭২
ঠিকানা: গ্রাম-গুঞ্জর খাঁ, আমিনটারী, ডাকঘর- দেউতি থানা-পীরগাছা, জেলা- রংপুর
ভাই-বোন: ছয় ভাই ও চার বোনের মধ্যে সবার ছোট :
ছেলে-মেয়ে: এক ছেলে দুই মেয়ে
শিক্ষাগত যোগ্যতা: আলিম পাস
সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
আহতের ধরণ ও পরবর্তী অবস্থা
পিঠে গুলিবিদ্ধ হয়ে তাৎক্ষণিক শাহাদত বরণ করেন।
শাহাদাতের তারিখ: ০৫ জানুয়ারি ২০১৪, দেউতি কলেজ।
কাদের দ্বারা শহীদ: পুলিশ ও আওয়ামী লীগ
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍