শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ
আওয়ামী দুঃশাসনের বিগত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদবিরোধী শহীদ
📝 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি
শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার কামারালি গ্রামে ১৯৭৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আঃ রহিম মোড়ল ও মাতা মরহুমা আছিরন নেছার দশ সন্তানের মধ্যে শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ সপ্তম। কামারালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। তারপর অভাব অনটনের কারণে পড়ালেখা করতে পারেননি। পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে অন্যের জমিতে দিন মজুর হিসেবে কাজ করতেন। শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান আছে। অতি গরিব পরিবারের সন্তান ছিলেন, অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, বিনয়ী ও সৎ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন।
🩸 শাহাদাতের ঘটনা ও বিস্তারিত বিবরণ
"শ্রদ্ধেয়া মা মরহুমা আছিরুননেসা প্রায়ই বলতেন, 'আমার সাত সাতটি ছেলে আফসোস। অথচ আমি শহীদের মা হতে পারলাম না। তাদের শাহাদাতের মাস দশেক আগে তাদের পরম শ্রদ্ধেয়া মা প্রায় ৭৫ বছর বয়েসে ইন্তেকাল করেছেন। তাই তিনি দুনিয়াতে দেখে যেতে পারেননি যে, বাংলাদেশে এমনকি পৃথিবীতে সেই হাতেগোনা কয়েকজন মায়ের একজন যিনি দুই দুইজন শহীদ সন্তানের মা। নিশ্চয়ই জান্নাতে সকল মানুষের সামনে স্বয়ং আল্লাহর কাছ থেকে তিনি সেই মর্যাদা পাবেন।"
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার কামারালি গ্রামে ১৯৭৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আঃ রহিম মোড়ল ও মাতা মরহুমা আছিরন নেছার দশ সন্তানের মধ্যে শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ সপ্তম। কামারালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। তারপর অভাব অনটনের কারণে পড়ালেখা করতে পারেননি। পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে অন্যের জমিতে দিন মজুর হিসেবে কাজ করতেন। শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান আছে। অতি গরিব পরিবারের সন্তান ছিলেন, অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, বিনয়ী ও সৎ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় এবং মাওলানা সাঈদী ভক্তদের ওপর সরকারি বাহিনীর নির্বিচারে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে ৩-৪ মার্চ ২০১৩ ইং সারাদেশে হরতাল পালন করার কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তাফসিরকারক আল্লামা সাঈদী সাহেবের ওপর দেয়া সাজানো ফাঁসির রায় অনেক ইসলামপন্থী জনতা মেনে নিতে পারেননি। তাই ৪ মার্চ সারা দেশের মত সাতক্ষীরায়ও তৌহিদী জনতা ও হাজার হাজার সাঈদী ভক্ত সাধারাণ মানুষ পিকেটিং করতে রাস্তায় বেরিয়ে যায়। কিন্তু শান্তিপূর্ণ হরতালে সরকার পুলিশ, বিজিবি ও সরাকারি গুণ্ডা লেলিয়ে দেয়। রাস্তায় রাস্তায় পিকেটারদের ওপর তারা অতর্কিত গুলি চালায়। কলারোয়ার কামারালি এলাকায় সাধারণ সাঈদী ভক্তদের মাঝে বিজিবি অতর্কিত গুলি চালায়।
হরতালে যখন বিজিবি বাধা দিচ্ছিল তখন তিনি অন্যের জমিতে দিনমজুরির কাজ করছিলেন। কাজ ছেড়ে বাড়িতে এসে অজু করে তার পরিবারের কাছ থেকে দোয়া নিয়ে দুই ভাই বেরিয়ে পড়েন মিছিলে। মিছিলে উফাপুর প্রাইমারি স্কুলের প্রাঙ্গণে পাকা রাস্তার ওপর সকাল ১১টার দিকে সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে বিজিবি গুলি করে। এতে তার বড় ভাই রুহুল আমীন গুলিবিদ্ধ হন ও শাহাদাত বরণ করেন। অতঃপর তিনি সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তারও শরীরে, পায়ে এবং বুকে গুলি লেগে পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করলে তিনি শাহাদাত বরণ করেণ। ৪ মার্চ সোমবার পোস্টমর্টেম ছাড়াই কামারালি দাখিল হাইস্কুল মাঠে আসর নামাজের পর দুই ভাইয়ের একসাথে জানাযা ও দাফন করা হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন শহীদদের সেজোভাই মাওলানা হাসানুজ্জামান। জানাযায় প্রায় ২৫ হাজার লোক অংশগ্রহণ করেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় এবং মাওলানা সাঈদী ভক্তদের ওপর সরকারি বাহিনীর নির্বিচারে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে ৩-৪ মার্চ ২০১৩ ইং সারাদেশে হরতাল পালন করার কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সারা দেশের মত সাতক্ষীরার কলারোয়ায়ও তৌহিদী জনতা ও হাজার হাজার সাঈদী ভক্ত সাধারাণ মানুষ পিকেটিং করতে রাস্তায় বেরিয়ে যায়। কিন্তু শান্তিপূর্ণ হরতালে সরকার পুলিশ, বিজিবি ও সরকারি গুণ্ডা লেলিয়ে দেয় তারা কলারোয়ার কামারালি এলাকায় সাধারণ সাঈদী ভক্তদের মাঝে বিজিবি অতর্কিত গুলি চালায়। এখানেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
৪. শহীদের স্বজনদের কথা
আরিফ বিল্লাহ স্থানীয় জামায়াতের কর্মী এবং টিম মেম্বার ছিলেন। তিনি অত্যন্ত চাপা স্বভাবের মানুষ ছিলেন। শহীদের শ্রদ্ধেয়া মা মরহুমা আছিরুননেসা প্রায়ই বলতেন, 'আমার সাত সাতটি ছেলে আফসোস! অথচ আমি শহীদের মা হতে পারলাম না। তাদের শাহাদাতের মাস দশেক আগে তাদের পরম শ্রদ্ধেয়া মা প্রায় ৭৫ বছর বয়েসে ইন্তেকাল করেছেন।
শহীদের স্ত্রী: আমি স্বপ্নে দেখি, 'সাদা পাঞ্জাবি গায়ে আমার স্বামী হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।'
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ (০৬৯), পেশা: দিনমজুরি।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৬ আগস্ট, ১৯৭৪ ইং, ৩৯ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৪ মার্চ ২০১৩, সকাল ১১টা, বিজিবির গুলি তার বুকে লেগে পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়।
শাহাদাতের তারিখ: ৪ মার্চ ২০১৩। স্থান: কলারোয়ার কামারালি, সাতক্ষীরা। দাফন করা হয়। নিজেদের পারিবারিক কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: কামারালি, ডাকঘর: কামারালি, থানা: কলারোয়া, জেলা: সাতক্ষীরা।
পিতা: মৃত আঃ রহিম মোড়ল।
মাতা: মৃত আছিরন নেছা।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব ৩ শতক জমিতে জরাজীর্ণ বাড়ি। নিজেদের কোন আবাদি জমি নেই, অন্যের জমিতে দিনমজুরি করে কোন রকমে সংসার পরিচালনা করতেন।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী-নাছিমা খাতুন, ৩১ বছর, গৃহিণী। সন্তান-শাহানাজ পারভীন পলি, ১৬ বছর, কামারালি দাখিল মাদ্রাসা হতে দাখিলে এ প্লাস পেয়ে পাস করেছে। রাশেদুল ইসলাম, ১২ বছর, ৬ষ্ঠ শ্রেণী, কামারালি দাখিল মাদ্রাসা।
ভাই-বোনের বিবরণ: ছবুরুননেসা, বিবাহিতা। মো: মিজানুর রহমান, সহকারী মৌলভী, কামারালি দাখিল মাদ্রাসা। মোঃ আঃ মজিদ, দিনমজুর। মো: হাসানুজ্জামান, দিনমজুর। মো: আবুল হোসেন, সেকশন অফিসার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ। শহীদ রুহুল আমিন, শহীদ। শহীদ আরিফ বিল্লাহ, শহীদ। কুলসুম খাতুন, বিবাহিতা। আব্দুল্লাহ আল মামুন, দিনমজুর। ফাতেমা খাতুন, বিবাহিতা।
১. শহীদের পরিচিতি
শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, সাতক্ষীরার কলারোয়া থানার কামারালি গ্রামে ১৯৭৪ সালে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মরহুম আঃ রহিম মোড়ল ও মাতা মরহুমা আছিরন নেছার দশ সন্তানের মধ্যে শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ সপ্তম। কামারালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৯ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেন। তারপর অভাব অনটনের কারণে পড়ালেখা করতে পারেননি। পড়ালেখা ছেড়ে দিয়ে অন্যের জমিতে দিন মজুর হিসেবে কাজ করতেন। শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ, বিবাহিত ছিলেন এবং তার এক মেয়ে ও এক ছেলে সন্তান আছে। অতি গরিব পরিবারের সন্তান ছিলেন, অত্যন্ত নম্র, ভদ্র, বিনয়ী ও সৎ চরিত্রের অধিকারী ছিলেন।
২. যেভাবে তিনি আল্লাহর ডাকে চলে গেলেন
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় এবং মাওলানা সাঈদী ভক্তদের ওপর সরকারি বাহিনীর নির্বিচারে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে ৩-৪ মার্চ ২০১৩ ইং সারাদেশে হরতাল পালন করার কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন তাফসিরকারক আল্লামা সাঈদী সাহেবের ওপর দেয়া সাজানো ফাঁসির রায় অনেক ইসলামপন্থী জনতা মেনে নিতে পারেননি। তাই ৪ মার্চ সারা দেশের মত সাতক্ষীরায়ও তৌহিদী জনতা ও হাজার হাজার সাঈদী ভক্ত সাধারাণ মানুষ পিকেটিং করতে রাস্তায় বেরিয়ে যায়। কিন্তু শান্তিপূর্ণ হরতালে সরকার পুলিশ, বিজিবি ও সরাকারি গুণ্ডা লেলিয়ে দেয়। রাস্তায় রাস্তায় পিকেটারদের ওপর তারা অতর্কিত গুলি চালায়। কলারোয়ার কামারালি এলাকায় সাধারণ সাঈদী ভক্তদের মাঝে বিজিবি অতর্কিত গুলি চালায়।
হরতালে যখন বিজিবি বাধা দিচ্ছিল তখন তিনি অন্যের জমিতে দিনমজুরির কাজ করছিলেন। কাজ ছেড়ে বাড়িতে এসে অজু করে তার পরিবারের কাছ থেকে দোয়া নিয়ে দুই ভাই বেরিয়ে পড়েন মিছিলে। মিছিলে উফাপুর প্রাইমারি স্কুলের প্রাঙ্গণে পাকা রাস্তার ওপর সকাল ১১টার দিকে সম্পূর্ণ বিনা উসকানিতে বিজিবি গুলি করে। এতে তার বড় ভাই রুহুল আমীন গুলিবিদ্ধ হন ও শাহাদাত বরণ করেন। অতঃপর তিনি সামনে যাওয়ার চেষ্টা করেন। তারও শরীরে, পায়ে এবং বুকে গুলি লেগে পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। পরে স্থানীয় ক্লিনিকে ভর্তি করলে তিনি শাহাদাত বরণ করেণ। ৪ মার্চ সোমবার পোস্টমর্টেম ছাড়াই কামারালি দাখিল হাইস্কুল মাঠে আসর নামাজের পর দুই ভাইয়ের একসাথে জানাযা ও দাফন করা হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন শহীদদের সেজোভাই মাওলানা হাসানুজ্জামান। জানাযায় প্রায় ২৫ হাজার লোক অংশগ্রহণ করেন।
৩. সামগ্রিক ঘটনার বিবরণ
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ তারিখ বৃহস্পতিবার আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায় এবং মাওলানা সাঈদী ভক্তদের ওপর সরকারি বাহিনীর নির্বিচারে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদে ৩-৪ মার্চ ২০১৩ ইং সারাদেশে হরতাল পালন করার কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সারা দেশের মত সাতক্ষীরার কলারোয়ায়ও তৌহিদী জনতা ও হাজার হাজার সাঈদী ভক্ত সাধারাণ মানুষ পিকেটিং করতে রাস্তায় বেরিয়ে যায়। কিন্তু শান্তিপূর্ণ হরতালে সরকার পুলিশ, বিজিবি ও সরকারি গুণ্ডা লেলিয়ে দেয় তারা কলারোয়ার কামারালি এলাকায় সাধারণ সাঈদী ভক্তদের মাঝে বিজিবি অতর্কিত গুলি চালায়। এখানেই তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
৪. শহীদের স্বজনদের কথা
আরিফ বিল্লাহ স্থানীয় জামায়াতের কর্মী এবং টিম মেম্বার ছিলেন। তিনি অত্যন্ত চাপা স্বভাবের মানুষ ছিলেন। শহীদের শ্রদ্ধেয়া মা মরহুমা আছিরুননেসা প্রায়ই বলতেন, 'আমার সাত সাতটি ছেলে আফসোস! অথচ আমি শহীদের মা হতে পারলাম না। তাদের শাহাদাতের মাস দশেক আগে তাদের পরম শ্রদ্ধেয়া মা প্রায় ৭৫ বছর বয়েসে ইন্তেকাল করেছেন।
শহীদের স্ত্রী: আমি স্বপ্নে দেখি, 'সাদা পাঞ্জাবি গায়ে আমার স্বামী হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছেন।'
৫. ব্যক্তিগত প্রোফাইল
নাম: শহীদ মো: আরিফ বিল্লাহ (০৬৯), পেশা: দিনমজুরি।
জন্ম তারিখ ও বয়স: ৬ আগস্ট, ১৯৭৪ ইং, ৩৯ বছর। আহত হওয়ার তারিখ: ৪ মার্চ ২০১৩, সকাল ১১টা, বিজিবির গুলি তার বুকে লেগে পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়।
শাহাদাতের তারিখ: ৪ মার্চ ২০১৩। স্থান: কলারোয়ার কামারালি, সাতক্ষীরা। দাফন করা হয়। নিজেদের পারিবারিক কবরস্থান।
স্থায়ী ঠিকানা: গ্রাম: কামারালি, ডাকঘর: কামারালি, থানা: কলারোয়া, জেলা: সাতক্ষীরা।
পিতা: মৃত আঃ রহিম মোড়ল।
মাতা: মৃত আছিরন নেছা।
বাড়ি-ঘর ও সম্পদের অবস্থা: নিজস্ব ৩ শতক জমিতে জরাজীর্ণ বাড়ি। নিজেদের কোন আবাদি জমি নেই, অন্যের জমিতে দিনমজুরি করে কোন রকমে সংসার পরিচালনা করতেন।
স্ত্রী ও সন্তানদের বিবরণ: স্ত্রী-নাছিমা খাতুন, ৩১ বছর, গৃহিণী। সন্তান-শাহানাজ পারভীন পলি, ১৬ বছর, কামারালি দাখিল মাদ্রাসা হতে দাখিলে এ প্লাস পেয়ে পাস করেছে। রাশেদুল ইসলাম, ১২ বছর, ৬ষ্ঠ শ্রেণী, কামারালি দাখিল মাদ্রাসা।
ভাই-বোনের বিবরণ: ছবুরুননেসা, বিবাহিতা। মো: মিজানুর রহমান, সহকারী মৌলভী, কামারালি দাখিল মাদ্রাসা। মোঃ আঃ মজিদ, দিনমজুর। মো: হাসানুজ্জামান, দিনমজুর। মো: আবুল হোসেন, সেকশন অফিসার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ। শহীদ রুহুল আমিন, শহীদ। শহীদ আরিফ বিল্লাহ, শহীদ। কুলসুম খাতুন, বিবাহিতা। আব্দুল্লাহ আল মামুন, দিনমজুর। ফাতেমা খাতুন, বিবাহিতা।
📸 তথ্য ও স্মৃতি সম্বলিত আলোকচিত্র
🔍