শহীদ নাজমুল হুদা লাভলু
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
৮ মার্চ ২০১৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা সাতটার সময় শহীদ নাজমুল হুদাকে পীরগঞ্জ তার বোনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই রাতেই তিনটার সময় মিঠাপুকুর থানার বলদীপুকুর বাস স্ট্যান্ডের দুইশো গজ দক্ষিণে তাকে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে হত্যা করে।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
শহীদ নাজমুল হুদা (লাভলু) রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের শাহ মোঃ নুরনবী ও রশিদা বেগমের সন্তান। তিন ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়। ছাত্র জীবনে তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সাথী ও মিঠাপুকুর থানার সেক্রেটারীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কর্ম জীবনে তিনি ছিলেন মৎস্য চাষী। তিনি শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মিঠাপুকুর উপজেলার লতিবপুর ইউনিয়ন সেক্রেটারী ছিলেন।
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
৮ মার্চ ২০১৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা সাতটার সময় শহীদ নাজমুল হুদাকে পীরগঞ্জ তার বোনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই রাতেই তিনটার সময় মিঠাপুকুর থানার বলদীপুকুর বাস স্ট্যান্ডের দুইশো গজ দক্ষিণে তাকে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে হত্যা করে।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
৮ মার্চ ২০১৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা সাতটার সময় শহীদ নাজমুল হুদাকে পীরগঞ্জ তার বোনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে সাদা পোশাকের পুলিশ। শহীদ নাজমুল হুদা লাভলুর বড় দুলাভাই মাসুদ জানান, গত ৮ মার্চ, ২০১৫ রোববার সন্ধ্যা ৭টায় পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাটের কালানুর শাহপুর গ্রামে আমার বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাজমুল হুদা লাভলুকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। আমরা তাদের পরিচয় চাইলে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক বলে জানান। সেই রাতেই তিনটার সময় মিঠাপুকুর থানার বলদীপুকুর বাস স্ট্যান্ডের দুইশো গজ দক্ষিণে তাকে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে হত্যা করে।
গণমাধ্যমে শাহাদাতের খবর
"রংপুরে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক নেতা নিহত" শিরোনামে সাপ্তাহিক সোনার বাংলায় নিম্মোক্ত সংবাদ প্রচার করে-
সোনার বাংলা ডেস্ক: গত ৯ মার্চ রংপুরে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী ও সাবেক উপজেলা ছাত্রশিবির সেক্রেটারি নাজমুল হুদা লাভলু নিহত হয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি গুম-খুন এবং নির্যাতনে অংশ নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এক্ষেত্রে বিরোধী মতের লোকজনের সঙ্গে ভয়াবহ অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে। কাউকে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজাচ্ছে।
আবার কাউকে কাউকে ধরে নিয়ে অস্বীকার করে পরিবারকে লাশ উপহার দিচ্ছে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে অমানুষিক নির্যাতন করে পুলিশের কাছে সমর্পণ করছে। আগে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করলেও সাম্প্রতিক সময়ে গুম খুন এবং অমানবিক নির্যাতনে অংশ নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসব করে যেন তারা বিরোধী মতের মানুষের রক্ত নিয়ে হোলি খেলায় মেতে উঠেছে। এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন নির্যাতনের শিকার পরিবার এবং দেশের সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হলেও কারো কাছ থেকেই ন্যূনতম সহায়তাটুকু পাচ্ছে না। উল্টো তাদের বিরুদ্ধে দেয়া হচ্ছে ভয়াবহতম অপবাদ। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন সকল জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে চলে গেছে। ভাবখানা এমন যে তাদের আর কোনদিন জবাব দিতে হবে না। তারা সব সময় ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাবেন। আইন আদালত ভবিষ্যতে তাদের টিকিটিও ধরতে পারবে না। চিরদিন ক্ষমতায়
থেকে যাবেন তারা। গত ৯ মার্চ সোমবার এরকম কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। তাদের নির্যাতন থেকে রেহাই পাচ্ছে না জনপ্রতিনিধিরাও।
রংপুর সংবাদদাতা জানান, জেলার মিঠাপুকুরের বলদিপুকুরে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী ও সাবেক উপজেলা ছাত্রশিবির সেক্রেটারি নাজমুল হুদা লাভলু (৩০) নিহত হয়েছেন। নিহতের পরিবারের দাবি তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। এ ঘটনার বিচার দাবি করেছে জামায়াত ও শিবির নেতৃবৃন্দ।
নিহত লাভলু শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মিঠাপুকুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের সেক্রেটারী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি। তিনি উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের নূরুন্নবী শাহ-এর পুত্র। নিহতের বড় দুলাভাই মাসুদ জানান, 'রোববার সন্ধ্যা ৭টায় পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাটের কালানুর শাহপুর গ্রামে আমার বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমার ভাই নাজমুল হুদা লাভলুকে অস্ত্রের মুখে ধরে নিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ৩টায় মিঠাপুকুরের বলদিপুকুরে নিয়ে গিয়ে তাকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে। পরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশ রাখে। তারা জানান, তার ডান চোখে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা নুরুন্নবী শাহ জানিয়েছেন, পুলিশ আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে হত্যা করে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়েছে। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় জামায়াত নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, নাজমুল হুদা লাভলুকে গত রোববার রাত ৮টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার বিশমাইল নামক স্থানে তার বোনের বাড়ি থেকে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের পর রাত ৩টার দিকে পুলিশের সদস্যরা তাকে ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করে। পরে লাশ মিঠাপুকুর বলদিপুকুরে ফেলে রেখে ক্রসফায়ারের নাটক সাজায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এহেন ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রংপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা এ টি এম আজম খান, নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ আব্দুল গণি ও জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ ওবায়দুলাহ সালাফী।
এক নজরে শহীদ নাজমুল হুদা লাভলু
নাম: মোঃ নাজমুল হুদা (লাভলু)
বয়স:৩০
পেশা: মৎস্য চাষী
পিতার নাম: শাহ্ মোঃ নূরুন্নবী মিয়া, পেশা: শিক্ষকতা
মাতার নাম: মোছাঃ রশিদা বেগম, পেশা। গৃহিণী
ঠিকানা: গ্রাম- মির্জাপুর, ডাকঘর- জায়গীরহাট উপজেলা- মিঠাপুকুর, জেলা- রংপুর
ভাই-বোন: দুই ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাস
ছাত্র সংগঠনে মান ও দায়িত্ব: সাথী, মিঠাপুকুর থানা সেক্রেটারী
সর্বশেষ সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
সর্বশেষ দায়িত্ব: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, মিঠাপুকুর ইউনিয়ন সেক্রেটারী
শাহাদাতের তারিখ: ৯ মার্চ ২০১৫
শাহাদাতের সময়: রাত ৩.০০ টা
যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে যান
৮ মার্চ ২০১৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা সাতটার সময় শহীদ নাজমুল হুদাকে পীরগঞ্জ তার বোনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেই রাতেই তিনটার সময় মিঠাপুকুর থানার বলদীপুকুর বাস স্ট্যান্ডের দুইশো গজ দক্ষিণে তাকে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে হত্যা করে।
সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ:
৮ মার্চ ২০১৫ ইং তারিখ সন্ধ্যা সাতটার সময় শহীদ নাজমুল হুদাকে পীরগঞ্জ তার বোনের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে সাদা পোশাকের পুলিশ। শহীদ নাজমুল হুদা লাভলুর বড় দুলাভাই মাসুদ জানান, গত ৮ মার্চ, ২০১৫ রোববার সন্ধ্যা ৭টায় পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাটের কালানুর শাহপুর গ্রামে আমার বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নাজমুল হুদা লাভলুকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যায়। আমরা তাদের পরিচয় চাইলে তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর লোক বলে জানান। সেই রাতেই তিনটার সময় মিঠাপুকুর থানার বলদীপুকুর বাস স্ট্যান্ডের দুইশো গজ দক্ষিণে তাকে ক্রসফায়ারের নাটক সাজিয়ে হত্যা করে।
গণমাধ্যমে শাহাদাতের খবর
"রংপুরে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক নেতা নিহত" শিরোনামে সাপ্তাহিক সোনার বাংলায় নিম্মোক্ত সংবাদ প্রচার করে-
সোনার বাংলা ডেস্ক: গত ৯ মার্চ রংপুরে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী ও সাবেক উপজেলা ছাত্রশিবির সেক্রেটারি নাজমুল হুদা লাভলু নিহত হয়েছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশ ও র্যাবের পাশাপাশি গুম-খুন এবং নির্যাতনে অংশ নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এক্ষেত্রে বিরোধী মতের লোকজনের সঙ্গে ভয়াবহ অমানবিক আচরণ করা হচ্ছে। কাউকে গুলি করে হত্যা করে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজাচ্ছে।
আবার কাউকে কাউকে ধরে নিয়ে অস্বীকার করে পরিবারকে লাশ উপহার দিচ্ছে। আবার কারো কারো ক্ষেত্রে অমানুষিক নির্যাতন করে পুলিশের কাছে সমর্পণ করছে। আগে কেবল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী করলেও সাম্প্রতিক সময়ে গুম খুন এবং অমানবিক নির্যাতনে অংশ নিচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এসব করে যেন তারা বিরোধী মতের মানুষের রক্ত নিয়ে হোলি খেলায় মেতে উঠেছে। এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছেন নির্যাতনের শিকার পরিবার এবং দেশের সাধারণ মানুষ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এবং ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দ্বারা নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিরা চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন হলেও কারো কাছ থেকেই ন্যূনতম সহায়তাটুকু পাচ্ছে না। উল্টো তাদের বিরুদ্ধে দেয়া হচ্ছে ভয়াবহতম অপবাদ। অবস্থা দৃষ্টে মনে হচ্ছে ক্ষমতাসীন দলের লোকজন সকল জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে চলে গেছে। ভাবখানা এমন যে তাদের আর কোনদিন জবাব দিতে হবে না। তারা সব সময় ধরা ছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাবেন। আইন আদালত ভবিষ্যতে তাদের টিকিটিও ধরতে পারবে না। চিরদিন ক্ষমতায়
থেকে যাবেন তারা। গত ৯ মার্চ সোমবার এরকম কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে। তাদের নির্যাতন থেকে রেহাই পাচ্ছে না জনপ্রতিনিধিরাও।
রংপুর সংবাদদাতা জানান, জেলার মিঠাপুকুরের বলদিপুকুরে পুলিশের গুলিতে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের ইউনিয়ন সেক্রেটারী ও সাবেক উপজেলা ছাত্রশিবির সেক্রেটারি নাজমুল হুদা লাভলু (৩০) নিহত হয়েছেন। নিহতের পরিবারের দাবি তাকে বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে গিয়ে পুলিশ গুলি করে হত্যা করেছে। এ ঘটনার বিচার দাবি করেছে জামায়াত ও শিবির নেতৃবৃন্দ।
নিহত লাভলু শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মিঠাপুকুর উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের সেক্রেটারী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি। তিনি উপজেলার লতিফপুর ইউনিয়নের মির্জাপুর গ্রামের নূরুন্নবী শাহ-এর পুত্র। নিহতের বড় দুলাভাই মাসুদ জানান, 'রোববার সন্ধ্যা ৭টায় পীরগঞ্জ উপজেলার শানেরহাটের কালানুর শাহপুর গ্রামে আমার বাড়ি থেকে সাদা পোশাকের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আমার ভাই নাজমুল হুদা লাভলুকে অস্ত্রের মুখে ধরে নিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ৩টায় মিঠাপুকুরের বলদিপুকুরে নিয়ে গিয়ে তাকে পুলিশ গুলি করে হত্যা করে। পরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তার লাশ রাখে। তারা জানান, তার ডান চোখে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পিতা নুরুন্নবী শাহ জানিয়েছেন, পুলিশ আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে হত্যা করে বন্দুকযুদ্ধের নাটক সাজিয়েছে। এ ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
এ ঘটনায় জামায়াত নিন্দা জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন, নাজমুল হুদা লাভলুকে গত রোববার রাত ৮টার দিকে পীরগঞ্জ উপজেলার বিশমাইল নামক স্থানে তার বোনের বাড়ি থেকে সাদা পোশাকধারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের পর রাত ৩টার দিকে পুলিশের সদস্যরা তাকে ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করে। পরে লাশ মিঠাপুকুর বলদিপুকুরে ফেলে রেখে ক্রসফায়ারের নাটক সাজায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এহেন ন্যাক্কারজনক হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন রংপুর জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা এ টি এম আজম খান, নায়েবে আমীর অধ্যক্ষ আব্দুল গণি ও জেলা সেক্রেটারি মুহাম্মদ ওবায়দুলাহ সালাফী।
এক নজরে শহীদ নাজমুল হুদা লাভলু
নাম: মোঃ নাজমুল হুদা (লাভলু)
বয়স:৩০
পেশা: মৎস্য চাষী
পিতার নাম: শাহ্ মোঃ নূরুন্নবী মিয়া, পেশা: শিক্ষকতা
মাতার নাম: মোছাঃ রশিদা বেগম, পেশা। গৃহিণী
ঠিকানা: গ্রাম- মির্জাপুর, ডাকঘর- জায়গীরহাট উপজেলা- মিঠাপুকুর, জেলা- রংপুর
ভাই-বোন: দুই ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি তৃতীয়
শিক্ষাগত যোগ্যতা: এসএসসি পাস
ছাত্র সংগঠনে মান ও দায়িত্ব: সাথী, মিঠাপুকুর থানা সেক্রেটারী
সর্বশেষ সাংগঠনিক মান: জামায়াত কর্মী
সর্বশেষ দায়িত্ব: বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন, মিঠাপুকুর ইউনিয়ন সেক্রেটারী
শাহাদাতের তারিখ: ৯ মার্চ ২০১৫
শাহাদাতের সময়: রাত ৩.০০ টা
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍
🔍